নিভৃতে

রীনা গুলশান

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

১৮

আজ সকাল থেকেই একেবারে স্বচ্ছ আকাশ। কোথাও মেঘলার একটু ছিটেফোটাও নাই। কে বলবে, গত দুদিন কি ভীষণ বাজে আবহাওয়া ছিল! এই রকম স্যাতসেতে গম্ভীর আবহাওয়ায় মনটাও বিমর্ষ হয়ে যায়। এমনিতেই সারার মনটা প্রচন্ড ব্যতিব্যস্ত হয়ে আছে। শরীরটা তার যদিও এখানেই পড়ে আছে। কিন্তু মনটা তার ভ্যালেলংগাতেই পড়ে আছে। ওখানে যে ওর মা আছে, শুধু তাই-ই না। ওখানে ওর জানটাও যে আজ ৩/৪ দিন ধরে আছে। তাই সারা কেবল ছটফট করছে, কখন সে ওখানে উড়াল দিবে?

সারাতো পরের দিনই যেতে চেয়েছিল। কিন্তু ওর মা-ই বললো, কয়েকটি দিন ফাবিয়ানকে একা থাকতে দে?। দেখি আগে ফাবি কি রকম মন-মানসিকতা নিয়ে এসেছে। সেই জন্য সারা এই রকম ছটফট করছে। এদিকে ডেভিড এবং নাটালি আরো ছটফট করছে তাদের বড় ভাইকে দেখার জন্য। স্টিভেনও এবারে বলেছে,

: আমি কিন্তু যাচ্ছি তোমার সাথে। ফাবিয়ান যতই আমাকে ঘৃণা করুক, আমার কিছুই আসে-যায় না। আমিতো ওকে ভালোবাসি। এটাই যথেষ্ঠ, বুঝলে?

: কিন্তু তুমি জানো, ফাবি কি রকম জেদী। হয়তো তোমার সাথে ভালো ব্যবহার করবে না।

: সারা, তুমি ভালো করেই জানো, আমি সেটা আশাও করি না। তবুও আমি ওকে বোঝতে চাই যে, আমি ওকে ডেভিড বা নাটালির থেকে বেশি ছাড়া কম ভালোবাসি না।

: সেটাতো আমি জানি স্টিভেন। কিন্তু ঐ ছেলেটা দ্যাখো না, বুঝতেই চায় না। সারার গলাটা ধরে আসে। বোজা গলাতেই বলে, কতবার বলেছি কোন একটা ভ্যাকেশনে সুইডেনে চলে আয়। আমাকে বোকা বানায় যে, পাসপোর্ট নাই। পাসপোর্ট হলেই আসবো। আমি যেন কিছুই জানি না, কানাডিয়ান পিয়ার কার্ডধারীরা পৃথিবীর সব দেশেই যেতে পারে।

: ঠিক আছে, মন খারাপ করো না। তুমিতো নিজেই বললে যে জন্মোবোধি ফাবি খুউব জেদী। তাছাড়া আমরাও তো সেই কবে থেকেই দূরে পড়ে রইলাম।

: হু! ওটাইতো ফাবি কোনভাবেই মেনে নিতে পারলো না। ওর মনে হলো, ওর মা ওকে ছেড়ে ইচ্ছা করেই দূরে চলে এসেছে। এরপর সুইডেনে কতবার আনতে চাইলাম, তাও আসলো না।

: অবশ্য এটাও ঠিক যে, ফাবিয়ানকে নিয়ে আসলে তোমার মায়েরও বেঁচে থাকা খুব কষ্টকর হতো।

: হু, ঠিকই বলেছো, মায়ের কথাটি ভেবেই তো আমি তেমন একটা জোর করিনি।

: কিন্তু জানো সারা, আমাদের এই গোটা বিবাহিত জীবনটাতে, আমার সব সময় মনে হয়েছে, আমি তোমাকে পুরোপুরি কখনো পাইনি।

: তার মানে তুমি বলতে চাচ্ছে, আমি তোমাকে কখনো সর্বসত্ত্বা দিয়ে ভালোবাসিনি? নাহ্ স্টিভেন, সারা স্টিভেনের হাতটি তার দুই করতল দিয়ে জড়িয়ে নেয় গভীর ভালোবাসায়। আমি তোমাকে কখন জানি, কিভাবে আমার সবটুকু দিয়ে ভালোবেসে ফেলেছি। যখন ফ্রাঙ্কের চিটিং আমার চোখে ধরা পড়লো এবং আমার জীবন থেকে সে চলে গেলো। আমার সত্যি মনে হয়েছিল আমি আর এই জীবনে কখনো কাউকে ভালোবাসতে পারবো না। তারপর বাবা হারা ফাবিয়ান আমাকে পুরোপুরি গ্রাস করলো। আমিও আমার সব শূন্যতা দিয়ে ফাবিকে আঁকড়ে ধরেছিলাম। কৈ তবুও তো আমার শূন্যতা যাচ্ছিল না? তারপর হঠাৎ খুউব সন্তর্পণে তুমি এলে আমার জীবনে। আমার সব শূন্যতা, আমার হাহাকার, আমার একাকীত্ব এবং আমার এক সাগর কান্না সব, সবই ভেসে গেলো তোমার ভালোবাসার জোয়ারে।

: তাই? স্টিভেন গভীর আবেগে সারাকে জড়িয়ে ধরলো। ওকে ভালোবাসায় ভাসিয়ে দিল গভীর উষ্ণতায়।

১৯

স্টিভেন এরকমই। দেখলে মনে হবে খুব কাটখোট্টা ধরনের। আসলে ওর ভেতরটা একেবারে অন্য রকম। সবার জন্যই প্রচণ্ড ভালোবাসা। আর সবার প্রতিই দারুণ কর্তব্য পরায়ণ। এই যে ফাবিয়ানের জন্য মাসে মাসে ইউরো পাঠিয়েছে, সারা (মাঝে মধ্যে তো বেশ মোটা অংকের ইউরো পাঠাতে হয়েছে)। এর সবই স্টিভেন পাঠিয়েছে। সারা তো প্রথমে এসেই একটা পার্লারে জয়েন করেছিল। কমিশন ভিত্তিতে। ভালোই ইনকাম হচ্ছিলো। প্রতি মাসে ভালো একটা অংক মাকে পাঠাতো। এরই মধ্যে হঠাৎ করে ডেভিড পেটে এলো। আর সারা প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়লো। প্রথম দিকেতো বিছানা থেকে উঠতেই পারছিল না। সকালের প্রাত্যহিক অসুস্থতার পাশাপাশি বাঁ পায়ে প্রেগনেন্সি সাইটিকা হলো। উঠে দাঁড়াতেই পারতো না। কোন কাজতো দূরে থাক। স্টিভেনেরও তখন তার দুলাভাইয়ের সাথে বিজনেসে নতুনভাবে জড়িয়ে পড়া। তাই তার ব্যস্ততাও ছিল অস্বাভাবিক। তার মধ্যেও সকালের নাস্তা বানিয়ে সারাকে খাইয়ে, বেরিয়ে যেত। লাঞ্চে বাইরের থেকেই বেশির ভাগ সময় খাবার এনে দুজন বসে খেত, রাতে আবার টুকটাক সারার কাছ থেকে শুনে শুনে কিছু রান্না করতো। এরই মধ্যে এক দুপুরে হঠাৎ জেনিলিয়া গ্যালাটি ব্যাগ-ব্যাগেজ নিয়ে এসে হাজির। সারাতো ভীষণ অবাক। জেনিলিয়ার পেছনে দাঁড়িয়ে স্টিভেন মিটিমিটি হাসছে।

: ওমা! তুমি কখন এলে? মাম্ (স্টিভেন ওর মাকে মাম্ ডাকে), গতকালও কথা হলো, কৈ কিছুইতো বললে না? সারার বিস্মিত প্রশ্ন।

: বারে, যদি বলেই দিতাম তাহলে যে সারপ্রাইজটা দিলাম, এটা হতো? জেনিলিয়া কাছে এসে সারাকে দু’হাতে জড়িয়ে ধরে আদরের চুমোয় ভরে দিল। তারপর হাসতে হাসতে ব্যাগ খুলতে খুলতে বললো, এই দ্যাখ তোর মা কত কি খাবার পাঠিয়েছে? ৪/৫ রকমের সস, আচার, জেলি এমনকি তার বিখ্যাত মিটবল পাস্তাও পাঠিয়েছে। তোর অনেক প্রিয় বলে…

: ওমা, তোমরা দুজন না- সারা আর বলতে পারে না, আনন্দে কেঁদে ফেলে। কারণ, এই ৭/৮ সপ্তাহ সে নিজেকে খুবই অসহায় মনে করেছে। একদিকে শারীরিক অসুস্থতা। অন্যদিকে স্টিভেনের জন্য খুবই খারাপ লাগছিল। তার প্রতি এত প্রেসার পড়ছিল বলে। স্টিভেন অবশ্য তাকে মুখ দিয়ে কখনো বলেনি যে, সারা চাকরি ছেড়ে দাও। কারণ স্টিভেন জানে, তাহলে সারা আহত হতে পারে।

সারা নিজেই চাকরি ছেড়ে দিল। যখন দেখলো একদিকে তার শারীরিক অসুস্থতা, অন্যদিকে স্টিভেন ব্যবসাও বেশ রমরমাই চলছিল।

আর বেশ অনেক দিন পর এই দ্বিতীয় মাতৃত্বে একদিকে যেমন অসুস্থতা ছিল, আবার একই সাথে একটা অপরিমেয় আনন্দে তার ভেতরটা ভরেছিল। তার মনে হয়েছিলো এবার সময় হয়েছে, তার সর্বসত্ত্বা দিয়ে সংসারে মনোনিবেশ করা। জীবনে কখনো প্রকৃত অর্থে সাংসারি হওয়া যাকে বলে, সে তা করেনি। ফ্রাঙ্কের সাথে জীবনটা বাপের বাড়িতেই ছিল। তখন সেই বিবাহিত জীবনের জন্য তার ছিল একই সাথে গভীর লজ্জা ও বিড়ম্বনা। কারণ কোন মেয়েই বিয়ের পর বাপের বাড়ি থাকতে চায় না। বিশেষ করে যদি সেই স্বামী আরো বেকার হয়। আবার তার মধ্যে সন্তানের জন্ম দেওয়া। সারার প্রথম মাতৃত্ব ছিল একই সাথে গভীর আনন্দ। কারণ তার প্রথম মাতৃত্ব। আবার তার সাথে ছিল গভীর লজ্জাও। তবুও যখন ফাবির জন্ম হলো, প্রথম কোলে নিল তাকে, মনে হলো আকাশ থেকে নেমে এলো এক কণা চাঁদের পরশ। এত সুন্দর ছিল, ফাবিয়ান। বেশির ভাগটাই ছিল বাবার ফ্রাঙ্কের মত। ফ্রাঙ্কের ঐ রূপ দেখেইতো সে ভুলেছিল। আর সবইতো ছিল মাইনাস। এমনকি ঐ রকম সুন্দর একটা ছেলে পেয়েও সে খুব খুশি হয়নি। জীবনেও তাকে কোন কিছু কিনে এনে দেইনি। ফ্রাঙ্কের মধ্যে কোন পিতৃত্বই ছিল না। খুবই আশ্চর্যজনক ঘটনা। আর তাইতো যখন সে চলে গ্যালো জীবনে কখনো একটি বারের জন্যও ছেলেকে দেখতে আসেনি।

আজ এই সুখের দিনে সারা ঐ পাষন্ডটার কথা মনে করতে চায় না।

সারা তার শাশুড়িকে পেয়ে এত খুশি হলো যে, মনে হলো তার অসুস্থতার অর্ধেকটাই ভাল হয়ে গেল। জেনিলিয়াও খুব খুশি। প্রথম দাদী হতে যাচ্ছে। এর আগে অবশ্য নানী হয়েছে। তার একটাই মেয়ে স্টেফানি এবং জামাই বব। এদের অনেক আগেই বিয়ে হয়েছে। তাদের তিনটা মেয়ে। জেনিলিয়া তাদেরও অনেক ভালোবাসে। তবু ক্যানো জানি এবারে তার ভেতরে কি এক অজানিত আনন্দে টগবগ করছে। এমনকি ইটালিতেই আর ফিরে যেতে ইচ্ছা করছে না। তবুও ফিরে যেতে হবে। তার নিজের এত দিনের বিজনেস। কাটিনজিরোর সব থেকে বড় ‘স্পা’ তার। যদিও তার ‘স্পা’তে যে ম্যানেজার আছে ‘মনিকা’ খুবই বিশ্বস্ত এবং কর্মঠ। ১৭ বছর ধরে সে জেনিলিয়ার সাথে রয়েছে। মনিকা এটাকে তার নিজেরই ‘স্পা’ মনে করে। তাইতো জেনিলিয়া এতদিনের জন্য আসতে পেরেছে।

সে মোটামুটি সারাকে নড়তেই দিচ্ছে না। সারা খুবই বিব্রত বোধ করছে। প্রতিদিন সকালে তার প্রথম কাজ সকালের নাস্তার টেবিলে জিজ্ঞাসা করবে আজ কি খাবি সারা?

সারা হাসে। আবার না বললে শাশুড়ি মাইন্ড করবে ভেবে বলে, আজ এটা খাবো, ওটা খাবো। আর সে খুবই উদ্ভাসিত মুখে বেরিয়ে যাবে বাজারে। তারপর বাজার এনে রান্না করবে। আর সারাকে খাওয়াবে।

চার মাস পর সারা খুবই সুস্থ হয়ে গেল। তখন সব খেতে পারে। কোন মরনিং সিকনেস নাই। রান্না করলে কোন গন্ধও লাগে না। তাই তখন জেনিলিয়া বললো-

: সারা, আমি এবারে যাই ইটালিতে। আবার বাচ্চা হবার ঠিক আগে আগে আসবো। কারণ ঐ সময় তোর খুব দরকার হবে আমাকে।

সারাও বললো-

: হ্যাঁ মাম্, এবারে যাও। আমি এখন অনেক ভালো বোধ করছি।

যাবার আগে স্টিভেন তার মায়ের হাতে অনেক গিফট কিনে দিল ফাবিয়ানের জন্য। সারা জানেও না, এগুলো সে কখন কিনেছিল। সারা শুধু ফাবির প্রিয় কিছু ক্যান্ডি আর কয়েকটি বই কিনে দিল।

তারপর ঠিক বাচ্চা হবার ২ সপ্তাহ আগেই জেনিলিয়া আবার চলে এলো। যদিও আমান্ডা খুব ছটফট করছিল আসবার জন্য। কিন্তু তখন ফাবিয়ানের পরীক্ষা চলছিল। সারাও চাচ্ছিল যেন মা আসে ফাবিকে নিয়ে। ফাবিয়ানকে দেখার জন্য সারার মনটা বড় অস্থির ছিল। কিন্তু ওরা এলো না। আমান্ডা নতুন বাচ্চার জন্য অনেক কিছু দিয়ে দিয়েছিল। উলের হাতে বোনা বাটার কালারের মাথার টুপি, সোয়েটার, প্যান্ট। আবার ফাবিয়ানের ছোটবেলার বেশ কিছু কাপড় সারা যত্ন করে রেখে দিয়েছিল। সেগুলোও সুন্দর একটা প্যাকেটের মধ্যে আমান্ডা দিয়ে দিয়েছিল। প্যাকেটটা খুলে সারা গভীর আনন্দে এবং ফাবিয়ানের স্মৃতি রোমান্থনে এক রাশ কান্নায় ভেঙ্গে পড়লো। স্টিভেন তাকে সেই কান্নার মধ্যে একাকী ছেড়ে অন্য ঘরে চলে গ্যালো, সাথে জেনিলিয়াকে নিয়ে গ্যালো। কিছু কিছু কান্না সবার সামনে কাঁদা যায় না। তাতে মন হালকা হয় না। এই সব অঝোর কান্নায় বুকের ভেতরটা বহুলাংশে হালকা হয়। সেই জন্যই সারা, স্টিভেনকে শুধু ভালোই বাসে না, শ্রদ্ধাও করে অপরিসীম। স্টিভেন তার প্রতিটি পদচিহ্নে শ্রদ্ধার জন্য কিছু ফেলে যায়।

খুব শিঘ্রি কোল জুড়ে এলো ডেভিড। ডেভিড দেখতে একদম সারার মত হয়েছে। আর তাতেই যে মা-ছেলের আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে গ্যালো। খুব বড় পার্টি দিল পুত্রের মুখ দেখাবার জন্য স্টিভেন।

এর ঠিক দু’বছর পর এলো নাটালি নাটালি দেখতেও ভায়ের মত। চোখ দুটো বড় বড়, স্নিগ্ধ মিষ্টিতায় ভরপুর নাটালি। বছরে ১/২ বার যায় সারা ফাবিয়ানকে দেখতে, ওর ভাই বোনকে নিয়ে।

এরপর ফাবিয়ান গ্রেড টুয়েলভ পাশ করেই হঠাৎ রোমে যাবার সিদ্ধান্ত নিল। মিউজিকের উপর পড়তে। যদিও কাটিনজারোতে অনেকেই গ্রাড করছে। তারপর আমান্ডার কান্না ভরা অশ্র“রই জয় হলো। সিদ্ধান্ত হলো কাটিনজারোতেই মিউজিকের উপর গ্রাড করবে এবং রোমে মাস্টার্স করতে যাবে। ওর ভার্সিটির যাবতীয় খরচা স্টিভেন সারার হাত দিয়ে পাঠিয়েছে। এমনকি ছেলে ভার্সিটিতে যাবে বলে প্রায় ১৫টির মত সব ব্রান্ডেড প্যান্ট, সার্ট পোস্টালে পাঠিয়ে দিল। বাবার সব দায়িত্বই স্টিভেন নিপুণভাবে করেছে। শুধু কাছে এসে থাকতে পারেনি। তবু বছরে দুই বার অন্তত সারা গেছে ছেলেদের কাছে।

যদিও সেই সময়টাতেও ফাবি বেশ দূরত্ব বজায় রেখেছে। কিন্তু ডেভিড আর নাটালিকে ফাবি বরাবর খুব ভালোবাসতো। ওরাও ভায়ের জন্য পাগল থাকতো। ওদের সাথে ঠিকই কণ্টাক্ট করতো। শুধু সারাতে এসেই ফাবির যত যন্ত্রণা, কষ্ট, রাগ আর এক বুক অভিমান। (চলবে)

রীনা গুলশান

রীনা গুলশান, টরন্টো
gulshanararina@gmail.com
(লেখক রীনা গুলশান বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স। ইতিপূর্বে বাংলাদেশের বিভিন্ন দৈনিক, সাপ্তাহিক এবং মাসিকে তার কবিতা, ছোটগল্প, প্রবন্ধ, রম্য রচনা প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত হয়েছে কানাডার বিভিন্ন বাংলা পত্রিকাতেও। তিনিপ্রবাসী কণ্ঠম্যাগাজিন এর একজন নিয়মিত কলামিস্ট।)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *