হীনমন্যতায় ভোগেন বলিউড খিলাড়ি অক্ষয় কুমার!
প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২০ এপ্রিল, ২০২৬ : অক্ষয় কুমার একজন চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব। মার্শাল আর্ট পারদর্শী অক্ষয় প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ারে ১৫০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। কর্মজীবনের শুরুতে ব্যাংককে এবং কিছুদিন ঢাকায় শেফ ও ওয়েটার হিসেবে কাজ করেছেন। পরে মডেলিংয়ের মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন । ১৯৯২ সালের ‘খিলাড়ি’ সিনেমার সাফল্যের পর তিনি ‘খিলাড়ি কুমার’ নামে জনপ্রিয়তা পান। কিন্তু বলিউডের সুপার স্টার সেই খিলাড়ি নাকি হীনমন্যতায়ও ভোগেন! কারণটা কি?

অক্ষয় জানান, কখনো কখনো উচ্চতর ডিগ্রিধারী মানুষের সামনে দাঁড়ালে নিজেকে তার খুব ‘ছোট’ মনে হয়। এনডিটিভি জানায় সম্প্রতি রিয়্যালিটি শো ‘হুইল অব ফরচুন’-এর একটি পর্বে প্রতিযোগীদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় অক্ষয় নিজের এই গোপন অনুভূতির কথা প্রকাশ্যে আনেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সোনালী নামের এক উচ্চশিক্ষিত প্রতিযোগীর ভূয়সী প্রশংসা করতে গিয়ে অক্ষয় বলেন, ‘আমার মতো যারা খুব বেশি পড়াশোনা করার সুযোগ পায়নি, তারা আপনাদের মতো মানুষদের সামনে এলে মাঝে মাঝে খুব ছোট বোধ করে।’ আক্ষেপের সুরে এই অভিনেতা আরও যোগ করেন, ‘জীবনের এই পর্যায়ে এসে তার মনে হয় যদি আরও একটু পড়াশোনা করতেন তবে হয়তো ভালো হতো।’
উকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী অক্ষয় কুমারের জন্ম পাঞ্জাবের অমৃতসরে৷ বাবা সামরিক বাহিনীতে ছিলেন। তার মায়ের নাম আরুনা ভাটিয়া। কুমার নাচিয়ে হিসেবে বেশি পরিচিত ছিলেন। মুম্বইয়ে স্থানান্তর হওয়ার পূর্বে তিনি দিল্লির চাঁদনি চকে থাকতেন। মুম্বইয়ে তিনি কলিওারাতে থাকতেন, সেখানকার অধিকাংশ মানুষ ছিলো পাঞ্জাবী। তিনি মুম্বইয়ের ডন বসকো স্কুল এ পড়েন এবং পরে তিনি মুম্বইয়ের গুরু নানক খালসা কলেজএ পড়াশোনা করেন।
মার্শাল আর্ট এর প্রতি ছিল তার বিশেষ ঝোক। অনুশীলন করে ব্লাক বেল্ট পাওয়ার পর আরো উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য তিনি ব্যাংককও এ যান। পরে সেখানে একটি হোটেলে ওয়েটারের কাজ করেন। তিনি বাংলাদেশ এর রাজধানী ঢাকার হোটেল পূর্বাণীতেও কিছুদিন শেফ (রাঁধুনী) হিসেবে কাজ করেছেন।
