প্রতিদিন গোসল না করাই স্বাস্থ্যকর!
প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ : স্বাস্থ্যের দিক বিবেচনায় আমরা প্রতিদিনই গোসল করি। গ্রষ্মপ্রধান দেশেতো করিই, এমনকি শীতপ্রধান দেশেও কেউ কেউ করে থাকেন। কিন্তু এই অভ্যাস যে খুব উপকার করে—এমন প্রমাণ কিন্তু খুব পরিষ্কার নয়। বরং কিছু ক্ষেত্রে প্রতিদিন গোসল করা ক্ষতিকরও হতে পারে। এমনটাই বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। হার্ডভার্ড হেলথ পাবলিশিং এর বরাত দিয়ে ‘কালবেলা’ জানায়,

“স্বাভাবিক ও সুস্থ ত্বকে একটি প্রাকৃতিক তেলের স্তর থাকে এবং কিছু উপকারী জীবাণুও থাকে। গরম পানি দিয়ে বারবার গোসল করলে এগুলো ধুয়ে যেতে পারে। এর ফলে—
– ত্বক শুষ্ক, চুলকানিযুক্ত বা সংবেদনশীল হয়ে যেতে পারে
– ফাটা ও শুকনো ত্বক দিয়ে ক্ষতিকর জীবাণু বা অ্যালার্জির উপাদান শরীরে ঢুকতে পারে
– অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান উপকারী জীবাণু নষ্ট করে দিতে পারে, ফলে ক্ষতিকর জীবাণু বাড়তে পারে। এ ছাড়া গোসলের পানিতে লবণ, ক্লোরিন, ধাতু বা অন্যান্য রাসায়নিক থাকতে পারে, যেগুলোও ত্বকের জন্য ভালো নাও হতে পারে।”
এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, তাহলে সপ্তাহে কতবার গোসল করা উচিৎ? এর নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই বা উত্তরও নেই। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, একজন মানুষের প্রতিদিন গোসলের প্রয়োজন নেই। কিন্তু সপ্তাহে ঠিক কতবার গোসলের প্রয়োজন তা নিয়ে নানা মত রয়েছে। তবে ত্বকের ধরণের ওপর ভিত্তি করে সপ্তাহে এক বা দুইদিন কিংবা তিন দিন পরপর গোসল করা যেতে পারে। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা এক বা দুই দিন পরপর গোসল করতে পারেন। আর যাদের ত্বক শুষ্ক তারা সপ্তাহে এক বা দুই দিন গোসল করতে পারেন। অন্যদিকে যারা অতিরিক্ত ঘামেন নানান কারণে তাদের প্রতিদিনই গোসল করা উচিৎ।
