বিভিন্ন দেশের বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস

প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, জানুয়ারি ১৪, ২০২৬:  কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোয় আগামী জুন থেকে শুরু হবে বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। এবার প্রথমবারের মতো ৪৮ দল নিয়ে বসবে ফুটবলের মহাযজ্ঞ।

বিশ্বকাপের শিরোপা পাঁচবার জিতেছে ব্রাজিল। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ না নিলেও, উন্মাদনায় পিছিয়ে নেই। উন্মাদনায় পিছিয়ে নেই কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশিরাও।

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি পাঁচবার বিশ্বকাপ জিতেছে ব্রাজিল। জার্মানি জিতেছে চারবার। এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত অনিশ্চিত ইতালিও শ্রেষ্ঠত্বের সুধা পান করেছে চারবার। ব্রাজিল, জার্মানি ও ইতালির পরই আছে আর্জেন্টিনা। তিনবার সেরাদের সেরা হয়েছে আকাশী-সাদারা। ফ্রান্স ও উরুগুয়ে বিশ্বসেরা হয়েছে দুবার করে। ইংল্যান্ড ও স্পেন জিতেছে একটি করে শিরোপা।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে উরুগুয়ে নিজেদের নামটা অমর করে রেখেছে। ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ান যে তারাই। আর প্রথম মানেই বিশেষ। যাকে কেউ পেছনে ফেলতে পারবে না। উরুগুয়ের দ্বিতীয় শিরোপাও ঘটনাবহুল। ১৯৫০ সালে বিখ্যাত মারাকানা স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের সাজানো মঞ্চ এলোমেলো করে চ্যাম্পিয়ান হয় তারা।

এরপর থেকে মারাকানার ক্ষতে বারবার প্রলেপ দিয়েছে ব্রাজিল। সেলেসাওরা একমাত্র দল, যারা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি পেয়ে যায় চিরতরে। ১৯৫৮, ‘৬২ ও ’৭০ সালে তিনবার চ্যাম্পিয়ান হয় ব্রাজিল। প্রথম দল হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ জেতায় ফিফা ‘জুলে রিমে’ ট্রফি দিয়ে দেয় তাদের। ২০০২ সালের পর অবশ্য আর ট্রফির মুখ দেখেনি লাতিন এই পরাশক্তি।

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয় মানেই ঘটনা। ১৯৭৮ সালের শিরোপা নিয়ে এখনও আছে বিতর্ক। সেবার বিশ্বকাপ আয়োজন করে আর্জেন্টিনা। প্রচলিত আছে, সেই সময় দেশটির ক্ষমতায় থাকা জান্তা সরকারের প্রধান সামরিক শাসক জর্জ রাফায়েল ভিদেলা কলকাঠি নেড়েছিলেন পর্দার আড়াল থেকে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষ দলগুলো নিয়মিতই পেত প্রাণনাশের হুমকি।

১৯৮৬ বিশ্বকাপ তো বিখ্যাত হয়ে আছে দিয়াগো মারাদোনো ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের কারণে। আর সর্বশেষ কাতার বিশ্বকাপের নাটকীয় ফাইনাল শেষে মেসির হাতে ওঠে পরম আরাধ্য ট্রফি। মেসি হয়ে ওঠেন সর্বকালের সেরাদের একজন। – সূত্র: এনটিভি