দ্রোহ এনেছে বিজয় ১৯৭১”
আহমেদ হোসনে : “দ্রোহ এনেছে বিজয় ১৯৭১”শীর্ষক অন্যস্বর টরন্টো এবং অন্য থিয়েটার টরন্টোর বিজয় দিবস উপলক্ষে ১ থেকে ১৬ দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন টি গতকাল ১৬ই ডিসেম্বর শেষ হলো।
নানা কারণেই অনুষ্ঠানটি অনলাইন প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিজেদের সদস্য-সদস্যা সহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য-সদস্যা ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এবারের আয়োজনে যুক্ত হয়েছেন। তবে বিজয়ের উল্লাস নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নতুন প্রজন্মও ছিলো এবারের আয়োজনে।
এবারের আয়োজনটিতে ১ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা ছিলেন :

১ ডিসেম্বর. আহমেদ হোসেন.দিলারা নাহার বাবু.
আনিসা লাকি. মেহজাবিন বিনতে ওসমান।
২ ডিসেম্বর. মুনিমা শারমিন.ইলোরা সাঈদ. অতিথি শিল্পী নাজমা কাজী. বিশেষ অতিথি লায়লা হাসান।
৩রা ডিসেম্বর.ইলোরা সাঈদ. ফারিয়া সেহেলি.মেহজাবিন বিনতে ওসমান
অতিথি-শাহিদুল আলম টুকু।
৪ ডিসেম্বর.আসিফ চৌধুরী.জুলিয়া নাসরিন.ফারজানা হক. ইলোরা সাঈদ।
৫ ডিসেম্বর. মুনিমা শারমিন.আনিসা লাকি মাসুদ পারভেজ. অতিথি -ববি রাব্বানী।
৬ ডিসেম্বর. রিফফাত নূয়েরীন. মেহজাবিন বিনতে ওসমান.অতিথি-সারা জাহান।
৭ ডিসেম্বর. জুলিয়া নাসরিন.ফারজানা হক. ফারিহা রহমান.অতিথি-মেরি রাশেদীন.।
৮ ডিসেম্বর. রিফফাত নূয়েরীন. ফারিয়া সেহেলি. মেহজাবিন বিনতে ওসমান. অতিথি-ফাইজুল করিম।
৯ ডিসেম্বর. আহমেদ হোসেন. মাসুদ পারভেজ. অতিথি-সওগাত আলী সাগর ও আসমা হক।
১০ ডিসেম্বর. মুনিমা শারমিন. অতিথি-সুমন মালিক ও সৈয়দা মারজিয়া মৌ।
১১ ডিসেম্বর. রিফফাত নুয়েরিন. আসিফ চৌধুরী. নুসরাত জাহান শাঁওলী.
বিশেষ অতিথি মুক্তিযোদ্ধা মাশুক মিঞা।
১২ ডিসেম্বর. ফারিয়া সেহেলি. মৌমিতা তাসনিম অতিথি- নাইমা সিদ্দিকা ও মাধব কর্মকার।
১৩ ডিসেম্বর. রিফফাত নূয়েরীন. তামান্না ইসলাম. অতিথি শিখা আক্তারী ও ইন্দ্রা বিদুষী বিদ্যা কর।
১৪ ডিসেম্বর. কাজী বাসিত. মেহজাবিন বিনতে ওসমান. হাসির রহমান. অতিথি দেওয়ান আব্দুল গফরান চৌধুরী।
১৫ ডিসেম্বর. আনিসা লাকি. সাদমান সাকিব. অতিথি অরুনা হায়দার ও মামুনুর রশিদ।
১৬ ডিসেম্বর. আহমেদ হোসেন, রিফফাত নূয়েরীন, আসিফ চৌধুরী, মুনিমা শারমিন, জুলিয়া নাসরিন, কাজী বাসিত, মেহজাবিন বিনতে ওসমান, ফারিয়া সেহেলি, তামান্না ইসলাম, সাদমান সাকিব, ফারজানা লিনা, নার্গিস সুলতানা, তন্ময় খান।
প্রসঙ্গত ২০১৯ সালে অন্যথিয়েটার এবং অন্যস্বর টরন্টো ডিসেম্বর ১ -১৬ প্রতিরাতে ঘন্টাখানেক বিজয়ের, দ্রোহের , স্বাধীনতার গান কবিতার অনুষ্ঠান করেছিল।
ছোট একটি নির্দিষ্ট স্টুডিও এর মতো জায়গায় ( শায়লা/ কিশোয়ারার বুটিক হাউজ এক চিলতে আঙিনায় ) থেকে প্রতিরাতে রাত ৮ থেকে ৯ টা পর্যন্ত কয়েকজন দর্শকের উপস্থিতিতে মূলত অনলাইনে অনুষ্ঠান করেছিল। উল্লেখ্য, কবি আসাদ চৌধুরী দুই/তিনদিন সশরীরে উপস্থিত ছিলেন। কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন কবি ইকবাল হাসান। নাট্যকর্মী হাবিবউল্লাহ দুলাল এবং রেখা হাবিব।
এরপর সময় বদলেছে অনেক। ২০২০ সালে ঝড়ের বেগে এলো মহামারী করোনা (কোভিড)। থমকে গেল সবকিছু। কিন্তু থেমে থাকেনি অন্যস্বর। নানাভাবে অনুষ্ঠান করে সচল রাখার চেষ্টা করেছে সকলের মানসিক শক্তি যোগাতে।
এরপর ডিসেম্বর ২০২৩ স্রেজা’স বুটিকের সৌজন্যে ১ – ১৬ দিনব্যাপী ” দ্রোহ এনেছে বিজয় ৭১ ” শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এবং তারপর ২০২৪ সালে ১২ দিনব্যাপি অর্থাৎ ডিসেম্বর ১ থেকে ১২ ডিসেম্বর খাজানা কুইন রেস্টুরেন্ট এবং সাহেদ এন্ড সন্স রিয়েলটর এর সৌজন্যে অনুষ্ঠিত হয়।
এবার আবারও পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠান। অন লাইনে -ইথারে -অন্তর্জালে। অন্যস্বর অন্য থিয়েটার বিজয়ের কথা বলে, স্বাধিনতার কথা বলে, মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে, দেশের কথা বলে, সংগ্রামের কথা বলে, প্রতিবাদের কথা বলে। বলতেই থাকবে যতদিন না শুদ্ধ হই আমি আমরা সকলে।
