হুমায়ূন স্যার বেচে থাকলে ছেলে নুহাশের কাজ দেখে খুশিতে কাঁদতেন

ডা: এজাজুল ইসলাম। ছবি : ফেসবুক

প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক , নভেম্বর ১৭,  ২০২৫ : গত ১৩ নভেম্বর ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী ছিল। এই কিংবদন্তির হাত ধরেই অভিনয় জগতে পা রাখেন ডা: এজাজুল ইসলাম। তবে শুধু অভিনয় জগতে পা রাখাই নয়, হুমায়ূন আহমেদের হাত ধরে তিনি পেয়েছেন ব্যাপক জনপ্রিয়তা। সম্প্রতি তিনি কাজ করেছেন হুমায়ূন পুত্র নুহাশ হুমায়ূনের সঙ্গেও।

আরটিভি নিউজ জানায়, সম্প্রতি ডা: এজাজ নুহাশ পল্লিতে শুটিং এর কাজ করতে গিয়ে ছিলেন। তিনি জানান, নুহাশ একেবারে বাবার মতো কাজ করেন। শুটিংও হয়েছে সেই চিরচেনা নুহাশ পল্লীতে। হুমায়ূন স্যার চলে গেছেন অনেকদিন আগে। কিন্তু আমাদের মনে হয়েছে ১৫-১৬ বছর পর আবার স্যারের সঙ্গে কাজ করছি। সত্যিই ঘোরের মধ্যে ছিলাম। একবারও মনে হয়নি হুমায়ূন স্যার নেই। আমরা তার জগতেই আছি। ডা. এজাজ আরো বলেন, হুমায়ূন স্যার বেচে থাকলে নুহাশের কাজ দেখে খুশিতে কাঁদতেন। কেননা সন্তানের সাফল্য বাবার কাছে ভীষণ আনন্দের।

উল্লেখ্য যে, “গরিবের ডাক্তার” নামে পরিচিত এজাজুল ইসলাম একজন নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার সততা এবং কম ফিস-এর কারণে তিনি এই নামটি অর্জন করেছেন, কারণ তিনি তুলনামূলকভাবে কম মূল্যে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেন। 

ডা: এজাজ জানান, ঢাকা মেডিকেলে যোগদানের পর সেখানকার স্টাফরা নাকি তাকে বলেছিনে তার ভিজিট ফি বাড়ানো উচিত। তাদের কথায় ফি ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হয়েছিল। কিন্তু পরে দেখলেন, অনেক রোগী এই খরচ বহন করতে পারছেন না। তখন তিনি আবার ৩০০ টাকা ফি নেয়া শুরু করেন। তিনি বলেন, যতদিন তিনি বেঁচে থাকবেন ততদিন ৩০০ টাকা ফি’তে রোগী দেখবেন। ডা: এজাজ বলেন, আসলে জীবনে বাঁচতে বেশি অর্থের প্রয়োজন হয় না। সৃষ্টিকর্তা আমাকে যা দিয়েছেন, এতে আমি খুশি।