কানাডিয়ান পাসপোর্টের ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে ক্রমাগত
প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৮ জুলাই ২০২৫: সর্বশেষ বৈশ্বিক পাসপোর্ট র্যাঙ্কিং তথ্য অনুসারে, অন্যান্য দেশের তুলনায় কানাডার পাসপোর্টের শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। Henley Passport Index (HPI) অনুসারে, কানাডার পাসপোর্ট ১৮৪ পয়েন্ট পেয়েছে, যার অর্থ কানাডিয়ানরা ভিসা ছাড়াই সম্ভাব্য ২২৭টি গন্তব্যের মধ্যে ১৮৪ টি গন্তব্যে ভ্রমণের সুযোগ পান। খবর সিটিভি নিউজের।
Henley Passport Index অনুযায়ী বিশ্বের শীর্ষ ১০টি শক্তিশালী পাসপোর্টের যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে তার মধ্যে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক দেশে প্রবেশাধিকারের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর। ১৯৩টি দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুযোগ পান ঐ দেশটির নাগরিকেরা। বৈশ্বিক সংযোগ এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের দৃঢ়তার কারণে সিঙ্গাপুর এই অবস্থান ধরে রেখেছে।

তালিকায় কানাডিয়ান পাসপোর্টের অবস্থান অষ্টম। ১৮৪টি দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুযোগ পান কানাডিয়ান নাগরিকেরা।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। দুটি দেশের নাগরিকরা ১৯০টি দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার পান।
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বিশ্বের আটটি দেশ। দেশগুলো হলো ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি এবং স্পেন। এসব দেশের পাসপোর্টধারীরা ১৮৯টি দেশে যেতে পারেন ভিসা ছাড়াই।
চতুর্থ স্থানে রয়েছে বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে, লুক্সেমবার্গ এবং পর্তুগাল । এসব দেশের নাগরিকরা ১৮৮টি দেশে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পান।
পঞ্চম স্থানে রয়েছে গ্রিস, নিউজিল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ড । ১৮৭টি দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুযোগ পান এই দেশগুলোর নাগরিকেরা।
ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য। যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা ১৮৬টি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন।
ডয়েচভেলে জানায়, ২০২৫ সালের সূচকে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় বাংলাদেশ পিছিয়েছে তিন ধাপ। এর অবস্থান এখন ১০০তম। বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়া বিশ্বের ৪০টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। আর ১৪৮টি দেশে ভ্রমণ করতে চাইলে ভিসার প্রয়োজন হয়।
সূচকে সবার নিচে আছে আফগানিস্তান। দেশটির অবস্থান ১০৬তম। আফগানরা মাত্র ২৮টি দেশে ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন। সূচকে আফগানিস্তানের উপরে রয়েছে সিরিয়া ১০৫তম, ইরাক ১০৪তম, পাকিস্তান ও ইয়েমেন ১০৩তম। শ্রীলংকার অবস্থান ৯৬তম। নেপাল ১০১তম। ভাতের অবস্থান ৮৫তম। মালদ্বীপের অবস্থান ৫৩তম।
বিশ্লেষকরা বলছেন, কোন দেশের পাসপোর্টের শক্তি নির্ধারিত হয় প্রধানত সেই দেশটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে।
