অভিবাসীদেরকে দেশ থেকে বহিষ্কার করার স্বপ্ন নিয়ে সংগঠিত হচ্ছে কানাডার শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদীরা

প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : অটোয়া জুড়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে ‘ডোমিনিয়ন সোসাইটি অফ কানাডা’ (Dominion Society of Canada) নামক অভিবাসন-বিরোধী ও শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী একটি গোষ্ঠীর পোস্টার ও স্টিকার দেখা যাচ্ছে—যারা লক্ষ লক্ষ মানুষকে গণহারে নির্বাসনের দাবি জানাচ্ছে। কিন্তু স্থানীয় পুলিশ বলছে, এখন পর্যন্ত যেসব পোস্টার ও স্টিকারের কথা জানা গেছে, সেগুলো ঘৃণামূলক অপরাধ (হেট ক্রাইম)-এর পর্যায়ে পড়ে না। তবে –তবে ডমিনিয়ন সোসাইটির এই নির্বাসনের আহ্বান জানানোর মাধ্যমে তারা আসলে ‘জাতিগত নির্মূলের’ পক্ষে কথা বলছে—এমনটাই বলছেন উগ্র ডানপন্থী মতাদর্শ নিয়ে গবেষণাকারী একজন বিশেষজ্ঞ। খবর সিবিসি নিউজের।

‘ডমিনিয়ন সোসাইটি অফ কানাডা’-র পোস্ট করা একটি ভিডিও থেকে নেওয়া স্ক্রিনশটে অন্টারিও-র হ্যামিল্টনে সদস্যদের একত্রিত হতে দেখা যায়।

এদিকে ‘ডোমিনিয়ন সোসাইটি অফ কানাডা সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা ড্যানিয়েল টাইরি বলেছেন, তাদের সদস্য সংগ্রহের এই প্রচারণা থামবে না। তিনি আরও বলেন, “যারা আমাদের নতুন সদস্য সংগ্রহ বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছেন, তাদের হতাশ হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত। আমরা সংগঠিত হচ্ছি, আমাদের পরিধি বাড়ছে এবং আমরা কোথাও যাচ্ছি না।”

দ্য ডমিনিয়ন সোসাইটি হলো অটোয়া-ভিত্তিক একটি নিবন্ধিত অলাভজনক সংস্থা, যা ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই গোষ্ঠীটি সারা দেশে অভিবাসন বিরোধী পোস্টার লাগানোর কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। গত গ্রীষ্মে এই সোসাইটি খবরের শিরোনামে উঠে আসে; যখন তারা টরন্টোর নিকটবর্তী শহর হ্যামিল্টনে অভিবাসন বিরোধী একটি সম্মেলনের আয়োজন করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু স্থানীয় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজনের প্রতিবাদ ও সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত আয়োজকরা সম্মেলনটি পাশের আরেক শহর বার্লিংটনে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

ডমিনিয়ন সোসাইটি  বিশ্বাস করে, কেবল ইংরেজি ও ফরাসিভাষী—যাদের পূর্বপুরুষরা ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড থেকে কানাডায় এসে বসতি স্থাপন করেছিলেন—তারাই প্রকৃত কানাডিয়ান হিসেবে গণ্য হওয়ার যোগ্য।

এই ডমিনিয়ন সোসাইটি  সকল আদিবাসী মানুষকে কানাডিয়ান বলে গণ্য করে কি না, তা অস্পষ্ট। তাদের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে যে, ইউরোপীয় বসতি স্থাপনকারীদের পাশাপাশি ‘ফার্স্ট নেশনস’ (First Nations) গোষ্ঠীগুলোও কানাডার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তবে ওয়েবসাইটে আরও বলা হয়েছে, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বসতি স্থাপনকারীদের সাথে মেলোমেশার মাধ্যমে আদিবাসী জনগোষ্ঠী কালক্রমে হয় অ্যাংলো-কানাডিয়ান অথবা ফরাসি-কানাডিয়ান হয়ে উঠেছে—অর্থাৎ, “ইউরোপীয় শিকড় থেকে জন্ম নেওয়া এক নতুন জাতি।”

ডমিনিয়ন সোসাইটির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এই গোষ্ঠীটি কানাডার কয়েক দশক পুরনো অভিবাসন ও বহু-সাংস্কৃতিক নীতিগুলোর অবসান ঘটাতে এবং সেগুলোকে উল্টে দিতে চায়; পাশাপাশি, যারা এসব নীতি প্রণয়ন ও পরিচালনা করেছে এবং বাস্তবায়নে সহায়তা করেছে, সেই ব্যক্তি ও সংগঠনগুলোকে শাস্তি দিতে চায়।

‘দ্য ডমিনিয়ন সোসাইটি’ আরও চায়- যেন সমস্ত অস্থায়ী বিদেশি কর্মীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়, জন্মসূত্রে প্রাপ্ত নাগরিকত্ব ও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় অর্জিত নাগরিকত্ব সীমিত বা বাতিল করা হয়, স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা প্রত্যাহার করা হয়, দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রথা বিলুপ্ত করা হয় এবং যে সব অভিবাসী স্থানীয় সমাজের সাথে যথেষ্ট পরিমাণে মিশে যেতে পারেনি, তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

তাদের কল্পনার কানাডা কেমন হবে?

‘ডমিনিয়ন সোসাইটি’র কল্পিত কানাডায় কোশার (ইহুদি রীতিতে প্রস্তুত) বা হালাল (ইসলামি রীতিতে প্রস্তুত) মাংস উৎপাদন নিষিদ্ধ থাকবে; ইংরেজি ও ফরাসি ছাড়া অন্য কোনো ভাষায় ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান বা সরকারি দপ্তরের সাইনবোর্ড ব্যবহার করা যাবে না। তাদের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, “স্কুল, গণমাধ্যম ও সরকারি পরিষেবা খাতসহ সকল পাবলিক প্রতিষ্ঠানকে আত্মীকরণ (assimilation), ঐক্য এবং অভিন্ন জাতীয় মূল্যবোধের প্রসারে কাজ করতে হবে।”

সাইটটিতে আরও বলা হয়েছে, ‘কানাডিয়ান মাল্টিকালচারালিজম অ্যাক্ট’ (কানাডীয় বহুসংস্কৃতিবাদ আইন) বাতিল করে তার জায়গায় ‘ন্যাশনাল কোহেশন অ্যাক্ট’ (জাতীয় সংহতি আইন) প্রবর্তন করা হবে; এই নতুন আইনটি “কানাডার একটি ঐতিহাসিক ইউরোপীয়, খ্রিস্টান ও দ্বি-সাংস্কৃতিক (ইংরেজি ও ফরাসি) জাতি হিসেবে গড়ে ওঠার বিষয়টি নিশ্চিত করবে, যার একটি অভিন্ন নাগরিক পরিচিতি থাকবে।”

ডমিনিয়ন সোসাইটি’র  কাছে কোনো স্পষ্ট উত্তর নেই যে, তারা ঠিক কত বছরের অভিবাসন প্রক্রিয়াকে উল্টে দিতে চায়, অথবা সমাজে আত্মীকরণের (assimilation) গ্রহণযোগ্য মাত্রাটি ঠিক কী হওয়া উচিত।

সিবিসি (CBC)-কে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ‘ডোমিনিয়ন সোসাইটি অফ কানাডা’র সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা ড্যানিয়েল টাইরি বলেন, তার মতে ১৯৬০-এর দশকে পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে শুরু করে এবং ২০১৫ সালে জাস্টিন ট্রুডোর সরকার ক্ষমতায় আসার পর তা আরও খারাপের দিকে যায়। তিনি মনে করেন, অভিবাসনের সময়কালকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়াটা হবে “একটি অত্যন্ত ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত সময়সীমা—যদিও দুর্ভাগ্যবশত, এর ফলে এমন অনেক মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন যারা ইতিমধ্যে আমাদের সমাজে পুরোপুরি মিশে গেছেন; তবে যারা কানাডিয়ান নাগরিকদের বিয়ে করেছেন, তারা এই নিয়মের আওতামুক্ত থাকবেন।”

টাইরি মনে করেন, “ব্যাপক অভিবাসন এবং আমূল জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন” হলো বর্তমান সময়ের “সবচেয়ে জরুরি” সমস্যা।

তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, তাঁর দলের নির্বাসন নীতিগুলো জাতিগত পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি নয়।

টাইরি ফোনে আরও বলেন, “ইংরেজ, (অ্যাংলো-কানাডিয়ান), ফরাসি (ফ্রাঙ্কো-কানাডিয়ান) এবং ফার্স্ট নেশনস (আদিবাসী গোষ্ঠী)-এর মানুষদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে আমরা সম্মিলিতভাবে আমাদের অনন্য পরিচিতিগুলোকে রক্ষা করতে পারি—যে পরিচিতি বিশ্বের আর কোথাও খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়।”

টাইরি মনে করেন, রাষ্ট্র কানাডাকে “প্রকৃত কানাডীয়দের” জন্য অস্বস্তিকর করে তুলেছে; আর “অন্যান্য দেশের মানুষ—যারা ভিন্ন সংস্কৃতির—তাদেরকে আমাদের নিজেদের মানুষের আগে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি চালু করাটা আমার কাছে বিদ্বেষপূর্ণ বলে মনে হয়।”

টাইরি বলেন, “আমরা এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চাই যা বিদেশি সংস্কৃতি, ভাষা ও মানুষের প্রতি কম বন্ধুত্বপূর্ণ হবে। শুধু তাই নয়, এটি হতে হবে এমন প্রতিকূল—যাতে তারা নিজেরাই কানাডা ছেড়ে নিজেদের দেশে ফিরে যায়। নিজ দেশে গিয়ে তারা এমন একটি জনগোষ্ঠীর মাঝে থাকতে পারবে, যা তাদের নিজস্ব মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও ধর্মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।”

‘কর্তৃপক্ষকে শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদীদের বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করুন’

অলাভজনক সংস্থা ‘কানাডিয়ান অ্যান্টি-হেট নেটওয়ার্ক’-এর নির্বাহী পরিচালক ইভান বালগোর্ড । তিনি বহু বছর ধরে কানাডায় উগ্র-ডানপন্থী আন্দোলনের উত্থান নিয়ে গবেষণা করছেন।

তিনি এই ডমিনিয়ন সোসাইটিকে কানাডার শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ‘স্যুট-টাই পরিহিত’ রাজনৈতিক শাখা হিসেবে অভিহিত করেন, যারা এমন এক রাজনৈতিক ধারণার ভিত্তি তৈরি করছে যা ভবিষ্যতে শিকড় গেড়ে বসতে পারে। আর তারা যে রাজনৈতিক ধারণাটিকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়, তা হলো—বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে গণহারে বহিষ্কার (ম্যাস ডিপোর্টেশন) কর্মসূচি।

বালগোর্ডের মন্তব্য হলো, “ডমিনিয়ন সোসাইটির পডকাস্টগুলোতে তারা তাদের শ্রোতাদের সামনে আসলে যা বলছে, তা খতিয়ে দেখলে দেখা যায়—তারা কানাডীয় নাগরিকদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া এবং জাতি, ধর্ম ও জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে তাদেরকে দেশ থেকে বহিষ্কার করার কথা বলছে। ‘রি-মাইগ্রেশন’ বা তাদের দৃষ্টিতে যারা অভিবাসী তাদেরকে কানাডা থেকে বিতারিত করে দেওয়ার মাধ্যমে এই গোষ্ঠীটি আসলে জাতিগত নির্মূলের (ethnic cleansing) পক্ষে ওকালতি করছে… এটি আমার ব্যক্তিগত মতামত, তবে বিষয়টি বেশ স্পষ্ট।”

বালগোর্ড উল্লেখ করেছেন যে, কানাডীয় আইনে “বিদ্বেষের লক্ষণগুলোর” (hallmarks of hate) মধ্যে দুটি হলো—সমাজের বিভিন্ন সমস্যার জন্য নির্দিষ্ট কোনো জনগোষ্ঠীকে দায়ী করা এবং সেই জনগোষ্ঠীকে অপসারণ করাকেই সমস্যার সমাধান হিসেবে গণ্য করা।

বালগোর্ড বলেন, “আমার ধারণা, ‘ডমিনিয়ন সোসাইটি অফ কানাডা’-র পুরো বার্তাটি ঠিক সেই বিষয়গুলোর ওপরই ভিত্তি করে তৈরি এবং তা আইন লঙ্ঘন করে।”

বালগোর্ডের মতে, ডমিনিয়ন সোসাইটির দৃষ্টিভঙ্গি ও লক্ষ্যের কারণে যারা ক্ষুব্ধ, তাদের উচিত পোস্টার ও স্টিকারগুলো সরিয়ে ফেলা অব্যাহত রাখা; তবে একই সঙ্গে তাদের উচিত নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে জানতে চাওয়া যে, এই গোষ্ঠীর নেতাদের বিষয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সরকার কী পদক্ষেপ নিচ্ছে।

বালগোর্ড স্থানীয় অধিবাসীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ এই পোস্টার ও স্টিকারগুলো  নামিয়ে ফেলুন, ঢেকে দিন। আপনার এলাকার এমপি-কে ফোন করে জিজ্ঞেস করুন… যে সংগঠনের নেতারা বর্ণবাদী গণ-নির্বাসনের ডাক দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কেন কোনো অভিযোগ আনা হচ্ছে না? কানাডায় এরকম একটি বর্ণবাদী অলাভজনক সংস্থা চালানোর অনুমতিই বা তাদের কীভাবে দেওয়া হলো?”

“কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করুন, কারণ কানাডায় গত ১০ বছর ধরে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদের প্রসার ঘটছে। এরা এখন এতটাই দুঃসাহসী হয়ে উঠেছে যে, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে হয়রানি করছে—আমরা আর এমনটা ঘটতে দিতে চাই না।”

পুলিশের মতে, পোস্টারগুলো অপরাধমূলক পর্যায়ে পড়ে না

অটোয়া পুলিশ সার্ভিস প্রথম ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ‘ডোমিনিয়ন সোসাইটি অফ কানাডা’-র পোস্টার ও স্টিকারগুলোর বিষয়ে অবগত হয়। সিবিসি-কে পাঠানো এক ইমেইলে পুলিশ জানিয়েছে, গত সপ্তাহ পর্যন্ত তারা আল্টা ভিস্তা, ব্যারহেভেন, কানাটা সাউথ এবং রিডো-ভ্যানিয়ার এলাকায় এসব প্রচারণামূলক সামগ্রী সম্পর্কে জনসাধারণের কাছ থেকে ১৮টি অভিযোগ পেয়েছে।

কিন্তু পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়া বিষয়বস্তুর কোনোটিই সম্ভাব্য ঘৃণামূলক অপরাধ (হেট ক্রাইম) হিসেবে গণ্য হয় না। পুলিশ লিখেছে, “প্রতিটি অভিযোগ আলাদাভাবে এবং প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপটে মূল্যায়ন করা হয়, যাতে বোঝা যায় তা কোনো ফৌজদারি অপরাধের আইনি মানদণ্ড পূরণ করে কি না। এখন পর্যন্ত, পোস্টারগুলো আপাতদৃষ্টিতে সেই মানদণ্ড পূরণ করেনি।”

“আমরা স্থানীয় অধিবাসীদের উদ্বেগগুলো বুঝতে পারছি এবং যারা এগিয়ে এসেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।”

গত সপ্তাহ পর্যন্ত অটোয়ার বাইল (স্থানীয় আইন) বিভাগ পোস্টার ও স্টিকার সংক্রান্ত চারটি অভিযোগ পেয়েছিল।

শহরের bylaw (উপবিধি) ও নিয়ন্ত্রণমূলক পরিষেবা বিভাগের প্রধান জেক গ্র্যাভেলের ভাষ্যমতে, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাদের কর্মীরা সেই পোস্টার ও স্টিকারগুলো সরিয়ে ফেলেছেন।

জেক গ্র্যাভেল বলেন “শহরটি সকল বাসিন্দার জন্য একটি নিরাপদ, সম্মানজনক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” কেউ যদি এমন কোনো সাইন, পোস্টার বা অন্যান্য উপকরণ দেখতে পান যা পৌর বিধিনিষেধের পরিপন্থী হতে পারে, তবে তাদেরকে ‘৩-১-১’ (3-1-1) নম্বরের মাধ্যমে শহর কর্তৃপক্ষের কাছে তা রিপোর্ট করার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *