<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Science &#8211; Probashi Kantho</title>
	<atom:link href="https://probashikantho.com/category/science/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://probashikantho.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sun, 03 May 2026 03:00:35 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2021/04/thumbnail_thumbnail-150x150.jpg</url>
	<title>Science &#8211; Probashi Kantho</title>
	<link>https://probashikantho.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>এলিয়েনদের সঙ্গে মার্কিন সিআইএ কর্মকর্তাদের দেখা হয়েছিল!</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%8f%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%8f%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 May 2026 03:00:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Science]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12595</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ : এলিয়েন বা ভিনগ্রহী প্রাণী বলতে তাদেরকে বোঝানো হয়, যাদের উদ্ভব বা সৃষ্টি এই]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ : এলিয়েন বা ভিনগ্রহী প্রাণী বলতে তাদেরকে বোঝানো হয়, যাদের উদ্ভব বা সৃষ্টি এই পৃথিবীতে হয়নি বরং পৃথিবীর বাইরে মহাবিশ্বের অন্য কোথাও হয়েছে। কিন্তু সত্যিই কি এরকম কোন প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে? </p>



<p>গত কয়েক দশকে অনেক বিজ্ঞানী দাবি করেছেন পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব আছে। তবে এই দাবি নিয়ে অনেক বিতর্কও রয়েছে যদিও বিজ্ঞানীদের একটি বিরাট অংশ বিশ্বাস করেন যে, এদের অস্তিত্ব রয়েছে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="400" height="297" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/এ.jpg" alt="" class="wp-image-12596" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/এ.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/এ-300x223.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বুশ এর দাবী এলিয়েনদের সাথে বাস্তবেই যোগাযোগ হয়েছে মানুষের। এলিয়েনের কল্পিত ছবি: সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ভিনগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েন নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই। তাদের অনেকেই বিশ্বাস করেন এলিয়েন আছে। এ নিয়ে নানা গল্প আর সিনেমাও কম হয়নি।</p>



<p>কিন্তু এবারে জানা গেল, মানুষ আর এলিয়েনের মধ্যে যোগাযোগের বিষয়টি কেবল সিনেমা আর কল্পকাহিনীতেই সীমাবদ্ধ নয়। তাদের সাথে বাস্তবেই যোগাযোগ হয়েছে মানুষের । আর এই যোগাযোগের বিষয়ে অবগত ছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রয়াত জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ (সিনিয়র বুশ)।</p>



<p>মার্কিন ট্যাবলয়েড নিউইয়র্ক পোস্ট এর এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি জানায় যে, ‘দ্য এজ অফ ডিসক্লোজার’ নামের একটি তথ্যচিত্রে&nbsp; এমনটাই দাবি করা হয়েছে।</p>



<p>তথ্যচিত্রে এরিক ডেভিস নামের একজন জ্যোতির্পদার্থবিদের সাক্ষাৎকার রয়েছে। ঐ সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন যে, জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ২০০৩ সালে ব্যক্তিগত এক আলাপচারিতায় তাকে মানুষের সাথে এলিয়েনের যোগাযোগের বিষয়টি জানিয়েছিলেন। ডেভিস আরো দাবি করেন, ১৯৬৪ সালে নিউ মেক্সিকোর হলোম্যান এয়ার ফোর্স বেসে মানুষের সাথে এলিয়েনের সাক্ষাৎ হয়েছিল এবং এ বিষয়ে বুশ অবগত ছিলেন।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রয়াত প্রেসিডেন্ট বুশ বলেছিলেন যে, তিনটি মহাকাশযান মার্কিন বেসের কাছাকাছি এসেছিল। এগুলোর মধ্যে একটি অবতরণ করেছিল এবং এর ভেতর থেকে মানুষ নয় এমন একটি সত্ত্বা এয়ার ফোর্স ও বেসামরিক সিআইএ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেছিল। </p>



<p>তথ্যচিত্রে এরিক ডেভিস এও বলেছেন যে, মানুষ-এলিয়েন যোগাযোগ প্রসঙ্গে বুশ যখন আরও বিশদভাবে জানতে চেয়েছিলেন তখন নাকি তাঁকে বলা হয়েছিল, ‘তাঁর জানার প্রয়োজন নেই’।</p>



<p>সিনিয়র বুশ প্রয়াত হয়েছেন প্রায় ৭ বছর হয়ে গেল। এখন তাঁকে আর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো কোন উপায় নেই জীবদ্দসায় সত্যিই তিনি এমন কথা বলেছিলেন কি না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য। তবে এলিয়েন নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলতেই থাকবে। হয়তো একদিন সত্যি সত্যিই এলিয়েনের দেখা পাবে মানুষ। অথবা সবটাই হয়তো কল্পনাই থেকে যাবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%8f%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নতুন ধরনের হেলিকপ্টার, ইঞ্জিন বিকল হলেও ধসে পড়বে না মাটিতে</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%9e/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%9e/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 May 2026 02:54:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Science]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12592</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ : হেলিকপ্টারের মতো উড্ডয়ন ও অবতরণ সক্ষম কিন্তু অনেক সাশ্রয়ী মূল্যের এক উড়োজাহাজ বাজারে]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img decoding="async" width="400" height="271" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/হেলি.jpg" alt="" class="wp-image-12593" style="aspect-ratio:1.476042207230583;width:233px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/হেলি.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/হেলি-300x203.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">হেলিকপ্টারের মতো উড্ডয়ন ও অবতরণ সক্ষম জাইরোকপ্টার। ছবি: সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ : হেলিকপ্টারের মতো উড্ডয়ন ও অবতরণ সক্ষম কিন্তু অনেক সাশ্রয়ী মূল্যের এক উড়োজাহাজ বাজারে আসছে যার নাম জাইরোকপ্টার। আর এটি শুধু সস্তাই নয়, পরিবেশবান্ধবও। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন এর বরাত দিয়ে চ্যানেল২৪বিডি.টিভি জানায় জাইরোকপ্টারের  ইঞ্জিন বিকল হলেও বাতাসের সহায়তায় ঘূর্ণায়মান রটরের কারণে ধীরে ধীরে নিচে নেমে আসতে পারে। ফলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা নেই। </p>



<p>একজন পাইলটসহ দুজন যাত্রী বহন করা সম্ভব এই জাইরোকপ্টারে। এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার, যা বেশিরভাগ হেলিকপ্টারের তুলনায় কম। তবে প্রস্তুতকারীদের দাবি, ‘জরুরি চিকিৎসা সেবাসহ বহু কাজে এটি হেলিকপ্টারের বিকল্প হতে পারে। একটি সাশ্রয়ী ও সহজ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স হতে পারে এটি,যা হেলিকপ্টার দিয়ে করা প্রায় ৯০ শতাংশ মিশন সম্পন্ন করতে পারবে।’</p>



<p>যুক্তরাজ্যে হেলিকপ্টারভিত্তিক জরুরি চিকিৎসা সেবার গড় খরচ প্রতিটি মিশনে প্রায় ৪ হাজার ১৬৫ পাউন্ড। কিন্তু জাইরোকপ্টারের পরিচালন ব্যয় ঘণ্টায় আনুমানিক ৩০০ ডলার হবে।</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%9e/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>স্মার্টফোনের ফ্ল্যাশলাইট ব্যবহারে সতর্ক হোন</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 May 2026 02:51:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Science]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12589</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ : স্মার্টফোনের ফ্ল্যাশলাইট বেশিক্ষণ ব্যবহার করলে এর ব্যাটারি, মাদারবোর্ড ও ক্যামেরার লেন্সের ক্ষতি হতে]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ : স্মার্টফোনের ফ্ল্যাশলাইট বেশিক্ষণ ব্যবহার করলে এর ব্যাটারি, মাদারবোর্ড ও ক্যামেরার লেন্সের ক্ষতি হতে পারে। কারণ এই ফ্ল্যাশলাইট বেশিক্ষণ ব্যবহার করলে অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টি করে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img decoding="async" width="400" height="375" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/সে.jpg" alt="" class="wp-image-12590" style="aspect-ratio:1.06666944456019;width:156px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/সে.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/সে-300x281.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /></figure>
</div>


<p>সাধারণত একটি স্মার্টফোনের ফ্ল্যাশলাইট খুব বেশি দরকার হলে একটানা ৫ থেকে ১০ মিনিটের বেশি জ্বালিয়ে রাখা উচিত নয়। তারপরও যদি দীর্ঘ সময় ব্যবহারের প্রয়োজন হয় তবে প্রতি ৫ মিনিট অন্তর অন্তত ১-২ মিনিটের বিরতি দেওয়া উচিত। এতে করে উৎপন্ন তাপ অনেকটা কমে আসে।</p>



<p>মনে রাখতে হবে, ফ্ল্যাশলাইট স্মার্টফোনের ব্যাটারি থেকে উচ্চমাত্রার ভোল্টেজ টেনে নেয়। আর স্মার্টফোনের চার্জ ২০% এর নিচে নেমে আসলে ফ্ল্যাশলাইট ব্যবহার না করাই ভালো।</p>



<p>স্মার্টফোনের ফ্ল্যাশলাইট মূলত ফটোগ্রাফির সহায়ক হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছে। &#8211; তথ্য সূত্র : অনলাইন</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মেঘের আচরণে পরিবর্তন, বাড়ছে পৃথিবীর তাপমাত্রা</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/02/03/%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%98%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Feb 2026 22:21:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Science]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12330</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, জানুয়ারি ১১, ২০২৬: নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়াচ্ছে আকাশের মেঘ। সায়েন্স অ্যাডভ্যান্সেস সাময়িকীতে প্রকাশিত]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="265" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/মেঘ.jpg" alt="" class="wp-image-12331" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/মেঘ.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/মেঘ-300x199.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়াচ্ছে আকাশের মেঘ। ছবি : প্রবাসী কণ্ঠ</figcaption></figure>
</div>


<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, জানুয়ারি ১১, ২০২৬: নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়াচ্ছে আকাশের মেঘ। সায়েন্স অ্যাডভ্যান্সেস সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণার বরাত দিয়ে বিডিপ্রতিদিন জানায়, প্রায় ২০ বছরের স্যাটেলাইট তথ্য বিশ্লেষণ করা দেখা গেছে, মেঘ সাধারণত সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে মহাশূন্যে ফিরিয়ে দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মেঘ আগের মতো আর আলো প্রতিফলিত করতে পারছে না। এ কারণে বেশি সূর্যালোক পৃথিবীর পৃষ্ঠে পৌঁছাচ্ছে এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির পিছনে অবদান রাখছে।</p>



<p>ইতিপূর্বে ধারণা করা হতো, বায়ুদূষণ থেকে সৃষ্ট অ্যারোসল (বাতাসে ভাসমান ক্ষুদ্র কণা) পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ানোর পিছনে ভূমিকা রাখে। কিন্তু এখন নতুন এই গবেষণায় দাবি করা হচ্ছে, বৈশ্বিকভাবে অ্যারোসলের প্রভাব তুলনামূলক কম।</p>



<p>বলা হচ্ছে, উত্তর গোলার্ধে বাতাস কিছুটা পরিষ্কার হওয়ায় অ্যারোসল কমেছে। এ কারণে বেশি সূর্যের আলো ভেতরে প্রবেশ করছে। অন্যদিকে, দাবানল ও আগ্নেয়গিরির মতো প্রাকৃতিক ঘটনায় পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে অ্যারোসলের পরিমাণ বেড়েছে। এবং এটি কিছু এলাকায় শীতল প্রভাব ফেলছে।</p>



<p>গবেষণায় আরও বলা হয়, দীর্ঘমেয়াদে গ্রিনহাউজ গ্যাসই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণ। তবে মেঘের এই পরিবর্তন পৃথিবীর উষ্ণতাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। </p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>উদ্ভিদ ও প্রাণীর মাঝে এক অদৃশ্য যোগাযোগব্যবস্থা রয়েছে!</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/02/03/%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a6-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9d%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%85/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Feb 2026 22:19:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Science]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12327</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, জানুয়ারি ১৩, ২০২৬: সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দাবি করা হচ্ছে উদ্ভিদ আর প্রাণীর মাঝে অদৃশ্য এক যোগাযোগ ব্যবস্থা]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, জানুয়ারি ১৩, ২০২৬: সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দাবি করা হচ্ছে উদ্ভিদ আর প্রাণীর মাঝে অদৃশ্য এক যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে যা এতদিন আমাদের অজানা ছিল। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘ই লাইফ’ এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ খবর জানায়&nbsp; বিবিসি।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="267" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/প্র.jpg" alt="" class="wp-image-12328" style="aspect-ratio:1.4982150172645872;width:309px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/প্র.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/প্র-300x200.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">উদ্ভিদ আর প্রাণীর মাঝে অদৃশ্য এক যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>গবেষকরা বলছেন, উদ্ভিদের উৎপন্ন শব্দ শুনে নারী পোকামাকড়, বিশেষ করে স্ত্রী মথ বা পিপঁড়ে-মথ জাতীয় পোকা তাদের ডিম পাড়ার স্থান পরিবর্তন করে। ইসরাইলের তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক প্রথমবারের মতো নাকি এমন প্রমাণ পেয়েছেন। এই গবেষণা দলই দুই বছর আগে বলেছিলেন, উদ্ভিদ কষ্ট পেলে ‘চিৎকার’ করে, যদিও সেই শব্দ মানুষ শুনতে পায় না। তবে এইসব শব্দ মানুষ শুনতে না পেলেও অনেক পোকামাকড়, বাদুড় এবং কিছু স্তন্যপায়ী প্রাণী তা শুনতে পারে।</p>



<p>গবেষকরা আরও জানান তারা এমনভাবে এক পরীক্ষা করেছেন, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় মথরা গাছের চেহারার কারণে নয়, বরং শুধুমাত্র শব্দের প্রতিক্রিয়ায় তাদের আচরণ পরিবর্তন করছে। গবেষকরা এখন বিভিন্ন উদ্ভিদের উৎপন্ন করা শব্দ নিয়ে গবেষণা চালাবেন এবং দেখবেন, অন্যান্য প্রাণীরাও এসব শব্দ শুনে সিদ্ধান্ত নেয় কি না।</p>



<p>এখন প্রশ্ন হলো, গাছেরা কি একে অপরের সঙ্গেও শব্দের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারে? গবেষকরা বলেন, ভবিষ্যতে তারা এটি নিয়েও গবেষণা করবেন। তবে গবেষকরা এটাও বলেছেন যে, গাছের কোনো অনুভূতি বা চেতনা নেই। শব্দগুলো তৈরি হয় গাছের আশপাশের পরিবেশের পরিবর্তনের শারীরিক প্রতিক্রিয়ায়। কিন্তু এসব শব্দ অন্য প্রাণী বা উদ্ভিদের উপকারে আসতে পারে, যদি তারা তা শুনতে পারে। গবেষকদের মতে, “এটি এক বিশাল, অজানা জগৎ যা এখনো আবিষ্কারের অপেক্ষায়।” </p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কুনো ব্যাঙ এর কেরামতি : ৭ দিন আগেই টের পায় ভূমিকম্পের!</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/02/03/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%99-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a7%ad-%e0%a6%a6%e0%a6%bf/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Feb 2026 21:33:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Science]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12324</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, জানুয়ারি ১৯, ২০২৬: ভূমিকম্পের মতো ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পূর্বাভাস দেওয়ার কোনো কৌশল আজও আবিষ্কার করতে পারেনি মানুষ।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="227" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/ব্য.jpg" alt="" class="wp-image-12325" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/ব্য.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/ব্য-300x170.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">কুনো ব্যাঙ ৭ দিন আগেই টের পায় ভূমিকম্পের। ছবি : সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, জানুয়ারি ১৯, ২০২৬: ভূমিকম্পের মতো ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পূর্বাভাস দেওয়ার কোনো কৌশল আজও আবিষ্কার করতে পারেনি মানুষ। কিন্তু বাড়ির আঙিনায় বা আশপাশে বসবাসকারী কুনো ব্যাঙ নাকি সেই পূর্বাভাষ দিতে পারে! তাও আবার এক দুই ঘণ্টা বা এক দুই দিন আগে নয়, অন্তত এক সপ্তাহ আগে! এর আগে অবশ্য দেখা গেছে, শুধু ব্যাঙই নয়, সাপ, মাছ, হাতি, গাধা এবং বিভিন্ন পাখি ভূমিকম্পের আগের পরিবর্তনগুলো অনুভব করতে পারে।<br>২০০৯ সালে যুক্তরাজ্যের ওপেন ইউনিভার্সিটির প্রাণিবিদ ড. রাসেল গ্রান্ট ব্যাঙ এর আচরণ নিয়ে একটি গবেষণা পরিচালনা করেন ইতালিতে। তিনি চেয়েছিলেন ভূমিকম্পের আগে এটি কী ধরনের আচরণ করে তা দেখতে। ওই গবেষণায় দেখা যায়, ভূমিকম্পের ঠিক পাঁচ দিন আগে নিজেদের আবাসস্থল ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গিয়েছিল কুনো ব্যাঙের দল।<br>ড. রাসেল ভূমিকম্পপ্রবণ ইতালির একটি লেকের পাড়ে গবেষণা শুরু করেন। গবেষণা শুরুর ২৯ দিনের মাথায় ইতালিতে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার একটি ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিল। গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, ছয় থেকে সাত দিন আগে থেকেই ব্যাঙগুলো অদ্ভুত আচরণ শুরু করে। পাঁচ দিনের মাথায় নিজেদের আবাস ছাড়তে শুরু করে তারা। এরপর তিন দিনের মাথায় গবেষণাস্থল এলাকার সমস্ত কুনো ব্যাঙ অন্যত্র চলে যায়। এই ঘটনার তিন দিন পরেই ঘটে সেই ভয়াবহ ভূমিকম্প। শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল সেই সময়।<br>বিজ্ঞানীদের মতে, প্রাণীরা ভূমিকম্পের আগে প্রকৃতিতে ঘটে যাওয়া ‘পি-ওয়েভ’ নামে পরিচিত অতি সূক্ষ্ম এক কম্পন অনুভব করতে পারে। কিন্তু মানুষ তা পারে না। এমনকি তাদের আবিষ্কৃত রিখটার স্কেলেও তা ধরা পড়ে না।<br>লক্ষ্য করা গেছে ভূমিকম্পের আগে অনেক প্রাণী অস্থির হয়ে পড়ে। কেউ স্থান বদল করে অন্যত্র চলে যায়, কেউ পানি বা গাছপালার আশ্রয় খোঁজে। এভাবেই তারা নিজেদের সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা করে। -তথ্যসূত্র : অনলাইন</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস :পৃথিবী থেকে প্রাণের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যাবে</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/11/01/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%aa/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 00:22:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Science]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11993</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অক্টোবর ১৩, ২০২৫: দিন দিন মানুষের বাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে এই পৃথিবী। পরিবেশ দূষণ তার এক অন্যতম]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="400" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/পৃ.jpg" alt="" class="wp-image-11994" style="width:205px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/পৃ.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/পৃ-300x300.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/পৃ-150x150.jpg 150w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">মানুষের বাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে এই পৃথিবী। ছবি: সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অক্টোবর ১৩, ২০২৫: দিন দিন মানুষের বাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে এই পৃথিবী। পরিবেশ দূষণ তার এক অন্যতম কারণ। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, এমন একটা সময় আসবে যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আর অক্সিজেন থাকবে না। সূর্যের প্রচণ্ড তাপে এবং ক্ষতিকর বিকিরণে ধ্বংস হয়ে যাবে ওজনস্তর। আর এর ফলে অক্সিজেন নির্ভর প্রাণীদের পক্ষে টিকে থাকা যেমন অসম্ভব হবে, তেমনি অসম্ভব হয়ে পড়বে উদ্ভিদকুলের ফটোসিনথেসিসের প্রক্রিয়াও। সেই সময় মানুষ তো বটেই, অল্প কিছু অণুজীব ছাড়া কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদ বেঁচে থাকবে না এই গ্রহে। এমনই পূর্বাভাস বিজ্ঞানীদের।</p>



<p>নাসার ‘নেক্সাস ফর এক্সোপ্ল্যানেট সিস্টেম সায়েন্সের’ গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির ভূবিজ্ঞানী অধ্যাপক ক্রিস রেনহার্ড ও জাপানের তোহো বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞানী অধ্যাপক কাজুমি ওজাকি জাবি এই গবেষণা পরিচালনা করেন।</p>



<p>গবেষকদের পূর্বাভাস হলো, এখন থেকে প্রায় ১০০ কোটি বছর পর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকে শ্বাস নেওয়ার মতো অক্সিজেন চিরতরে বিলীন হয়ে যাবে।&nbsp; বিজ্ঞানীরা বলছেন, সূর্য ক্রমাগত উত্তপ্ত হচ্ছে এবং এর তাপ বৃদ্ধির কারণে একসময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড অণুগুলো ভেঙে যাবে। কার্বন ডাইঅক্সাইড উদ্ভিদের জন্য অপরিহার্য, কারণ এটি ব্যবহার করেই তারা ফটোসিনথেসিস প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন তৈরি করে। বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডের অভাব হলে গাছ বাঁচবে না, অক্সিজেন উৎপাদন বন্ধ হবে, এবং ধাপে ধাপে বিলীন হবে প্রাণিকুল।</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পুরুষদের গড় আয়ু নারীদের তুলনায় কেন কম? গবেষণায় নতুন চমকপ্রদ তথ্য</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/11/01/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 00:19:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Science]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11990</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অক্টোবর ১৩, ২০২৫: পুরুষেরা নারীর তুলনায় কম দিন বাঁচেন, মানব ইতিহাসে এ তথ্য নতুন নয়। তবে এবার]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অক্টোবর ১৩, ২০২৫: পুরুষেরা নারীর তুলনায় কম দিন বাঁচেন, মানব ইতিহাসে এ তথ্য নতুন নয়। তবে এবার নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে জীববিজ্ঞানের গভীরেই লুকিয়ে আছে এর কারণ।</p>



<p>জার্মানির ‘ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর ইভোলিউশনারি অ্যানথ্রোপলজি’ এর গবেষকেরা এগারো শ-এর বেশি স্তন্যপায়ী প্রাণী ও পাখির প্রজাতি উপর গবেষণা চালিয়ে দেখেছেন—কোন লিঙ্গের প্রাণী বেশি দিন বাঁচে। ফলাফলে যা উঠে এসেছে তা হলো, এটি পরিষ্কার নিয়ম—পুরুষেরা যত বেশি জটিল ও ক্লান্তিকর প্রজনন আচরণে যুক্ত থাকে, তাঁদের জীবনকাল ততই ছোট হয়।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="267" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/লাইফ.jpg" alt="" class="wp-image-11991" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/লাইফ.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/লাইফ-300x200.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /></figure>
</div>


<p>গবেষণায় দেখা গেছে, স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে স্ত্রী প্রাণীরা পুরুষ প্রাণীদের তুলনায় বেশি দিন বাঁচে। গড় হিসাবে প্রায় ১২ শতাংশ বেশি দিন।</p>



<p>অন্যদিকে, পাখির ক্ষেত্রে পুরুষেরা স্ত্রীদের তুলনায় প্রায় ৫ শতাংশ বেশি দিন বাঁচে। গবেষকরা বলছেন, এই বৈপরীত্যের ব্যাখ্যা লুকিয়ে আছে প্রজনন প্রতিযোগিতায়। দেখা গেছে পুরুষ হরিণ বা পুরুষ গরিলা বা অন্যান্য প্রাণীরা তাদের গোত্রের নারীদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য প্রতিপক্ষের সঙ্গে দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়ে বিপুল শক্তি খরচ করে। এ সময় আঘাত পাওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে। এ কারণে তাঁদের আয়ু কম হয়।</p>



<p>যুক্তরাজ্যভিত্তিক দ্য টাইমস এর বরাত দিয়ে ‘আজকের পত্রিকা’ জানায় ‘এই গবেষণায় জেনেটিক গঠনকেও গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্তন্যপায়ীদের ক্ষেত্রে পুরুষের একটি এক্স এবং একটি ওয়াই ক্রোমোজোম থাকে, আর নারীর দুটি এক্স। নারীদের ক্ষেত্রে একটি এক্স ক্রোমোজোম ক্ষতিগ্রস্ত হলে অন্যটি সুরক্ষার কাজ করে। পুরুষদের সেই সুবিধা নেই। বিপরীতে, পাখিদের ক্ষেত্রে নিয়ম উল্টো—পুরুষদের দুটি ‘জেড’ ক্রোমোজোম থাকে, যা তাদের সুবিধা দেয়।’</p>



<p>পুরুষদের কম আয়ুর পিছনে আরো রয়েছে তাদের ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ। দেখা গেছে কিছু দেশে পুরুষদের মধ্যে ধূমপান ও মদ্যপানের মতো অভ্যাস বেশি দেখা যায়। ঝুঁকিপূর্ণ এইসব অভ্যাস তাদের আয়ুষ্কাল কমিয়ে দেয়।</p>



<p>রয়েছে সামাজিক কারণও। পুরুষরা অনেক সময় সামাজিকতা রক্ষায় নারীদের চেয়ে পিছিয়ে থাকে, যা তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।</p>



<p>এ ছাড়াও দেখা গেছে, কর্মক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো পুরুষেরাই করে থাকে। এসব কাজে দুর্ঘটনার হারও বেশি যা তাদের আয়ু কমিয়ে দেয়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অনন্তকাল টিকে থাকবে না মহাবিশ্ব : ধ্বংস হয়ে যাবে ২০ বিলিয়ন বছর পর!</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/11/01/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%b9/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 00:17:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Science]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11987</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অক্টোবর ১৮, ২০২৫: আমাদের পৃথিবী থেকে আগামী ১০০ কোটি বছর পর সব প্রাণীর বিলুপ্তি ঘটবে এই দাবীর]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অক্টোবর ১৮, ২০২৫: আমাদের পৃথিবী থেকে আগামী ১০০ কোটি বছর পর সব প্রাণীর বিলুপ্তি ঘটবে এই দাবীর পর এবার বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, আগামী ২০০০ কোটি বছর পর খোদ মহাবিশ্বই ধ্বংস হয়ে যাবে!</p>



<p>এখন বিজ্ঞানীদের এই দাবি কতটুকু সত্য তা দেখার জন্য ২০০০ কোটি বছর অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু ১০০ কোটি বছর পর তো পৃথিবীতে আর মানুষই থাকবে না। তাহলে মহাবিশ্ব ধ্বংস হয়ে যাবে, বিজ্ঞানীদের দাবি কতটুকু সত্যি তা দেখারও তো কেউ থাকবে না!</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="267" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/ম.jpg" alt="" class="wp-image-11988" style="width:347px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/ম.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/ম-300x200.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">মহাবিশ্ব ধ্বংস হয়ে যাবে! ছবি: সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>তবে আমরা জানি বিজ্ঞান প্রমাণ ছাড়া বা যুক্তি ছাড়া কথা বলেনা। তারা দাবী করছেন, প্রায় ২০০০ কোটি বছর পর মহাবিশ্ব নিজ গুরুভারে সংকুচিত হয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। তারা এই প্রক্রিয়াকে বলছেন ‘বিগ ক্রাঞ্চ’। অর্থাৎ বিগ ব্যাংয়ের উল্টো এক ধ্বংসাত্মক সংকোচন।</p>



<p>এই গবেষণার একজন বিজ্ঞানী হুয়াং ন্যান লু । তিনি স্পেনের ডোনোস্টিয়া ইন্টারন্যাশনাল ফিজিক্স সেন্টারে কর্মরত। তার সাথে আছেন চীনের শাংহাই জিয়াও টং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউ-চেং কিউ। আর নেতৃত্বে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেনরি টাই। এই বিজ্ঞানীরা বলছেন, মহাবিশ্বের সম্প্রসারণে নিয়ন্ত্রণকারী রহস্যময় শক্তি ডার্ক এনার্জি সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে।</p>



<p>ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি’র বরাত দিয়ে জনকণ্ঠ জানায় গবেষক হেনরি টাই বলেছেন, “গত ২০ বছর ধরে মানুষ বিশ্বাস করেছিল যে কসমোলজিকাল কনস্ট্যান্ট ধনাত্মক এবং মহাবিশ্ব চিরকাল সম্প্রসারণের পথে থাকবে। নতুন তথ্য আমাদের দেখাচ্ছে, কসমোলজিকাল কনস্ট্যান্ট ঋণাত্মক হতে পারে, এবং মহাবিশ্ব শেষ হবে একটি বিগ ক্রাঞ্চে।”</p>



<p>টাই এই গবেষণার প্রধান হিসেবে “The Lifespan of our Universe” শীর্ষক নিবন্ধটি গত ১৮ সেপ্টেম্বর Journal of Cosmology and Astroparticle Physics-এ প্রকাশ করেছেন।</p>



<p>গবেষণা অনুযায়ী, এখন থেকে প্রায় ১১০০ কোটি বছর পর মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ থেমে যাবে। এরপর ধীরে ধীরে এটি নিজ গুরুভারে সংকুচিত হতে শুরু করবে। সবশেষে প্রায় ২০০০ কোটি বছর পর মহাবিশ্ব এক বিন্দুতে এসে ধ্বসে পড়বে।</p>



<p>অন্যদিকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, মহাবিশ্ব একদিন ধ্বংস হবে বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন ঠিক, তবে এর পদ্ধতি এবং সময় নিয়ে বিভিন্ন তত্ত্ব প্রচলিত আছে। অন্য একটি গবেষণা বলছে, এই ধ্বংস আরও দ্রুত হতে পারে। তবে, এই বিষয়ে বিজ্ঞানীরা এখনও নিশ্চিত নন এবং এটি একটি চলমান গবেষণার বিষয়।&nbsp;</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এবার মানুষ ধোয়ার ওয়াশিং মেশিন!</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/10/04/%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%a7%e0%a7%8b%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 04 Oct 2025 17:38:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Science]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11872</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫: যান্ত্রিক যুগের প্রভাবে মানুষ কি আরো বেশি অলস হয়ে যাচ্ছে? এখন তারা হাত পা]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="450" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/10/গোসল.jpg" alt="" class="wp-image-11873" style="width:348px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/10/গোসল.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/10/গোসল-300x169.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/10/গোসল-768x432.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">যন্ত্রটির নাম মিরাই নিনগেন সেনতাকুক। ছবি: সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫: যান্ত্রিক যুগের প্রভাবে মানুষ কি আরো বেশি অলস হয়ে যাচ্ছে? এখন তারা হাত পা নেড়ে গোসলও করতে চাচ্ছে না? জাপানে নতুন এক যন্ত্র আবিষ্কারের ফলে এমন প্রশ্নই দেখা দিয়েছে। এই যন্ত্রটির ভিতরে ঢুকে শুয়ে থাকলে ১৫ মিনিটেই গোসল ও শরীর শুকানো হয়ে যাবে কোন রকম শারীরিক পরিশ্রম ছাড়াই। যন্ত্রটির নাম মিরাই নিনগেন সেনতাকুক&nbsp;। এই মেশিনটি ক্যাপসুল আকৃতির। মেশিনটি তৈরি করেছে সায়েন্স কো. লিমিটেড। ২০২৫ সালের এপ্রিলে শুরু ওসাকা কানসাই এক্সপোতে এটি প্রথম প্রদর্শিত হয়।</p>



<p>জাপানি সংবাদপত্র আসাহি শিম্বুনের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বৈশাখী টিভি জানায়, বিশেষ এই ওয়াশিং মেশিন-এ প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ জন ব্যক্তি ১৫ মিনিটের মধ্যে শরীর ধোয়া ও শুকনোর চক্রটি উপভোগ করতে পারবেন। কোম্পানির ওয়েবসাইটে একটি বিশেষ পাতায় মেশিনগুলোর রিজার্ভেশনও গ্রহণ করা হচ্ছে।</p>



<p>মেশিনটিতে নিরাপদ এবং আরামদায়ক তাপমাত্রা নিশ্চিত করার জন্য সেন্সরও আছে। যে ব্যক্তি ভেতরে গোসল করবেন, তার ত্বকের ধরন কেমন, তা বুঝেই সাবান বা বডি ওয়াশ নির্বাচিত হবে।</p>



<p>জাপানের উদ্ভাবকরা দাবী করছেন, ভবিষ্যতের জীবনযাত্রায় এ ধরনের হাই-টেক ডিভাইস মানুষের সময় ও শ্রম বাচাবে এবং গোসলের অভিজ্ঞতাকে আরও আধুনিক করবে।</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
