<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Lifestyle &#8211; Probashi Kantho</title>
	<atom:link href="https://probashikantho.com/category/lifestyle/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://probashikantho.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sun, 03 May 2026 03:12:03 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2021/04/thumbnail_thumbnail-150x150.jpg</url>
	<title>Lifestyle &#8211; Probashi Kantho</title>
	<link>https://probashikantho.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>প্রতিদিন গোসল না করাই স্বাস্থ্যকর!</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 May 2026 03:10:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lifestyle]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12604</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ : স্বাস্থ্যের দিক বিবেচনায় আমরা প্রতিদিনই গোসল করি। গ্রষ্মপ্রধান দেশেতো করিই, এমনকি শীতপ্রধান দেশেও]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ : স্বাস্থ্যের দিক বিবেচনায় আমরা প্রতিদিনই গোসল করি। গ্রষ্মপ্রধান দেশেতো করিই, এমনকি শীতপ্রধান দেশেও কেউ কেউ করে থাকেন। কিন্তু এই অভ্যাস যে খুব উপকার করে—এমন প্রমাণ কিন্তু খুব পরিষ্কার নয়। বরং কিছু ক্ষেত্রে প্রতিদিন গোসল করা ক্ষতিকরও হতে পারে। এমনটাই বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। হার্ডভার্ড হেলথ পাবলিশিং এর বরাত দিয়ে ‘কালবেলা’ জানায়,</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="400" height="208" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/গো.jpg" alt="" class="wp-image-12605" style="aspect-ratio:1.9231462700022537;width:313px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/গো.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/গো-300x156.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">প্রতিদিন গোসল করা ক্ষতিকরও হতে পারে। ছবি: সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>“স্বাভাবিক ও সুস্থ ত্বকে একটি প্রাকৃতিক তেলের স্তর থাকে এবং কিছু উপকারী জীবাণুও থাকে। গরম পানি দিয়ে বারবার গোসল করলে এগুলো ধুয়ে যেতে পারে। এর ফলে—</p>



<p>&#8211; ত্বক শুষ্ক, চুলকানিযুক্ত বা সংবেদনশীল হয়ে যেতে পারে</p>



<p>&#8211; ফাটা ও শুকনো ত্বক দিয়ে ক্ষতিকর জীবাণু বা অ্যালার্জির উপাদান শরীরে ঢুকতে পারে</p>



<p>&#8211; অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান উপকারী জীবাণু নষ্ট করে দিতে পারে, ফলে ক্ষতিকর জীবাণু বাড়তে পারে। এ ছাড়া গোসলের পানিতে লবণ, ক্লোরিন, ধাতু বা অন্যান্য রাসায়নিক থাকতে পারে, যেগুলোও ত্বকের জন্য ভালো নাও হতে পারে।”</p>



<p>এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, তাহলে সপ্তাহে কতবার গোসল করা উচিৎ? এর নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই বা উত্তরও নেই। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, একজন মানুষের প্রতিদিন গোসলের প্রয়োজন নেই। কিন্তু সপ্তাহে ঠিক কতবার গোসলের প্রয়োজন তা নিয়ে নানা মত রয়েছে। তবে ত্বকের ধরণের ওপর ভিত্তি করে সপ্তাহে এক বা দুইদিন কিংবা তিন দিন পরপর গোসল করা যেতে পারে। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা এক বা দুই দিন পরপর গোসল করতে পারেন। আর যাদের ত্বক শুষ্ক তারা সপ্তাহে এক বা দুই দিন গোসল করতে পারেন। অন্যদিকে যারা অতিরিক্ত ঘামেন নানান কারণে তাদের প্রতিদিনই গোসল করা উচিৎ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দুশ্চিন্তাহীন জীবন আয়ু বাড়ায়</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 May 2026 03:07:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lifestyle]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12601</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ : আজকের এই যান্ত্রিক যুগে ও নগর জীবনের প্রাত্যহিক জটিলতায় মানুষের মনে দুশ্চিন্তা থাকবে]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img decoding="async" width="400" height="246" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/চিন্তা.jpg" alt="" class="wp-image-12602" style="aspect-ratio:1.6260560248999556;width:370px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/চিন্তা.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/চিন্তা-300x185.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">দুশ্চিন্তা থেকে তৈরী হতে পারে মানসিক রোগও। ছবি: সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ : আজকের এই যান্ত্রিক যুগে ও নগর জীবনের প্রাত্যহিক জটিলতায় মানুষের মনে দুশ্চিন্তা থাকবে না তা কি হয়? হয় না। মানসিক দুশ্চিন্তা অনেক কারণেই হতে পারে। কিন্তু সেই দুশ্চিন্তাকে যদি নিয়ন্ত্রণ না করা যায় তবে তার পরিনতিতে হতে পারে নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা। তৈরী হতে পারে মানসিক রোগও। বিষন্নতা থেকে শুরু করে আরও অনেক কিছুই হতে পারে। ভাঙ্গতে পারে মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক, এমনকি দাম্পত্য সম্পর্কও। তাই সময় থাকতে দুশ্চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। দূরে ঠেলে রাখতে হবে এই বিপদকে।<br>বস্তুত, দুশ্চিন্তাহীন মানসিক সুস্থতা আমাদের স্বাভাবিক আয়ু বাড়ায়। মানসিক অস্থিরতা বা উদ্বেগ আমাদের জীবনের আনন্দ ও স্বস্তি কেড়ে নিতে পারে। তাই এই পরিস্থিতে পড়লে যা যা করনীয় তা হলো,<br>মনসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ: দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্ত শরীরে কর্টিসলের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে, যা ধীরে ধীরে অন্যান্য হরমোনকেও প্রভাবিত করে। তাই একে প্রতিহত করার জন্য নিয়মিত যোগব্যায়াম, প্রতিদিন অল্প হলেও হাঁটা খুবই জরুরী। মনে রাখতে হবে যোগ ব্যায়াম মানসিক অস্থিরতা দূর করার জন্য একটা খুবই কার্যকরী কৌশল। এটি শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতেও সহায়তা করে। এসব কার্যকলাপ স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত রাখতে এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। মনের অস্থিরতা দূর করতে প্রতিদিন নিয়ম করে কিছুক্ষণ শারীরিক ব্যায়াম করা খুবই ‍উপকারী। এই অভ্যাস শরীরকে যেমন ভালো রাখবে তেমনি মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করবে। দ্রুত হাঁটা, স্ট্রেচিং বা যোগব্যায়াম সময়ের সাথে কার্যকর পরিবর্তন আনতে পারে। <br>পর্যাপ্ত ঘুম : ঘুম হচ্ছে এমন এক ধরনের ক্রিয়া যা প্রতিটি প্রাণীর জন্য অপরিহার্য। পর্যাপ্ত ঘুম শুধু যে মানসিক অস্থিরতা দূর করে তা নয়, এটি উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোকের ঝুকি কমানো, হজমশক্তি বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো সহ আরও অনেক বিষয়ে সাহায্য করে। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের দৈনিক গড়ে ৭ ঘন্টা বা তার বেশি সময় ঘুমানো উচিত।<br>সুষম খাবার: নগর জীবনের ব্যস্ততায় আজকাল অনেকেই রেস্টুরেন্টর উপর নির্ভর করেন। আর সেখানে গিয়ে বার্গার, পিজ্জা, আইসক্রিম, ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার খান। আমরা অনেকেই জানি এরকম ফাস্টফুড আমাদের স্বাস্থের জন্য ব্যাপক ক্ষতিকর। কিন্তু তা জেনেও অনেকেই সেগুলো খান। এই অভ্যাস অথবা বলা ভালো বদভ্যাস বাদ দিতে হবে। প্রতিদিনের খাবারে গোটাশস্য, মৌসুমী ফল, শাক-সবজি, বাদাম এবং বীজ যোগ করলে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়া যায়, যা সামগ্রিক হরমোনের স্বাস্থ্যকে সহায়তা করে। এবং একই সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যকেও ভাল রাখে। তাই খাবারের তালিকায় প্রক্রিয়াজাত খাবারের বদলে তাজা ও স্বাস্থ্যকর খাবার রাখুন। এবং দুশ্চিন্তাহীন জীবন বেছে নিন। -তথ্য সূত্র : অনলাইন</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পায়ের পেশি সচল না রাখলে আয়ু কমে যায়!</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%9a%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%86/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%9a%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%86/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 May 2026 03:04:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lifestyle]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12598</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ : এক গবেষণায় দেখা গেছে, যে কোন বয়সের মানুষই যদি টানা দুই সপ্তাহ নিষ্ক্রিয়]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ : এক গবেষণায় দেখা গেছে, যে কোন বয়সের মানুষই যদি টানা দুই সপ্তাহ নিষ্ক্রিয় থাকেন, হাটাচলা না করেন তবে তারা তাদের পায়ের পেশির প্রায় এক-চতুর্থাংশ শক্তি হারিয়ে ফেলেন। আর এর ফলাফল? শরীরকে ২০ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত বুড়িয়ে দিতে পারে! ডেনমার্কের কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণার বরাত দিয়ে নিউজ২৪বিডি.টিভি জানায় পিলে চমকানো এই তথ্য।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img decoding="async" width="400" height="225" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/রা.jpg" alt="" class="wp-image-12599" style="aspect-ratio:1.7778317938745747;width:330px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/রা.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/রা-300x169.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">পায়ের পেশি সচল না রাখলে সমস্যা হতে পারে। ছবি: সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হয়। মূলত বার্ধক্যকে জয় করার মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে মানুষের দুই পায়েই। আমেরিকান জার্নাল অব প্রিভেন্টিভ মেডিসিন বলছে, দীর্ঘায়ুর সবচেয়ে বড় নির্দেশক হলো শক্তিশালী পায়ের পেশি। গবেষণায় আরও বলা হয়, একবার পায়ের পেশি দুর্বল হয়ে পড়লে পরবর্তীতে চিকিৎসা বা ব্যায়ামের মাধ্যমে সেই শক্তি ফিরে পাওয়া অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ এবং কঠিন হয়ে দাঁড়ায় মানুষের জন্য।</p>



<p>চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, মানুষের বার্ধক্য শুরু হয় মূলত পা থেকে এবং তা ধীরে ধীরে ওপরের দিকে অগ্রসর হয়। একই সাথে হাড় থেকে ক্যালসিয়াম ক্ষয় হতে থাকায় বয়স্কদের হাড় ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা বহুগুণ বেড়ে যায়। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, থাই বা উরুর হাড় ভাঙার কারণে ১৫ শতাংশ বয়স্ক মানুষ এক বছরের মধ্যেই মৃত্যুবরণ করেন। চিকিৎসকরা জানান, এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য নিয়মিত হাঁটা এবং ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। এটিকে কোনো সাময়িক অভ্যাস হিসাবে নয় বরং সুস্বাস্থ্যের জন্য সারা জীবনের একটি অভ্যাস হিসাবে গ্রহণ করা উচিৎ। মানুষের শরীর চলার জন্য। স্থবির হয়ে বসে থাকার জন্য নয়। পা সচল থাকলে শরীরে প্রাণের স্পন্দনও দীর্ঘস্থায়ী হবে।</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%9a%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%86/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সবসময় ‘হ্যাঁ ’ না বলে ‘না’ বলতেও শিখুন</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/02/03/%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%81-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Feb 2026 22:41:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lifestyle]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12340</guid>

					<description><![CDATA[&#8216;না&#8217; বলতে না পারা&#160;একটি সাধারণ মনস্তাত্ত্বিক দুর্বলতা, যা সাধারণত অন্যদের মন রাখা&#160;স্বভাবের কারণে হয়ে থাকে। এ ধরনের মানুষ চেনা-অচেনা কারো]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>&#8216;না&#8217; বলতে না পারা&nbsp;একটি সাধারণ মনস্তাত্ত্বিক দুর্বলতা, যা সাধারণত অন্যদের মন রাখা&nbsp;স্বভাবের কারণে হয়ে থাকে। এ ধরনের মানুষ চেনা-অচেনা কারো অনুরোধে সরাসরি &#8220;না&#8221; বলতে পারেন না। তারা ভাবেন এতে সম্পর্কের অবনতি ঘটতে পারে। ফলে কেউ কিছু চাইলে বা প্রস্তাব দিলে অনিচ্ছা সত্ত্বেও এরা রাজি হয়ে যান। অথচ এই অভ্যাসের কারণে নিজের ইচ্ছেগুলো হারিয়ে যায় এবং পরে নিজের ওপরই হতাশা ও রাগ জন্ম নেয়।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="230" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/না.jpg" alt="" class="wp-image-12341" style="aspect-ratio:1.7392485902574903;width:432px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/না.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/না-300x173.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">অনেক সময় &#8220;না&#8221; বলতে পারাটা নিজের ক্ষতির কারণ হয়ে দাাঁড়ায়। ছবি: সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>মনোবিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের মানুষের সব সময় চাওয়া হয় যে সবাই খুশি থাকুক, কেউ রাগ না করুক বা কেউ কিছু মনে না করুক। নিজের ক্ষতি হলেও তারা ‘না’ এর জায়গায় ‘হ্যাঁ ’বলেন। বিষয়টা অনেকটা অনুরোধে ঢেঁকি গেলার মতই।</p>



<p>মনোরোগ বিশেষজ্ঞ মনসী কোঠারি বলেন, শৈশব থেকেই কিছু মানুষ এমন পরিবেশে বড় হন, যেখানে কেবল ভালো ব্যবহার বা আবদার মেটালেই প্রশংসা বা ভালোবাসা পাওয়া যায়। আর সেই প্রশংসার লোভে বড় হয়েও তারা ‘না’ বলতে শিখেন না।</p>



<p>কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই অভ্যাসের কারণে সম্পর্কগুলোর ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। কারণ, যিনি ‘না’ বলতে পারেন না তিনি শুধু দিয়েই যাচ্ছেন, পাচ্ছেন না কিছুই। দিনশেষে নিজেকে ফাঁকা লাগে।</p>



<p>তবে চেষ্টা করলে এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব। আর এর জন্য প্রথম পদক্ষেপ হলো—আপনি কেন এমন করছেন,&nbsp; সেটি বোঝা। তারপর ধীরে ধীরে ‘না’ বলার অনুশীলন করতে হবে। শুরুতে অস্বস্তি লাগলেও, একটা সময় তা সহজ হয়ে আসবে।</p>



<p>মনে রাখতে হবে, নিজের ইচ্ছা, নিজের চাওয়া, এগুলোরও মূল্য আছে। তাই প্রয়োজনে পেশাদার কাউন্সিলারের সাহায্যও নেওয়া যেতে পারে এই মানসিক পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য।</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মন ভালো রাখার কিছু উপায়</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/02/03/%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Feb 2026 22:36:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lifestyle]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12337</guid>

					<description><![CDATA[মন ভালো রাখা শারীরিক স্বাস্থ্য ভাল রাখার মতোই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আধুনিক নাগরিক জীবনে আমাদেরকে প্রতিনিয়তই নানান স্ট্রেস বা মানসিক]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>মন ভালো রাখা শারীরিক স্বাস্থ্য ভাল রাখার মতোই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আধুনিক নাগরিক জীবনে আমাদেরকে প্রতিনিয়তই নানান স্ট্রেস বা মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আর এই মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে মনের অশান্তি, পারিবারিক অশান্তি বা স্বাস্থ্য হানি। তাই যতটা সম্ভব মন খারাপ না করে হাসি-খুশি থাকার চেষ্টা করা উচিত।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="256" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/ম.jpg" alt="" class="wp-image-12338" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/ম.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/ম-300x192.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">মন খারাপ না করে হাসি-খুশি থাকার চেষ্টা করা উচিত। ছবি : সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p><strong>মন ভাল রাখার জন্য যা যা করা যেতে পারে</strong><strong></strong></p>



<p><strong>হাসি: </strong>মন ভালো রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো হাসি। তাই প্রাণ খুলে হাসুন। এখানে কার্পণ্য করবেন না। হাসি মানুষের মানসিক শান্তি প্রদান করে।</p>



<p><strong>ঘুম:&nbsp;</strong>মন ভালো রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম একান্ত দরকার। চিকিৎসকদের মতে প্রতিদিন অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুম খুবই জরুরি। এই ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে মন ভালো থাকবে না। তাই ঘুমের গুরুত্ব বুঝুন।</p>



<p><strong>বেড়ানো: সময় করে</strong>&nbsp;সপ্তাহে একদিন বাইরে থেকে ঘুরে আসুন। সাথে ঘনিষ্ঠ কাউকে নিতে পারেন। এতে মনে প্রশান্তির সৃষ্টি হয়।</p>



<p><strong>বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলুন:&nbsp;</strong>পছন্দের কেউ বা পুরোনো বন্ধুকে ফোন করে গল্প করুন। বন্ধুর সঙ্গে শেয়ার করুন আপনার সুখ দুঃখের কথা। পরামর্শও চাইতে পারেন তাঁর কাছ থেকে।</p>



<p>গান শুনুন : গান বিশেষত পছন্দের গান মানুষের মনকে ভাল রাখতে সাহায্য করে। প্রিয় শিল্পীর গান শুনুন ঘরে বসে বা গাড়ি চালানোর সময়। অথবা বৈকালিক ভ্রমণের সময়।</p>



<p>পোষা প্রাণীর সঙ্গে সময় কাটান, নিয়ম করে ব্যায়াম করুন, বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটান। এই অভ্যাসগুলোও মন ভাল রাখে। আর নেতিবাচক ভাবনা থেকে বেরিয়ে যান। দেখবেন মন ভাল থাকবে। -সূত্র : অনলাইন</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভাল থাকার জন্য পেটের মেদ নিয়ন্ত্রণে রাখুন</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/02/03/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a6-%e0%a6%a8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Feb 2026 22:33:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lifestyle]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12334</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক : পেটের বাড়তি মেদ মানুষের শারীরিক সৌন্দর্য নষ্ট করে এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। পেটে বাড়তি মেদ]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক : পেটের বাড়তি মেদ মানুষের শারীরিক সৌন্দর্য নষ্ট করে এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। পেটে বাড়তি মেদ জমা হলে যে সব রোগ সৃষ্টি হতে পারে তার মধ্যে আছে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং ফ্যাটি লিভারের মতো গুরুতর অসুখ।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="314" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/পে.jpg" alt="" class="wp-image-12335" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/পে.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/পে-300x236.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">পেটের বাড়তি মেদ মানুষের শারীরিক সৌন্দর্য নষ্ট করে। ছবি : সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>অনেকেই বিশেষ করে অলস প্রকৃতির মানুষ এবং ভোজন বিলাসী মানুষেরা এর কারণ হিসেবে বয়সকে দোষারোপ করেন। মনে রাখতে হবে, পেটের মেদ বৃদ্ধিতে খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উচ্চ আঁশ ও কম শর্করাযুক্ত খাবার খাওয়া ক্ষুধা কমায়। বেশি পরিমাণে ফল ও সবজি খেলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে এবং অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা হ্রাস করে। এই ধরনের খাদ্যাভ্যাস পেটে বাড়তি মেদ&nbsp; জমতে দেয় না।</p>



<p class="has-medium-font-size"><strong>পেটের মেদ বৃদ্ধির সাধারণ কিছু কারণ</strong></p>



<p><strong>কার্বোহাইড্রেট: </strong>কার্বোহাইড্রেট শরীরে শক্তির জোগান দেয়। ভাত আর রুটি এর অন্যতম উৎস। বাঙ্গালী দিনের শুরুটাই করে ভাত বা রুটি দিয়ে। কিন্তু যখন শরীর অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করা হয়, তখন তা দ্রুত শর্করাতে রূপান্তরিত করে। অনেক সময় এটি পেটের চারপাশে জমতে থাকে। বৃদ্ধি পায় পেটের আকার। তাই মেদ কমাতে রুটি, পাস্তা, ভাত ও আলু খাওয়া যতটা সম্ভব কমিয়ে আনুন। এসবের পরিবর্তে আঁশ সমৃদ্ধ তাজা ফল,ডাল ও শাক সবজি, বাদাম, মটর ইত্যাদি খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।</p>



<p><strong>হাঁটা : </strong>নিয়মিত হাঁটলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। সেজন্য হাঁটার বিকল্প নেই। তবে ধীরে হাঁটলে পেটের মেদ কমে না। হাঁটতে হবে দ্রুত, শরীরে ঘাম ছুটাতে হবে। হাঁটার অন্যান্য সুবিধাও আছে। তবে শুধু হাঁটলেই পেটের চারপাশে চর্বি কমে না। দেখা গেছে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে পার্কে হেঁটেছেন, কিন্তু পেটের মেদ কমাতে পারেননি। সে কারণে অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধিও মেনে চলতে হবে। খাবার খেতে হবে পরিমিত। &nbsp;</p>



<p><strong>ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার:</strong> বিশেষজ্ঞরা পেটের চর্বি কমানোর জন্য ফল, শাকসবজি এবং ফাইবার সমৃদ্ধ শস্যের উপর মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। কারণ দোকানের প্রক্রিয়াজাত খাবার ফাইবার নষ্ট করে দেয় এবং শরীরে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় যা পেটে মেদ জামাতে সাহায্য করে।</p>



<p><strong>বংশগতি :  </strong>পেটে মেদ বা চর্বি জমবে কি না তা অনেকটাই নির্ভর করে বংশগতির ওপর। সাধারণত বাবা মায়ের পেটে মেদ থাকলে পরে সন্তানেরও এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক কার্যকলাপ এবং জীবনযাত্রার অন্যান্য কারণগুলোও পেটে মেদ জমার পরিমাণকে প্রভাবিত করে। তাই বংশগতি থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্যকর জীবনধারা মেনে চললে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তথ্যসূত্র: <em>টাইমসঅবইন্ডিয়া</em></p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিবাহিত বনাম অবিবাহিত : কারা বেশি সুখী?</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/11/01/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 00:31:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lifestyle]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12002</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অক্টোবর ২৫, ২০২৫ : কবিতার সেই বিখ্যাত লাইন ‘নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস, ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস’]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="495" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/বি.jpg" alt="" class="wp-image-12003" style="width:229px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/বি.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/বি-242x300.jpg 242w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">বিয়ে মানুষের সুখ ও স্বাস্থ্যকে লক্ষণীয়ভাবে বাড়িয়ে দেয়। ছবি: সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অক্টোবর ২৫, ২০২৫ : কবিতার সেই বিখ্যাত লাইন ‘নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস, ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস’ দিয়ে শুরু করা যাক। আসলে কে কতটা সুখী তা বলা খুবই কঠিন। কারণ প্রত্যেকেই মনে করেন ওপারেতেই সকল সুখ লুকিয়ে আছে। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দাবী করা হচ্ছে যে, বিয়ে মানুষের সুখ ও স্বাস্থ্যকে লক্ষণীয়ভাবে বাড়িয়ে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান ও সিঙ্গাপুর ম্যানেজমেন্ট ইউনিভার্সিটির যৌথ পরিচালিত গবেষণায় এ কথা দাবী করা হয়। তদের গবেষণায় আরো দাবী করা হয়, বিবাহিত ব্যক্তিরা তুলনামূলকভাবে বেশি শান্ত, সুস্থ ও পরিপূর্ণ জীবনযাপন করেন। কারণ তারা পরিবারের কাছ থেকে বেশি মানসিক সহায়তা পান। আর এটি বিবাহিত মানুষের সুখ ও মানসিক স্বস্তিতে সরাসরি প্রভাব ফেলে।</p>



<p>&nbsp;ঐ একই গবেষণায় দাবী করা হয়, অবিবাহিত ব্যক্তিরা সামাজিক ও পারিবারিক চাপের মুখে থাকেন। আর এই চাপ তাদের সুখের মাত্রাকে কমিয়ে দেয়।</p>



<p>অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জরিপ প্রতিষ্ঠান ‘Gallup‘ পরিচালিত এক গবেষণার ফলাফলে দাবী করা হয় বিবাহিতদের সুখী হওয়ার পরিমাণ বেশি। জরিপে বিবাহিতরা&nbsp; জানিয়েন, তাদের সুখী হওয়ার মাত্রা অবিবাহিতদের চেয়েও অধিক।</p>



<p>এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে যে, তাহলে সুখী হতে হলে কি বিয়ে করতেই হবে? Gallup এর প্রধান অর্থনীতিবিদ জনাথান রথওয়েল সিএনএন’কে বলেন, “এই জরিপ থেকে আমরা অনেক কিছু জানতে পারছি। তবে উচ্চ মাত্রায় সুখী হওয়ার জন্য বিয়ে-ই যে একটা কারণ সেটা বলা কঠিন।”</p>



<p>অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন-ভিত্তিক মনোবিজ্ঞানি ডা. মনিকা ও’নিল বলেন, “আমি এখনও বিশ্বাস করি যারা অসুখী বিবাহিত জীবনে আছেন তারা অবিবাহিতদের চাইতে কম সুখী।”</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>৬০ ছুঁইছুঁই শাহরুখ যে ভাবে এখনো জোয়ান</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/11/01/%e0%a7%ac%e0%a7%a6-%e0%a6%9b%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%87%e0%a6%9b%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%87-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%96-%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 00:28:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lifestyle]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11999</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অক্টোবর ২৯, ২০২৫ : বুড়ো বয়সেও কি ভাবে জোয়ান থাকা যায় সেই রহস্য জানালেন বলিউড বাদশা শাহরুখ]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="499" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/শা.jpg" alt="" class="wp-image-12000" style="width:204px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/শা.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/শা-240x300.jpg 240w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">চেহারায় তারুণ্যের ছাপ এখনো স্পষ্ট। ছবি : সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অক্টোবর ২৯, ২০২৫ : বুড়ো বয়সেও কি ভাবে জোয়ান থাকা যায় সেই রহস্য জানালেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। তার চেহারায় তারুণ্যের ছাপ এখনো স্পষ্ট। বলতে গেলে, শাহরুখের ফিটনেসে মুগ্ধ গোটা ভারত এবং অন্যান্য দেশে তার ভক্তরা।</p>



<p>আমরা জানি রূপালী পর্দার সেলিব্রিটিরা সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করেন না। তাঁদের জীবনশৈলী সাধারণের চেয়ে আলাদা। তারা সবসময় থাকতে চান শারীকিভাবে ফিট। তা না হলে জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়তে পারে।</p>



<p>তবে শাহরুখ খুব সহজ এবং সাধারণ রুটিন মেনেই এমন ফিট আছেন। ভারতের গণমাধ্যম এইসময়.কম&nbsp; এক সাক্ষাৎকারের বরাত দিয়ে জানায়, ‘অভিনেতা শুধু দুপুর এবং রাতের খাবার খান। এই দু&#8217;টো মিল ছাড়া অন্য খাবার ছুঁয়েও দেখেন না শাহরুখ। আর কী কী খাবার থাকে শাহরুখের সেই দু&#8217;টো মিলে? অঙ্কুরিত ছোলা, গ্রিলড চিকেন অথবা ফিশ, ব্রকোলি সেদ্ধ এবং বড় একবাটি ডাল। বহু বছর ধরেই খাওয়াদাওয়ার এই রুটিন মেনে আসছেন তিনি। শুটিং তো বটেই, এমনকী এক দিনের জন্য বাইরে কোথাও গেলেও শাহরুখ বাড়িতে তৈরী খাবার সঙ্গে নিয়ে যান।‘</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শৌচাগারে বসে সেলফোন ব্যবহার? সাবধান, এতে হতে পারে ভয়ঙ্কর বিপদ!</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/11/01/%e0%a6%b6%e0%a7%8c%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 00:25:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lifestyle]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11996</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অক্টোবর ২৭, ২০২৫ : আজকের যুগে বিজ্ঞানের এক অসাধারণ উপহার সেল ফোন। শহর থেকে গ্রাম এমনকি দূরবর্তী]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অক্টোবর ২৭, ২০২৫ : আজকের যুগে বিজ্ঞানের এক অসাধারণ উপহার সেল ফোন। শহর থেকে গ্রাম এমনকি দূরবর্তী কোন জনপদেও মানুষের হাতে হাতে এখন এই ক্ষুদে যন্ত্রটি দেখা যায়। এটি ছাড়া চলার কথা মানুষ এখন চিন্তাই করতে পারে না। অনেক সুবিধা এনে দিয়েছে ক্ষুদ্র এই যন্ত্রটি।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="241" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/সে.jpg" alt="" class="wp-image-11997" style="width:347px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/সে.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/11/সে-300x181.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">কমোডে বসে সেলফোন ব্যবহার একটি বদভ্যাস। ছবি: সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>কিন্তু জানেন কি, এর অপব্যবহার ডেকে আনতে পারে আপনার জীবনে মরাত্মক বিপদও?</p>



<p>সেল ফোনের অপব্যবহার আজকাল অনেকভাবেই হচ্ছে। এর মধ্যে একটি হলো বাথরূমের কমোডে বসে দীর্ঘক্ষণ ইউটিউব বা ফেসবুক খুলে স্ক্রল করা। এটি একটি বদভ্যাস। কারণ এর মাধ্যমে আপনি আপনার শরীরে ডেকে আনতে পারেন পাইলস, পেশি ও স্নায়ুর সমস্যা বা পেলভিক ফ্লোরের ক্ষতি। ভারতীয় গণমাধ্যম ‘আজকাল’ তাদের এক প্রতিবেদনে জানায়, ‘দীর্ঘক্ষণ কমোডে বসে থাকার সবচেয়ে মারাত্মক প্রভাব পড়ে মলদ্বারের রক্তনালীর উপর। বিশেষজ্ঞদের মতে, কমোডে বসার ভঙ্গিটি এমন, যা মলদ্বারের শিরা-উপশিরায় স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা চাপ সৃষ্টি করে। মলত্যাগের জন্য প্রয়োজনীয় স্বল্প সময়ের এই চাপ ক্ষতিকর নয়। কিন্তু যখনই আপনি সেলফোনে মগ্ন হয়ে ১৫-২০ মিনিট বা তার বেশি সময় ধরে বসে থাকছেন, তখন ওই অংশের রক্তনালীতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হয়। এর ফলে শিরাগুলি ফুলে ওঠে এবং দুর্বল হয়ে যায়, যা অর্শ বা পাইলসের অন্যতম প্রধান কারণ।’</p>



<p>এ ছাড়াও সেল ফোনের পর্দার দিকে তাকিয়ে দীর্ঘক্ষণ ঝুঁকে বসে থাকার ফলে ঘাড়ে, কাঁধে এবং পিঠের পেশিতে প্রচণ্ড চাপ পড়ে। এটি স্নায়ুর উপর বিরুপ প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে।</p>



<p>চিকিৎসকদের একাংশের মতে, এই অভ্যাস মানুষের পেলভিক ফ্লোরের পেশিগুলিকেও দুর্বল করে দিতে পারে। মলত্যাগের জন্য মস্তিষ্ক থেকে যে স্বাভাবিক সঙ্কেত আসে এবং পেশি যেভাবে কাজ করে, এই অভ্যাসের ফলে সেই প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য বা মল ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা তৈরি হয়।</p>



<p>তাই সময় থাকতে সতর্ক হোন। অবহেলা করে বিপদ ডেকে আনবেন না।</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>লাস্যময়ী অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী জানালেন তলপেটের মেদ কিভাবে কমানো যায়</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/10/04/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%80-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 04 Oct 2025 17:59:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Lifestyle]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11891</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫: ভাগ্যশ্রী একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। তিনি শুধু হিন্দি নয়, অন্যান্য ভাষার চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="500" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/10/ভাগ্যশ্রী.jpg" alt="" class="wp-image-11892" style="width:312px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/10/ভাগ্যশ্রী.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/10/ভাগ্যশ্রী-240x300.jpg 240w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">লাস্যময়ী অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী। ছবি : ফেসবুক</figcaption></figure>
</div>


<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫: ভাগ্যশ্রী একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। তিনি শুধু হিন্দি নয়, অন্যান্য ভাষার চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন। বয়স ৫৬ হলেও এখনো তরুণীর মতো দেখতে লাস্যময়ী এই অভিনেত্রী । কিন্তু কীভাবে তিনি নিজেকে এই বয়সেও ফিট রাখেন? তা জানার কৌতূহল সবারই। আর সে কৌতূহল মেটাতে তিনি নিজেই ফাঁস করলেন তার সেই রূপরহস্য। তার সাথে তলপেটের মেদ কমানোর দারুণ কিছু টিপসও দিয়েছেন তিনি।</p>



<p>ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সৌন্দর্য ধরে রাখতে ও মেদহীন শরীর পেতে &nbsp;হলে কি করতে হবে সে সম্পর্কে সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে তিনটি ব্যায়ামের কথা বলেছেন ভাগ্রশ্রী। তার মতে নিয়মিত মাত্র ১০ মিনিট এ তিন ব্যায়াম অনুশীলন করলে&nbsp; কমতে শুরু করবে তলপেটে জমে থাকা মেদ। এই ব্যায়ামগুলো হলো :</p>



<p>১। প্রথমে মেঝেতে টান হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুই পা ৯০ ডিগ্রি কোণে তুলুন। এখন পায়ের পাতা টান করে একবার সোজা করুন ও আগের অবস্থানে ফির যান। এতে পেট, কোমরের মাংসপেশি মজবুত হবে।</p>



<p>২। দ্বিতীয় ব্যায়ামে শুয়ে দুই পা ৯০ ডিগ্রি কোণে উপরে তুলুন। এবার একবার বাঁ পা উপরে তুলুন ও মাটিতে রাখুন। একইভাবে ডান পা একবার উপরে ও একবার মাটিতে ছোঁয়াতে হবে। মনে রাখবেন, দুই পা একসঙ্গে উঠাবেন কিংবা নামবেন না।</p>



<p>৩। তৃতীয় ব্যায়ামে শুয়ে থাকা অবস্থাতেই পা ভাঁজ করে শুধু আঙুল মাটি স্পর্শ করতে হবে। প্রথমে বাঁ পা ভাঁজ করে আঙুল মাটিতে স্পর্শ করুন। এরপর ডান পা ভাঁজ করে আঙুল মাটিতে স্পর্শ করুন।</p>



<p>ভাগ্রশ্রীর আরো পরামর্শ হলো, পেটে মেদ জমা থেকে মুক্তির সহজ উপায় হলো ব্যায়ামের পাশাপাশি ঠিকমতো খাবার বেছে নেয়া এবং সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাপে খাওয়া। -সূত্র : আনন্দবাজার</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
