<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>International &#8211; Probashi Kantho</title>
	<atom:link href="https://probashikantho.com/category/international/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://probashikantho.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Mon, 09 Feb 2026 15:30:27 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2021/04/thumbnail_thumbnail-150x150.jpg</url>
	<title>International &#8211; Probashi Kantho</title>
	<link>https://probashikantho.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>বাংলাদেশিসহ ৫ লাখ অভিবাসীকে বৈধতা দিতে যাচ্ছে স্পেন</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/02/09/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%b9-%e0%a7%ab-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 15:28:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[International]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12380</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, জানুয়ারি ৩১, ২০২৬ : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যখন অভিবাসন বিরোধী কার্যক্রমে নৃশংসতার আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে, বৈধ কাগজপত্রহীন লোকজনকে]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, জানুয়ারি ৩১, ২০২৬ : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যখন অভিবাসন বিরোধী কার্যক্রমে নৃশংসতার আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে, বৈধ কাগজপত্রহীন লোকজনকে পশুর মত হাত-পা বেধে উড়ো জাহাজে তুলে যার যার দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে তখন ইউরোপের দেশ স্পেন হাঁটছে ভিন্ন পথে। দেশটির সরকার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশিসহ প্রায় পাঁচ লাখ অনিয়মিত অভিবাসীকে বৈধ করা হবে। দেশটির সরকার বলছে, এই প্রক্রিয়র মাধ্যমে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার বৈধ কাগজপত্রহীন অভিবাসীর একটি বড় অংশকে মূলধারায় আনা সম্ভব হবে। সরকারের মতে, এই আভিবাসীরাই স্পেনের উন্নয়নের বড় চলনশক্তি।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="400" height="240" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/স্পে.jpg" alt="" class="wp-image-12381" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/স্পে.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/স্পে-300x180.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">বাংলাদেশিসহ প্রায় পাঁচ লাখ অনিয়মিত অভিবাসীকে বৈধতা দেওয়া হবে স্পেনে। ছবি : ডেমোক্রেসিজা.কম</figcaption></figure>
</div>


<p>স্পেনের<strong> </strong>বার্সেলোনা, মাদ্রিদ ও ভালেন্সিয়ার মতো শহরে বসবাস করছেন হাজার হাজার বাংলাদেশি। এদের পাশাপাশি অন্যান্য দেশ থেকে যারা স্পেনে গিয়েছেন এবং বৈধতার অভাবে চরম এক অনিশ্চয়তার জীবন অতিবাহিত করছেন তাদের কাছে এই সংবাদ বড় একটা স্বস্তি নিয়ে এসেছে। ধারণা করা হয় বর্তমানে স্পেনে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি বসবাস করছেন।</p>



<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্পেন সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে দেশটির বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা। স্পেনের বর্তমান অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে হলে প্রয়োজন বিপুল সংখ্যক শ্রমিক। সেই দৃষ্টিকোন থেকে দেশটিতে অবস্থানরত ৫ লাখ মানুষকে বৈধ করলে বছরে প্রায় ২ বিলিয়ন ইউরো কর ও সামাজিক নিরাপত্তা অনুদান সরকারি কোষাগারে যোগ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>



<p>গত সপ্তাহে এক রয়্যাল ডিক্রিবলে এই পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। ফলে পার্লামেন্টে স্যোশালিস্ট-নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলেও এই পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিরোধীদের তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়ার আশঙ্কা এখন আর নেই ।</p>



<p>উল্লেখ্য যে, একবিংশ শতাব্দীতে ইউরোপের আর কোনও দেশ এতটা বড় পরিসরে অভিবাসীদের বৈধতার সুযোগ দেয়নি। নতুন এই পরিকল্পনার আওতায়, যেসব বিদেশি নাগরিকের কোনও ক্রাইম রেকর্ড নেই এবং যারা ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে অন্তত পাঁচ মাস স্পেনে বাস করার প্রমাণ দেখাতে পারবেন, তারা বৈধতার জন্য আবেদন করতে পারবেন।</p>



<p>স্পেনের প্রধানমন্ত্রী বারবারই বলে আসছেন, স্পেনের অর্থনৈতিক অর্জন গতি পাচ্ছে অভিবাসনের কারণেই। সম্প্রতি কয়েক বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের&nbsp; অন্যান্য দেশগুলোর চেয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এগিয়ে গেছে স্পেন।</p>



<p>বর্তমানে স্পেনে বৈধ কাগজপত্রহীন অভিবাসী হিসাবে যারা বাস করছেন, তাদের অধিকাংশই এসেছেন কলম্বিয়া, পেরু ও হন্ডুরাস থেকে। এ ছাড়া ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকেও এসেছেন অনেকে।</p>



<p>তবে কাগজপত্রহীন এই অভিবাসীদেরকে বৈধতা দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করায় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে বিরোধী দলগুলো।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গাজায় গণহত্যা চালানোর পর এবার গড়ে তোলা হচ্ছে বিলাসবহুল পর্যটন শহর</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/02/09/12376/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 15:22:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[International]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12376</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, জানুয়ারি ৩০, ২০২৬ : ইসরাইলের বর্বর আগ্রাসনে গাজায় এ পর্যন্ত নিহত হয়েছে ৬৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। পাশাপাশি]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full"><img decoding="async" width="400" height="225" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/গা.jpg" alt="" class="wp-image-12377" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/গা.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/গা-300x169.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">ইসরাইলের বর্বর আগ্রাসনে গাজায় এ পর্যন্ত নিহত হয়েছে ৬৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। ছবি : মাহমুদ ইসা/রয়টার্স</figcaption></figure>
</div>


<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, জানুয়ারি ৩০, ২০২৬ : ইসরাইলের বর্বর আগ্রাসনে গাজায় এ পর্যন্ত নিহত হয়েছে ৬৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপের পাহাড়ে পরিণত হয়েছে গাজা উপত্যকা। সেখানে সৃষ্টি হয়েছে ৫ কোটি টনের বেশি ধ্বংসস্তূপ। যা সরাতে সময় লাগবে প্রায় ২১ বছর। আর ব্যয় হবে ৫০ কোটি ডলার। সম্প্রতি জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়। তবে এটি পুরানো খবর। নতুন খবর হলো, সেই মৃত্যু উপত্যক্যায় হামলাকারী ও তাদের দোসরদের উদ্যোগে এবার নাকি গড়ে তোলা হবে বিনোদনের মন মাতানো পর্যটন শহর ও একটি আধুনিক শহর। এই ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের মঞ্চে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাকে ঘিরে এক মাস্টারপ্ল্যান তুলে ধরেছেন তিনি। তার ভাষায়, ‘আমাদের একটি মাস্টারপ্ল্যান আছে।’ এবিসি নিউজের বরাত দিয়ে বাংলাভিশন এই খবর জানায়।</p>



<p>কুশনার আরও জানান, এই মাস্টারপ্লানে রয়েছে উপকূলীয় পর্যটন অঞ্চল, সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর, দুটি নতুন শহর, ১৮০টি আকাশচুম্বী ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামো।</p>



<p>নামও ঠিক করে ফেলা হয়েছে নতুন দুটি শহরের। এর একটি হবে ‘নিউ রাফা’ এবং অন্যটি হবে ‘নিউ গাজা’। নিউ রাফায় এক লাখের বেশি আবাসিক ইউনিট তৈরি করা হবে। ২০০টির বেশি স্কুল নির্মান করা হবে। থাকবে অন্তত ৭৫টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। অন্যদিকে ‘নিউ গাজা’ হবে একটি শিল্পনগরী। গাজার সমুদ্র উপকূলে বিলাসবহুল আন্তর্জাতিক এই পর্যটন শহরে থাকবে আকাশচুম্বী সব হোটেল। তবে বিশ্লেষকরা এই পরিকল্পনাকে স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করে অঞ্চলটিকে সম্পূর্ণ পাল্টে ফেলার একটি প্রচেষ্টা হিসেবেই দেখছেন। মানবাধিকার সংগঠন ইউরো-মেডিটেরানিয়ান হিউম্যান রাইটস মনিটর গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা রামি আবদু এই পরিকল্পনাকে ফিলিস্তিনিদের স্বকীয়তা মুছে ফেলার নকশা বলে আখ্যা দিয়েছেন।</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জনসংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে ভারত</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/02/09/%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9a%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 15:13:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[International]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12373</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, জানুয়ারি ৩০, ২০২৬ : বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ হিসাবে স্বীকৃতি পয়েছে ভারত। এই হিসাব ২০২৫]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full"><img decoding="async" width="400" height="225" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/ইন.jpg" alt="" class="wp-image-12374" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/ইন.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/02/ইন-300x169.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">ভারতের জনসংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে । ছবি : রয়টার্স</figcaption></figure>
</div>


<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, জানুয়ারি ৩০, ২০২৬ : বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ হিসাবে স্বীকৃতি পয়েছে ভারত। এই হিসাব ২০২৫ সালের। চীনকে পেছনে ফেলে ভারত বর্তমানে শীর্ষস্থানে রয়েছে, যার জনসংখ্যা ১.৪৬ বিলিয়নের বেশি। দ্বিতীয় স্থানে আছে চীন যার জনসংখ্যা ১.৪২ বিলিয়ন। আর তৃতীয় স্থানে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যার জনসংখ্যা প্রায় ৩৪১ মিলিয়ন।</p>



<p>চীনের জনসংখ্যা বর্তমানে হ্রাস পাচ্ছে, অন্যদিকে ভারতের জনসংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৫ সালে এই তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, চীনে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সেই তুলনায় নতুন করে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা বাড়ছে না। এ পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন হয়ে চীন জন্মহার বাড়ানোর জন্য নানান উদ্যোগ নিচ্ছে। কিন্তু তাতে খুব একটা কাজ হচ্ছে না।&nbsp;</p>



<p>উল্লেখ্য যে, চীন একসময় জনসংখ্যা কমাতে ‘এক সন্তান নীতি’চালু করেছিল। তবে এক সময় এসে দেখা গেল, সেই নীতি হিতে বিপরীত হয়েছে। ফলে ২০১৬ সালে চীন তার এক সন্তান নীতি বদল করে এবং ২০২১ সালে বিভিন্ন প্রণোদনা সহকারে তিন সন্তান নীতি প্রবর্তন করে। কিন্তু ততদিনে মানুষের জীবনযাত্রায় অনেক পরিবর্তন এসেছে। এক সন্তান বা সন্তান না নেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে পেশাজীবীদের মধ্যে। চীনে শিশু লালনপালনের খরচও অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন সন্তান গ্রহণ না করার এটাও একটি কারণ। অন্যদিকে অবিবাহিত চীনা তরুণ-তরুণীরা বিয়ে করতেও তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে না। ফলে সেই দেশে জন্মহার কমে যাচ্ছে।</p>



<p>তবে মহামারিতে ভারতে বহু মানুষের মৃত্যু হলেও দেশটিতে জনসংখ্যা বেড়েছে। অর্থনীতিবিদ শ্রুতি রাজাগোপালন মনে করেন, তরুণরা ভারতের জন্য আশীর্বাদ। তিনি জানান, এই তরুণ প্রজন্ম ভারতের বৃহত্তম ভোক্তা বিভাগ গঠন করবে। এছাড়া তারা দেশের বৃহত্তম কর্মক্ষম জনসংখ্যাতে পরিণত হবে।&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হিন্দু ব্রাহ্মণদের কেউ কেউ মহররম পালন করে থাকেন</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/07/09/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a3%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%89-%e0%a6%95/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 09 Jul 2025 16:02:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[International]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11549</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ৭ জুলাই, ২০২৫: গত ৪ জুলাই বিবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয় ভারতে হিন্দু ব্রাহ্মণদের কেউ কেউ]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ৭ জুলাই, ২০২৫: গত ৪ জুলাই বিবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয় ভারতে হিন্দু ব্রাহ্মণদের কেউ কেউ মুসলিমদের মহরম পালন করে থাকেন।</p>



<p>মুসলিম ধর্মালম্বীদের কাছে আশুরার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনেক। কারবালা প্রান্তরে মহানবী (সা.)-এর দৌহিত্র হোসাইন (রা.)-এর মর্মান্তিক শাহাদাত বরণ ‘আশুরা’কে আরো গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যমণ্ডিত করেছে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="267" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/07/ম.jpg" alt="" class="wp-image-11550" style="width:361px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/07/ম.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/07/ম-300x200.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">উত্তরপ্রদেশে মহররমের তাজিয়ায় এক হিন্দু রমণীর শ্রদ্ধা নিবেদন। ছবি : গেটি ইমেজ ভায়া বিবিসি</figcaption></figure>
</div>


<p>বিবিসি’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জনশ্রুতি অনুযায়ী ৬৮০ খ্রীষ্টাব্দ বা হিজরি ৬১ সনের সেই যুদ্ধে নবী মোহাম্মদের দৌহিত্র ইমাম হোসাইনের হয়ে যুদ্ধ করেছিলেন ভারতের এক হিন্দু সারস্বত ব্রাহ্মণ – যার নাম রিহাব সিধ দত। শুধু নিজে যুদ্ধ করাই নয়, তার সাত পুত্রও না কি ইউফ্রেটিস নদীর তীরে সেই যুদ্ধে আত্মবলি দেন।</p>



<p>রিহাব সিধ দতের সেই &#8216;উত্তরসূরী&#8217;রা আজ শত শত বছর পরেও ইমাম হোসাইনের প্রতি শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতাপাশে বাঁধা পড়ে আছেন – যে কারণে তারা নিজেদের ধর্ম না পাল্টালেও শিয়া ইসলামের অনেক রীতিনীতি, বিশেষ করে মহররম মাসে আশুরা পালন করে চলেছেন আজও।</p>



<p>ইমাম হোসাইনের অনুগত, অথচ ধর্মবিশ্বাসে হিন্দু ব্রাহ্মণ &#8211; এই অনন্য সম্প্রদায়ই &#8216;হুসাইনি ব্রাহ্মণ&#8217; নামে পরিচিত। ভারতের কোনো কোনো জায়গায় তাদের &#8216;মোহিয়াল ব্রাহ্মণ&#8217; নামেও ডাকা হয়।</p>



<p>বিবিসি জানায়, আজও ভারতে হুসাইনি ব্রাহ্মণরা তাদের জীবনচর্যায় হিন্দু ও মুসলিম – দুই ধর্মেরই কিছু কিছু রীতি রেওয়াজ, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব পালন করে থাকেন।</p>



<p>প্রসঙ্গত, ভারতের প্রয়াত বলিউড অভিনেতা সুনীল দত্ত ছিলেন একজন হুসাইনি ব্রাহ্মণ। তার অভিনেত্রী স্ত্রী নার্গিস দত্ত-ও ছিলেন &#8216;হাফ-মোহিয়াল&#8217;। তাদের সন্তানরা, তারকা অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত ও রাজনীতিবিদ প্রিয়া দত্ত-ও পারিবারিক সূত্রে একই সম্প্রদায়ভুক্ত।</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে মালয়েশিয়ায় ৩৬ জন বাংলাদেশি আটক</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/07/09/%e0%a6%9c%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%83%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 09 Jul 2025 15:58:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[International]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11546</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ৫ জুলাই, ২০২৫: জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে গত তিন মাসে ৩৬ জন বাংলাদেশিকে আটক করে মালয়েশিয়ার পুলিশ। এক]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="221" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/07/জ.jpg" alt="" class="wp-image-11547" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/07/জ.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/07/জ-300x166.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে মালয়েশিয়ায় ৩৬ জন বাংলাদেশি আটক। প্রতীকী ছবি : বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম</figcaption></figure>
</div>


<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ৫ জুলাই, ২০২৫: জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে গত তিন মাসে ৩৬ জন বাংলাদেশিকে আটক করে মালয়েশিয়ার পুলিশ। এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির পুলিশ প্রধান মোহাম্মদ খালিদ ইসমাইল জানান মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিয়ে গড়ে ওঠা ইসলামিক স্টেটের একটি নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া হয়েছে। খবর বিবিসি নিউজের।<br>আটককৃতদের অনেকে কারখানা, নির্মাণ ও সেবাখাতে কর্মরত ছিলেন।<br>বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, আইএসের এই নেটওয়ার্কটি সদস্য সংগ্রহের জন্য অন্য বাংলাদেশি শ্রমিকদের টার্গেট করতো। এ কাজে সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতো তারা। মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন “তারা উগ্র মতাদর্শ প্রচার করার পাশাপাশি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য অর্থ সংগ্রহ এবং নিজের দেশের বৈধ সরকারকে উৎখাতের পরিকল্পনায় কাজ করছিল।”<br>গত সপ্তাহে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, গ্রেফতার বাংলাদেশিদের মধ্যে পাঁচজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলা হয়েছে। বাকিদের মধ্যে ১৫ জনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর উদ্দেশ্যে ইমিগ্রেশন ডিপার্টেমেন্টের কাছে হস্তান্তরের কথা জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার পুলিশ মহাপরিদর্শক। তিনি আরো বলেন, অপর ১৬ জনের বিরুদ্ধে এখনো তদন্ত চলছে এবং তারা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।<br>জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে মালয়েশিয়ায় ৩৬ জন বাংলাদেশিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে এই খবর প্রকাশ হওয়ার পর তা নিয়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয় বাংলাদেশেও।<br>বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেনও এ ব্যাপারে সংবাদ মাধ্যমের সাথে কথা বলেন।<br>তিনি জানান, &#8216;সন্ত্রাসবাদী সন্দেহে&#8217; মালয়েশিয়ায় আটক ৩৬ জন বাংলাদেশি সম্পর্কে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিস্তারিত জানতে চাইবে।</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিশ্বে মৃত্যুদণ্ড বাড়ছে : গত প্রায় এক দশকে সর্বোচ্চ মৃতুদণ্ড কার্যকর করা হয় ২০২৪ সালে</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/04/15/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 15 Apr 2025 17:42:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[International]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11112</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক , ৯ এপ্রিল, ২০২৫ : ২০২৪ সালে বিশ্বে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় এক দশকের মধ্যে ছিল]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক , ৯ এপ্রিল, ২০২৫ : ২০২৪ সালে বিশ্বে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় এক দশকের মধ্যে ছিল সর্বোচ্চ। গত ৮ এপ্রিল মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে বেশিরভাগ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান, ইরাক এবং সৌদি আরব।&nbsp;তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ দেশ চীন। দেশটির পাশাপাশি উত্তর কোরিয়া ও ভিয়েতনামে কার্যকর হওয়া হাজার হাজার মৃত্যুদণ্ড এ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="500" height="302" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/04/মৃতুদণ্ড.jpg" alt="" class="wp-image-11113" style="width:405px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/04/মৃতুদণ্ড.jpg 500w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/04/মৃতুদণ্ড-300x181.jpg 300w" sizes="(max-width: 500px) 100vw, 500px" /><figcaption class="wp-element-caption">২০২৩ সালের তুলনায় বিশ্বব্যাপী মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা ৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ছবি : রয়টার্স-রোমিও র‍্যানোকো</figcaption></figure>
</div>


<p>সংস্থাটি মৃত্যুদণ্ডের ওপর তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২৪ সালে বিশ্বব্যাপী মোট ১,৫১৮টি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যা ২০১৫ সালের পর সর্বোচ্চ। ২০১৫ সালে ১,৬৩৪ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল।</p>



<p>পরিসংখ্যান অনুযায়ী আরো দেখা গেছে, ২০২৩ সালের তুলনায় বিশ্বব্যাপী মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা ৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অ্যামনেস্টির মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেছেন, ‘মৃত্যুদণ্ড একটি জঘন্য অপরাধ যার বর্তমান বিশ্বে কোনো স্থান নেই।’&nbsp;</p>



<p>মহাসচিব ক্যালামার্ড আরো জানিয়েছেন, মৃত্যুদণ্ডের ৬৪ শতাংশ ঘটেছে কেবল ইরানে, যেখানে কমপক্ষে ৯৭২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১শ’ জনেরও বেশি।</p>



<p>অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, সৌদি আরবে বার্ষিক মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে ১৭২ থেকে কমপক্ষে ৩৪৫জনে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ইরাক তাদের মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা প্রায় চারগুণ বাড়িয়ে কমপক্ষে ১৬ থেকে কমপক্ষে ৬৩ করেছে।</p>



<p>অ্যামনেস্টি আরো উল্লেখ করেছে, গত বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও ২৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যা ২০২৩ সালের চেয়ে একজন বেশি।</p>



<p>উল্লেখ্য যে, কানাডায় মৃত্যুদণ্ডের আইন নেই। মানবাধিকার গোষ্ঠীর মতে, বর্তমানে ১৪৫টি দেশ মৃত্যুদণ্ডকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। &#8211; এএফপি/বিবিসি</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালিয়েছে: অ্যামনেস্টি</title>
		<link>https://probashikantho.com/2024/12/14/%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 14 Dec 2024 18:42:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[International]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=10414</guid>

					<description><![CDATA[অনলাইন ডেস্ক , ৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ : ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশনে উল্লিখিত আইনের সংজ্ঞা অনুসারে গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডকে]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<h1 class="wp-block-heading"></h1>



<p>অনলাইন ডেস্ক , ৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ : ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশনে উল্লিখিত আইনের সংজ্ঞা অনুসারে গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডকে গণহত্যা বলে দাবি করেছে লন্ডনভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। ৫ ডিসেম্বর বার্তাসংস্থা রায়টার্স ও এএফপি এ খবর জানায়। &nbsp;</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="225" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/12/গাজা.jpg" alt="" class="wp-image-10415" style="width:474px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/12/গাজা.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/12/গাজা-300x169.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">ইসরাইলি হামলা থেকে বাঁচতে গাজার খান ইউনুস এ নাসের হাসপাতালে আশ্রয় নেয়া কয়েকজন শিশু। ছবি : বিবিসি</figcaption></figure>
</div>


<p>অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ইসরাইলি সরকার ও সামরিক কর্মকর্তাদের অমানবিকতা এবং গণহত্যার প্রতিবেদন তৈরী করা হয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার, স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত ছবি, কয়েক মাসের তদন্ত ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বিবৃতি বিশ্লেষণ করে।</p>



<p>অ্যামনেস্টির প্রধান অ্যসনেস কালামার্ড এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘মাসের পর মাস, ইসরায়েল গাজায় ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের উপর শারিরীক নির্যাতন চালিয়েছে।’ তিনি আরো বলেন,‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এখনিই জেগে ওঠতে হবে। কারণ গাজায় যা হচ্ছে তা গণহত্যা। অবশ্যই এই গণহত্যা বন্ধ করতে হবে এবং সেটি এখনি।’</p>



<p>উল্লেখ্য যে, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী হামাস যোদ্ধারা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের সীমান্তে নজিরবিহীন আকস্মিক এক হামলা চলালে ১২০৮ জন ইসরাইলি নিহত হন। এর পরপরই ইসরাইলি সামরিক বাহিনী গাজায় প্রাণঘাতি অভিযান চালানো শুরু করে এবং হামাসকে চিরতরে নিমূর্লের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। &nbsp;</p>



<p>বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক মহলের তীব্র নিন্দা সত্ত্বেও গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর প্রাণঘাতি অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে। এবং এ পর্যন্ত ইসরাইলি হামলায় ৪৪ হাজার ৫শ’ ৩২ জন বেসামরিক ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে। নিহতদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। জাতিসংঘের তথ্য মতে নিহত শিশুর সংখ্যা&nbsp;১৭ হাজারের মতো।</p>



<p>অন্যদিকে গাজায় ইসরাইলি সেনাবাহিনীর ব্যাপক হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থীশিবির, মসজিদ ও গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা একেবারে ধ্বংস হয়ে গেছে। বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন দুই মিলিয়নেরও বেশি ফিলিস্তিনি। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজাবাসী চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে।</p>



<p>তবে ইসরাইল শুরু থেকেই গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং পাল্টা অভিযোগ করে বলছে হামাস নিজেদের বাঁচাতে বেসামরিক লোকদের মানবঢাল হিসাবে ব্যবহার করছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মুসলিম অধ্যুষিত দেশ তাজিকিস্তানে হিজাব নিষিদ্ধ করে বিল পাস</title>
		<link>https://probashikantho.com/2024/06/23/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae-%e0%a6%85%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%bf/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Jun 2024 02:16:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[International]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=9419</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক : মুসলিম অধ্যুষিত দেশ তাজিকিস্তানে নারীদের হিজাব পরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বিল পাস করা হয়েছে। হিজাব নিষিদ্ধের]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক : মুসলিম অধ্যুষিত দেশ তাজিকিস্তানে নারীদের হিজাব পরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বিল পাস করা হয়েছে। হিজাব নিষিদ্ধের পাশাপাশি ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের দুই ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহায় স্কুল-কলেজ ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাতিলের বিষয়টিও রয়েছে বিলটিতে।&nbsp; বিলে বলা হয়, মধ্য এশিয়ার এ দেশটি নিজেদেরকে ধর্মনিরপেক্ষ হিসেবে পরিচয় দিতে চায়। এ জন্য তারা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। খবর হিন্দুস্থান টাইমস এর।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="500" height="359" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/06/হিজাব.jpg" alt="" class="wp-image-9420" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/06/হিজাব.jpg 500w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/06/হিজাব-300x215.jpg 300w" sizes="(max-width: 500px) 100vw, 500px" /><figcaption class="wp-element-caption">তাজিকিস্তানে নারীদের হিজাব পরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বিল পাস করা হয়েছে। ছবি : এএফপি</figcaption></figure>
</div>


<p>উল্লেখ্য যে, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্যতম অঙ্গ রাজ্য তাজিকিস্তানের জনসংখ্যার ৯৬ শতাংশ মুসলিম। &nbsp;</p>



<p>গত ২০ জুন বৃহস্পতিবার দেশটির পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ মজলিশি মিলিতে পার্লামেন্ট সদস্যদের ভোটে বিলটি পাস হয়। এর আগে গত ৮ মে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ মজলিশি নামোইয়ানদাগনে পাস হয়েছিল বিলটি।</p>



<p>পার্লামেন্টে বিলটি পাসের পর মজলিশি মিলির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘হিজাব বা এই জাতীয় মস্তকাবরণর পরিধানের সংস্কৃতি মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি হয়েছে। এটি তাজিকিস্তানের নিজস্ব সংস্কৃতি নয়। তা ছাড়া এই পোশাকটির সঙ্গে কট্টরপন্থার সম্পর্ক রয়েছে।’&nbsp;</p>



<p>তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইমোমালি রেহমনও হিজাবকে একটি আগন্তক পোশাক হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি এই বিলে সম্মতি দিয়েছেন। যারা এই আইন লঙ্ঘন করবেন তাদেরকে আট হাজার থেকে ৬৫ হাজার সোমোনি (স্থানীয় মুদ্রা) জরিমানা করা হবে। বাংলাদেশি টাকায় যা ৫ লক্ষাধিক।</p>



<p>তাজিকিস্তানে ২০০৭ সাল থেকেই নারীদের হিজাব ও ইসলামি পোশাক এবং একই সঙ্গে পশ্চিমা পোশাকের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযান শুরু হয় । ওই বছর তাজিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলামিক পোশাক এবং পশ্চিমা ধাঁচের মিনিস্কার্ট উভয়ই নিষিদ্ধ করে। পরে পর্যায়ক্রমে সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানে এটি কার্যকর করা হয়।</p>



<p>মূলত তাজিকিস্তানের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পোষাকরীতিকে বাঁচিয়ে রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এবার মক্কায় হজের সময় যে কারণে এতো মানুষ মারা গেছে</title>
		<link>https://probashikantho.com/2024/06/23/%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%af%e0%a7%87/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 23 Jun 2024 18:37:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[International]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=9411</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক : সৌদি আরবের মক্কায় এবার পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক : সৌদি আরবের মক্কায় এবার পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর এদের মধ্যে বেশির ভাগ মানুষের মৃত্যু হয়েছে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে। হজের সময় এবার সৌদিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।</p>



<p>বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, হজে গিয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৬৫৮ জন মিসরের নাগরিক। ইন্দোনেশিয়া বলেছে, তাদের দেশের ২০০–এর বেশি নাগরিক মারা গেছেন। ভারত বলেছে, তাদের ৯৮ নাগরিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।</p>



<p>প্রতি বছর সৌদি আরবে হজ পালন করতে যান লাখ লাখ মুসলমান। বয়স এবং অতিমাত্রার তাপের কারণে কিছু লোক মারাও যান এই সময়।</p>



<p>তবে এবছরটা বাড়তি শোকাবহ হয়ে উঠেছে বহু মুসল্লির মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে।</p>



<p>সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে চলতি বছর প্রায় ১৮ লাখ ৩০ হাজারের মতো ব্যক্তি হজ করতে এসেছিলেন যার মধ্যে ১৬ লাখই এসেছিলেন বিদেশ থেকে।</p>



<p>উচ্চ তাপমাত্রা ছাড়াও আরো যে কয়টি কারণে এই বছরের এত বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে তার সেগুলো &nbsp;খতিয়ে দেখেছে বিবিসি:</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="500" height="333" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/06/হজ.jpg" alt="" class="wp-image-9412" style="width:476px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/06/হজ.jpg 500w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/06/হজ-300x200.jpg 300w" sizes="(max-width: 500px) 100vw, 500px" /><figcaption class="wp-element-caption">পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফের সময় সূর্যের তাপ থেকে বাঁচতে ছাতা ব্যবহার করছেন হাজিরা। ১৯ জুনছবি: এএফপি</figcaption></figure>
</div>


<p><strong>চরম তাপে উত্তপ্ত পরিস্থিতি</strong></p>



<p>এবার সৌদি আরবে তাপমাত্রা ছায়ার মধ্যেই ৫১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত গিয়েছে। এই পরিস্থিতিকেই একটা বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>



<p>সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় উচ্চতাপ ও পানিশূন্যতা এড়াতে সতর্কতা জারি করলেও অনেক হাজি তীব্র গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা এবং হিটস্ট্রোকের শিকার হয়েছেন।</p>



<p>এমন তাপের সাথে অভ্যস্ত না থাকা, কঠিন ধরণের শারীরিক কাজকর্ম, বিস্তীর্ণ খোলা জায়গা এবং হাজিদের অনেকে বয়স্ক বা অসুস্থ থাকায় হাজিদের জন্য ঝুঁকি থাকেই। অন্যদিকে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে সামনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।</p>



<p>ক্লাইমেট অ্যানালিটিক্সের কার্ল-ফ্রেডরিচ শ্লেউসনার রয়টার্স নিউজ এজেন্সিকে বিশ্বের তাপমাত্রার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার গবেষণা অনুযায়ী শিল্প বিপ্লবের আগের সময়ের তুলনায় বিশ্বের তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি বাড়লে হজের সময় হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি পাঁচ গুণ বেড়ে যেতে পারে।</p>



<p><strong>অব্যবস্থাপনা</strong></p>



<p>অব্যবস্থাপনার কারণে গরমের চরম পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছিল।</p>



<p>অনেকে অভিযোগ করে বলছেন থাকার জায়গা বা সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থাপনার দিক দিয়ে ভালো ছিল না, ফলে তাঁবুগুলোতে অতিরিক্ত ভিড় এবং পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত সুবিধার ঘাটতি ছিল।</p>



<p>নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, মক্কার তাপে আমাদের তাঁবুগুলিতে কোনও এয়ার কন্ডিশনার ছিল না। যে কুলারগুলি বসানো হয়েছিল তাতে বেশিরভাগ সময় পানি ছিল না।&#8221;</p>



<p>কিছু হাজি অভিযোগ করেছেন যে কিছু তাঁবুতে শীতলীকরণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল না।</p>



<p>&#8220;এই তাঁবুগুলি এতটা শ্বাসরুদ্ধকর ছিল যে আমরা ঘেমে ভিজে যাচ্ছিলাম এবং এটি একটি ভয়ানক অভিজ্ঞতা ছিল।&#8221;</p>



<p><strong>পরিবহন সমস্যা</strong></p>



<p>এবারের ভয়াবহ গরমের মধ্যে হজ করতে আসা লোকেরা প্রায়শই দীর্ঘ পথ হাঁটতে বাধ্য হয়েছেন। এজন্য অনেকে বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা আটকে দেয়া এবং খারাপ পরিবহন ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করছেন।</p>



<p>একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাকিস্তানি হাজি বলেন, &#8220;আমাদের সাত কিলোমিটার দীর্ঘ পথে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল যেখানে কোনও পানি এবং ছায়া ছিল না। পুলিশ ব্যারিকেড বসিয়ে আমাদের অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ দূরত্ব হাঁটতে বাধ্য করেছে।&#8221;</p>



<p>তিনি আরো বলেন, &#8220;ক্যাম্পে মানুষকে মুরগি বা খামারের পশুর মতো রাখা হয়েছিল, দুই বিছানার মাঝে দিয়ে যাওয়ার মতো জায়গা ছিল না, এবং কয়েকটি টয়লেট শত শত মানুষের জন্য যথেষ্ট ছিল না।&#8221;</p>



<p><strong>বিলম্বিত চিকিৎসা সহায়তা</strong></p>



<p>এবার হজ করতে আসা অনেক লোকই পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা পাননি বলে জানা গেছে। অনেকে বলছেন যারা তীব্র গরমে ক্লান্তি বা অন্যান্য স্বাস্থ্যসমস্যায় ভুগেছেন তাদের জন্য অ্যাম্বুলেন্স বা প্রাথমিক চিকিৎসা সহজে পাওয়ার উপায় ছিল না।</p>



<p>হজে আসা একজন অভিযোগ করে বলেন, শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে তার এক সহযাত্রীর অক্সিজেন প্রয়োজন ছিল, তখন তাদের মরিয়া অনুরোধ সত্ত্বেও অ্যাম্বুলেন্স আসতে ২৫ মিনিটেরও বেশি সময় লেগেছিল।</p>



<p>&#8220;অবশেষে, একটি অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল এবং ডাক্তার তাকে দুই সেকেন্ডও দেখেননি এবং &#8216;তার কিছু হয়নি&#8217; বলে চলে গেলেন,&#8221; তিনি যোগ করেন।</p>



<p><strong>বয়োজ্যেষ্ঠ, রুগ্ন বা অসুস্থ তীর্থযাত্রী</strong></p>



<p>উল্লেখ যে, অনেক ব্যক্তি জীবনের শেষের দিকে হজ করতে যান। এদের অনেকে আশা করেন যে মৃত্যু হলে যেন সেখানেই হয়। কারণ তাদের বিশ্বাস হজ পালনের সময় মারা যাওয়া সৌভাগ্যের বিষয়। হজে প্রতি বছর মৃত্যুর এটি আরেকটি কারণ।</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইসরায়েল–হামাস সংঘাত: সমাধানের উপায় হচ্ছে, দুটি রাষ্ট্র গঠন করা &#8211; পোপ</title>
		<link>https://probashikantho.com/2023/11/05/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%ae/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Nov 2023 17:49:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[International]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=8802</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, নভেম্বর ৫, ২০২৩ : বিশ্ববাসীর চোখ এখন ইসরায়েল ও গাজার যুদ্ধের দিকে। কানাডাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাধারণ]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, নভেম্বর ৫, ২০২৩ : বিশ্ববাসীর চোখ এখন ইসরায়েল ও গাজার যুদ্ধের দিকে। কানাডাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাধারণ মানুষ জোর দাবী তুলছেন অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য। কিন্তু ইসরায়েল এই &nbsp;যুদ্ধ সহসা থামাবে এমন কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এমনকি ইসরায়েলের এক মন্ত্রী গাজায় পারমানবিক বোমা ফেলার পক্ষেও কথা বলেছেন বলে জানা যায়। অতি-ডানপন্থী এই ইসরাইলী রাজনীতিকের নাম আমিহাই ইলিয়াহু। তবে এই মন্ত্রীকে পরে বরখাস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।</p>



<p>গাজায় এই মুহুর্তে যুদ্ধ বন্ধের পক্ষে নয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও। দেশটির দাবী &#8211; যুদ্ধবিরতি হলে হামাস পুনরায় সংগঠিত হবে, এবং আবারো সাতই অক্টোবরের মতো হামলা চালাতে পারে সংগঠনটি। আর এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র এখন গাজায় কোন যুদ্ধবিরতি চায় না।</p>



<p>গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ৯ হাজার ২২৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসরায়েল জানিয়েছে, হামাসের হামলায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। নভেম্বর ৪ তারিখের হিসাব এটি।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="alignleft size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2023/11/গাজা.jpg" alt="" class="wp-image-8803" width="452" height="254" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2023/11/গাজা.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2023/11/গাজা-300x169.jpg 300w" sizes="(max-width: 452px) 100vw, 452px" /><figcaption>অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি হামলা। আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছে লোকজন। ছবি : রয়টার্স</figcaption></figure></div>



<p>ইসরাইল গাজায় যে শুধু হামলা চালাচ্ছে তা নয়, তারা অবরুদ্ধ গাজায় ত্রাণসামগ্রী পাঠাতেও দিচ্ছে না ঠিক মত। ফলে গাজায় দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্য সংকট। হাসপাতালগুলোতে এখন প্রয়োজনীয় ওষুধও নেই। এমনকি একটি হাসপাতালে বোমা হামলাও চালিয়েছে ইসরাইল। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। তিনি বলেন, গাজা উপত্যকার হাসপাতালে ইসরাইলি হামলা ‘ভয়াবহ এবং একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’।</p>



<p>গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা জানিয়েছেন, গাজা উপত্যকার আল-আহলি ব্যাপ্টিস্ট হাসপাতালে ইসরাইলি বিমান হামলায় ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে হাসপাতালের মাঠে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে লাশ। আনাদুলু অ্যাজেন্সি এই খবর জানায়।</p>



<p>ট্রুডো অবশ্য এ কথাও বলেন যে, ‘হামাস যোদ্ধারা সন্ত্রাসী। তারা প্রতিরোধকারী নয়, তারা মুক্তিযোদ্ধা নয়। কানাডায় তাদের সমর্থন করা উচিত নয়। কানাডা সন্ত্রাস দমনে ইসরাইলের পাশে &nbsp;থাকবে। &nbsp;</p>



<p>এদিকে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যু নিয়ে মুখ খুলেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তিনি বলেন, ইসরায়েলি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলা ছিল ‘ভয়াবহ’, তবে এখন ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েল যা করছে তা ‘সহ্যের বাইরে’। এক প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।</p>



<p>হাসপাতালে হামলার পর গত ৩ নভেম্বর ইসরায়েল গাজায় কয়েকটি এ্যম্বুলেন্সের উপরও হামলা চালিয়েছে। গাজার আল-শিফা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অ্যাম্বুলেন্সে হামলার ঘটনায় ১৫ জন নিহত হন। এই হামলার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, হামলার ঘটনায় তিনি স্তম্ভিত। তিনি আবারও যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান।</p>



<p>গাজায় মানবিক পরিস্থিতিও খুব ভয়াবহ বলে উল্লেখ করেন জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস। &nbsp;তিনি বলেন, ‘মর্গগুলো লাশে ভরে গেছে। স্থানীয় দোকানগুলোতে কোন পন্য নেই। স্যানিটেশনের অবস্থা ভয়াবহ। রোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতা বেড়ে গেছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে তা বেড়েছে। পুরো জনগোষ্ঠী আতঙ্কিত। গাজায় কোনো জায়গা নিরাপদ নয়।’</p>



<p>এদিকে জেরুজালেম সফররত ক্যাথলিক চার্চের প্রধান পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের পাশে দাঁড়িয়ে ‘সার্বভৌম ফিলিস্তিনি মাতৃভূমি’র পক্ষে জোরালো সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। পোপ বলেন, তিনি ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বুঝতে পারেন। তাঁর মতে, ইসরায়েল–হামাস সংঘাত থামাতে হলে ইসরায়েলের পাশাপাশি ফিলিস্তিনের জন্যও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রয়োজন। সেই হিসেবে ভালো সমাধানের উপায় হচ্ছে, দুটি রাষ্ট্র গঠন করা।</p>



<p>প্রায় একমাস ধরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে অবিরাম হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল। আর এর মধ্যেই এই দাবি জানালেন পোপ ফ্রান্সিস।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
