<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Featured &#8211; Probashi Kantho</title>
	<atom:link href="https://probashikantho.com/category/featured/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://probashikantho.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Tue, 14 Apr 2026 19:52:42 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2021/04/thumbnail_thumbnail-150x150.jpg</url>
	<title>Featured &#8211; Probashi Kantho</title>
	<link>https://probashikantho.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ভেজাল পণ্য কানাডিয়ান স্টোরেও!</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/04/05/%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 19:14:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12496</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, এপ্রিল ৩, ২০২৬ : আশ্চর্য হওয়ার মতোই ঘটনা। এত নিয়ম কানুন আর তদারকির মধ্যেও সবার চোখকে ফাঁকি]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, এপ্রিল ৩, ২০২৬ : আশ্চর্য হওয়ার মতোই ঘটনা। এত নিয়ম কানুন আর তদারকির মধ্যেও সবার চোখকে ফাঁকি দিয়ে কুইবেকের এক প্রধান ম্যাপেল সিরাপ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ‘Érablière Steve Bourdeau’ বাজারে নকল ম্যাপল সিরাপ সরবরাহ করে আসছে অনেকদিন ধরেই। খবর রেডিও কানাডার। </p>



<p>সম্প্রতি জালিয়াতির এই ঘটনাটি বলতে গেলে দৈবক্রমেই রেডিও কানাডার Enquête (অনুসন্ধান) অনুষ্ঠানের এক সাংবাদিকের নজরে আসে। Enquête হলো রেডিও-কানাডার একটি টেলিভিশন অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান, যা প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন বিষয়ে গোপন বা স্বল্প-পরিচিত তথ্য উদঘাটনের চেষ্টা করে।</p>



<p>Enquête এর সাংবাদিক নিজের প্রয়োজনেই স্থানীয় এক গ্রোসারী থেকে Érablière Steve Bourdeau’ কোম্পানির একটি ম্যাপেল সিরাপ এর ক্যান বা কৌটা কিনেছিলেন। সেই সিরাপ বাড়িতে এনে খাওয়ার পর তার কেমন যেন সন্দেহ হয়। কারণ, স্বাদটা স্বাভাবিক ছিল না। অদ্ভুত এক ধরনের স্বাদ পাচ্ছিলেন তিনি।</p>



<p>তারপর শুরু হয় তদন্ত। এবং তদন্তে বেড়িয়ে আসে চমকে দেওয়ার মতো ঘটনা। সিবিসি নিউজ জানায়, তদন্তটি আকস্মিকভাবেই শুরু হয়েছিল, যখন রেডিও-কানাডার একজন সাংবাদিক একটি গ্রোসারী থেকে কেনা ম্যাপেল সিরাপের স্বাদ অদ্ভুত বলে লক্ষ্য করেন এবং এর স্বাদ এমন কেন তা নিয়ে তিনি বিস্মিত হন।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="800" height="607" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/সিরাপ.jpg" alt="" class="wp-image-12497" style="aspect-ratio:1.3179653512497747;width:420px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/সিরাপ.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/সিরাপ-300x228.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/সিরাপ-768x583.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">চিনি মিশ্রিত নকল ম্যাপেল সিরাপ। ছবি : রেডিও-কানাডা / ইভানোহ ডেমার্স</figcaption></figure>
</div>


<p>এরপর রেডিও কানাডার অনুষ্ঠান Enquête এর পক্ষ থেকে বিভিন্ন গ্রোসারীতে গিয়ে দৈবচয়নের ভিত্তিতে Érablière Steve Bourdeau’ কোম্পানির ম্যাপেল সিরাপের পাঁচটি ক্যান সংগ্রহ করে বিশ্লেষণের জন্য কুইবেকের ম্যাপেল সিরাপের পরীক্ষা ও মান নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা প্রাদেশিক পরীক্ষাগার <em>le centre ACER</em> –এ নিয়ে যাওয়া হয়।</p>



<p>পরীক্ষার ফলাফল ছিল একই। ‘বিশুদ্ধ ম্যাপেল সিরাপ’ লেবেলযুক্ত পাঁচটি ক্যানের প্রতিটিতেই কমপক্ষে ৫০ শতাংশ আখের চিনি ছিল।</p>



<p>ACER-এর অণুজীববিজ্ঞানী এবং গবেষণা পরিচালক লুক লাগাসে Enquête -কে বলেন, &#8220;এই ধরনের জালিয়াতি আমি এই প্রথম দেখলাম। আপনি দেখতেই পাচ্ছেন যে ম্যাপেল সিরাপের ক্যানগুলোতে সরাসরি আখের চিনি মেশানো হয়েছে। এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়। এটা ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে।&#8221;</p>



<p>পরবর্তীতে Érablière Steve Bourdeau’ এর মালিক Bourdea’র সাথে যোগাযোগ করার জন্য রেডিও কানাডার Enquête অনুষ্ঠানে কর্মরত দুজন ব্যক্তিকে একটি গ্রোসারীর মালিক হিসেবে ছদ্মবেশে পাঠানো হয়েছিল ফ্যাক্টরীতে। Érablière Steve Bourdeau’ র মালিক তখন তাদের জানিয়েছেন যে, তার সিরাপ কুইবেক জুড়ে শত শত গ্রোসারীতে বিক্রি হয়, যার মধ্যে আইজিএ এবং মেট্রোর মতো বড় চেইনও রয়েছে।</p>



<p>গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজে তিনি আরও বলেছেন যে, ‘বিশুদ্ধ’ হিসেবে লেবেলযুক্ত ম্যাপেল সিরাপে অন্য চিনি মেশানো বেআইনি এবং তিনি তা করেন না।</p>



<p>পরবর্তীতে তদন্তকারীরা Érablière Steve Bourdeau’ এর মালিক Bourdeau-কে ল্যাবরেটরীর তদন্তের ফলাফলের মুখোমুখি করেন। প্রথমে তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। পরে ইমেইল বার্তায় বলেন, পরীক্ষার ফলাফলে যা দেখা গেছে তা &#8220;অসম্ভব&#8221;।</p>



<p>কিন্তু এরপর তিনি ইঙ্গিত দেন যে এর দায় অন্য প্রদেশের তার কিছু সরবরাহকারীর ওপর বর্তাতে পারে। তিনি এর আগে Enquête -এর ছদ্মবেশী দলকে জানিয়েছিলেন যে, নিজের সিরাপ তৈরির পাশাপাশি তিনি নিউ ব্রান্সউইক ও অন্টারিওর সরবরাহকারীদের কাছ থেকে পাইকারি দরে বেশিরভাগ সিরাপ কিনে নিতেন এবং তারপর নিজেই তা কৌটাজাত করতেন।</p>



<p>ল্যাব পরীক্ষার ফলাফল সামনে আনার পর, Érablière Steve Bourdeau’&nbsp; এর মালিক Enquête -এর সাথে একটি ফোন আলাপে এও স্বীকার করেন যে, তিনি মাঝে মাঝে অন্টারিও থেকে সিরাপ কিনে সেটিকে &#8220;কুইবেকের পণ্য&#8221; হিসেবে লেবেল করে ক্যানে বিক্রি করতেন, যা বেআইনি।</p>



<p>উল্লেখ্য যে, কুইবেক বিশ্বের বৃহত্তম ম্যাপেল সিরাপ উৎপাদনকারী অঞ্চল, এবং এখানে উৎপাদিত বেশিরভাগ সিরাপ কঠোর নিয়ন্ত্রণের অধীনে থাকে। কুইবেকে উৎপাদিত এবং পাইকারিভাবে বিক্রি হওয়া সিরাপের গুণমান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার দায়িত্ব প্রাদেশিক পরীক্ষাগার <em>le centre ACER</em> -এর উপর ন্যস্ত। ACER-এর পরিদর্শন বিভাগের প্রধান জেনেভিভ ক্লারমন্ট বলেন, কুইবেক থেকে পাইকারিভাবে বিক্রি হওয়া ৯০ শতাংশ সিরাপ পরীক্ষা করা হয়। আর আমাদের প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ড শুরু থেকে আমরা কখনো কোনো ভেজাল সিরাপ খুঁজে পাইনি।</p>



<p>কিন্তু উৎপাদকরা কৌটায় ভরে সরাসরি গ্রোসারীতে যে সিরাপ বিক্রি করে, ACER তা পরিদর্শন করে না, আর Érablière Steve Bourdeau’ কোম্পানি এভাবেই তাদের সিরাপ বিক্রি করে। ক্লারমন্ট বললেন, &#8220;আমাদের দায়িত্ব হলো বড় কন্টেইনারগুলো পরীক্ষা করে দেখা। আর ACER এর মাইক্রোবায়োলজিষ্ট<em> Enquête </em>বলেন, এই ধরনের সিরাপের ওপর তড়িঘড়ি করে আকস্মিক পরীক্ষা করা যেতে পারে, কিন্তু পাইকারি সিরাপের মতো পদ্ধতিগতভাবে পরীক্ষা করা হয় না।</p>



<p><em>Enquête –</em><em>কে </em>ইমেইলে পাঠানো চূড়ান্ত বার্তায় &nbsp;কোম্পানির মালিক বলেছেন যে তিনি প্রযোজ্য সকল আইন ও বিধিবিধান সম্পূর্ণরূপে মেনে চলেন। তিনি আরও বলেছেন, তার ভেজাল সিরাপের উৎস নির্ণয়ের জন্য তিনি নিজস্ব তদন্ত শুরু করছেন এবং একটি নিজস্ব পরিদর্শন ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা করছেন।</p>



<p>কিন্তু Érablière Steve Bourdeau’র মালিক বলেছেন, মুদি দোকানগুলোতে বিক্রি করা ভেজাল সিরাপ, যা এখনও দোকানের তাকগুলোতে থাকতে পারে, তা উদ্ধার করার বা ফেরত কিনে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তার নেই।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঘুমের আগে সেলফোন স্ক্রল করলে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/10/04/%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b2-%e0%a6%95/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 04 Oct 2025 17:19:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11854</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫: সেলফোন এখন মানুষের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ক্ষুদ্র এই ডিভাইসটি ছাড়া মানুষ অচল। ঘুম]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-large is-resized"><img decoding="async" width="712" height="1024" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/10/মুঠো-712x1024.jpg" alt="" class="wp-image-11855" style="width:162px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/10/মুঠো-712x1024.jpg 712w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/10/মুঠো-209x300.jpg 209w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/10/মুঠো-768x1104.jpg 768w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/10/মুঠো.jpg 800w" sizes="(max-width: 712px) 100vw, 712px" /><figcaption class="wp-element-caption"> রাতের আধারে সেলফোন স্ক্রল করলে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলে। ছবি :সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫: সেলফোন এখন মানুষের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ক্ষুদ্র এই ডিভাইসটি ছাড়া মানুষ অচল। ঘুম থেকে উঠে দিনের শুরুটাই হয় স্ক্রিনের দিকে চোখ রেখে। স্যোসাল মিডিয়া, ইউটিউব, বার্তা আদান-প্রদান, ইমেইল, ব্যাংকিং, ক্যামেরাসহ আরো কত কি ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে এই ‘যাদু বাক্সের’ ভিতর। কিন্তু জানেন কি, রাতের বেলায় ঘুমের আগে ঘরের আলো নিভিয়ে এটি স্ক্রল করলে শুধু ঘুমের গুণগত মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বরং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলে? গবেষণা অন্তত তাই বলছে।</p>



<p>কী ধরনের বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে?</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>অন্ধকার ঘরে সোলফোন স্ক্রিনের নীল আলো মেলাটোনিন হরমোন কমিয়ে দেয়, ফলে গভীর ঘুম আসে না।</li>



<li>ঘুমের আগে দীর্ঘ সময় স্ক্রল করলে চোখে শুষ্কতা, জ্বালা ও দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।</li>



<li>রাতে বিছানায় শুয়ে নেতিবাচক বা উস্কানিমূলক বা অপ্রয়োজনীয় কনটেন্ট দেখলে মানসিক চাপ বেড়ে যায়। বৃদ্ধি পায় উত্তেজনা।</li>



<li>স্ক্রলের ফলে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মনোযোগ ধরে রাখা ও স্মৃতিশক্তিতে প্রভাব পড়ে।</li>



<li>রাত জেগে সেল ফোনে নানান কন্টেন্ট দেখলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। এই  ব্যাঘাত উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা ও হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিতে পারে।</li>
</ul>



<p>তাই চিকিৎসকের পরামর্শ হলো জরুরী কোন প্রয়োজন না থাকলে ঘুমের অন্তত এক ঘন্টা আগে সেলফোন ব্যবহার বন্ধ করুন। নয়তো ক্ষতি ধীরে ধীরে হলেও দীর্ঘমেয়াদে তা ভয়াবহ আকার নিতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে হলে আজই ঘুমের আগে অন্ধকার ঘরে সেলফোন ব্যবহারের অভ্যাস পরিবর্তন করুন। -সূত্র : অনলাইন</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>টরন্টোতে হাই স্কুল পরীক্ষায় অভিবাসী পরিবারের ৪ সন্তানের অসাধারণ কৃতিত্ব</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/08/03/%e0%a6%9f%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8b%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 Aug 2025 15:32:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11602</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৪ জুলাই ২০২৫: টরন্টো ডিস্ট্রিক স্কুল বোর্ডের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে চারজন শিক্ষার্থী গড়ে ১০০ শতাংশ নম্বর পেয়ে চমক]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৪ জুলাই ২০২৫: টরন্টো ডিস্ট্রিক স্কুল বোর্ডের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে চারজন শিক্ষার্থী গড়ে ১০০ শতাংশ নম্বর পেয়ে চমক লাগিয়ে দিয়েছে সবাইকে। আর এরা চারজনই হলেন অভিবাসী পরিবারের সন্তান। খবর সিপি২৪.কম এর।</p>



<p>টরন্টো ডিস্ট্রিক্ট স্কুল বোর্ড তাদের সেরা ছয়টি কোর্সে ১০০ শতাংশ গড় অর্জনের পর দ্বাদশ শ্রেণীর চারজন শিক্ষার্থীকে &#8220;শীর্ষ স্কলার&#8221; হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।</p>



<p>মঙ্গলবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে, টরন্টো শহরের ব্লুর কলেজিয়েট ইনস্টিটিউটের তিনজন এবং স্কারবোরোর সিডারব্রে কলেজিয়েট ইনস্টিটিউটের একজন শিক্ষার্থী এই কৃতিত্ব সম্পর্কে তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। এরকম কৃতিত্ব অর্জনের জন্য কী কী প্রয়োজন সেটিও তারা শেয়ার করেছেন।</p>



<p>সিডারব্রে কলেজিয়েটের শিক্ষার্থী সাফিয়া ভোহরা-বাঙ্গি বলেন, &#8220;আমি মনে করি তুমি যা শিখছো তা যদি পছন্দ করো এবং এতে আগ্রহী হও, তাহলে কৃতিত্বটা স্বাভাবিকভাবেই ঘটবে। সেই সাথে কঠোর পরিশ্রমতো করতেই হবে। তাহলেই সাফল্যের দেখা মিলবে।”</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img decoding="async" width="800" height="585" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/08/টিডিএসবি.jpg" alt="" class="wp-image-11603" style="width:497px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/08/টিডিএসবি.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/08/টিডিএসবি-300x219.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/08/টিডিএসবি-768x562.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে এই চারজন শিক্ষার্থী গড়ে ১০০ শতাংশ নম্বর পেয়ে চমক লাগিয়ে দিয়েছে সবাইকে। আর এরা চারজনই হলেন অভিবাসী পরিবারের সন্তান। ছবি: টিডিএসবি</figcaption></figure>
</div>


<p>মঙ্গলবারের অনুষ্ঠানে ব্লুর কলেজিয়েট স্নাতক শিনা কিন তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, &#8220;আমি যেভাবে এই সাফল্য অর্জন করেছি তাতে আমি সন্তুষ্ট। তবে আমি আসলে এটা নিয়ে খুব বেশি ভাবি না।&#8221; &nbsp;</p>



<p>কিন বলেন, স্কুলে তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল তার মানসিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং স্কুলের কাজের বাইরেও সে যেন কিছু করে তা নিশ্চিত করা।</p>



<p>&#8220;এটা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মানসিক স্বাস্থ্যকে (অগ্রাধিকার) না দিলে এটা এমন হয়, &#8216;ওহ, তুমি কী করছো?&#8217; তুমি ভালো নম্বর পাচ্ছো, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি তুমি খুশি বোধ করবে?&#8221; এ কথা বলেন কিন।</p>



<p>ব্লুর কলেজিয়েটের ছাত্র অ্যান্ড্রু পেং &#8211; নিজেকে একজন nerd (যে ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে তীব্র আগ্রহী) হিসেবে পরিচয় দেন। তার জন্য সর্বোচ্চ নম্বর অর্জনের কৌশল ছিল ডিউ ডেট-কে ডু ডেটে রূপান্তরিত করা।</p>



<p>&#8220;আমি দেখেছি যে যখন আমার আসলে কিছু করার প্রয়োজন হয় তখনই আমি সবচেয়ে ভালোভাবে মনোযোগ দেই। আমি দেখেছি যে হাই স্কুলের কোর্সের বোঝা খুব একটা কঠিন ছিল না। অনেক সময়, আমার জীববিজ্ঞানের অ্যাসাইনমেন্ট করার পরিবর্তে, আমি কেবল কিছু কোডিং (coding) শুরু করি, কারণ এটি আমার আগ্রহের একটি।&#8221; এ কথা বলেন অ্যান্ড্রু পেং।</p>



<p>তিনি আরো বলেন,&#8221;তাই, আমি যা করি তা হল যখন আমার একটি কাজ (হোমওয়ার্ক) করার প্রয়োজন হয়, তখনই&nbsp; আমি তা করি। কখনও কখনও আমি শেষ দিন পর্যন্ত দেরি করি, কারণ তখন আমি আসলে কাজটি সম্পন্ন করার জন্য অভ্যন্তরীণ প্রেরণা খুঁজে পাই।</p>



<p>ভবিষ্যতের উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য তার কোন পরামর্শ আছে কিনা জানতে চাইলে পেং বলেন, তার প্রধান পরামর্শ হলো পারফেকশনের জন্য প্রচেষ্টা এড়িয়ে চলা।</p>



<p>&#8220;মূল কথা হলো, তোমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা, কারণ যদি তুমি ১০০ রানের জন্য চেষ্টা করো, তাহলে সেটা সবসময় অর্জন করা সম্ভব নয়। তখন তুমি লক্ষ্যে পৌঁছাতে না পারার জন্য নিজের উপর খুব একটা খুশি থাকবে না এবং হয়তো তুমি কিছুটা অনুপ্রেরণা হারাবে। কিন্তু যদি তুমি তোমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করো, তাহলে ফলাফল যাই হোক না কেন, তুমি নিজের উপর খুশি থাকবে,&#8221; তিনি বলেন।</p>



<p>কৃতিত্বের অধিকারী ব্লুর কলেজিয়েটের আরেক সহপাঠী সৌম্য রামানান বলেন, তার পরামর্শ হলো উচ্চ বিদ্যালয়ের যাত্রার সময় সম্ভাব্য অনুশোচনা এড়াতে পাঠ্যক্রম বহির্ভূত পড়াশোনার উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত।</p>



<p>&#8220;আমার পরামর্শ হবে স্কুল এবং পাঠ্যক্রম বহির্ভূত পাঠের মধ্যে একটি ভালো ভারসাম্য বজায় রাখা। আর মজা করুন। তবে অবশ্যই, নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যান এবং নিজেকে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করুন।” রামানান বলেন।</p>



<p>রামানান বলেন, তার পাঠ্যক্রম বহির্ভূত পাঠগুলি তাকে নতুন লোকেদের সাথে পরিচিত হতে সাহায্য করেছে এবং স্কুলের কাজ থেকে একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিরতি দিয়েছে।</p>



<p>&#8220;আমার মনে হয়, মাইকেল গ্যারন হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করাই আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল, কারণ আমি স্কুলের বাইরের অনেক লোকের সাথে দেখা করতে পেরেছিলাম যারা আমার সহপাঠী ছিলেন না। স্কুলের সাথে এর কোনও সম্পর্ক ছিল না এবং এটি সত্যিই একটি ভালো বিরতি ছিল।&#8221;</p>



<p>ভোহরা-বাঙ্গি, কিন এবং পেং সকলেই সেপ্টেম্বরে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন, আর রামানান ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন বলে জানিয়েছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>স্বমূত্র, গো-মূত্রের পর এবার বাঘের মূত্র পান!</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/06/05/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b-%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%ac/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Jun 2025 20:25:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11385</guid>

					<description><![CDATA[অনলাইন ডেস্ক : ভারতে গো-মূত্র পান নতুন কোন ঘটনা নয়। দৈনিক আমাদের দিন জানায়, হিন্দু ধর্মের পবিত্র প্রাণী হিসেবে গরুর]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="600" height="600" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/06/বা.jpg" alt="" class="wp-image-11386" style="width:303px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/06/বা.jpg 600w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/06/বা-300x300.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/06/বা-150x150.jpg 150w" sizes="(max-width: 600px) 100vw, 600px" /><figcaption class="wp-element-caption">বাতের ওষুধ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে বাঘের মূত্র। ছবি:ফ্রিপিক</figcaption></figure>
</div>


<p>অনলাইন ডেস্ক : ভারতে গো-মূত্র পান নতুন কোন ঘটনা নয়। দৈনিক আমাদের দিন জানায়, হিন্দু ধর্মের পবিত্র প্রাণী হিসেবে গরুর মূত্রও হয়ে উঠেছে পবিত্র পানীয়। দুনিয়াজুড়ে গরুর দুধ যেখানে সুপ্রসিদ্ধ, সেখানে ভারতে গুরুত্ব বেশি এর মূত্রের। অন্যদিকে আনন্দবাজার জানায়, আধুনিক চিকিৎসাশাস্ত্র স্বীকৃতি না দিলেও গো-মূত্রকে রোগ প্রতিরোধক হিসেবেই বিশ্বাস করে দেশটির সংখ্যাগুরু হিন্দু জনগোষ্ঠীরা। <br>পত্রিকাটি আরো জানায়, রোজ সকালে উঠে নিজের মূত্র নিজে পান করা শরীরের জন্য ভাল এমন বিশ্বাস ছিল ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাইর! তিনি নিয়মিত ৫-৮ আউন্স মূত্র পান করতেন।<br>সম্প্রতি স্বমূত্র পানের আলোচনা নতুন করে চাঙ্গা করে তুললেন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রাক্তন সাংসদ পরেশ রওয়ালও। হাঁটুর ব্যথা উপসমের জন্য সকালে উঠে খালিপেটে টানা ১৫ দিন নিজের মূত্র পান করতেন অভিনেতা। দিনের প্রথম মূত্র পান করার এই উপদেশ তাঁকে দিয়েছিলেন বলিউডের অভিনেতা অজয় দেবগনের বাবা বীরু দেবগন। বাধ্য ছেলের মতো সে কথা মেনে ছিলেন পরেশও। তাতেই নাকি মিলেছে ফল!<br>‘ঘাতক’ ছবির শুটিং চলাকালীন হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন পরেশ। আঘাত এতটা গুরুতর ছিল যে, তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। পরেশ ভেবেছিলেন, তাঁর কেরিয়ার শেষ। কিন্তু তখনই এক অভিনব বুদ্ধি নিয়ে হাজির হন বীরু দেবগন। তিনি পরেশকে পরামর্শ দেন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে গেলে পান করতে হবে নিজের মূত্র।<br>এবার মূত্র নিয়ে আরেক খবর পাওয়া গেল। তবে মানুষের বা গরুর নয়, বাঘের মূত্র। বাতের ওষুধ হিসেবে বাঘের মূত্র বোতলে ভরে বিক্রি করছে চীনের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ সিচুয়ানের ইয়ান বিফেংশিয়া ওয়াইল্ডলাইফ জু নামের একটি চিড়িয়াখানা। ওষুধের নাম দেওয়া হয়েছে মেডিসিনাল টাইগার ইউরিন।<br>সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের বরাত দিয়ে ইত্তেফাক জানায়, বোতলভর্তি যেসব ‘ওষুধ’ বিক্রি হচ্ছে, সেগুলো মূলত সাইবেরিয়ান টাইগারের মূত্র। কীভাবে এই ‘ওষুধ’ ব্যবহার করতে হবে- সে বিষয়ক একটি নির্দেশনা অবশ্য দিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। অবশ্য টাকা থাকলেই যে এই ‘ওষুধ’ তাৎক্ষণিকভাবে কিনতে পারা যাবে- এমন নয়। কারণ চিড়িয়াখানা কৃর্তপক্ষ প্রতিদিন মাত্র ২ বোতল ওষুধ বিক্রির অনুমতি দিয়েছে। তাই গ্রাহককে অর্ডার দিয়ে বেশ কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হয়।<br>এর আগে ২০১৪ সালে ইয়ান বিফেংশিয়া ওয়াইল্ডলাইফ জু একটি রিয়েলিটি শো’র আয়োজন করেছিল। সেই শো’তে কয়েকজন সেলিব্রেটিও এসেছিলেন। সাইবেরিয়ান বাঘের মূত্রভর্তি এক একটি বোতল সেই সেলিব্রেটিদের উপহার হিসেবে প্রদান করেছিল চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে সেসময় স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল।<br>স্থানয়ি একজন ফার্মাসিস্ট নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টকে বলেন, বাঘের মূত্র মালিশ করলে বা পান করলে বাতের ব্যাথা সারে- এমন দাবির কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের এ ধরনের উদ্যোগ শুধু জনমন ও বহির্বিশ্বে চীনের ঐহিহ্যগত ওষুধ ও চিকিৎসাপদ্ধতি সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাবই সৃষ্টি করবে না, বরং বাঘ সংরক্ষণের যে উদ্যোগ চীনের সরকার নিয়েছে- তাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে।</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কানাডিয়ান শিশুদেরকে বন্ধু তৈরি করতে লড়াই করতে হয়</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/06/05/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Jun 2025 20:14:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11382</guid>

					<description><![CDATA[মোকাবিলা করতে হচ্ছে বুলিং এরও : ইউনিসেফের প্রতিবেদন প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ১৩ মে, ২০২৫ : ইউনিসেফের একটি বিশ্বব্যাপী সমীক্ষায় দেখা]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p style="font-size:26px">মোকাবিলা করতে হচ্ছে বুলিং এরও : ইউনিসেফের প্রতিবেদন</p>



<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ১৩ মে, ২০২৫ : ইউনিসেফের একটি বিশ্বব্যাপী সমীক্ষায় দেখা গেছে যে অনেক কানাডিয়ান শিশু বা তরুণ তরুণী অসুখী। তাদের যন্ত্রণা বা অসুখী হওয়ার কারণগুলির মধ্যে রয়েছে বুলিং এবং বন্ধু তৈরিতে হিমশিম খাওয়া। খবর দি কানাডিয়ান প্রেস এর।</p>



<p>ইউনিসেফের ১৯তম রিপোর্ট কার্ডে দেখা গেছে যে কানাডার প্রতি পাঁচজন শিশু বা তরুণ তরুণীর মধ্যে একজন ঘন ঘন উৎপীড়নের শিকার হয়, প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন একাকী থাকে এবং প্রতি চারজনের মধ্যে একজনকে বন্ধু তৈরি করতে লড়াই করতে হয়।</p>



<p>বিশেষ করে ১৫ বছর বয়সীদের জীবনে সন্তুষ্টির হার হ্রাসের জন্য বুলিং দায়ী, যা ২০১৮ সাল থেকে তিন শতাংশ পয়েন্ট কমে ৭৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।</p>



<p>জরিপ চালানো ৩৬টি দেশের মধ্যে ১০টি ধনী দেশ রয়েছে যার মধ্যে একটি কানাডা। কিন্তু তা সত্ত্বেও কানাডার অবস্থান ৩৬টি দেশের মধ্যে ১৯তম স্থানে রয়েছে কিশোর-কিশোরীদের আত্মহত্যা, শিশু মৃত্যুহার এবং সামাজিক দক্ষতার বিবেচনায়। অর্থাৎ কানাডার অবস্থান তলানিতে নেমে এসেছে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="467" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/06/school-students-cbc.jpg" alt="" class="wp-image-11383" style="width:391px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/06/school-students-cbc.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/06/school-students-cbc-300x175.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/06/school-students-cbc-768x448.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">কানাডার প্রতি চারজন শিশু বা তরুণ তরুণীর মধ্যে একজনকে বন্ধু তৈরি করতে লড়াই করতে হয়। ছবি : সিবিসি নিউজ</figcaption></figure>
</div>


<p>ভ্যাঙ্কুভারের ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রাথমিক শিক্ষা ইউনিটের প্রধান বলেছেন ফলাফলগুলি বিশেষভাবে হতাশাজনক। কানাডার কিশোর কিশোরীরা যে সমস্যার মোকাবেলা করছে তা সমাধানের জন্য এই খাতে পর্যাপ্ত সম্পদ বরাদ্দ করা উচিত।</p>



<p>হিউম্যান আর্লি লার্নিং পার্টনারশিপের পরিচালক ড. মারিয়ানা ব্রুসোনি বলেন ‘শিশুরা, অনেক দিক থেকেই আরও খারাপ করছে। কিন্তু তাদের জন্য সহায়তা বৃদ্ধির পরিবর্তে হ্রাস পাচ্ছে।’</p>



<p>তিনি আরো বলেন,‘শিশু বা তরুণরা পরিবারের অংশ, যা সম্প্রদায়, পাড়া এবং সমাজেরও অংশ, তাই কেবল শিশু বা তরুণরাই সংগ্রাম করছে তা নয়। তাদের চারপাশের সবকিছু সম্পর্কে আপনাকে ভাবতে হবে, এবং আমরা দেখেছি যে বাবা-মা কীভাবে সংগ্রাম করছেন এবং সম্প্রদায়গুলি কীভাবে কঠিন সময় পার করছে।’</p>



<p>গত ১৩ মে প্রকাশিত একটি সহযোগী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে কানাডায় বুলিং জীবনের সন্তুষ্টি হ্রাসের একটি প্রধান কারণ। এখানে ১৫ বছর বয়সী ২২ শতাংশ তরুণ তরুনীরা বলেছেন যে তারা ঘন ঘন বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন। এ বিষয়ে ৪০টি দেশের মধ্যে ২৬তম স্থানে রয়েছে কানাডা।</p>



<p>সমীক্ষায় দেখা গেছে, সামাজিক দক্ষতার ক্ষেত্রে ৪১টি দেশের মধ্যে কানাডা ২৮তম স্থানে রয়েছে, যেখানে ১৫ বছর বয়সী চারজনের মধ্যে একজন বলেছে যে স্কুলে বন্ধু তৈরি করা সহজ ছিল না &#8211; যা প্রতিবেদনের গড় সংখ্যার চেয়ে কিছুটা বেশি এবং উদ্বেগজনক প্রবণতার অংশ।</p>



<p>‘ইউনিসেফ এর এই প্রতিবেদনটি আমাদের শিশু এবং তরুণ তরুণীদের জন্য যে ক্ষেত্রগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন তার উপর আলোকপাত করেছে, যেমন তাদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, শিক্ষা এবং সুখ।’ ইউনিসেফ কানাডার সভাপতি এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেভান পালভেটজিয়ান এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলেছেন।</p>



<p>‘কানাডায় শিশু এবং যুবকদের জীবনে তৃপ্তি যেভাবে হ্রাস পাচ্ছে তাতে আমি গভীরভাবে হতাশ। মানসিক সুস্বাস্থ্য শৈশবের ভিত্তি, তবুও এটি এখনও উপেক্ষিত।’ এ কথা যোগ করেছেন ইউনিসেফ কানাডার যুব প্রবক্তা বা অ্যাডভোকেট মতিন মোরাদ খান।</p>



<p>তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আমাদের শিক্ষা, তহবিল এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় মৌলিক নীতিগত পরিবর্তনের আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে প্রতিটি শিশু এবং তরুণ তরুণীর উন্নতির সুযোগ থাকে।’</p>



<p>জাতিসংঘ শিশু তহবিলের এই গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোভিড-১৯ অনেক পরিবারের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে দেওয়ার অস্বাভাবিক সময়কালে সামাজিক দক্ষতা মূলত স্থিতিশীল ছিল।</p>



<p>মহামারীর কারণে কানাডার বেশিরভাগ অংশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস অনলাইনে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল এবং কিছু পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যক্রমও বাতিল করা হয়েছিল, সীমিত করা হয়েছিল সমাবেশ। এ সবই করা হয়েছিল সেফটির কারণে।</p>



<p>রিপোর্টে বলা হয়, সামগ্রিক জীবন সন্তুষ্টির জন্য কানাডা ১৩তম স্থানে, এবং যদিও সামান্য পতন ঘটেছে, গবেষণায় বলা হয়েছে যে এটি পরিসংখ্যানগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়নি।</p>



<p>গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে কানাডা আত্মহত্যা এবং শিশু মৃত্যুর হার পরিস্থিতি উন্নত করেছে, কিন্তু এখনও তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে রয়েছে। আত্মহত্যার জন্য ৪২টি দেশের মধ্যে কানাডার অবস্থান ৩৩তম এবং শিশু মৃত্যুর জন্য ৪৩টি দেশের মধ্যে ২৫তম।</p>



<p>২০১৮ সাল থেকে কানাডায় কিশোর-কিশোরীদের আত্মহত্যার হার প্রতি ১০০,০০০-এ ১০.১ থেকে কমে ৮.৪-এ দাঁড়িয়েছে। কিন্তু প্রতি ১০০,০০০-এ ৬.২-এর গড় যে হার, তার চেয়ে অনেক বেশি রয়ে গেছে। আত্মহত্যা কানাডায় কিশোর-কিশোরীদের মৃত্যুর একটি প্রধান কারণ হিসেবে রয়ে গেছে।</p>



<p>কানাডায় পাঁচ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে মৃত্যুর হার প্রতি ১০০০ জনে ০.৯৪ থেকে কমে ০.৮৮-এ দাঁড়িয়েছে, কিন্তু এই উন্নতি অন্যান্য বেশিরভাগ দেশের তুলনায় কম ছিল, অন্যদিকে শিশুদের অতিরিক্ত ওজনের মোকাবেলায়ও খুব কম অগ্রগতি হয়েছে। কানাডায় প্রতি চারজনে একজনেরও বেশি (৩০%) শিশু অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছে।</p>



<p>তবে একাডেমিক দক্ষতার ক্ষেত্রে কানাডার পরিস্থিতি ভাল। এ বিষয়ে ৪২টি দেশের মধ্যে কানাডার অবস্থান ষষ্ঠ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এদেশের দাসপ্রথার ইতিহাস সম্পর্কে কানাডীয়দের অনেক কিছু জানার আছে</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/04/08/%e0%a6%8f%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 08 Apr 2025 17:04:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11057</guid>

					<description><![CDATA[ইয়ারমাউথের কাউন্টি মিউজিয়ামের কৃষ্ণাঙ্গ ইতিহাস কক্ষে গবেষণার সময় শ্যারন রবার্ট-জনসন কৃষ্ণাঙ্গ শিক্ষাবিদদের বিভিন্ন চিত্রকর্ম, নোভা স্কশিয়ার প্রথম যে ব্যক্তি রয়েল]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ইয়ারমাউথের কাউন্টি মিউজিয়ামের কৃষ্ণাঙ্গ ইতিহাস কক্ষে গবেষণার সময় শ্যারন রবার্ট-জনসন কৃষ্ণাঙ্গ শিক্ষাবিদদের বিভিন্ন চিত্রকর্ম, নোভা স্কশিয়ার প্রথম যে ব্যক্তি রয়েল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশে (RCMP) যোগ দেন তার কথা এবং এমনকি তার নিজেরও একটি শিল্পকর্ম তুলে ধরেন। শ্যারন রবার্ট-জনসনই প্রথম ব্যক্তি যিনি ওই অঞ্চলের কৃষ্ণাঙ্গ জনগণকে নিয়ে বই লিখেছেন।<br>তবে তিনি তার সবচেয়ে প্রিয় একটি শিল্পকর্মটি সংরক্ষণ করে রাখেন।<br>সেটি হলো জ্যুড নামের এক ক্রীতদাসী নারীকে তার মালিকের ছেলের প্রহার করার কাঠখোঁদাই চিত্র।<br>আদালতের নথিপত্রে দেখা যায়, প্রহারের কারণে মারাত্মক আহত জ্যুড ১৮০০ সালের ২৮ ডিসেম্বর মারা যায়। তার বয়স তখন ছিলো ২৮ বছর।<br>নভো স্কশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত ওই মিউজিয়ামে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রবার্ট-জনসন বলেন, “মারা যাবার আগের রাতে জ্যুড ভাঁড়ার ঘরে ঢুকেছিল, এই কাজটি সে প্রায়ই করতো, কারণ তাকে খেতে দেয়া হতো না।” “সে দুয়েক টুকরো রুটি এবং খানিকটা পনির চুরি করার চেষ্টা করেছিলো।”<br>ওই মালিককে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করা হয় তবে পরে বিচারে খালাস দেয়া হয়।<br>রবার্ট-জনসন বলেন, “যখন জানতে পারি যে, খালাস পেয়েই তারা পালিয়ে যায় তখন আমার অত্যন্ত রাগ হয়, এমনকি এখনও আমি আরও বেশি ক্রুদ্ধ। তারা খুন করেও আক্ষরিক অর্থেই পালিয়ে যায়।” তার প্রথম বই আফ্রিকার শিশু: নোভা স্কশিয়ার ইয়ারমাউথে কৃষ্ণাঙ্গদের ইতিহাসে (Africa&#8217;s Children: A History of Blacks in Yarmouth, Nova Scotia) জ্যুডকে নিয়ে একটি পরিচ্ছেদ রয়েছে।<br>ওই তরুণীকে কেন্দ্র করে বর্বর এই দৃষ্টান্তটি এদেশের লজ্জাকর দাসপ্রথার ইতিহাসের অগণিত উদাহরণের একটিমাত্র। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ওই ইতিহাস বেশিরভাগ কানাডীয় খুব সামান্যই জানে।<br>তারা আশা করেন যে, এ বছর থেকে এক্ষেত্রে পরিবর্তনের সূচনা হবে।<br>দাসমুক্তি দিবস হলো ১৮৩৪ সালের পহেলা আগস্টের স্বীকৃতি। তখন ব্রিটিশ সামাজ্য তার উপনিবেশগুলোতে প্রায় আট লাখ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মানুষকে মুক্ত করে দিয়ে দাসপ্রথা বিলুপ্ত করে। বর্তমানে যেটি কানাডা নামে পরিচিত সেটিও তখন ব্রিটিশ উপনিবেশ।<br>তখন থেকে আজকের দিন পর্যন্ত অন্টারিও ছিলো একমাত্র প্রদেশ যেটি দাসমুক্তি দিবস পালন করে এসেছে। তবে চলতি বছর সারা দেশে দিবসটি পালনের পক্ষে ভোট দেন পার্লামেন্ট সদস্যরা। নোভা স্কশিয়াতেও প্রথমবারের মত প্রদেশজুড়ে দিবসটি পালিত হয়।<br>রবার্ট-জনসন বলেন, জ্যুডের কাহিনী জেনে তিনি নিদারুণ মর্মপীড়ায় ভুগতে শুরু করেন। তিনি জ্যুডি ও ডায়ানা নামে দ্বিতীয় বই প্রকাশ করেন যেটি একটি ঐতিহাসিক কথাসাহিত্য। এতে জ্যুডি ও তার বোনের জীবনচিত্র বিবৃত করা হয়েছে।<br>নথিপত্রে দেখা যায়, জ্যুডকে নিউ জার্সি থেকে নোভা স্কশিয়ায় নিয়ে আসেন তার মালিক ফ্রান্সিস উড। এসময় তার বয়স ছিলো নয় বছর। পরে তাকে ব্রিটিশ উপনিবেশের অনুগত নেতা (Loyalist leader) মেজর স্যামুয়েল এন্ড্রুজ-এর কাছে বিক্রি করা হয়, যিনি নর্থ ক্যারোলাইনা থেকে ১৭৮৫ সালে নভো স্কশিয়ায় আসেন।<br>রবার্ট-জনসন বলেন, “আমার জানা ছিলো না যে, ইয়ারমাউথের লোকেরা দাসদাসী রাখতো, তাই আমার জন্য এটি ছিলো চোখ খুলে দেওয়ার একটি বিরাট ঘটনা।” ২৮ বছর আগে নিজের বংশলতিকা নিয়ে গবেষণা করার সময় জ্যুড সম্পর্কিত নথিপত্রগুলো গভীর মনোনিবেশের সঙ্গে পাঠ করেন এই মিজ. রবার্ট-জনসন।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="600" height="608" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/04/ইতিহাস.jpg" alt="" class="wp-image-11058" style="width:464px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/04/ইতিহাস.jpg 600w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/04/ইতিহাস-296x300.jpg 296w" sizes="(max-width: 600px) 100vw, 600px" /><figcaption class="wp-element-caption">শিল্পী ব্রুস জ্যাকুয়ার্ডের একটি কাঠখোঁদাই। এতে জ্যুড নামের এক ক্রীতদাসীকে মালিক কর্তৃক লাঠিপেটা করার দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে। মারাত্মকভাবে আহত জ্যুড ১৮০০ সালে নোভা স্কশিয়ায় মারা যায়। এই শিল্পকর্মটি ইয়ারমাউথ কাউন্টি মিউজিয়ামে প্রদর্শনীতে রাখা আছে। (ব্রায়ান ম্যাককেই/সিবিসি)</figcaption></figure>
</div>


<p><strong>আর্কাইভ থেকে</strong><br>নোভা স্কশিয়ার মহাফেজখানার (আর্কাইভ) রেকর্ডে রয়েছে পালিয়ে যাওয়া দাসদাসীদের ফিরে পাবার জন্য পত্রিকায় দেওয়া বিজ্ঞাপন, দাসদাসী বেচাকেনার দর, আদালতের নথি যার সবকিছুই এই প্রদেশের দাসপ্রথার ইতিহাসের চিত্র তুলে ধরে।<br>১৮০০ সালের একটি পত্রিকার ক্লিপিংয়ে লেখা হয়, “এক বছরের জন্য বিক্রি হবে।” “বয়স ১৮ বছর, স্বভাব-চরিত্র ভালো, শিশুদের প্রতি অনুরক্ত এবং শহরের ও গ্রামীণ উভয় ধরণের কাজ করতে অভ্যস্ত।”<br>১৭৫০ সালে হ্যালিফ্যাক্স-এর মোট ৩০০০ অধিবাসীর মালিকানায় প্রায় ৪০০ দাসদাসী ছিলো।<br>ব্যবস্থাপক এবং মহাফেজখানার সংরক্ষক জন ম্যাকলেয়ড বলেন, নোভা স্কশিয়ার বিশেষ করে দুজন প্রধান বিচারপতি, স্যামসন সাল্টার ব্লোয়ার্স (Sampson Salter Blowers) এবং টমাস এন্ড্রু লুমিসডেন স্ট্রাঞ্জ (Thomas Andrew Lumisden Strange) দাসদাসীর মালিকানা অব্যাহত থাকার প্রেক্ষাপটে ১৮০০ সালের শুরুর দিকে তাদের কাছে আসা মামলাগুলোতে দাসদাসীদের স্বাধীনতার পক্ষে রায় দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলেই দৃশ্যত মনে হয়। কিছু ঐতিহাসিক এমনকি ওই দুই বিচারপতিকে দাসপ্রথা বিলুপ্তকরণবাদী (abolitionists) বলে আখ্যা দেওয়ারও প্রয়াস পান।</p>



<p>ম্যাকলেয়ড বলেন, এটি সম্ভব ছিলো কারণ, দাসপ্রথা জোরদার করার মত কোনও আইনগত কাঠামো ছিলো না।<br>তিনি বলেন, “তবে, আইনসভা এই প্রথা নিষিদ্ধ করারও কোনও পদক্ষেপ নেয়নি।”<br>এ প্রসঙ্গে তিনি জনগণের সমর্থন নিয়ে পেশ করা একটি দরখাস্তের কথা উল্লেখ করেন। এতে দেখা যায়, ১৮০৭ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য দাস মালিকদের একটি দলকে, যাদের বেশিরভাগ ছিলেন ব্রিটিশের অনুগত, তাদের ‘সম্পত্তি’ অর্থাৎ দাসদাসীদের সঙ্গে করে নিয়ে আসতে পারবে বলে নিশ্চয়তা দান করে। আদালতের সিদ্ধান্ত পুরোপুরি উপেক্ষা করেই এই নিশ্চয়তা দেয়া হয়। ওইসব দাস মালিক তাদের মালিকানাধীন দাসদাসীর সংখ্যা উল্লেখ করে ওই দরখাস্তে নাম স্বাক্ষর করেন।<br>ম্যাকলয়েড বলেন, “নোভা স্কশিয়ার দাস মালিকরা বুঝতে পারছিলেন যে, আদালতের মাধ্যমে তাদের অবস্থায় ক্রমবর্ধমান হারে ভাঙ্গন ধরছে। “সেজন্যে তারা যেটিকে তাদের সম্পত্তির অধিকার হিসাবে দেখতেন সেই দাসপ্রথা অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাবার জন্য আইনসভার কাছে দরখাস্ত দিয়েছিলেন যেন এ বিষয়ে এমন একটি আইন প্রণয়ন করা হয় যাতে দাসপ্রথার বৈধতাদান কিংবা সেটিকে একটি আইনী কাঠামোর মধ্যে আনা হবে।”<br>এ ধরণের একটি প্রস্তাবিত আইন পার্লামেন্টে বেশ কয়েকবার উপস্থাপনও করা হয়, তবে তা কখনই পাস করা হয়নি।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="180" height="111" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/04/paper-cutting.jpg" alt="" class="wp-image-11060" style="width:381px;height:auto"/><figcaption class="wp-element-caption">নোভা স্কশিয়ার আর্কাইভে ১৮০০ সালের জুন মাসের একটি সংবাদপত্রে একটি তরুণীকে বিক্রির বিজ্ঞাপন। (ব্রায়ান ম্যাককে/সিবিসি)</figcaption></figure>
</div>


<p>কানাডার দাসপ্রথা নিয়ে পঠনপাঠনের লক্ষ্যে নবগঠিত ইন্সটিটিউট<br>মিজ. শার্মেইন নেলসন হলেন হ্যালিফ্যাক্সে অবস্থিত নোভা স্কশিয়া আর্ট অ্যান্ড ডিজাইন কলেজের শিল্পের ইতিহাস বিষয়ের অধ্যাপক। তিনি কানাডার দাসপ্রথা নিয়ে পঠনপাঠনের উদ্দেশ্যে নবগঠিত ইন্সটিটিউটেরও প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। তিনি বলেন, দাসমুক্তি দিবস পালন গুরুত্বপূর্ণ।<br>এক সাক্ষাৎকারে নেলসন বলেন, “এটি সত্যিই আমাদের জন্য এমন একটি সময় যখন দাসপ্রথা কেমন ছিল এবং কানাডায় এর রূপ কেমন ছিলো সে সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করা উচিৎ।”<br>তিনি বলেন, আর্ট কলেজে এমন একটি ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠার বিষয়টি কাউকে বিস্মিত করলেও আসলে শিল্পই হচ্ছে এদেশে দাসপ্রথার ইতিহাস বুঝতে জনগণকে সহায়তা করার মূল চাবিকাঠি।<br>তিনি বলেন, আটলান্টিকের দুই পাড়ের দাসপ্রথা বিষয়ে কি জানেন এবং কীভাবে জেনেছেন এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হলে বেশিরভাগ মানুষ হলিউডের কিছু চলচ্চিত্রের নাম উল্লেখ করেন যেমন, লিঙ্কন, অ্যামিস্টাড, ১২ ইয়ার্স এ স্লেভ এবং জাঙ্গো আনচেইন্ড।<br>তিনি বলেন, “দাসপ্রথার ভয়াবহতা ও বর্বর প্রকৃতির দিক থেকে বিবেচনা করলে অতি সাম্প্রতিক কিছু মুভি যথেষ্ট নির্ভুল, কিন্তু এসব চলচ্চিত্রের প্রায় সবগুলোই কেবল হলিউড যার প্রতিনিধিত্ব করে সেই আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলের (যুক্তরাষ্ট্রের) দাসপ্রথারই উপস্থাপনমাত্র।<br>তিনি বলেন, কানাডার দাসব্যবস্থার ইতিহাস প্রধানত লেখা হয়েছে শ্বেতাঙ্গদের হাতে এবং তাতে এ দেশে দাসব্যবস্থা প্রচলিত থাকার স্বীকৃতির পাশাপাশি কিছুটা ক্ষমা চাওয়ার মনোভাব আছে, কিন্তু আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চল বা ক্যারিবীয় অঞ্চলের চেয়ে এদেশে দাসের সংখ্যা যেহেতু কম ছিলো তাই এখানকার দাস মালিকরা একদিক থেকে অপেক্ষাকৃত দয়ালু ও ভদ্র ছিলেন এমনটা বলার চেষ্টা আছে। এটি কোনওভাবেই সত্য নয়।<br>লোকেরা প্রায়ই দাসপ্রথাকে কৃষি খামারে হাজারও মানুষের একসঙ্গে কাজ করার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করে।<br>কানাডায় দাসপ্রথা সেরকম ছিলো না; কারণ, এখানে জলবায়ু ও মৌসুমের যে পরিবর্তন ঘটে তাতে সারা বছর চাষাবাদ চালিয়ে সম্ভব ছিলো না।<br>নেলসন বলেন, কানাডার দাসরা আপেল বা শস্য ফলাতো ঠিকই কিন্তু তাদেরকে গাভী দোহন করা, ঘোড়ার লালনপালন এবং নারীদের ক্ষেত্রে নিজের সন্তানকে বঞ্চিত করে শ্বেতাঙ্গ মালিকের সন্তানদেরকে স্তন্যদানের মত কাজ করতেও বাধ্য করা হতো।<br>তিনি বলেন, সার্বিকভাবে কানাডার জনগণ দাসপ্রথার সঙ্গে নিজ দেশের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে আমেরিকানদের মত শিক্ষিত নয়।<br>তিনি বলেন, “যে বিষয়ে জানার কোনও সুযোগ কখনই পায়নি সে বিষয়ে লোকেরা জানবে কেমন করে? আর যেসব কানাডীয় কিছু সময় প্রাথমিক, হাই স্কুল বা কলেজে কাটিয়েছেন … তাদেরও সে সুযোগ হয়নি, কারণ বিষয়টি পাঠ্যসূচিতে একেবারেই নেই।”<br>এই অবস্থা পাল্টানোর জন্য নেলসন নতুন ইন্সটিটিউট এবং দাসমুক্তি দিবসকে পরিবর্তনের সূচনাবিন্দু হিসাবে ব্যবহারের আশা করছেন।<br>তিনি বলেন, সাধারণ জনগণ প্রাতিষ্ঠানিক সাহিত্য পড়তে যাবে না, সুতরাং যে উপায়ে তাদের পক্ষে এ ধরণের ইতিহাস বুঝে নেয়া সহজ হবে সেটি হলো শিল্পপ্রদর্শনী। সেটি হতে পারে কোনও চিত্রকর্ম অথবা চলচ্চিত্র।<br>তিনি বলেন, “এ জন্যেই শিল্পীদেরকে এগিয়ে আনা ছাড়া আমরা কখনই বৃহত্তর জনগণকে শিক্ষিত করে তুলতে পারবো না যে, আটলান্টিকের উভয় পাড়ে ৪০০ বছর ধরে বিদ্যমান দাসপ্রথা নামের ইন্সটিটিউটটি সত্যিই কতটা গভীর ও বিশ্ব-রূপান্তরকারী ছিলো।”</p>



<p>দাসমুক্তি দিবসকে সবাই স্বাগত জানায়নি<br>কিন্তু লেখক রবার্ট-জনসন, যার চতুর্থ প্রপিতামহ ছিলেন একজন পালিয়ে যাওয়া ক্রীতদাস, এই মুক্তি দিবসকে খুবই অকিঞ্চিৎকর এবং অত্যন্ত বিলম্বিত বলে মনে করেন।<br>তিনি বলেন, “আমরা প্রায় দুই ’শ বছর পর্যন্ত একথা শোনার জন্য অপেক্ষা করে থাকতে পারি না যে, ওই ধরণের ঘটনা ঠিক ছিলো না।”<br>তিনি জ্যুড ও তার বোনের ব্যক্তিগত কাহিনী বর্ণনায় সময় দেন।<br>তিনি বলেন, “ওই সুদীর্ঘ সময়ের মধ্যে কেউই তাদের কথা শোনেনি তাই ভবিষ্যতেও কেউই কোনওভাবে তাদের কথা জানতে পারতো না। সুতরাং এখন তাদের কাহিনী বলা হলো।”<br>-সৌজন্যে : কায়লা হাউন্সেল/সিবিসি নিউজ</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘একজন আন্তর্জাতিক ছাত্র হিসাবে আমি ভালো, মন্দ ও কুৎসিত সবই দেখেছি’</title>
		<link>https://probashikantho.com/2024/11/04/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 04 Nov 2024 14:15:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=10267</guid>

					<description><![CDATA[উইসেম আবদ্ আল হামিদ মোহাম্মেদ ॥ আন্তর্জাতিক ছাত্রদের অধিকারের পক্ষে আমি যখন কথা বলি তখন প্রায়শই এই প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করি।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p><strong>উইসেম আবদ্ আল হামিদ মোহাম্মেদ </strong>॥</p>



<p>আন্তর্জাতিক ছাত্রদের অধিকারের পক্ষে আমি যখন কথা বলি তখন প্রায়শই এই প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করি। সেটি হলো, “কেন আন্তর্জাতিক ছাত্রদের ব্যাপারে কানাডার মনোযোগী হওয়া উচিৎ?”</p>



<p>আমি ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির একজন আন্তর্জাতিক ছাত্র। এ ছাড়াও আমি কানাডীয় ছাত্র ফেডারেশনের আন্তর্জাতিক ছাত্র বিষয়ক প্রতিনিধি। কানাডায় আসার আগে আমার ধারণা ছিলো, এখানে ছাত্র-জীবনের যথাযথ অভিজ্ঞতা পাবো। কিন্তু এখানে আসার পর সাহায্য-সহযোগিতা এবং এ সম্পর্কিত অবকাঠামোর অভাবে আমার সংগ্রামী জীবন শুরু হতে খুব বেশি দেরি হয়নি। নানা পরিপ্রেক্ষিতে কাজ করার কারণে একজন আন্তর্জাতিক ছাত্রের জীবনে ঘটতে পারে এমন সব ভালো, মন্দ এবং কুৎসিত বিষয়ই আমি দেখেছি।</p>



<p><strong>আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা সংগ্রাম করেই টিকে থাকে</strong></p>



<p>আমি যখন আমার কানাডীয় বন্ধুদের জিজ্ঞাসা করি, “তুমি কি কখনও ভাবো, তোমার ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিৎ কি না?” তাদের উত্তর সব সময়ই একটিই, “নাÑ আমার যখন দরকার তখনই ডাক্তারের কাছে যাই।”</p>



<p>কিন্তু একজন আন্তর্জাতিক ছাত্র হিসাবে আমাকে ডাক্তারের কাছে যাবার আগে দুবার ভাবতে হয়। আমাকে নিজের সাধ্য বিবেচনা করে কোন চিকিৎসা গ্রহণ করবো সেটি নির্ধারণ করতে হয়। কারণ আমাদের বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীকেই আগে চিকিৎসকের ফি পরিশোধ করতে হয়, পরে সেই অর্থ পাবার আশা করে থাকতে হয়। যে দেশে সর্বজনীন চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা আছে সেই দেশে কাউকে তার সাধ্যের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা পাওয়ার মত পরিস্থিতিতে ফেলা অনৈতিক।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="535" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/11/শিক্ষার্থী.jpg" alt="" class="wp-image-10268" style="width:494px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/11/শিক্ষার্থী.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/11/শিক্ষার্থী-300x201.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/11/শিক্ষার্থী-768x514.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">অভিবাসন, আবাসন, চাকরির বাজার ও স্বাস্থ্যসেবার মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সহায়তা দিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আরও বেশি কর্মচারী দরকার। ফটো ক্রেডিট: [উইকিমিডিয়া কমন্স]</figcaption></figure>
</div>


<p>এ দেশে সব আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীকেই এদেশের একজন বাসিন্দার মতই বিবেচনা করা হয় এবং ট্যাক্স আদায় করা হয়। কিন্তু ১০টি প্রদেশের মধ্যে মাত্র পাঁচটি প্রদেশে তাদেরকে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হয়। কোনও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী প্রাদেশিক সরকারের স্বাস্থ্যসেবার পরিকল্পনার আওতাভুক্ত না হলে তার জন্য অবশ্যই স্বাস্থ্যবীমার সুবিধা দেওয়া হয়। আমাদের কল্যাণ ও স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে কানাডীয়দের গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ। আমরা কানাডার জন্য নিছক আয়ের উৎস নই, আমরা মানুষও।</p>



<p>কানাডার মাধ্যমিক-উত্তর ইন্সটিটিউটগুলো এযাবৎকালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সমস্যাটি বড় আকার ধারণ করেছে। দেশটির অভিবাসন, শরণার্থী</p>



<p>ও সিটিজেনশিপ বিভাগের (ওজঈঈ) তথ্য অনুযায়ী ২০১৮ সালে কানাডায় লেখাপড়ার অনুমতি পেয়েছে পাঁচ লাখ ৭২ হাজার ৪১৫ জন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী যা ২০১৭ সালের চেয়ে ১৬.২৫ শতাংশ বেশি। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা অসমানুপাতিক হারে বেড়ে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারীর ঘাটতি দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের অভিবাসন, আবাসন, চাকরির বাজার এবং ম্বাস্থ্য সেবা পাবার ক্ষেত্রে সহায়তা করার মত আরও বেশি কর্মচারী দরকার।</p>



<p>বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনিয়ন্ত্রিতভাবে টিউশন ফি বাড়ানোও আরেকটি ধকল যা আমাদের মোকাবেলা করতে হয়। টিউশন ফি নির্ধারণের ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর হাতেই ন্যস্ত। স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার তথ্যমতে, মাধ্যমিক পর্যায়ের একজন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর টিউশন ফি গড়ে ১৭,৭৪৪ ডলার যা কানাডীয় শিক্ষার্থীদের চেয়ে তিনগুণ বেশি। ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ে কমপিউটার সায়েন্সে পড়ার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর টিউশন ফি বিপুল পরিমাণে অর্থাৎ ৬২% ভাগ বাড়ানো হয়েছে। যে ফি ছিল বার্ষিক ১৫,৮২৩ ডলার সেটি এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫,৬৫৩ ডলারে।</p>



<p><strong>এ তো শুধু মাথা গণা নয়, এ হচ্ছে জীবন</strong></p>



<p>কানাডীয়দের মত অনেক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীও নিজ দেশের শিক্ষা ঋণ গ্রহণ করি বা পরিবারের অর্থনৈতিক সহায়তার ওপর নির্ভর করি। টিউশন ফি বেশি বাড়ানো হলে তা আমাদের জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলে এবং আমাদের টিউশন ফি দিতে হিমশিম খাওয়া পরিবারের জীবনযাত্রায় বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করে।</p>



<p>গত ফেব্রুয়ারিতে কানাডীয় ছাত্র ফেডারেশনের লবিং সপ্তাহে আমি জাতীয় ও প্রাদেশিক সংসদের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করি। আমরা “আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ন্যায্যতার নীতি” গ্রহণের দাবি জানাই। এতে টিউশন ফি সুনির্দিষ্ট করা, এদেশে লেখাপড়ার বৈধ অনুমতি পাওয়া শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা এবং মাধ্যমিক-উত্তর ডিগ্রি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি কানাডীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার সুযোগ দেওয়ার সুপারিশ করি। কিন্তু দুর্ভাগ্য, বেশিরভাগ কানাডীয় আইনপ্রণেতা সুপারিশগুলো সমর্থন করেননি।</p>



<p>কানাডা সরকারের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারের সফরকারী সদস্যরা ২০১৮ সালে কানাডার অর্থনীতিতে ২,১৬০ কোটি ডলারের অবদান রেখেছে। আমাদের সঙ্গে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকের মত আচরণ করা উচিৎ না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সংখ্যা নিয়ে যথেষ্ট গর্ব করে কিন্তু আমাদেরকে নিছক পরিসংখ্যান হিসাবেই বিবেচনা করা হয়। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সংখ্যা, টিউশন ফি, আবাসনের ভাড়া, স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় বাড়ানোর মত বিষয়গুলি আমাদের জীবনযাত্রাকে সরাসরি প্রভাবিত করে।</p>



<p>আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হয় সেগুলোর ব্যাপারে জনসচেতনতা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত কানাডীয়রা এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সক্রিয় হওয়ার প্রয়োজনীয়তা বোধ করবেন না। আমি উদ্বিগ্ন যে, যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ও সহায়তা ছাড়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা এমনভাবে বাড়তে থাকবে যেন উপচে পড়া গ্লাসে অবিরত পানি ঢালা হচ্ছে। আমাদেরকে মেঝেতে ফেলে দেয়া হচ্ছে।</p>



<p>(লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় নিউকানাডিয়ানমিডিয়া.কম এ ২০২০ সালে। মিশর থেকে আসা উইসাম আবদ্ আল হামিদ মোহাম্মদ তখন ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির প্রকৌশল বিজ্ঞানে ছাত্র ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট স্টুডেন্টস সোসাইটির ভাইস-প্রেসিডেন্টও ছিলেন তিনি তখন। )</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>উদ্বেগ কাটিয়ে ওঠা: কানাডায় নবাগতদের জন্য সহায়ক কিছু টিপস</title>
		<link>https://probashikantho.com/2024/09/22/%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%93%e0%a6%a0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1-2/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Sep 2024 16:08:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=10077</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক : অভিবাসন এবং উদ্বেগ হাত ধরাধরি করে চলে। এক দেশ থেকে অন্য একটি দেশে স্থানান্তরের সময়টা প্রায়শ]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক : অভিবাসন এবং উদ্বেগ হাত ধরাধরি করে চলে। এক দেশ থেকে অন্য একটি দেশে স্থানান্তরের সময়টা প্রায়শ তেমন মসৃণ হয় না যেমনটা বেশিরভাগ অভিবাসী আশা করেন।</p>



<p>আপনি একজন নতুন অভিবাসী এবং কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়ে খুবই উদ্বেগপূর্ণ মনোভাব নিয়ে তার মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। আপনার জন্য সুখবর এই যে, আপনি কিন্তু এই মুহূর্তে একা নন এবং এই মুহূর্তটি হতে পারে নিছক সাময়িক একটি বিষয়। আপনি যখন নতুন দেশে স্থায়ী হবার চেষ্টা করবেন এবং নতুন ভূখণ্ডের সংস্কৃতি, পরিবেশ ও মূল্যবোধের সঙ্গে অধিকতর পরিচিত হতে থাকবেন, তখন আপনার উদ্বেগের পরিমাণ কমে আসবে এবং আপনি আপনার নতুন বাড়িতে অধিকতর সাচ্ছন্দ্য বোধ করতে শুরু করবেন।</p>



<p><strong>নবাগতদের</strong><strong> </strong><strong>উদ্বেগের</strong><strong> </strong><strong>কারণ</strong></p>



<p>কানাডায় নবাগতদেরকে প্রাথমিক পর্যায়ে অবশ্য অনেক কঠিন ও কষ্টকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ কয়েকটি হলো:</p>



<p><strong>প্রয়োজন</strong><strong> </strong><strong>মেটানোর</strong><strong> </strong><strong>মত</strong><strong> </strong><strong>একটি</strong><strong> </strong><strong>চাকরি</strong></p>



<p>কয়েক মাস আগে এদেশে নতুন আসা একটি পরিবার আমার কাউন্সেলিং অফিসে এসেছিলো, কারণ তারা ছিলো চরম মানসিক চাপে ভুগছিলো। ওই দম্পতির দুটি বাচ্চা আছে এবং তারা উভয়েই ছেড়ে আসা নিজের দেশে উচ্চতর যোগ্যতাসম্পন্ন পেশাজীবী ছিলেন। তারা ভেবেছিলেন যে, যেহেতু তারা কানাডার কেন্দ্রীয় সরকারের দক্ষ শ্রমিক শ্রেণিতে অভিবাসনের জন্য আবেদন করেছেন সেজন্যে তারা কানাডায় পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গেই কাজ পেয়ে যাবেন। তারা যখন উপলব্ধি করলেন যে, তাদের আগের শিক্ষাগত সনদ কানাডার মান অনুযায়ী উন্নয়ন না করা পর্যন্ত তা এখানে গ্রহণযোগ্যতা পাবে না তখন তারা ভয়ানক উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।</p>



<p>কানাডায় এসে বেশিরভাগ অভিবাসী তাদের কর্মজীবন নিয়ে এই একই ধরণের পরিস্থিতিতে পড়েন যা তাদের জন্য মানসিক চাপ ও উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে। আর যদি তারা তাদের ওই পরিস্থিতিতে কোনও সুরাহার পথ খুঁজে না পেলে অনেকেই আবার নিজের স্বদেশে ফিরে যাবার কথা ভাবেন।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="450" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/09/নবাগতদের-জন্য.jpg" alt="" class="wp-image-9921" style="width:525px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/09/নবাগতদের-জন্য.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/09/নবাগতদের-জন্য-300x169.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/09/নবাগতদের-জন্য-768x432.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">অভিবাসন এবং উদ্বেগ হাত ধরাধরি করে চলে। এক দেশ থেকে অন্য একটি দেশে স্থানান্তরের সময়টা প্রায়শ তেমন মসৃণ হয় না যেমনটা বেশিরভাগ অভিবাসী আশা করেন। ছবিতে কানাডায় আসা একটি সিরীয় পরিবারকে দেখা যাচ্ছে।  ছবি : তিমথি নিসাম-সিবিসি</figcaption></figure>
</div>


<p><strong>ভাষাগত</strong><strong> </strong><strong>বাধা</strong><strong> </strong><strong>কাটিয়ে</strong><strong> </strong><strong>ওঠা</strong></p>



<p>অনেক অভিবাসী বিশেষ করে উদ্বাস্তুরা কানাডায় তাদের নতুন জীবন শুরু করতে গিয়ে উৎকণ্ঠায় পড়েন ভাষাগত বাধার কারণে। সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষায় যোগাযোগ করার অক্ষমতা মানসিক চাপ ও বিচ্ছিন্নতার কারণ। নতুন অভিবাসীদের জন্য বিনামূল্যে ইংরেজি শেখার ক্লাস করার সুযোগ দেয়া হলে সেই শিক্ষা গ্রহণের প্রক্রিয়া তাদের জন্য অধিকতর চাপের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে একইরকম চাপে থাকা অন্যদের দীর্ঘ তালিকার কারণে।</p>



<p><strong>সাংস্কৃতিক</strong><strong> </strong><strong>আঘাত</strong></p>



<p>ভাষা ছাড়াও অনেক সময় এমন দেশ থেকে অনেক অভিবাসী আসেন যাদের দেশের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ কানাডার চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমার সিরিয়া, পাকিস্তান, ভারত ও অন্যান্য দেশের খদ্দের আছেন যারা বলেন যে, নতুন সংস্কৃতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়া সহজ নয়। বিশেষ করে বাচ্চাদের বাবা-মায়েরা নতুন দেশে তাদের সন্তানদের সুষ্ঠু জীবন গড়ে তোলার বিষয়ে হতবিহ্বল হয়ে পড়েন।</p>



<p><strong>আবহাওয়ায়</strong><strong> </strong><strong>অভ্যস্ত</strong><strong> </strong><strong>হওয়া</strong></p>



<p>কানাডা হলো বিশ্বের অন্যতম শীতল দেশ। অনেক সময় অপেক্ষাকৃত উষ্ণ আবহাওয়ার দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের জন্য এখানকার অবহাওয়ায় খাপ খাওয়ানো কঠিন হয়ে পড়ে বিশেষ করে যদি তারা শীতের সময় ঠান্ডার মধ্যে এদেশে এসে পৌঁছেন। আবহাওয়ার চরম অবস্তার কারণে তারা যদি সহজে চলাফেরা করতে না পারেন তাহলে সেটি তাদের এদেশে আসার লক্ষ্য অর্জনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।</p>



<p><strong>সামাজিক</strong><strong> </strong><strong>সমর্থন</strong><strong> </strong><strong>না</strong><strong> </strong><strong>হারানো</strong></p>



<p>নতুন অভিবাসীদের উদ্বেগের আরেকটি বড় কারণ হলো নিজের দেশে সামাজিক সমর্থনের যে কাঠামো ছিলো তা হারিয়ে ফেলা। কানাডায় নবাগতদের সহায়তার জন্য অনেক পরিষেবা থাকলেও সেগুলো খুঁজে পাওয়া ও গ্রহণ করার মত জানাশোনা না থাকা গুরুতর উদ্বেগের কারণ হয়ে দেখা দেয়।</p>



<p><strong>আর্থিক</strong><strong> </strong><strong>সঙ্কট</strong></p>



<p>সবশেষে বলি, আর্থিক সঙ্কট ঝগড়াঝাটির বিরাট কারণ হতে পারে। তারা নিজের দেশ থেকে যে অর্থ নিয়ে আসে তা বুঝে ওঠার আগেই ফুরিয়ে যায়। যখন অর্থেসঙ্কট তাদেরকে উদ্বিগ্ন করে তোলে তখন চাকরিদাতাদের কাছ থেকে আবেদনের জবাব না পাওয়াটাও কেবল আগুনে ঘি ঢালার কাজ করে।</p>



<p><strong>উদ্বেগ</strong><strong> </strong><strong>বহুগুণ</strong><strong> </strong><strong>বেড়ে</strong><strong> </strong><strong>যায়</strong></p>



<p>নবাগতরা এরইমধ্যে যেসব উদ্বেগের মুখোমুখি হয়েছেন উপরের উল্লিখিত সেই সবগুলো কারণই আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে যখন তারা</p>



<p>এখানে আসার মূল লক্ষ্যগুলো পূরণের দিকে এগুবেন। অর্থাৎ যখন স্বাস্থ্যসেবার জন্য আবেদন, ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া, আবাসনের জায়গা খোঁজা, ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট করা এবং এরকম আরও অনেক কাজ করতে এগিয়ে যাবেন।</p>



<p><strong>উদ্বেগ</strong><strong> </strong><strong>থেকে</strong><strong> </strong><strong>বাঁচতে</strong><strong> </strong><strong>কিছু</strong><strong> </strong><strong>টিপস</strong></p>



<p>এতে কোনও সন্দেহ নেই যে, অভিবাসীরা যখন কানাডায় নতুন তখনই তাদের উদ্বেগ চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকে। যাই হোক, নিচের টিপসগুলো অনুসরণ করলে তা উত্তরণের সময়ে তাদের জন্য সহায়ক হতে পারে।</p>



<p><strong>উদ্বেগের</strong><strong> </strong><strong>কারণটি</strong><strong> </strong><strong>জানুন</strong></p>



<p>আপনার উদ্বেগের কারণটি যদি জেনে ফেলেন তাহলে আপনি এ বিষয় নিয়ে পর্যায়ক্রমে এবং পদ্ধতিগতভাবে কাজ শুরু করতে পারবেন। উদ্বেগকে উপেক্ষা করবেন না কারণ এটি স্বাস্থ্যগত অন্য সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।</p>



<p><strong>কাজের</strong><strong> </strong><strong>তালিকা</strong><strong> </strong><strong>তৈরি</strong><strong> </strong><strong>করুন</strong></p>



<p>নবাগত হিসাবে আপনাকে যেহেতু অনেকগুলো বিষয়ে মনোযোগ দিতে হচ্ছে তাই কাজের একটি তালিকা বা দৈনিক কাজের পরিকল্পনা তৈরি করে উদ্বেগ কিছুটা কমিয়ে ফেলতে পারেন। আপনার মস্তিষ্ক যখন বিভিন্ন দায়িত্ব নিয়ে ব্যস্ত সে সময় আপনি গুরুত্বপূর্ণ কোনও বিষয়ও ভুলে যেতে পারেন যা উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে।</p>



<p><strong>চেষ্টা</strong><strong> </strong><strong>অব্যাহত</strong><strong> </strong><strong>রাখুন</strong></p>



<p>যখন কোনও কাজই আপনার আশানুরূপ হচ্ছে না তখন অভিবাসীরা অনেক সময় হতশাগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারেন। এধরণের অসহায়তার অনুভূতি এমন অবস্থার দিকে ঠেলে দিতে পারে যখন কোনওকিছুই করতে ইচ্ছে করে না, যার পরিণতিতে উদ্বেগ আরও বাড়তে পারে। এধরণের অনীহা এড়িয়ে যাবার মূল চাবিকাঠি হলো সামনে এগিয়ে যাওয়া, কোনভাবেই চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া বন্ধ করবেন না।</p>



<p><strong>যে</strong><strong> </strong><strong>শিক্ষা</strong><strong> </strong><strong>অর্জন</strong><strong> </strong><strong>করলেন</strong><strong> </strong><strong>তা</strong><strong> </strong><strong>উদযাপন</strong><strong> </strong><strong>করুন</strong></p>



<p>কানাডায় এক দু’মাস এমনকি কয়েক মাস কাটানোর পরও যদি আপনি বেকার, অস্থিতিশীল এবং&nbsp; মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন তাহলে সময়টাকে ঘুরিয়ে দিন এবং খেয়াল করে দেখুন এই সময়ের মধ্যে আপনি কি কি শিখেছেন। এযাবৎ যা কিছু শিখেছেন তা উদযাপন করুন। মনে করে দেখুন এখানে আসার প্রথম দিনগুলোতে আপনি বাসে চড়া, গ্রোসারি শপে যাওয়া, কোনও ক্লিনিক বা লাইব্রেরিতে যাওয়া ইত্যাদির কোনওটিই করতে পারতেন না। দেখুন, এসব কাজ করতে পারার কারনে আপনি যদি সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তাহরে আপনার সময়গুলো ভালোভাবেই কেটেছে। আপনি নিজেকে ব্যর্থ বলতে পারেন না; নতুন একটি দেমে প্রতিটি নতুন দিন আপনার জন্য নতুন শিক্ষা নিয়ে আসে, সুতরাং এসবের জন্য কৃতজ্ঞ বোধ করুন।</p>



<p><strong>সাহায্য</strong><strong> </strong><strong>চান</strong></p>



<p>আপনার চাহিদা ও উদ্বেগের বিষয়গুলো অন্যদের জানাতে সংকোচ করবেন না। প্রয়োজন হলে সাহায্য চান। প্রতিবেশী ও বন্ধু, ধর্মীয় পরামর্শক বা অভিবাসীদের বন্দোবস্তকারী প্রতিষ্ঠানের পরামর্শকের কাছে যান।</p>



<p><strong>স্বেচ্ছাসেবক</strong></p>



<p>স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে কাজের সুযোগ খুঁজে নিন। এতে করে আপনার কাজ পাওযার সম্ভাবনা বাড়বে এবং কানাডার কর্মস্থল সম্পর্কে জানার মাধ্যমে আপনার উদ্বেগ কমাতে সহায়ক হবে। আপনি নতুন বন্ধু বানাতে পারবেন এবং আপনার পরিচিতদের নেটওয়ার্ক প্রসারিত হবে।</p>



<p><strong>উদ্দীপনামূলক</strong><strong> </strong><strong>বই</strong><strong> </strong><strong>পড়ুন</strong></p>



<p>আপনার জন্য সহায়ক অথবা অনুপ্রেরণাদায়ক বইপত্র পড়ুন। উদ্বুদ্ধ করার মত বিষয়গুলো পাঠ করলে তা আপনার উদ্বেগ কমাতে এবং আপনার আস্থা ও আত্মসম্মান বাড়াতে সহায়ক হবে।</p>



<p><strong>ইতিবাচক</strong><strong> </strong><strong>মানুষদের</strong><strong> </strong><strong>মধ্যে</strong><strong> </strong><strong>থাকুন</strong></p>



<p>যারা আপনার উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দেয় সেইসব নেতিবাচক লোকেদের এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। তার বদলে যারা আপনাকে উৎসাহ দেয়, আপনাকে সাহায্য করতে চায় তাদের সঙ্গে চলাফেরা করুন এবং জীবনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করুন।</p>



<p><strong>সাময়িকী</strong><strong> </strong><strong>লিখতে</strong><strong> </strong><strong>শুরু</strong><strong> </strong><strong>করুন</strong></p>



<p>আপনার চাপ ও উদ্বেগের বিষয়গুলো নিয়ে ব্যক্তিগত রোজনামচা লিখতে শুরু করুন। প্রতিদিনের&nbsp; অভিজ্ঞতাগুলো লিখে ফেললে তা আপনার এগিয়ে চলা অব্যাহত রাখার বিষয়ে স্বচ্ছতা দেবে। আর যখন আপনি সত্যি এখানে থিতু হয়ে যাবেন তখন কানাডায় আপনার নতুন জীবনের ঘটনাবলী পাঠ করলে আপনার মুখে কৃতজ্ঞতার এক মধুর হাসি ফুটিয়ে তুলবে।</p>



<p>&#8211; সৌজন্যে : কানাডিয়ানইমিগ্রেন্ট.সিএ</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নতুন দেশে খাপ খাইয়ে নেয়া</title>
		<link>https://probashikantho.com/2024/09/22/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%aa-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc-2/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Sep 2024 16:06:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=10075</guid>

					<description><![CDATA[সুকাইনা জাফির অভিবাসীরা তাদের বসবাসের জন্য বেছে নেয়া নতুন দেশে আসার পর কেমন বোধ করেন সেটা অনুভব করা খুবই কঠিন।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p><strong>সুকাইনা</strong><strong> </strong><strong>জাফির</strong></p>



<p>অভিবাসীরা তাদের বসবাসের জন্য বেছে নেয়া নতুন দেশে আসার পর কেমন বোধ করেন সেটা অনুভব করা খুবই কঠিন। সারা বছর গ্রীষ্মের পোশাক পরে কাটানোর পর হঠাৎ করে বরফের গুদামের মধ্যে পড়ে যাওয়ার ব্যাপারটা চিন্তা করুন। খাবারের ঘ্রাণ থেকে শুরু করে আপনার প্রার্থনার আওয়াজ, শরীরে চাপানো কাপড়-চোপড় এমনকি কাজের ধরণ পর্যন্ত নতুন করে শুরু করতে হলে আপনি কেমন বোধ করবেন সেটা ভেবে দেখুন। আর নারীরা কীভাবে খাপ খাইয়ে নেন যখন তাদের ভাষাও বাধা হয়ে দাঁড়ায়?</p>



<p>নতুন দেশে সফল হবার মত অবস্থানে আসতে পুরো অন্টারিও প্রদেশে নারীরা খাপ খাইয়ে নেয়ার জন্য কাজ করছেন।</p>



<p>২০১৬ সালে সিঙ্গাপুর থেকে অভিবাসী হিসাবে আসা হেদায়া আল দালিল-এর পরিবারের জন্য এখানকার আবহাওয়া ছিল রীতিমত পীড়াদায়ক। নিজের দেশের অপেক্ষাকৃত উষ্ণ আবহাওয়া থেকে আসার কারণে এখানে শীতের ওভারকোট চাপিয়ে রাখার ব্যাপারটা তাদের কাছে একেবারেই অচেনা। আল দালিল স্বীকার করেন, “(এখানে) আমাদের প্রথম শীতটা ছিলো কঠিন। বাচ্চারা তুষারপাত পছন্দ করেছে, কিন্তু তুষারের মধ্যে হাঁটতে বা গাড়ি চালাতে ভয় পেতো।”</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="529" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/09/নতুন-দেশে.jpg" alt="" class="wp-image-9915" style="width:461px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/09/নতুন-দেশে.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/09/নতুন-দেশে-300x198.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/09/নতুন-দেশে-768x508.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">মারিয়া সল পাজাদুরা ও তার পরিবার। ছবি : ইসাবের ইনক্ল্যান</figcaption></figure>
</div>


<p>এখানে এসে তারা যখন নতুন জীবনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন সেই সময় আর্থিক সীমাবদ্ধতাও ছিলো বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, “প্রথম কয়েক মাস ছিলো সবচেয়ে কঠিন। কারণ ওই সময়গুলো ছিলো অনিশ্চয়তায় ভরা এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কোনওরকম স্পষ্ট ধারণা ছিলো না। আমরা আল্লাহর আনুকূল্য পেয়েছি, কারণ এখানে আসার প্রথম কয়েক মাসের মধ্যেই আমার স্বামী একটি কাজ জুটিয়ে নিতে পেরেছিলেন, কিন্তু পেশাগত ‘অবনমন’এর ধারণা একটি অব্যাহত লড়াই জারি রাখবে।”&nbsp;</p>



<p>প্রাথমিকভাবে আল দালিল একটি সেলুন ও স্পা সেন্টারে কিছুটা জায়গা ভাড়া নিয়ে সেখানে নিজের ম্যাসাজের কাজ শুরু করেন। তিনি ডর্ন-পদ্ধতিতে ম্যাসাজের মাধ্যমে মানুষের ঘাড়, কাঁধ ও পিঠের বেদনা দূর করার চিকিৎসা করেন। এই ম্যাসাজের ব্যাপারটা বেশ নিরাপদ ও বেদনাহীন হলেও কানাডায় এটি খুই বিরল এবং সেজন্যে এটি কোনও বীমার আওতায় পড়ে না। ফলে কয়েক মাস ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাবার পর ব্যবসাটি</p>



<p>বন্ধ হয়ে যায়। আল দালিল স্মরণ করেন, “আমার পাশে কোনও নেটওয়ার্ক, সামাজিক পরিমণ্ডল বা সমর্থনকারী না থাকায় আমার পক্ষে খদ্দেরের বাজার তৈরি করাটা ছিলো কঠিনতর।”&nbsp; তবে এতে হতোদ্যম না হয়ে আল দালিল বিভিন্ন কৌশলের সঙ্গে পরিচিত হবার জন্য পিল এলাকার নবাগতদের সেন্টারে একটি বৈশ্বিক ব্যবসায় বিষয়ক কোর্সে ভর্তি হন।</p>



<p>সেই কোর্স তার জন্য “অর্থনীতি, করনীতি, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বিপনন এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ ইত্যাদি এবং সামাজিক নেটওয়ার্ক পড়ে তোলার বিষয়গুলো বুঝতে সহায়ক হয়।” তিনজন উপদেষ্টার সঙ্গে কাজ করার ফলে তিনি নিজের আগ্রহের বিষয়গুলো খুঁজে পান। আল দালিল বলেন, “এটি ছিলো পড়ালেখার এক দারুণ অভিজ্ঞতা যা আমাকে নিজেকে গড়ে তোলার ভিত্তি সরবরাহ করেছে।”&nbsp;</p>



<p><strong>সাংস্কৃতিক</strong><strong> </strong><strong>বাধা</strong></p>



<p>নবাগতদের জন্য বৈষম্য একটি বড় সাংস্কৃতিক বাধা বলে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে অনেকে উল্লেখ করেন। আমাদের এখানে বোনাস রাউন্ডসহ অবাধে ক্যাসিনো খেলার ব্যবস্থা আছে যেখানে কোনও রকম ডাউনলোড না করে, রেজিস্ট্রেশন না করে এবং সাইন আপ না করেও খেলা যায়। ইচ্ছা করলে আপনি এই মুহূর্তেই বিনা মূল্যে পোকি খেলতে পারেন। ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের&nbsp; সহযোগী অধ্যাপক&nbsp; ড. সোমা চ্যাটার্জি ব্যাখ্যা করে বলেন, “কানাডীয়দের মূল ধারার চিন্তা-ভাবনা অবশিষ্ট বিশ্বের চেয়ে বেশি প্রগতিশীল। আমি অনেক অভিবাসী নারীকে চিনি যারা অগ্রসর মান অনুযায়ী মূল্যায়ন পেতে চাপের মধ্যে আছেন।”</p>



<p>তিনি উল্লেখ করেন যে, নবাগতরা বাড়ি ভাড়া নিতে গেলে বৈষম্যের শিকার হতে পারেন। তারা যেসব জিনিস রান্না করেন সে সম্পর্কে আপত্তিকর প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে তাদেরকে বাড়িভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়। এসব কারণে অনেক অভিবাসীকে হয়তো তাদের সাংস্কৃতিক চেতনার গভীরে প্রোথিত কিছু মূল্যবোধ পাল্টাতে হয়।</p>



<p>এছাড়াও, এদেশে খাপখাইয়ে নেওয়ার সময় যদি ভাষাগত বাধা থাকে তাহলে সেই অভিবাসীর জন্য সময়টা সহজ হয় না। যেমনটা ঘটেছে এসরা আলীর ক্ষেত্রে। ইরাক থেকে এদেশে আসার পর তার জন্য সবচেয়ে বড় লড়াইটা ছিলো ইংরেজি শেখা নিয়ে। এটি এমন একটি বড় সমস্যা যা পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যায়। ৭০ শতাংশেরও বেশি অভিবাসীরই ইংরেজি বা ফরাসীর বাইরে অন্য একটি মাতৃভাষা আছে।</p>



<p>যেহেতু ইসরা আলী নিজের দেশে জীববিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারী সেজন্যে এখন তার খণ্ডকালীন চাকরির অংশ হিসাবে তাকে একটি স্কুলের ডাইনিং রুমের পর্যবেক্ষক এবং স্কুলটিতে শিক্ষক সরবরাহের দায়িত্ব পালন করতে হয়। তিনি স্বল্প সময়ের কাজই পছন্দ করেন যাতে নিজের বাচ্চাদের পেছনে বেশি সময় দেওয়া যায়। মধ্যবয়সী মহিলা অভিবাসীদের ৩২ শতাংশই নিজের সন্তানদের যত্নে বেশি সময় দেওয়ার জন্য আলীর মত একই ধরণের সিদ্ধান্ত নেন।</p>



<p><strong>খাপ</strong><strong>&#8211;</strong><strong>খাওয়ানো</strong><strong> </strong><strong>খুব</strong><strong> </strong><strong>কঠিন</strong></p>



<p>২০১৬ সালের আগস্টে দুবাই থেকে অভিবাসী হিসাবে টরন্টোতে আসা পাকিস্তানী নাগরিক সাদাফ হুসেইনের জন্য এদেশে খাপ-খাইয়ে নেওয়ার ব্যপারটা ছিলো ভয়ানক কঠিন। তার স্বামী আমিরাতে চাকরিরত থাকার কারণে তিনি দুই বাচ্চাকে নিয়ে একাই এদেশে আসেন।</p>



<p>হুসেইন জানান, প্রিয়জনকে ফেলে আসাটাই ছিলো তার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সেজন্যে প্রথম কয়েক মাস তাকে ভুগতে হয়েছে চরম একাকীত্ব বোধে। এই অনুভূতি তীব্রতর হয়েছে শীতকালে যখন দিনগুলো ছোট হয়ে এসেছে এবং বাইরে কাজ করার মত অবস্থাও ছিলো না।</p>



<p>মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য তাকে প্রায়ই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়ানোর সময় তিনি রীতিমত হতাশায় ভুগেছেন। তিনি বলেন, “প্রয়োজনীয় জিনিসটি কোথায় বিক্রি হয় সেটা খুঁজে বের করার জন্য আমাকে একের পর এক সুপারমার্কেটগুলোতে ঢু মারতে হয়েছে।” এর চেয়েও পীড়াদায়ক ছিলো স্থানীয় বাজারে কেনা জিনিসগুলোর দাম তার দেশের মুদ্রায় কত হয় সেই হিসাব কষা।</p>



<p>এমনকি সাধারণ কাজগুলো, যেমন বরফের ওপর দিয়ে গাড়ি চালানো অনেক সময় কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। কারণ তিনি কখনই বরফের দেশে বসবাস করেননি।</p>



<p>অন্য জায়গায় তিনি যে সামাজিক উষ্ণ পরিমণ্ডল পেয়েছেন সেটাও তার মনে পড়েছে। “দিনে পাঁচবার নামাজের জন্য আজান সম্প্রচারের বিষয়টি খুব মনে পড়েছে। আমার মনে পড়েছে রমজান মাস কেমন উৎসবমুখর ছিলো এবং কীভাবে আমিরাতের মানুষ একসঙ্গে রোজার ইফতার গ্রহণ করেছে (এক্ষেত্রে কামান দেগে বার্তা দেয়া হয়)।”</p>



<p>ধীরে ধীরে তিনি তার প্রাথমিক সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে শিখেছেন এবং এখন যেটিকে তার নিজের দেশ বলেন&nbsp; সেখানে আরও বেশি সময় কাটার সঙোগ সঙ্গে নিজেকে খাপ-খাইয়ে নিতে পারছেন।</p>



<p><strong>সামাজিকতার</strong><strong> </strong><strong>বোধ</strong></p>



<p>অনেক অভিবাসীর কাছে তার সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ।</p>



<p>বেশ কয়েকটি দেশে বসবাসের কারণে আল দালিল কানাডায় যে বৈচিত্র্য রয়েছে সে বিষয়ে প্রস্তুত ছিলেন। তিনি নিজের বাচ্চাদেরকে তাদের সাংস্কৃতিক শেকড় সম্পর্কে নিয়মিত শিক্ষা দেন। তিনি বলেন, “আমার সন্তানদের জন্য নতুন কানাডীয় জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত হওয়ার পাশাপাশি তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচিতি রক্ষা করা জরুরী।”</p>



<p>তাদের অনেক সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ পাল্টাতে বাধ্য হতে হলেও উভয় নারীই কানাডায় পাওয়া জীবনাচারের জন্য কৃতজ্ঞ বোধ করেন।</p>



<p>আল দালিল আরও বলেন, “এখানে ব্যক্তিগত উন্নয়ন ও পেশা পরিবর্তনের প্রভূত সুযোগ রয়েছে। আমি এটা শিখেছি যে, কানাডায় আপনি যে কাজ করবেন সেটি জানতে চাইবে না আপনি কে অথবা কেন আপনি কী হতে চান। যেমনটা অন্য অনেক জায়গায় করা হয়। এখানে আপনি বড় স্বপ্ন দেখতে পারেন&#8230;।”</p>



<p>(প্রতিবেদক সুকাইনা জাফির সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছেন। একজন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসাবে তিনি নিউ কানাডিয়ান মিডিয়া, গার্ডিয়ান আনলিমিটেড এবং ইনডিপেন্ডেন্ট পত্রিকায় লিখেছেন।)</p>



<p>&#8211; সৌজন্যে : নিউকানাডিয়ানমিডিয়া.সিএ</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভিন্ন দৃষ্টিতে স্বেচ্ছাসেবা</title>
		<link>https://probashikantho.com/2024/07/21/%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 21 Jul 2024 15:52:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featured]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=9647</guid>

					<description><![CDATA[স্বেচ্ছাসেবা হলো আপনি যে সমাজে বসবাস করেন সেই সমাজকে কিছু ফিরিয়ে দেয়াÑ আপনি যেটিকে ভালো মনে করেন সেই কারণে যতটা]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>স্বেচ্ছাসেবা হলো আপনি যে সমাজে বসবাস করেন সেই সমাজকে কিছু ফিরিয়ে দেয়াÑ আপনি যেটিকে ভালো মনে করেন সেই কারণে যতটা পারেন তার চেয়ে বেশি কিছু করা। আমি একবার পড়েছিলাম যে, স্বেচ্ছাসেবা হলো গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অনুশীলনÑ আপনি বছরে একবার নির্বাচনে ভোট দেন, কিন্তু যখন আপনি স্বেচ্ছামূলক সেবা কার্যক্রমে অংশ নেন তখন আপনি&nbsp; যে ধরণের সমাজ দেখতে চান সেই সমাজের জন্য প্রতিদিন ভোট দিচ্ছেন।</p>



<p>একের পর এক সমীক্ষায় দেখানো হয়েছে যে, সুখের বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে সেবাদানের সঙ্গে সম্পর্কিত। আমরা যদি আমাদের সন্তানদের এটি না শেখাই যে কোন কিছু গ্রহণ করার চেয়ে বরং দেয়ার মধ্যেই পরম সুখ নিহিত রয়েছে তাহলে তারা দানের আনন্দের বিষয়টি সম্পর্কে জানবে বা বিষয়টি তাদের অভিজ্ঞতার মধ্যে আসবে এটি কিভাবে আশা করতে পারি? স্বেচ্ছাসেবা সম্পর্কে এটিই মোদ্দা কথা।</p>



<p>স্বেচ্ছাসেবার আরেকটি দিক রয়েছে যা প্রায়শ নজর এড়িয়ে যায়। স্বেচ্ছাসেবা এক ধরণের বিনিময়ও। ভিন্ন কিছু অর্জনের লক্ষ্য ছাড়াও অনেক কারণ রয়েছে যেজন্য মানুষ স্বেচ্ছাসেবাদানে এগিয়ে আসে:</p>



<p>&#8211; কোন কমিউনিটিকে জানাকারও ভাষাগত দক্ষতার উন্নয়ন</p>



<p>&#8211; নতুন নতুন বন্ধু তৈরি</p>



<p>&#8211; নতুন যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা</p>



<p>&#8211; একটি দলের শরিক হওয়া</p>



<p>&#8211; নেতৃত্বের গুণ অর্জন</p>



<p>&#8211; নতুন কিছু শেখা</p>



<p>&#8211; কমিউনিটির সেবা কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পেশা খুঁজে নেয়া</p>



<p>&#8211; দক্ষতা ও সক্ষমতার প্রদর্শন</p>



<p>&#8211; নিজের সমৃদ্ধ জীবন-বৃত্তান্ত গড়ে নেয়া</p>



<p>&#8211; এক ধরণের থেরাপি হিসাবে</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="634" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/07/স্বেচ্ছা-সেবাjpg.jpg" alt="" class="wp-image-9648" style="width:513px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/07/স্বেচ্ছা-সেবাjpg.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/07/স্বেচ্ছা-সেবাjpg-300x238.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/07/স্বেচ্ছা-সেবাjpg-768x609.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">স্বেচ্ছাসেবার কার্যক্রমে অংশ নিয়ে বৃক্ষরোপন করছেন একদল তরুণ। ছবি : সাটারস্টক</figcaption></figure>
</div>


<p>আমার বিশ্বাস, ক্যারিয়ার পরিবর্তনকারী এবং/অথবা নতুন চাকরির সন্ধানে নিয়োজিতরা স্বেচ্ছাসেবার সুবিধাগুলোকে প্রকৃতপক্ষে অবমূল্যায়ন করছেন। চাকরির ইন্টারভিউ বা চাকরির প্রস্তাব পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন বিষয় হলো সম্ভবত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপকের টেবিলে প্রতিদিন যতো সংখ্যক জীবন-বৃত্তান্ত জমা পড়ে সেগুলোর মধ্যে আপনার জীবন-বৃত্তান্তটি সেরা হলো কিনা তা নিশ্চিত করা। নির্দিষ্ট সংগঠন বা ব্যবসায়িক খাতের প্রতিষ্ঠান বেছে নিয়ে তাতে স্বেচ্ছাসেবা দান হলো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চেনা ও তাদের সঙ্গে দেখাসাক্ষাতের, যোগাযোগ গড়ে তোলা এবং নিজের জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতা প্রদর্শনের সবচেয়ে ভালো সুযোগ। এর ফলে সংগঠনগুলোর জন্যও অজ্ঞাত লোক ভাড়া করার চেয়ে ‘‘পরিচিত পণ্য’’ ভাড়া করা সহজতর হয়।</p>



<p>কার্ল ইয়ুং যেমনটা বলেন, ‘‘আপনি যা করেন সেটাই আপনার পরিচয়, যা করবেন বলেন সেটি নয়।’’ স্বেচ্ছাসেবার মধ্য দিয়ে কাজের মধ্যে আপনাকে দেখা যায়, কেবল আপনি যা করবেন বা করতে পারেন বলে জানান সেটি নয়। যে স্বেচ্ছাসেবী নিজের উদ্দীপনা, সামর্থ, কোন কাজে সংশ্লিষ্ট হওয়ার ইচ্ছা এবং এর সাফল্যের ক্ষেত্রে অবদান রাখার আগ্রহ প্রদর্শন করেন সংগঠনগুলো তার সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে ওঠে।</p>



<p>স্বেচ্ছাসেবা হলো নিরাপদ অবস্থানে থেকে কর্মস্থল সম্পর্কে পরিচিতি অর্জনের একটি চমৎকার উপায় যেখানে আপনাকে চাকরিজীবী হলে যতটা জবাবদিহি করতে হতো সেই পর্যায়ে জবাবদিহি করতে হচ্ছে না। সংগঠনগুলোতে সুনির্দিষ্ট করে কোন কোন ক্ষেত্রে কেমন দক্ষতার প্রয়োজন হয় সেটি খুঁজে বের করার, সাফল্যের জন্য কী কী প্রয়োজন এবং কোনটি নয় এবং সবধরণের সাংগঠনিক কাজে সংশ্লিষ্ট হওয়ারও খুব ভালো সুযোগ হলো স্বেচ্ছাসেবা।</p>



<p>আর, কানাডায় নতুন আসা একজন হিসাবে চাকরি খুঁজতে গিয়ে আপনাকে অবশ্যই প্রায়ই শুনতে হবে যে আপনার ‘কানাডীয় অভিজ্ঞতার ঘাটতি’ রয়েছে। এই ‘কানাডীয় কর্ম অভিজ্ঞতা’ অর্জনেরও সেরা উপায় হলো স্বেচ্ছাসেবা। এর মাধ্যমে আপনি যে শহরে অবস্থান করছেন সেখানকার শ্রমবাজারের কায়দা-কেতা শিখে উঠবেন এবং আশা করা যায় যে সম্ভাব্য চাকরিদাতা কোম্পানিগুলো আপনার প্রতি আকর্ষণ বোধ করবে।</p>



<p>এই একই নীতি সমভাবে প্রযোজ্য তরুণ গ্রাজুয়েটদের ক্ষেত্রেও, যাদের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্ত্বিক জ্ঞান রয়েছে কিন্তু কর্মঅভিজ্ঞতা আছে সামান্যই অথবা একেবারেই নেই। নিজেদের পছন্দের কর্মক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবার মধ্য দিয়ে তারা তাদের জীবনবৃত্তান্ত সমৃদ্ধ করে নিতে পারে। আপনি যখন শ্রমবাজারে চাকরির জন্য চেষ্টা করছেন বা নিজের মেধা প্রদর্শনের অপেক্ষা করছেন তখন আপনার অভিজ্ঞতা ও কোনও স্থানে কাজ করার কার্যকর রেফারেন্স অমূল্য সম্পদ হিসাবে কাজ করবে।</p>



<p>আমি&nbsp; সব সংগঠনের ব্যাপারে বলতে পারবো না, তবে আমি অনেক সংগঠন সম্পর্কে জানি যারা স্বেচ্ছাসেবীদের স্বাগত জানায় এবং তাদের কর্মশক্তির অংশ হিসাবে কাজ করার সুযোগ দেয়। তারা একটি ব্যবস্থাপনার আওতায় স্বেচ্ছাসেবীদের কাজ পর্যবেক্ষণ এবং তাদের নির্দেশনা দেয়। এটি হলো জীবনকে উজ্জ্বল করে তোলার এবং অন্যদের সন্তুষ্ট করার সবচেয়ে ভালো সময়; অর্থ পাওয়া যাচ্ছে না বলে এই সময়গুলো যেনতেনভাবে কাটিয়ে দেয়া কোনওভাবেই উচিৎ নয়। মনে রাখবেন স্বেচ্ছাসেবা হলো এক ধরণের বিনিময়Ñ আপনি কেন স্বেচ্ছাসেবা দিচ্ছেন? আপনি এর থেকে কী শিখতে চান? কাদের সঙ্গে আপনি দেখা করতে চান? আপনার সময়ের বিনিময়ে আপনি কী পেতে চান?</p>



<p>আমি নিশ্চিত যে, এমন অনেক ছোটবড় সংগঠন রয়েছে যারা স্বেচ্ছাসেবীদের বিনামূল্যের সেবার সুযোগ গ্রহণ করতে চায়। তবে আমি যেসব সংগঠনের বিষয়ে জানি তারা স্বেচ্ছাসেবীদের কাজের সুযোগ দেয় কিন্তু তাদের কাছ থেকে কোনওরকম সুযোগ গ্রহণ করে না। বরং তারা সচেতন যে এধরণের স্বেচ্ছাসেবা বিনিময় থেকে তাদের চাহিদা কতটুকু। স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, ব্যবস্থাপনা, উদ্বুদ্ধকরণ, স্বীকৃতিদান ও ধরে রাখার জন্য অনেকটা সময় ও শ্রমের প্রয়োজন হয়। তাদের এই সময় ও শ্রমের বিনিময় কী?</p>



<p>সত্যিকার অর্থে হৃদয় দিয়ে, অঙ্গীকারের সঙ্গে এবং মনোযোগ দিয়ে স্বেচ্ছাসেবা দেয়া হলে তা আপনাকে দরোজায় পা রাখার সুযোগ করে দেবে। সুতরাং শুদ্ধ মনে সামনে এগিয়ে যান এবং আপনার দক্ষতা ও মেধার বিনিময়ে পুরস্কার গ্রহণ করুন।</p>



<p>প্যাট্রিসিয়া টোটি হলেন ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার স্টিভেস্টন সোসাইটির ইভেন্টস অ্যান্ড ভলান্টিয়ার বিষয়ক সমন্বয়কারী।</p>



<p>-সৌজন্যে: প্যাট্রিক টোটি/কানাডিয়ানইমিগ্রেন্ট.সিএ</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
