<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Editorial &#8211; Probashi Kantho</title>
	<atom:link href="https://probashikantho.com/category/editorial/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://probashikantho.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Thu, 05 Jun 2025 03:20:14 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2021/04/thumbnail_thumbnail-150x150.jpg</url>
	<title>Editorial &#8211; Probashi Kantho</title>
	<link>https://probashikantho.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ঘৃণা ও বিদ্বেষকে কঠিন হস্তে দমন কঠোর হতে হবে</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/06/04/%e0%a6%98%e0%a7%83%e0%a6%a3%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%b8%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Jun 2025 03:20:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Editorial]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11332</guid>

					<description><![CDATA[গত বছর টরন্টোতে সবচেয়ে বেশি ঘৃণামূলক বা বিদ্বেষী অপরাধের শিকার হয়েছে ইহুদি, LGBTQ+, কৃষ্ণাঙ্গ এবং মুসলিম সম্প্রদায়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>গত বছর টরন্টোতে সবচেয়ে বেশি ঘৃণামূলক বা বিদ্বেষী অপরাধের শিকার হয়েছে ইহুদি, LGBTQ+, কৃষ্ণাঙ্গ এবং মুসলিম সম্প্রদায়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালে ঘৃণামূলক অপরাধের ঘটনা ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কানাডিয়ান প্রেস এর এক খবরে এই কথা বলা হয়। ঐ খবরে আরো বলা হয়, টরন্টো পুলিশ সার্ভিস বোর্ডের বার্ষিক ঘৃণামূলক অপরাধ সংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৩ সালে সংঘটিত ৩৭২টি ঘৃণামূলক অপরাধের ঘটনার তুলনায় গত বছর ৪৪৩টি ঘটনা রিপোর্ট করা হয়েছে।</p>



<p>পুলিশ বলছে যে ঘৃণামূলক অপরাধ একটি গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। কারণ সংঘঠিত অপরাধের অনেক ঘটনাই পুলিশের কাছে রিপোর্ট করা হয় না। ইতিপূর্বে একই কথা বলেন কানাডায় নবাগতদের পরিষেবা দানকারী একটি সামাজিক গ্রুপ ‘সাকসেস’-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কুইনি চু-ও। কানাডিয়ান প্রেস-কে তিনি বলেন, এখানে ঘৃণামূলক অপরাধের সংখ্যা আরও অনেক বেশি যেগুলি পুলিশের কাছে রিপোর্ট করা হয় না। তিনি বলেন, “আমি নিশ্চিত, এটি হলো হিমবাহের সামান্য চূড়ামাত্র।”</p>



<p>কানাডায় পুলিশের কাছে রিপোর্ট করা কোন ঘটনাকে তখনই বিদ্বেষমূলক অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হয় যখন, কেউ কারো জাতি, জাতীয় বা জাতিগত উৎস, ভাষা, বর্ণ, ধর্ম, লিঙ্গ, বয়স, মানসিক বা শারীরিক অক্ষমতা, যৌন অভিমুখীতা বা লিঙ্গ পরিচয় বা অভিব্যক্তি ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে তাঁর প্রতি বিদ্বেষমূলক আচরণ করে।</p>



<p>উল্লেখ্য যে, কানাডায় ঘৃণামূলক বা বিদ্বেষী অপরাধের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে। গত প্রায় এক দশকের মধ্যে ১১ জন ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষ কানাডায় মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।</p>



<p>মুসলিমদের বিরুদ্ধে এই সহিংসতা সবচেয়ে বড় বেদনাদায়ক দৃষ্টান্ত হিসাবে সামনে আসে ২০১৭ সালে যখন কুইবেকের একটি মসজিদে ছয় মুসলিমকে হত্যা করা হয়। সেদিন ইসলামিক কালচারাল সেন্টার অব কুইবেকে মাগরিবের নামাজ আদায়কালে আলেকজান্ডার বিসোনেট নামের এক যুবক অতর্কিতে স্বয়ংক্রিয় বন্দুক হামলা চালায়। বন্দুক হামলায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন ৬ জন মুসল্লি। হামলার ঘটনায় আহত হন আরো ১৯ জন।</p>



<p>পরবর্তীতে ২০২১ সালের ৬ জুন লন্ডন অন্টারিওতেও ঘটে আরেক বেদনাদায়ক ঘটনা। এক সন্ত্রাসীর হামলায় প্রাণ হারান এক মুসলিম পরিবারের তিন প্রজন্মের চার সদস্য। আর অল্পের জন্য বেঁচে যায় ৯ বছরের এক শিশু। পুলিশের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলা ঘটনো হয়। হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ন্যাথানিয়েল ভেল্টম্যান নামের ২০ বছর বয়সী এক শ্বেতাঙ্গ যুবককে আটক করে স্থানীয় পুলিশ।</p>



<p>ইতিপূর্বে মুসলিম হত্যার আরেকটি ঘটনা ঘটে ইটোবিকোক এর ইন্টারন্যাশনাল মুসলিম অর্গানাইজেশন অব টরন্টো’র মসজিদের সামনে। ঐ মসজিদের স্বেচ্ছাসেবক এক মুসল্লিকে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করেন শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদের সমর্থক Guilherme ‘William’ Von Neutegem নামের এক যুবক। নিহত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ আসলিম জাফিস।</p>



<p>উপরের সবগুলো হত্যাকান্ডই ঘটেছে বিনা উস্কানিতে এবং সম্পূর্ণভাবে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা বা বিদ্বেষী মনোভাবের কারণে।</p>



<p>কোন ব্যক্তি বা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রকাশ করা অথবা বিদ্বেষী মনোভাব থাকার কারণে আক্রমণ করা কিংবা হত্যা করা কোন সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয় কোনভাবেই। এটি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। কে মুসলিম বা কে ইহুদি অথবা কে কৃষ্ণাঙ্গ বা কে বাদামী অথবা কে LGBTQ+ এর সদস্য সেটার উপর ভিত্তি করে কাউকে ঘৃণা করা বা নির্যাতন করা অথবা হত্যা করা কানাডার আইন সমর্থন করে না। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা লক্ষ্য করছি, সেটা প্রায়ই ঘটছে এখানে।</p>



<p>আমরা মনে করি কানাডা একটি বৈচিত্র্যময় সুন্দর দেশ। শান্তিপূর্ণ সহঅবস্থানই হওয়া উচিৎ সকলের লক্ষ্য। এখানে ঘৃণা, বিভাজন ও হিংস্রতার কোন স্থান নেই। আমরাও বিশ^াস করি কানাডা এমনই হওয়া উচিৎ। কিন্তু তারপরও যারা ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়ানোর অপচেষ্টা করেন তাদেরকে কঠিন হস্তে দমন করার জন্য প্রশাসনকে আরো কঠোর হতে হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অন্টারিও’র স্বাস্থ্যসেবার মান</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/05/03/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%93%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 May 2025 21:18:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Editorial]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11229</guid>

					<description><![CDATA[অন্টারিও’র স্বাস্থ্যসেবার মান ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে স্থানীয় অধিবাসীরা ২০২৩-২৪ সালে রেকর্ড সংখ্যক অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই অভিযোগ দায়ের করা হয়]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>অন্টারিও’র স্বাস্থ্যসেবার মান ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে স্থানীয় অধিবাসীরা ২০২৩-২৪ সালে রেকর্ড সংখ্যক অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই অভিযোগ দায়ের করা হয় অন্টারিও’র পেশেন্ট ওমবাডসম্যান (ন্যায়পাল) বরাবর। গত মাসে সিবিসি নিউজ এর খবরে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।</p>



<p>গত ২৬ মার্চ প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে ন্যায়পাল বলেছেন যে তারা ২০২৩-২০২৪ সালে রোগীদের কাছ থেকে সরকারি হাসপাতাল, লংটার্ম কেয়ার সেন্টার, হোম কেয়ার এবং কমিউনিটি সার্জিক্যাল এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার সম্পর্কে ৪,৪২৯টি অভিযোগ পেয়েছেন। এই সংখ্যায় মানসিক স্বাস্থ্য এবং আসক্তি পরিষেবা সম্পর্কিত ৪০০টিরও বেশি অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</p>



<p>প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে যে ন্যায়পাল অফিস ৪,৫৭৫টি অভিযোগের সমাধান করেছেন, যার মধ্যে আগের বছরের মামলাও রয়েছে এবং ছয়টি অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছেন, যার মধ্যে দুটি সম্পন্ন হয়েছে। বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ সংক্রান্ত যত্ন সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান সংখ্যক অভিযোগ লক্ষ্য করা গেছে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="400" height="307" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/03/হাসপাতাল.jpg" alt="" class="wp-image-10998" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/03/হাসপাতাল.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/03/হাসপাতাল-300x230.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">স্বাস্থ্যসেবার মান ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে অধিবাসীরা ২০২৩-২৪ সালে রেকর্ড সংখ্যক অভিযোগ দায়ের করেছেন। ক্রিস ইয়ং/কানাডিয়ান প্রেস</figcaption></figure>
</div>


<p>অন্যদিকে জরুরি বিভাগগুলিতে সমস্যা অব্যাহত রয়েছে। ওন্টারিও’র পেশেন্ট ওমবাডসম্যান ক্রেগ থম্পসন বলেন, প্রতিবেদনে জরুরি বিভাগগুলিতে অব্যাহত সমস্যা, হাসপাতাল থেকে রোগীদের অব্যাহতি এবং কোনও ট্র্যাসপাসের নির্দেশ না দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।</p>



<p>আসলে দক্ষ স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনীয়তা কানাডাকে গত কয়েক বছর ধরেই চাপের মুখে রেখেছে। অনেকেই বলছেন জরুরী বিভাগে অপেক্ষার দীর্ঘ সময় আগেও অসহনীয় ছিল। সাম্প্রতিক কালে তা সহ্যাতীত হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুঃসহ এক সময়ের মধ্য দিয়ে রোগীকে যেতে হয় কোন হাসপাতালের জরুরী বিভাগে গেলে।</p>



<p>অবস্থা এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে, ডাক্তার ও নার্স সংকটের কারণে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে গেলে আজকাল চার থেকে আট ঘণ্টা বা আরো বেশী সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয় ডাক্তারের দেখা পাওয়ার জন্য। এরপর যদি হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় তবে বেড পেতে হলে অপেক্ষা করতে হয় আরো দীর্ঘ সময় ধরে। ২০ ঘণ্টা বা তার চেয়ে বেশী সময় ধরে চরম অসুস্থ শরীর নিয়ে অপেক্ষা করতে হয় কখন বেড পাওয়া যাবে তার আশায়। এ এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। ভুক্তভোগী ছাড়া এই অভিজ্ঞতার কি যে অসহনীয় যন্ত্রণা তা কেউ বুুঝবে না।</p>



<p>অন্যদিকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের দেখা পেতে হলে বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই যে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয় তা যে কোন বিচারেই অগ্রহণযোগ্য এবং দুঃখজনক। সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখেছি একজন ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান তার কোন রোগীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে রেফার করলে গড়ে ২৭.৪ সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয় তার দেখা পেতে। ২০২১ সালে এই অপেক্ষার সময় ছিল গড়ে ২৫.৬ সপ্তাহ। এটি একটি সাধারণ এবং গড় হিসাব। কারো কারো ক্ষেত্রে অপেক্ষার এই সময় আরো বেশী বা কম হতে পারে।</p>



<p>উল্লেখ্য যে, কানাডার অর্থনীতিতে সবচেয়ে বেশী অবদান রাখেন অন্টারিওর অধিবাসীরা। কিন্তু অন্টারিও’র ফিনান্সিয়াল একাউন্টিবিলিটি অফিস ইতিপূর্বে তাদের এক রিপোর্টে জানিয়েছিল, মহামারীর প্রথম বছরে কানাডার অন্যান্য প্রভিন্সের তুলনায় অন্টারিওতে সবচেয়ে কম অর্থ ব্যয় করা হয়েছে স্বাস্থ্য খাতে। সেই রিপোর্টে আরো উল্লেখ করা হয়েছিল যে, অন্টারিওতে স্বাস্থ্যখাতে মাথাপিছু ব্যয় অন্যান্য প্রভিন্সের তুলনায় সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে গত ২০০৮ সাল থেকেই।</p>



<p>এরকম পরিস্থিতিতে অন্টারিও’র স্বাস্থ্যসেবার মান ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে স্থানীয় অধিবাসীরা রেকর্ড সংখ্যক অভিযোগ দায়ের করবেন এটাই স্বাভাবিক। আর রাজনৈতিক নেতারাও কম দায়ী নন বর্তমান এই পরিস্থিতি সৃষ্টির পিছনে। আমরা মনে করি এই মুহূর্তে এই প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে। নয়তো বিপদ আরো ঘনীভূত হবে যা কারোরই কাম্য নয়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রশাসনকে আরো কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে ইসলামোফোবিয়া মোকাবেলায়</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/04/07/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8b-%e0%a6%95%e0%a6%a0%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 07 Apr 2025 17:36:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Editorial]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=11013</guid>

					<description><![CDATA[কানাডায় এবার এক মুসলিম নারীর হিজাবে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। টরন্টোর নিকটবর্তী শহর এজাক্সের একটি লাইব্রেরিতে এই হামলার]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>কানাডায় এবার এক মুসলিম নারীর হিজাবে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। টরন্টোর নিকটবর্তী শহর এজাক্সের একটি লাইব্রেরিতে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে গত ২২ মার্চ শনিবার। হামলার এক পর্যায়ে হিজাবের উপর তরলজাতীয় পদার্থ ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ারও চেষ্টা করা হয়।</p>



<p>পুলিশ বলছে, লাইব্রেরিতে একজন হিজাব পরিহিতা মুসলিম নারী পড়াশোনা করছিলেন, এই সময় একজন অজ্ঞাত নারী তার কাছে এসে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তার মাথায় কিছু ছুঁড়ে মারেন। পুলিশ বলছে, ২৫ বছর বয়সী সন্দেহভাজন নারীটি তখন লাইব্রেরিতে থাকা ঐ নারীর হিজাব খুলে ফেলার চেষ্টা করেন এবং তার উপর অজানা তরল ঢেলে দেন। আক্রান্ত নারীটি তখন সাহায্যের জন্য চিৎকার করলে নিরাপত্তারক্ষীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন।</p>



<p>সিটি অব এজাক্সের ওয়েবসাইটে মেয়র শন কোলিয়ার এবং লাইব্রেরি বোর্ডের চেয়ারম্যান পিয়ালি কোরেয়া’র পোস্ট করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে ঘটনাটি “ইসলামফোবিয়া দ্বারা অনুপ্রাণিত বলে মনে হচ্ছে।”</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img decoding="async" width="500" height="281" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/03/ফোবিয়া.jpg" alt="" class="wp-image-10975" style="width:408px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/03/ফোবিয়া.jpg 500w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/03/ফোবিয়া-300x169.jpg 300w" sizes="(max-width: 500px) 100vw, 500px" /><figcaption class="wp-element-caption">৫ জুন, ২০২২ তারিখে, ইসলামোফোবিক হামলায় নিহত আফজাল পরিবারের হত্যাকাণ্ডের স্মরণে শত শত মানুষ লন্ডন, অন্টারিওর রাস্তায় মিছিল করে। (তালিয়া রিকি/সিবিসি)</figcaption></figure>
</div>


<p>স্থানীয় পুলিশ ঘটনাটিকে “বিনা উসকানিতে আক্রমণ” হিসেবে বর্ণনা করছে।</p>



<p>ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ কানাডিয়ান মুসলিমস-এর প্রধান নির্বাহী স্টিফেন ব্রাউন বলেন, “এটা খুবই ক্ষোভের বিষয় যে এই ধরনের সহিংসতা আমাদের নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ইসলামোফোবিয়ার ঘটনাগুলি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আমরা মনে করি আমাদের নির্বাচিত নেতাদের এগিয়ে আসার এবং সহযোগিতামূলকভাবে এই সমস্যাটি মোকাবেলা করার সময় এসেছে।”</p>



<p>উল্লেখ্য যে, গত বছর জুনে প্রকাশিত এক পরিসংখ্যান বলছে, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর টরন্টোতে ঘৃণামূলক অপরাধের ঘটনা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ। সিবিসি নিউজের এক খবরে এ কথা বলা হয়।</p>



<p>কিন্তু বাস্তবতা সম্ভবত ভিন্ন। কারণ এই পরিসংখ্যানে সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ না পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। টরন্টোর পুলিশ প্রধান Myron Demkwi নিজেই উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন ইসলামোফোবিক বা মুসলিম বিদ্বেষী ঘটনাগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে কম রিপোর্ট করা হচ্ছে।</p>



<p>উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কানাডায় মুসলিমদের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় অ্যাক্টিভিস্ট ও সরকারি কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন।</p>



<p>আমরা লক্ষ্য করছি মুসলমানদের উপর ছোটখাট বিদ্বেষী হামলার ঘটনা প্রায়ই ঘটছে কানাডায়। মসজিদে হামলা, হিজাব পরা মহিলাদের উপর হামলা ঘটেই চলেছে এবং দিনে দিনে এর মাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এগুলো ঘটাচ্ছে কানাডার উগ্র শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদীরা।</p>



<p>এই সহিংসতা সবচেয়ে বড় বেদনাদায়ক দৃষ্টান্ত হিসাবে সামনে আসে ২০১৭ সালে যখন কুইবেকের একটি মসজিদে ছয় মুসলিমকে হত্যা করা হয়। সেদিন ইসলামিক কালচারাল সেন্টার অব কুইবেকে মাগরিবের নামাজ আদায়কালে আলেকজান্ডার বিসোনেট নামের এক যুবক অতর্কিতে স্বয়ংক্রিয় বন্দুক হামলা চালায়। বন্দুক হামলায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন ৬ জন মুসল্লি। হামলার ঘটনায় আহত হন আরো ১৯ জন। পুলিশ পরে বিসোনেটকে গ্রেফতার করে।</p>



<p>পরবর্তীতে ২০২১ সালের ৬ জুন লন্ডন অন্টারিওতেও ঘটে আরেক বেদনাদায়ক ঘটনা। এক সন্ত্রাসীর হামলায় প্রাণ হারান এক মুসলিম পরিবারের তিন প্রজন্মের চার সদস্য। রাস্তা পারাপারের সময় অতর্কিতে তাঁদের উপর একটি পিকআপ ট্রাক উঠিয়ে দিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলা ঘটানো হয়। হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ন্যাথানিয়েল ভেল্টম্যান নামের ২০ বছর বয়সী এক শ্বেতাঙ্গ যুবককে আটক করে স্থানীয় পুলিশ।</p>



<p>উল্লেখ্য যে প্রতিবারই মুসলিমদের উপর কোন হামলার ঘটনা ঘটলে কানাডার রাজনীতিকরা বিবৃতি দেন মিডিয়ায়। তারা এই ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানান। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো কানাডায় ইসলামোফোবিয়া পরিস্থিরিত কোনো উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এটি নিশ্চিতভাবেই উদ্বেগজনক। আমরা মনে করি এর জন্য প্রশাসনকে আরো কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। শুধু বক্তৃতা বিবৃতি দিয়ে এই পরিস্থিতির কোন উন্নতি ঘটবে না।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ডলি বেগমের হ্যাট্রিক জয় : রইল আমাদের আন্তরিক অভিনন্দন</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/03/07/%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%bc/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 07 Mar 2025 17:57:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Editorial]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=10846</guid>

					<description><![CDATA[অন্টারিও’র পার্লামেন্ট নির্বাচনে তৃতীয়বারের মত বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ডলি বেগম আবারও ইতিহাস সৃষ্টি করলেন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>অন্টারিও’র পার্লামেন্ট নির্বাচনে তৃতীয়বারের মত বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ডলি বেগম আবারও ইতিহাস সৃষ্টি করলেন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ডলি বেগম ভোট পেয়েছেন সাড়ে চৌদ্দ হাজারেরও বেশী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রগ্রেসিভ কনজারভেটিভ পার্টি অব অন্টারিও’র প্রার্থী দারামোলা অ্যাডি ভোট পেয়েছেন প্রায় সাড়ে দশ হাজার।</p>



<p>ডলি বেগম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন অন্টারিও নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে। তার এই ঐতিহাসিক বিজয়ে আনন্দে ভাসছেন কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশিরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বতঃস্ফূর্ত অভিনন্দন জানাচ্ছেন দলমত নির্বিশেষে সবাই।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full"><img decoding="async" width="288" height="384" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/03/doly.jpg" alt="" class="wp-image-10847" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/03/doly.jpg 288w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/03/doly-225x300.jpg 225w" sizes="(max-width: 288px) 100vw, 288px" /><figcaption class="wp-element-caption">অন্টারিও’র পার্লামেন্ট নির্বাচনে তৃতীয়বারের মত জয়ী ডলি বেগম। ছবি: প্রবাসী কণ্ঠ</figcaption></figure>
</div>


<p>পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এবারের নির্বাচন ডলি বেগমের জন্য ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। কারণ ড্যাগ ফোর্ডের নেতৃত্বাধীন প্রগ্রেসিভ কনজারভেটিভ পার্টি অব অন্টারিও’র জনপ্রিয়তা ছিল আকাশচুম্বী। এই সুযোগে ড্যাগ ফোর্ড হঠাৎ করেই নির্ধারিত সময়ের ১৪ মাস আগাম নির্বাচন ডেকে বসেন। যদিও পার্লামেন্টে তার ছিল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী দলের সদস্যরা নির্বাচনী প্রচারণার সুযোগ পেয়েছেন মাত্র এক মাস। কিন্তু তারপরও ডলি বেগম চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েন। তার অতীত কর্মতৎপরতা ও স্কারবরো সাউথওয়েস্ট রাইডিং এর জনগণের প্রতি তার ভালবাসা তাকে আবারও নির্বাচনী যুদ্ধে জয়ী হতে সাহায্য করে।</p>



<p>বস্তুত কানাডায় আমাদের প্রথম প্রজন্মের অধরা স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন আমাদেরই দ্বিতীয় প্রজন্মের মেয়ে ডলি বেগম। তিনি ২০১৮ সালে অন্টারিও প্রভিন্সিয়াল নির্বাচনে এমপিপি পদে জয়ী হয়েছিলেন প্রথম। এর আগে আর কোনো বাংলাদেশী-কানাডিয়ান এরকম কৃতিত্ব দেখাতে পারেননি। সেদিন তিনি সৃষ্টি করেছিলেন কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য অনন্য এক ইতিহাস।</p>



<p>আমরা জানি ইতিপূর্বে ব্রিটেনে এরকম ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন রুশনারা আলী। তিনি ২০১০ সালে পূর্ব লন্ডনের ‘বেথনাল গ্রিন এ্যান্ড বো’ আসনে লেবার পার্টির প্রার্থী হিসাবে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরের মেয়াদেও তিনি একই পদে পুনর্র্নিবাচিত হন। ঐ বার তার সাথে নির্বাচিত হন আরো দুই বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ও রূপা হক। এরা তিনজনই লেবার পার্টি থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন।</p>



<p>আমরা জানি ব্রিটেনে বাঙ্গালীদের অবস্থান আজ প্রায় দেড় শত বছর ধরে। উইকিপিডিয়ার এক তথ্যে দেখা যায় ১৮৭৩ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে সিলেট অঞ্চলের বাঙ্গালীরা রাঁধুনি হিসাবে ব্রিটেনে আসতে শুরু করেন। সেই হিসাবে বলা যায়, ব্রিটেনের পার্লামেন্টে একটি আসন দখল করার জন্য বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ইমিগ্রেন্টদেরকে চার/পাঁচ প্রজন্ম ধরে অপেক্ষা করতে হয়েছে। ব্রিটেনের তুলনায় কানাডায় আমাদের ডলি বেগম অনেক অল্প সময়ে সেই ইতিহাস সৃষ্টি করলেন।</p>



<p>ডলি বেগম স্কুল এবং ইউনিভার্সিটিতে অত্যন্ত ভাল রেজাল্ট করে নিজের কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছিলেন আগেই।  ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো বিশ্বসেরা কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি। সেখান থেকে পলিটিক্যাল সাইন্সে ডিগ্রি নিয়ে Development Administration and Planning এর উপর মাস্টার্স শেষ করেন ব্রিটেন থেকে।</p>



<p>ডলি বেগম পলিটিক্যাল সাইন্সে ডিগ্রি অর্জন করলেও বাস্তব জীবনে কখনোই দলীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না আগে। ইতিপূর্বে প্রবাসী কণ্ঠের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন তার মূল উদ্দেশ্য ছিল কীভাবে মানুষকে হেলপ করতে পরবেন, কি ভাবে কমিউনিটিকে হেলপ করতে পারবেন। তিনি তার বিশ্বাস বা দর্শনের সাথে মিল খুঁজে পেয়েছিলেন এনডিপি’র নীতি&nbsp; ও আদর্শের। সেই থেকেই এক পর্যায়ে এনডিপি’র রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে যান।&nbsp; তারপর ধীরে ধীরে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। আজ তিনি এক সফল রাজনীতিবিদ। একজন জনপ্রিয় এমপিপি।</p>



<p>আমরা ডলি বেগমকে জানাই আমাদের আন্তরিক অভিনন্দন ও সাধুবাদ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কানাডার সার্বভৌমত্বের প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকী</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/02/07/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ad%e0%a7%8c%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 07 Feb 2025 22:30:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Editorial]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=10696</guid>

					<description><![CDATA[চরমভাবে বর্ণবাদী, প্রকৃতিতে উন্মাদ, কথাবার্তায় অমার্জিত একজন ব্যক্তি হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সাথে তিনি প্রতিশোধপরায়ণ এবং ভয়ানকভাবে]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>চরমভাবে বর্ণবাদী, প্রকৃতিতে উন্মাদ, কথাবার্তায় অমার্জিত একজন ব্যক্তি হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সাথে তিনি প্রতিশোধপরায়ণ এবং ভয়ানকভাবে অহংকারীও। এই খেতাবগুলো তাঁর কপালে জুটেছে অনেক আগেই যখন তিনি প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন। দ্বিতীয় দফায় দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি যেন আরো বেশী মাত্রায় আগ্রাসী হয়ে উঠেছেন আচার আচরণে এবং কথাবার্তায়। তার একটি নজীর হলো কানাডার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপ। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি কানাডাকে মার্কিন যুক্তরাষ্টে ৫১তম অঙ্গরাজ্য হিসাবে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। এটি যে একটি দেশের সার্বভৌমত্বের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপ এটুকু অনুধাবন করার মতো শিক্ষা তাঁর আছে বলে মনে হয় না।</p>



<p>তবে আরও দুঃখজনক বিষয় হলো, কানাডার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও এ নিয়ে জোড়ালো কোন প্রতিবাদ করছেন না। ট্রাম্পের এই নগ্ন হস্তক্ষেপের বিষয়ে সরকারী এবং বিরোধী দলীয় সব নেতাই কেমন যেন একটা নতজানু প্রতিবাদের নীতি নিয়েছেন। সোজা কথায় ভীরু মানুষের প্রতিবাদ যা মুখ ফুটে বের হয় না। কেবলই মিন মিন করা মাত্র। আর তাঁদের এই মিন মিন ভাব দেখে ট্রাম্প আরো বেশী আসকারা পেয়ে গেছেন।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="576" height="324" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/02/Parliament.jpg" alt="" class="wp-image-10697" style="width:415px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/02/Parliament.jpg 576w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2025/02/Parliament-300x169.jpg 300w" sizes="(max-width: 576px) 100vw, 576px" /><figcaption class="wp-element-caption">ট্রাম্প সম্প্রতি স্যোসাল মিডিয়াতে এই মানচিত্রটি শেয়ার করেছেন, যেখানে কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>গত ৭ জানুয়ারি ট্রাম্প তার নিজের মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে একটি মানচিত্র শেয়ার করেছেন, যেখানে কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে।</p>



<p>সাংবাদিকরা কিছুদিন আগে ট্রাম্পের কাছে জানতে চেয়েছিলেন তিনি কানাডা অধিগ্রহণের জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করার কথা বিবেচনা করছেন কিনা। জবাবে তিনি বলেন, সামরিক শক্তি না, অর্থনৈতিক বল করা হবে।</p>



<p>উল্লেখ্য যে, এর আগে ট্রাম্প কানাডা থেকে পণ্য আমদানির উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার হুমকি দেন। কানাডার প্রায় ৭৫ শতাংশ পণ্য ও পরিষেবা রফতানি করা হয় যুক্তরাষ্ট্রে। আর তাতেই ঘাবড়ে যান কানাডিয়ান নেতৃবৃন্দ। গ্রহণ করেন নতজানু নীতি।</p>



<p>কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সম্প্রতি বলেছেন, ট্রাম্প কানাডাকে ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ করার যে ইচ্ছা প্রকাশ করেছন তা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। এই পর্যন্তই তার প্রতিবাদ। ট্রাম্পের এই ইচ্ছা প্রকাশ যে কানাডার সার্বভৌমত্বের উপর সরাসরি আঘাত সে বিষয়ে তিনি কিছুই বলেননি।</p>



<p>অন্যদিকে কানাডার প্রধান বিরোধী দলের নেতা পিয়েরে পোইলিয়েভ ইতিমধ্যে এক্সে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্পের বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘কানাডা কখনোই ৫১তম অঙ্গরাজ্য হবে না। আমরা একটি মহান ও স্বাধীন দেশ।’ পিয়ের পইলিয়েভও কানাডার সার্বভৌমত্বের উপর যে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে তা নিয়ে কোন কথা বলেননি।</p>



<p>তবে ট্রাম্পকে কঠোর ‘হুঁশিয়ারি’ দেওয়ার সৎসাহস দেখিয়েছেন কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী Jean Chrétien। তিনি গত ১১ জানুয়ারী কানাডার গ্লোব এ্যান্ড মেইল পত্রিকায় একটি নিবন্ধ লিখেছেন। ঐ নিবন্ধে তিনি ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনি কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য করার যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য একটি অপমান এবং এটি কানাডার সার্বভৌমত্বের প্রতি অভূতপূর্ব হুমকি। আমরা এমনিতে সহজ-সরল ও ভদ্র, কিন্তু আমাদের মেরুদণ্ড রয়েছে এবং আমরা কঠিনও হতে পারি। তাই ভুলেও আমাদের দুর্বল ভাববেন না।’</p>



<p>তিনি ট্্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে আরও বলেন, ‘কানাডা বিশ্বের সেরা দেশ এবং আপনি কী করে এটা ভাবলেন যে কানাডীয়রা কেবল যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হওয়ার জন্য নিজেদের দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দেবে?’</p>



<p>উল্লেখ্য যে, ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য মিলে যখন ইরাকের বিরুদ্ধে এক কাল্পনিক অভিযোগ তুলে সামরিক হামলা চালিয়েছিল তখন Jean Chrétien যুক্তরাষ্ট্রের প্রবল চাপের মুখেও সে যুদ্ধে অংশ নেননি। সেদিন তিনি বলেছিলেন ইরাকের হাতে যে গণবিধ্বংসী অস্ত্র রয়েছে তার অকাট্য প্রমাণ দিতে হবে আগে।</p>



<p>Jean Chrétien এর মত এটুকু সৎসাহস আমরা মনে করি কানাডার বর্তমান নেতৃবৃন্দের থাকা উচিত। মেরুদন্ডহীন নেতা দিয়ে দেশ চলে না।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বুলিং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে</title>
		<link>https://probashikantho.com/2025/01/06/%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 06 Jan 2025 21:19:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Editorial]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=10493</guid>

					<description><![CDATA[University of British Columbia এবং Angus Reid Institute এর যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদেরকে (যাদের বয়স ১২ থেকে]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>University of British Columbia এবং Angus Reid Institute এর যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদেরকে (যাদের বয়স ১২ থেকে ১৭) bullying বা নিপীড়ন ও অপমানের শিকার হতে হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্যে আরও দেখা গেছে দৃশ্যমান সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরা শ্বেতাঙ্গ শিক্ষার্থীদের তুলনায় তিনগুণ বেশী ব্যক্তিগত নির্যাতনের সম্মুখীন হয়েছে। অন্যদিকে আদিবাসী শিক্ষার্থীরা ব্যক্তিগত নির্যাতনের সম্মুখীন হয়েছে দ্বিগুণ। </p>



<p>গবেষণায় আরও বলা হয়, বেশিরভাগ শিক্ষার্থী বলেছে তারা তাদের স্কুলে বর্ণবাদী আচরণ লক্ষ্য করেছে অথবা নিজেরাই বর্ণবাদের শিকার হয়েছে। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে তিনজন (৫৮%) বলেছে তারা অন্য শিক্ষার্থীদেরকে নির্যাতন বা অপমানের শিকার হতে দেখেছে তাদের বর্ণ পরিচয় বা এথনিসিটির জন্য। আর ১৪% শিক্ষার্থী বলেছে তারা নিজেরাই তাদের বর্ণ পরিচয় বা এথনিসিটির জন্য নির্যাতন বা অপমানের শিকার হয়েছে।</p>



<p>যে সকল শিক্ষার্থী স্কুলে বর্ণবাদী আচরণকে প্রত্যক্ষ করেছে বা নিজেই বর্ণবাদের শিকার হয়েছে তারা জানায় প্রায়শ শিক্ষকরা এই ধরনের আচরণকে নিরুৎসাহিত করার চেষ্টা করেন এবং এটি নিয়ে বর্ণবাদী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। আর দশজনের মধ্যে তিনজন শিক্ষার্থী জানায় যারা বর্ণবাদী আচরণ করে তাদেরকে সাধারণত শাস্তির মুখোমুখি হতে হয় বা সাসপেনশন করা হয় অথবা আটকে রাখা হয়।</p>



<p>কিন্তু তারপরও দেখা যাচ্ছে স্কুলসমূহে বুলিং পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য কোন অগ্রগতি ঘটছে না। দৃশ্যমান সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরা বেশি মাত্রায় বুলিং এর শিকার হচ্ছেই। এটি স্পষ্টতই বর্ণবাদের কারণে ঘটছে।</p>



<p>ইতিপূর্বে হাফিংটন পোস্টের এক রিপোর্টে বলা হয়, “দুঃখজনক হলেও সত্যি যে গত কয়েক বছর ধরেই বিরাজ করছে বুলিং এর এই অবস্থা যদিও বিভিন্ন মহল থেকে ক্রমাগত দাবি উঠেছে এ পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।”</p>



<p>দেখা গেছে বুলিং সামাজিক, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। যারা বুলিং করে এবং যারা বুলিং এর শিকার হয় তারা উভয়ই অধিকতর মাত্রায় আত্মহত্যার ঝুঁকিতে থাকে। শিশুকালে যারা বুলিং এর শিকার হয় তারা বয়সকালে ডিপ্রেশনে ভুগতে পারে। আর যারা বুলিং করে তাদের ক্ষেত্রে ড্রাগ ও এ্যালকোহলে আসক্ত হয়ে উঠার ঝুঁকি বেশী। নানান অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও এদের ক্ষেত্রে বেশী।</p>



<p>মনে রাখতে হবে, যারা বুলিং এর শিকার বা যারা বুলিং করে সে সব শিশুর বেলায় কোন রকম অবহেলা করা চলবে না। আর ভুলেও বুলিং এর শিকার শিশুকে পাল্টা বুলিং এর পরামর্শ দেয়া যাবে না। কারণ এতে করে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে।</p>



<p>এক জরিপ তথ্যে দেখা যায় যারা স্কুল জীবনে বুলিং করে বেড়ায় তারা ২৪ বছর বয়সের মধ্যেই কোন না কোন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে।</p>



<p>সুতরাং যারা বুলিং এর শিকার এবং যারা বুলিং করে তাদের উভয়ই শারীরিক ও মানসিক ঝুঁকিতে থাকে।</p>



<p>বুলিং একটি মানবাধিকার ইস্যু। যারা বুলিং এর শিকার হয় তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়। জাতি সংঘের শিশু অধিকার সনদে কানাডা স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর একটি। সুতরাং আমরা মনে করি বুলিং এর কারণে কোন শিশুর মানবাধিকার যাতে লঙ্ঘিত না হয় সেটি দেখার দায়িত্ব রয়েছে সরকারের। একই সাথে বুলিং এর শিকার সব শিশুর ব্যাপারেই সমান গুরুত্ব দেয়া উচিত বলে আমরা মনে করি।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস</title>
		<link>https://probashikantho.com/2024/12/07/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Dec 2024 21:08:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Editorial]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=10377</guid>

					<description><![CDATA[গত ১৪ নভেম্বর ছিল বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। দিবসটির এবারকার প্রতিপাদ্য হলো ‘ডায়াবেটিস-সুস্বাস্থ্যই হোক আমাদের অঙ্গীকার’। অনিরাময়যোগ্য এ রোগের শুরুর দিকে]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>গত ১৪ নভেম্বর ছিল বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। দিবসটির এবারকার প্রতিপাদ্য হলো ‘ডায়াবেটিস-সুস্বাস্থ্যই হোক আমাদের অঙ্গীকার’।</p>



<p>অনিরাময়যোগ্য এ রোগের শুরুর দিকে তেমন কোনো উপসর্গ না থাকলেও অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ধীরে ধীরে প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতিসাধন করে। যা এক পর্যায়ে মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।</p>



<p>গবেষণা বলছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশে^ ডায়াবেটিসে মৃত্যুর সংখ্যা বর্তমানের তুলনায় বেড়ে দ্বিগুণ হবে। সম্ভাব্য এ সংখ্যা ১৩০ কোটি বলে অনুমান করা হয়েছে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="283" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/12/ডায়াবেটিস.jpg" alt="" class="wp-image-10378" style="width:410px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/12/ডায়াবেটিস.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/12/ডায়াবেটিস-300x212.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">প্রতি তিন মিনিটে কানাডায় একজনের ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। ছবি : আইস্টক</figcaption></figure>
</div>


<p>চিকিৎসাবিজ্ঞান-বিষয়ক সাময়িকী ‘ল্যানসেট’-এ গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে। ঐ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের সব দেশেই ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বাড়বে। বাদ যাবে না কানাডাও। কানাডিয়ান ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন এর তথ্য মতে : &#8211;</p>



<p>* প্রতি তিন মিনিটে কানাডায় একজনের ডায়াবেটিস ধরা পড়ে।</p>



<p>* ২০২৪ সালে কানাডায় চল্লিশ লক্ষ লোক ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছে যা মোট জনসংখ্যার ১০%।</p>



<p>* ষাট লক্ষ কানাডিয়ান ডায়াবেটিস হওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।</p>



<p>* ডায়াবেটিসের কারণে আয়ু ৫ থেকে ১০ বছর কম হতে পারে।</p>



<p>* ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিষণ্নতায় বসবাসের সম্ভাবনা দুই থেকে তিন গুণ বেশী।</p>



<p>* কানাডায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ডায়াবেটিসের ওষুধ, ডিভাইস এবং সাপ্লাইয়ের জন্য তাদের নিজস্ব পকেট থেকে প্রতি বছর ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার ডলার পর্যন্ত ব্যয় হতে পারে।</p>



<p>* ডায়াবেটিসে আক্রান্ত কানাডিয়ানদের স্বাস্থ্যসেবার পিছনে প্রতিদিন ৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়।</p>



<p>উল্লেখ্য যে, কানাডিয়ান জার্নাল অব ডায়াবেটিস এর তথ্যমতে দেখা যায় এদেশে আসা দক্ষিণ এশীয় জনগোষ্ঠির মধ্যে ডায়াবেটিসের প্রাদুর্ভাব শ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠির চেয়ে অনেক বেশী। এদের মধ্যে আছেন কানাডায় বসবাসকারী বাংলাদেশীরাও। প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে যারা অনেক দিন ধরে এদেশে আছেন তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ডায়াবেটিসে ভোগেন। আর এদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা বেশি। এই ডায়বেটিসের সঙ্গে আরো আছে উচ্চ রক্তচার ও হার্টের সমস্যা।</p>



<p>কিন্তু কানাডায় দক্ষিণ এশীয় জনগোষ্ঠির মধ্যে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা এত বেশী কেন? ম্যাক্মাস্টার ইউনিভার্সিটির মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপিকা সোনিয়া আনান্দ সিবিসি নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো গবেষণা করা হচ্ছে। দক্ষিণ এশীয়দের জেনেটিক দিকটাও পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে দেখা হচ্ছে। এটি আসলে জটিল একটি বিষয়। শুধু জেনেটিক বিষয়টি দায়ী তাও বলা যাচ্ছে না। সোনিয়া বলেন, লাইফস্টাইল বদলাতে হবে। যেমন নিয়মিত ব্যায়াম করা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া -বিশেষ করে কম মাত্রায় কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। দক্ষিণ এশীয় জনগোষ্ঠির সব বয়সের লোকদেরকেই এ ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে।</p>



<p>কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই জনগোষ্ঠি লোকদের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনার অভার রয়েছে যথেষ্ঠ। তাদের খাদ্য তালিকায় কার্বোহাইড্রেট এর পরিমাণ থাকে অনেক বেশী। সাথে নানা পদের মিষ্টান্ন-তো আছেই। আরো আছে চর্বিজাতীয় খাবারের প্রতি অতিমাত্রায় ঝোঁক এবং শারীরিক পরিশ্রম বিশেষ করে হাটাচালা না করা।</p>



<p>মনে রাখতে হবে, ডায়াবেটিস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সাথে নিয়মিত ব্যয়াম ও জীবনব্যাবস্থার পরিবর্তনও গুরুত্তপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খাদ্যাভ্যাস ও কায়িক পরিশ্রমের পাশাপাশি নিয়মিত রক্তের শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ বা ইনসুলিন গ্রহণ করলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আর প্রাথমিক অবস্থায় ডায়াবেটিসের জটিলতা শনাক্ত করা গেলে অনেকাংশেই মারাত্মক ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। সুতরাং ডায়াবেটিসকে কোনভাবেই অবহেলা করা যাবে না। রোগের যে পর্যায়েই থাকুন, সচেতন হন এখনই।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মসজিদে বিদ্বেষী হামলা সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য</title>
		<link>https://probashikantho.com/2024/11/04/%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%ae/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 04 Nov 2024 14:11:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Editorial]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=10264</guid>

					<description><![CDATA[গত ১০ অক্টোবর&#160; স্কারবরোর ১২২৫ কেনেডি রোডে অবস্থিত একটি মসজিদে প্রবেশ করে মুসল্লিদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষী ও ঘৃণামূলক বক্তব্য প্রদান এবং]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>গত ১০ অক্টোবর&nbsp; স্কারবরোর ১২২৫ কেনেডি রোডে অবস্থিত একটি মসজিদে প্রবেশ করে মুসল্লিদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষী ও ঘৃণামূলক বক্তব্য প্রদান এবং হত্যা বা শারীরিক ক্ষতি করার হুমকি প্রদান করে রবিন লাকাতোস নামের এক ব্যক্তি। এই সময় মুসল্লিদের পাশাপাশি সেখানে ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী এক ডজনেরও বেশি শিক্ষার্থীও উপস্থিত ছিল।</p>



<p>আকস্মিক এই ঘটনার পর এক পর্যায়ে মুসল্লিরা ঐ ব্যক্তিকে জোরপূর্বক মসজিদ থেকে বের করে দেয়। এর কিছুক্ষণ পর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে।</p>



<p>বিদ্বেষী এই ঘটনার পর টরন্টোর মেয়র অলিভিয়া চাও সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে বলেন, এটি ইসলামোফোবিয়ার একটি ‘ভয়ংকর’ উদাহরণ যা কমিউনিটিকে নাড়া দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘এখানে ইসলামোফোবিয়া এবং যে কোন ধরনের ঘৃণা সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য এবং আমাদের শহরে এ ধরনের ঘটনা সহ্য করা হবে না।’</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="685" height="386" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/11/ইসলামোফোবিয়া.jpg" alt="" class="wp-image-10265" style="width:465px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/11/ইসলামোফোবিয়া.jpg 685w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/11/ইসলামোফোবিয়া-300x169.jpg 300w" sizes="(max-width: 685px) 100vw, 685px" /><figcaption class="wp-element-caption">ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর টরন্টোতে ঘৃণামূলক অপরাধের ঘটনা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ। ছবি : গেটিইমেজ</figcaption></figure>
</div>


<p>এদিকে ‘ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ কানাডিয়ান মুসলিমস’ এর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে এবং ইসলামোফোবিক ও বর্ণবাদী বক্তব্য দেয়। এই ব্যক্তি ফিলিস্তিনি বিরোধী বক্তব্যও দেয়। নামাজরত ব্যক্তিদের প্রতি এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতিও হুমকি প্রদান করে।</p>



<p>উল্লেখ্য যে, গত জুনে প্রকাশিত এক পরিসংখ্যান বলছে, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর টরন্টোতে ঘৃণামূলক অপরাধের ঘটনা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ। সিবিসি নিউজের এক খবরে এ কথা বলা হয়।</p>



<p>কিন্তু বাস্তবতা সম্ভবত ভিন্ন। কারণ এই পরিসংখ্যানে সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ না পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। টরন্টোর পুলিশ প্রধান গুৎড়হ উবসশরি নিজেই উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন ইসলামোফোবিক বা মুসলিম বিদ্বেষী ঘটনাগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে কম রিপোর্ট করা হচ্ছে। টরন্টো পুলিশের এক কর্মকর্তা&nbsp; ঔধপশ এঁৎৎ বলেন, এর কারণ হতে পারে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা পুলিশকে বিশ্বাস করে না বা তাদের উপর নির্ভর করতে পারে না।</p>



<p>উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কানাডায় মুসলিমদের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় অ্যাক্টিভিস্ট ও সরকারি কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন।</p>



<p>আমরা লক্ষ্য করছি মুসলমানদের উপর ছোটখাট বিদ্বেষী হামলার ঘটনা প্রায়ই ঘটছে কানাডায়। মসজিদে হামলা, হিজাব পরা মহিলাদের উপর হামলা ঘটেই চলেছে এবং দিনে দিনে এর মাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এগুলো ঘটাচ্ছে কানাডার উগ্র শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদীরা।</p>



<p>এই সহিংসতা সবচেয়ে বড় বেদনাদায়ক দৃষ্টান্ত হিসাবে সামনে আসে ২০১৭ সালে যখন কুইবেকের একটি মসজিদে ছয় মুসলিমকে হত্যা করা হয়। সেদিন ইসলামিক কালচারাল সেন্টার অব কুইবেকে মাগরিবের নামাজ আদায়কালে আলেকজান্ডার বিসোনেট নামের এক যুবক অতর্কিতে স্বয়ংক্রিয় বন্দুক হামলা চালায়। বন্দুক হামলায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন ৬ জন মুসল্লি। হামলার ঘটনায় আহত হন আরো ১৯ জন। পুলিশ পরে বিসোনেটকে গ্রেফতার করে।</p>



<p>পরবর্তীতে ২০২১ সালের ৬ জুন লন্ডন অন্টারিওতেও ঘটে আরেক বেদনাদায়ক ঘটনা। এক সন্ত্রাসীর হামলায় প্রাণ হারান এক মুসলিম পরিবারের তিন প্রজন্মের চার সদস্য। রাস্তা পারাপারের সময় অতর্কিতে তাঁদের উপর একটি পিকআপ ট্রাক উঠিয়ে দিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলা ঘটানো হয়। হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ন্যাথানিয়েল ভেল্টম্যান নামের ২০ বছর বয়সী এক শ্বেতাঙ্গ যুবককে আটক করে স্থানীয় পুলিশ।</p>



<p>উল্লেখ্য যে প্রতিবারই মুসলিমদের উপর কোন হামলার ঘটনা ঘটলে কানাডার রাজনীতিকরা বিবৃতি দেন মিডিয়ায়। তারা এই ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানান। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো কানাডায় ইসলামোফোবিয়া পরিস্থিরিত কোনো উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এটি নিশ্চিতভাবেই উদ্বেগজনক। আমরা মনে করি এর জন্য প্রশাসনকে আরো কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। শুধু বক্তৃতা বিবৃতি দিয়ে এই পরিস্থিতির কোন উন্নতি ঘটবে না।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি দারিদ্র বিমোচনে কার্যকর কোন ভূমিকা রাখবে না</title>
		<link>https://probashikantho.com/2024/10/01/%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%82%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%ae%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Oct 2024 03:18:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Editorial]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=10091</guid>

					<description><![CDATA[পহেলা অক্টোবর থেকে অন্টারিওতে কর্মজীবী মানুষের জন্য ন্যূনতম মজুরি হতে যাচ্ছে ঘন্টায় ১৭.২০ ডলার। বর্তমান ন্যূনতম মজুরি ঘন্টায় ১৬.৫৫ ডলার।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>পহেলা অক্টোবর থেকে অন্টারিওতে কর্মজীবী মানুষের জন্য ন্যূনতম মজুরি হতে যাচ্ছে ঘন্টায় ১৭.২০ ডলার। বর্তমান ন্যূনতম মজুরি ঘন্টায় ১৬.৫৫ ডলার। সেই হিসাবে বৃদ্ধির পরিমাণ মাত্র ৬৫ সেন্ট। শতকরা হিসাবে প্রায় প্রায় ৪% বৃদ্ধি। বর্তমান রেটে যারা সপ্তাহে ৪০ ঘন্টা কাজ করছেন তারা নতুন রেটে কাজ শুরু করার পর বছরে ১,৩৫৫ ডলার বাড়তি আয় করতে পারবেন। অথবা মাসে ১১৩ ডলারের মত।</p>



<p>অন্টারিও লিভিং ওয়েজ নেটওয়ার্ক এর যোগাযোগ সমন¦য়কারী ক্রেগ পিকথর্ন নাউটরন্টো.কম কে বলেন, ‘মজুরি বৃদ্ধি একটি ভাল পদক্ষেপ। কিন্তু সরকার যে পরিমাণ মজুরি বৃদ্ধি করেছে তা বর্তমান জীবনযাত্রায় যে পরিমাণ ব্যয় হয় তার তুলনায় মোটেও যথেষ্ট নয়। বর্তমান আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে হলে একজন কর্মজীবী মানুষের মজুরি হওয়া উচিৎ ঘন্টায় ন্যূনতম ২৫.০৫ ডলার। এটি একটি মডেস্ট বা পরিমিত হিসাব। এই হিসাবের মধ্যে ঋণ, শিক্ষা, বাড়ির মালিক হওয়ার জন্য সেভিংস ইত্যাদি ধরা হয়নি।’</p>



<p>ক্রেগ আরো বলেন, ‘টরন্টোতে সন্মানজকভাবে সংসার চালানোর জন্য ন্যূনতম মজুরির একটি ফুলটাইম কাজ যথেষ্ট নয়। একাধিক কাজ থাকতে হবে একজন কর্মজীবী ব্যক্তির।’</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="489" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/09/মজুরি.jpg" alt="" class="wp-image-10071" style="width:489px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/09/মজুরি.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/09/মজুরি-300x183.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/09/মজুরি-768x469.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">পহেলা অক্টোবর থেকে অন্টারিওতে কর্মজীবী মানুষের জন্য ন্যূনতম মজুরি হতে যাচ্ছে ঘন্টায় ১৭.২০ ডলার। ছবি : টাচ বিস্ট্রো</figcaption></figure>
</div>


<p>বর্তমানের বাস্তবতা হলো, কানাডার প্রায় সব শহরেই ন্যূনতম মজুরিতে কাজ করা কোনও ব্যক্তির পক্ষে এক বা দুই বেডরুমের অ্যার্পাটমেন্টের ভাড়া যোগার করার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য। অন্টারিও-ভিত্তিক এক থিঙ্কট্যাঙ্কারের নতুন রিপোর্টে একথা বলা হয়েছে।</p>



<p>কানাডার সেন্টার ফর পলিসি অলটারনেটিভস -এর র্অথনীতিবিদ ডেভিড ম্যাকডোনাল্ড বলেন, “ভাড়াটেদের অনেকেই বিশেষ করে যারা ন্যূনতম মজুরিতে বা প্রায় ন্যূনতম মজুরিতে কাজ করেন, যাদের আয় নির্দিষ্ট এবং এক ব্যক্তির আয়ে চলে এমন পরিবারের ভাড়াটেরা যেখানেই খোঁজ করুন না কেন সাধ্যের মধ্যে বা মোটামুটি বাসযোগ্য অ্যার্পাটমেন্ট পাবেন না।”</p>



<p>এই পরিস্থিতির দিক থেকে এগিয়ে আছে ভ্যাঙ্কুভার। সেখানে ন্যূনতম মজুরিতে কাজ করা একজন ব্যক্তিকে এক রুমের বাড়ির ভাড়া নেওয়ার সক্ষমতা অর্জনের জন্য সপ্তাহে ৮৪ ঘণ্টা এবং দুই রুমের বাড়ির জন্য ১১২ ঘণ্টা কাজ করতে হয়।</p>



<p>টরন্টোও খুব পিছিয়ে নেই। এখানে একজন শ্রমিককে এক রুমের বাড়ির জন্য সপ্তাহে ৭৯ ঘণ্টা এবং দুই রুমের বাড়ির জন্য ৯৬ ঘণ্টা কাজ করতে হবে।</p>



<p>আমরা আরো দেখছি, অন্টারিওতে গত অর্থ বছরে ফুড ব্যাংক এর সহায়তা নিয়েছেন দশ লক্ষাধিক মানুষ। ফুড ব্যাংক এর উপর এই নির্ভরশীলতা আগের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। পরিসংখ্যান বলছে, গত কয়েক বছর ধরেই এই হার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবারের বৃদ্ধিটা ছিল গত আট বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।</p>



<p>ফিড অন্টারিও’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যারোলিন স্টুয়ার্ট এই পরিস্থিতিকে ‘সম্পূর্ণভাবে বিস্ময়কর’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, ফুড ব্যাংক এর সহায়তা নিচ্ছেন যারা তাদের মধ্যে কর্মজীবী মানুষের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। ক্যারোলিনের মতে অন্টারিও প্রভিন্সে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশী খারাপ মিসিসাগায়। অন্টারিও’র অনেক শহরের মত মিসিসাগা-ও ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, সীমিত আবাসন সরবরাহ এবং উচ্চ জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে। এ সমস্ত কারণে পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে।</p>



<p>এরকম পরিস্থিতিতে অন্টারিওতে বছরে ১,৩৫৫ ডলার বাড়তি আয় কর্মজীবী মানুষের কতটা উপকার আসবে তা বোধ করি আর ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন নেই। ন্যূনতম এই মজুরি বৃদ্ধি এখানকার কর্মজীবী মানুষের দারিদ্র বিমোচনে কার্যকর কোন ভূমিকা রাখবে না। আমাদের মতে মুদ্রাষ্ফীতি এবং এর সঙ্গে বাড়ি ভাড়া, পণ্যমূল্য প্রভৃতির বর্তমান বাজার দরের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে প্রকৃত মজুরি বৃদ্ধি করাটা খুবই জরুরী।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব মানবিক দিবস</title>
		<link>https://probashikantho.com/2024/09/08/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 08 Sep 2024 16:44:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Editorial]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=9926</guid>

					<description><![CDATA[১৯ আগস্ট জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব মানবিক দিবস। প্রতি বছর এই দিনে সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হয়। মানবসেবায় যারা নিজেদের জীবন]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>১৯ আগস্ট জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব মানবিক দিবস। প্রতি বছর এই দিনে সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হয়। মানবসেবায় যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন দিবসটিতে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।</p>



<p>দিবসটির উদ্ভব এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একজন মানবিক ব্যক্তির নাম। তিনি হলেন সেরগিও ভিয়েরা দ মেলো। জাতিসংঘের মানবিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্রাজিলের কূটনীতিক এই মহান ব্যক্তি ৩৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানবসেবা করে গেছেন। এই ধারাবাহিকতায়ই ২০০৩ সালের ১৯ আগস্ট জাতিসংঘের তরফ থেকে তিনি আরও ২২ জন সহকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইরাকের বাগদাদে গিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে সেখানে এক বোমা হামলায় মৃত্যু হয় সেরগিও এবং তাঁর দলের সদস্যদের।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="288" height="162" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2024/09/editorial.jpg" alt="" class="wp-image-9927" style="width:338px;height:auto"/><figcaption class="wp-element-caption">১৯ আগস্ট জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব মানবিক দিবস। প্রতি বছর এই দিনে সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হয়। ছবি : pwonlyias.com</figcaption></figure>
</div>


<p>মৃত্যুর আগে প্রায় তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সেরগিও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে যারা যুদ্ধে সব হারিয়েছেন তাঁদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন মানবসেবার ব্রত নিয়ে। কোনো বৈরী বা প্রতিকূল পরিস্থিতিই তাঁকে তাঁর ব্রত থেকে টলাতে পারেনি।</p>



<p>সেরগিও ও তাঁর সহকর্মীদের আত্মত্যাগের সেই মহানব্রত যাতে থেমে না যায় সে জন্য তাঁর ও তাঁর সহকর্মীদের মৃত্যু দিনটিকে জাতিসংঘ কর্তৃক বিশ্ব মানবতা দিবস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরপর ২০০৯ সালের ১৯ আগস্ট থেকে বিশ্ব মানবতা দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।&nbsp;</p>



<p>ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই মানব ইতিহাসের প্রায় সবটাই কেবল যুদ্ধবিগ্রহের ইতিহাস। শাসন, শোষণ আর মানুষ হত্যার কাহিনীই দখল করে আছে গোটা ইতিহাস। সে কারণে প্রশ্ন উঠে, বিশ^ সত্যিকার অর্থে কতটুকু মানবিক?</p>



<p>পৃথিবীতে মানব ইতিহাসের এমন কোন প্রজন্ম নেই যারা যুদ্ধ দেখেনি, গণহত্যা দেখেনি, মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষ দেখেনি। স্বৈরশাসন, শোষণ, নির্যাতন, গুম, খুন, ধর্ষণ, বিনা বিচারে আটক, বাকস্বাধীনতা হরণসহ আরো অনেক কিছুই তাঁরা দেখেছে। নিজের দেশে না হলেও অন্য দেশে দেখেছে। এবং আরো দুঃখজনক বিষয় হলো, এসব যুদ্ধবিগ্রহ আর অন্যায় অত্যাচারের যাঁরা নায়ক তাঁদের প্রায় কারোরই কোন বিচার হয়নি। ক্ষমতার জোরে, অর্থের জোরে বা কূটকৌশল অবলম্বন করে তাঁরা বরাবরই পার পেয়ে গেছে শাস্তির হাত থেকে।</p>



<p>আজকে মানুষের মানবিকতা কতটা ভূলুণ্ঠিত হয়ে আছে তার এক জ¦লজ্য্যন্ত প্রমাণ ফিলিস্তিনীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। বিশ্ববাসীর চোখের সামনেই ফিলিস্তিনে ঘটে চলছে গণহত্যা। আর গোটাবিশ্ব অসহায়ের মত তাকিয়ে দেখছে নেই নির্মমতা। কোন বিচার নেই, নেই প্রতিকার!&nbsp;</p>



<p>বাংলাদেশে অতি সম্প্রতি যে হত্যাকান্ডগুলো ঘটেছে তার বিচারও কি পাবে ভুক্তভোগীরা? হত্যাকান্ডের যে নায়ক তাকে কি বিচারের সন্মুখীন করা যাবে? সম্ভবত না। এভাবেই যুগ যুগ ধরে মানবিকতা ভূলুণ্ঠিত হয়ে আসছে দেশে দেশে।</p>



<p>উইকিপিডিয়ার এক তথ্যে বলা হয়, আজকে সারা বিশ্বে কমবেশি তেরো কোটি মানুষ কেবল মানবিক সহায়তার উপর ভর করে বেঁচে আছে। এদের যদি এক সাথে দলবদ্ধ করে পৃথিবীর কোন স্থানে আশ্রয় দেওয়া হয়, তাহলে সেটি পৃথিবীর দশম জনবহুল দেশ হিসাবে পরিগণিত হবে।</p>



<p>আরো লক্ষণীয় যে, যুদ্ধ ছাড়া ব্যক্তিস্বার্থ ও তুচ্ছ কারণেও বিশে^র প্রায় সব প্রান্তেই মানবতা লঙ্ঘিত হচ্ছে। </p>



<p>এরকম পরিস্থিতিতে বিশ্ব মানবতা দিবস আমাদের মানবিক সহায়তার অপরিহার্যতাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। জাগ্রত করে মানুষের মানবতাবোধকে। বিশ্বের নানা প্রান্তের সংঘাত, দুর্যোগ, সংকটময় পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা দেয়। বিশ্ববাসীকে উৎসাহিত করে সমতা, ন্যায়বিচার, শৃঙ্খলা এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা ও এর প্রসারের ব্যাপারেও।</p>



<p>এবারের বিশ্ব মানবিক দিবসে আমরা ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের সর্বত্র মানবিক সহায়তা কর্মীদের মানবিক কর্মকান্ডের প্রতি অভিবাদন জানাই। তাঁদের যে নিস্বার্থ আত্মদান এবং বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে দৃঢ় প্রত্যয়, তা একদিকে যেমন অনুপ্রেরণাদায়ক অন্যদিকে তা প্রশংসারও দাবীদার। মানবতার সেবার জন্য তাঁদেরকে জানাই আমাদের সাধুবাদ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
