<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Cover Story &#8211; Probashi Kantho</title>
	<atom:link href="https://probashikantho.com/category/cover-story/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://probashikantho.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sun, 03 May 2026 13:20:00 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2021/04/thumbnail_thumbnail-150x150.jpg</url>
	<title>Cover Story &#8211; Probashi Kantho</title>
	<link>https://probashikantho.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>প্রায় ৩০ হাজার শরণার্থী কানাডায় আশ্রয়ের জন্য যোগ্য নাও হতে পারেন</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a7%a9%e0%a7%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%aa%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a7%a9%e0%a7%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%aa%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 May 2026 00:45:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12566</guid>

					<description><![CDATA[অবিলম্বে দেশ ছেড়ে চলে যেতেও বলা হচ্ছে তাদের মধ্যে কয়েকজনকে প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ১২ এপ্রিল, ২০২৬ : কানাডার অভিবাসন বিভাগ]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p style="font-size:27px">অবিলম্বে দেশ ছেড়ে চলে যেতেও বলা হচ্ছে তাদের মধ্যে কয়েকজনকে</p>



<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ১২ এপ্রিল, ২০২৬ : কানাডার অভিবাসন বিভাগ হাজার হাজার শরণার্থী আবেদনকারীকে চিঠি পাঠিয়ে জানাচ্ছে যে তারা আশ্রয়ের জন্য যোগ্য নাও হতে পারেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে অবিলম্বে দেশ ছেড়ে চলে যেতেও বলা হচ্ছে। খবর সিবিসি নিউজের।</p>



<p>গত মাসে অটোয়া একটি আইন পাস করার পর এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে, যে আইনে আবেদনকারীদের আবেদন করার পদ্ধতি ও সময় আরও কঠোর করা হয়েছে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="800" height="600" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/রি.jpg" alt="" class="wp-image-12567" style="aspect-ratio:1.333342014114951;width:453px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/রি.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/রি-300x225.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/রি-768x576.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">অভিবাসন বিভাগ হাজার হাজার শরণার্থী আবেদনকারীকে চিঠি পাঠিয়ে জানাচ্ছে যে তারা আশ্রয়ের জন্য যোগ্য নাও হতে পারেন। ছবি : ছবি : ক্রিস্টিন মুশি / রয়টার্স</figcaption></figure>
</div>


<p>ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (আইআরসিসি) সিবিসি নিউজকে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, &#8220;এগুলো ডিপোর্টেশন বা নির্বাসনের চিঠি নয়।&#8221; বিবৃতিতে আরও নিশ্চিত করা হয় যে, প্রায় ৩০,০০০ আবেদনকারীর কাছে এই চিঠি পাঠানো শুরু হয়েছে।</p>



<p>সিবিসি নিউজের হাতে আসা এরকম একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, &#8220;আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, আপনার আবেদনটি কানাডার ইমিগ্রেশন এ্যান্ড রিফিউজি বোর্ডের শরণার্থী সুরক্ষা বিভাগে পাঠানোর জন্য অযোগ্য হতে পারে।&#8221; চিঠিটি একজন আবেদনকারীকে আইআরসিসি-র একজন কেস প্রসেসিং অফিসার পাঠিয়েছিলেন।</p>



<p>চিঠিতে কেস অফিসার আরও লিখেছেন যে, আবেদনকারী আগামী ২১ দিনের মধ্যে তার প্রবেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য বা প্রমাণ জমা দিতে পারবেন।</p>



<p>আইআরসিসি তার বিবৃতিতে বলেছে, ইমিগ্রেশন এ্যান্ড রিফিউজি বোর্ডে প্রেরণের জন্য তাদের যোগ্যতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ওই বিবরণগুলো প্রাসঙ্গিক হতে পারে।</p>



<p>আইআরসিসি আরও উল্লেখ করেছে যে, “যাদের আবেদনপত্র ইমিগ্রেশন এ্যান্ড রিফিউজি বোর্ডে পাঠানো হয় না” তারাও প্রি-রিমুভাল রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট (পিআরআরএ) নামে পরিচিত একটি ফর্ম পূরণ করতে পারবেন, যা একজন কেস অফিসার সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য পড়ে দেখতে পারেন।</p>



<p><strong>শুনানির পরিবর্তে লিখিত প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় আইনজীবীরা শঙ্কিত</strong></p>



<p>সিবিসি নিউজের সাথে কথা বলা অভিবাসন আইনজীবীরা বলেছেন, ফর্মগুলো আবেদনকারীদেরকে সশরীরে শুনানির মতো একই রকম স্বাধীনতা দেয় না।</p>



<p>কানাডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অফ রিফিউজি লইয়ার্স-এর সহ-সভাপতি অ্যাডাম সাডিনস্কি বলেছেন, “কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীর সামনে নিজের বক্তব্য, ঝুঁকি এবং ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করার চেয়ে কাগজে-কলমে তা তুলে ধরা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়।”</p>



<p>টরন্টো-ভিত্তিক অভিবাসন আইনজীবী লিডা বেরেঞ্জিয়ান বলেন, নতুন নিয়মে ইমিগ্রেশন এ্যান্ড রিফিউজি বোর্ডের কোনো সদস্য সামনে থাকবেন না যিনি আপনার কথা শুনবেন, যিনি আপনাকে অনুভব করতে পারেন, আপনাকে দেখতে পারেন, আপনার ভয়টা বুঝতে পারেন।”</p>



<p><strong>কিছু চিঠিতে অবিলম্বে চলে যেতে বলা হয়েছে</strong></p>



<p>সিবিসি নিউজের দেখা দ্বিতীয় ধরনের একটি চিঠিতে আবেদনকারীদের বলা হচ্ছে, “আপনার শরণার্থী সুরক্ষার আবেদনটি কানাডার ইমিগ্রেশন এ্যান্ড রিফিউজি বোর্ডের শরণার্থী সুরক্ষা বিভাগে পাঠানোর যোগ্য নয়।”</p>



<p>ওই চিঠিতে C-12 আইন দ্বারা সংশোধিত অভিবাসন আইনের একটি ধারার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা এমন আবেদনকারীদের লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থল সীমান্তের এমন কোনো স্থান থেকে কানাডায় প্রবেশ করেছেন যেগুলোকে নিয়মিত প্রবেশপথ হিসেবে গণ্য করা হয় না এবং আশ্রয়ের আবেদন করতে ১৪ দিনের বেশি সময় নিয়েছেন।</p>



<p>চিঠিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, “আপনাকে যত দ্রুত সম্ভব কানাডা ত্যাগ করতে হবে এবং কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সিকে আপনার প্রস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। আপনি যদি কানাডা ত্যাগ না করেন, তবে আপনার বিরুদ্ধে নির্বাসনের আদেশ জারি করা হতে পারে।”</p>



<p>চিঠিতে অবশ্য বলা হয়েছে যে আবেদনকারী &#8220;পিআরআরএ (pre-removal risk assessment)-এর জন্য আবেদন করার যোগ্য হতে পারেন।&#8221;</p>



<p>কানাডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অফ রিফিউজি লইয়ার্স-এর সহ-সভাপতি অ্যাডাম সাডিনস্কি বলেছেন, কানাডা থেকে ডিপোর্ট বা নির্বাসিত হওয়ার আগে যে কারোর &nbsp;pre-removal risk assessment –এর একটি সুযোগ পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a7%a9%e0%a7%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%aa%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় মোকাবেলায় নিম্ন ও মাঝারি আয়ের কানাডিয়ানরা এককালীন কিছু আর্থিক সহায়তা পাবেন</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9d%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9d%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 May 2026 00:42:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12563</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ : আসছে সামারে ১২ মিলিয়নেরও বেশি নিম্ন ও মাঝারি আয়ের কানাডিয়ানরা ‘Canada Groceries and]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ : আসছে সামারে ১২ মিলিয়নেরও বেশি নিম্ন ও মাঝারি আয়ের কানাডিয়ানরা ‘Canada Groceries and Essentials Benefit (CGEB),’কর্মসূচির অধীনে এককালীন কিছু আর্থিক সহায়তা পাবেন। আর জুলাই ২০২৬ থেকে জিএসটি/এইচএসটি ক্রেডিট ২৫% বৃদ্ধি পাবে।</p>



<p>দেশের মানুষকে ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় মোকাবেলায় সাহায্য করার জন্য, কেন্দ্রীয় সরকার এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।</p>



<p>তবে এই আর্থিক সহায়তার জন্য যোগ্য হতে হলে অধিবাসদেরকে অবশ্যই আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে।&nbsp;</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img decoding="async" width="800" height="516" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/গ্রো.jpg" alt="" class="wp-image-12564" style="aspect-ratio:1.5504042636950004;width:446px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/গ্রো.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/গ্রো-300x194.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/গ্রো-768x495.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">নিম্ন ও মাঝারি আয়ের কানাডিয়ানরা আর্থিক সহায়তা পাবেন। ছবি : প্রবাসী কণ্ঠ</figcaption></figure>
</div>


<p>আপনি কত টাকা পাবেন?</p>



<p>যোগ্য কানাডীয়রা তাদের পারিবারিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। অবিবাহিত কানাডীয় এবং একক-অভিভাবক( single-parent) পরিবারগুলি সর্বোচ্চ যে পরিমাণ অর্থ পাবে তা হলো:-</p>



<p>• কোনো সন্তান ছাড়া &#8211; ২৬৭ ডলার</p>



<p>• একটি সন্তানসহ &#8211; ৪৪১ ডলার</p>



<p>• দুটি সন্তানসহ &#8211; ৫৩৩ ডলার</p>



<p>• তিনটি সন্তানসহ &#8211; ৬২৫ ডলার</p>



<p>• চারটি সন্তানসহ &#8211; ৭১৭ ডলার</p>



<p>বিবাহিত বা ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে থাকা ব্যক্তিরা সর্বোচ্চ নিম্নলিখিত পরিমাণ অর্থ পাবেন:</p>



<p>• কোনো সন্তান ছাড়া ৩৪৯ ডলার</p>



<p>• একটি সন্তানসহ ৪৪১ ডলার</p>



<p>• দুটি সন্তানসহ ৫৩৩ ডলার</p>



<p>• তিনটি সন্তানসহ ৬২৫ ডলার</p>



<p>• চারটি সন্তানসহ ৭১৭ ডলার</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9d%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কানাডায় আগ্নেয়াস্ত্র সংশ্লিষ্ট সহিংস অপরাধের সংখ্যা হ্রাস</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%b8/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%b8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 May 2026 00:37:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12560</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬ : সদ্য প্রকাশিত স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার&#160; তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে আগ্নেয়াস্ত্র সংশ্লিষ্ট]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬ : সদ্য প্রকাশিত স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার&nbsp; তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে আগ্নেয়াস্ত্র সংশ্লিষ্ট সহিংস অপরাধের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে, যা ২০১৪ সালের পর থেকে সবচেয়ে বড় বার্ষিক হ্রাস। খবর গ্লোবাল নিউজের।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img decoding="async" width="800" height="450" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/পু.jpg" alt="" class="wp-image-12561" style="aspect-ratio:1.7778047848883642;width:461px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/পু.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/পু-300x169.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/পু-768x432.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে আগ্নেয়াস্ত্র সংশ্লিষ্ট সহিংস অপরাধের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। ছবি : (গ্রেগ হব্‌স/সিবিসি)</figcaption></figure>
</div>


<p>তবে, সংস্থাটি আরও বলেছে যে, সাম্প্রতিক এই হ্রাস সত্ত্বেও, ২০১০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে “মোট সহিংস অপরাধ এবং আগ্নেয়াস্ত্র-সম্পর্কিত সহিংস অপরাধ—উভয়ের ক্ষেত্রেই সামগ্রিক প্রবণতা ঊর্ধ্বমুখীই রয়েছে।”</p>



<p>২০২৪ সালে প্রতি ১,০০,০০০ জনসংখ্যায় আগ্নেয়াস্ত্র-সম্পর্কিত সহিংস অপরাধের সংখ্যা ছিল ৩৬টি, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৪.২ শতাংশ কম। সেই বছর প্রতি ১,০০,০০০ জনসংখ্যায় ৩৭.৬টি আগ্নেয়াস্ত্র-সম্পর্কিত সহিংস ঘটনা ঘটেছিল।</p>



<p>কিন্তু ২০২৪ সালে আগ্নেয়াস্ত্র-সম্পর্কিত সহিংস অপরাধের হার ১০ বছর আগের তুলনায় এখনও ৪৪ শতাংশ বেশি ছিল, যখন প্রতি ১,০০,০০০ জনসংখ্যায় ২৫টি ঘটনা ঘটত।</p>



<p><strong>২০২৪ সালের এই পতনের পেছনে কারণ কী?</strong></p>



<p>স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা জানিয়েছে যে ২০২৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত, “আলবার্টা এবং ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার অধিকাংশ এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র-সম্পর্কিত সহিংস অপরাধের হারে ব্যাপক হ্রাস দেখা গেছে, যা জাতীয় পর্যায়ে এই হ্রাসে অবদান রেখেছে।”</p>



<p>সবচেয়ে বড় হ্রাস দেখা গেছে প্রিন্স এডওয়ার্ড আইল্যান্ডে (-৪৬ শতাংশ), ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় (-২২ শতাংশ) এবং আলবার্টায় (-১৪ শতাংশ)।</p>



<p>তবে, টরন্টোতে এই হার ১২ শতাংশ বেড়েছিল। এছাড়াও, গত ১৫ বছরের মধ্যে শহরটিতে আগ্নেয়াস্ত্র-সম্পর্কিত সহিংস অপরাধের হার ছিল সর্বোচ্চ (প্রতি ১,০০,০০০ জনসংখ্যায় ৪৪.৮টি ঘটনা)।</p>



<p>স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা আরও জানিয়েছে, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত, আগ্নেয়াস্ত্র সংশ্লিষ্ট নির্দিষ্ট কিছু সহিংস অপরাধ হ্রাস পেয়েছে। সেগুলো হলো: জিম্মি করা, অপহরণ বা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে জোরপূর্বক আটকে রাখা (-১৫ শতাংশ), যৌন নিপীড়ন (-১৩ শতাংশ) এবং ডাকাতি (-৮.৮ শতাংশ)।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রেডলাইট আইন ভঙ্গ : টরন্টোতে গত বছর প্রায় দেড় লক্ষ টিকিট ইস্যু</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f-%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%9f%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8b%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f-%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%9f%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8b%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 May 2026 00:32:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12557</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ : গত বছর রেডলাইটের মধ্য দিয়ে গাড়ি চালানোর দায়ে টরন্টোর এক লক্ষ চল্লিশ হাজার]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ : গত বছর রেডলাইটের মধ্য দিয়ে গাড়ি চালানোর দায়ে টরন্টোর এক লক্ষ চল্লিশ হাজার চালককে জরিমানা করা হয়েছে। খবর সিটিভি নিউজের।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="568" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/রেড.jpg" alt="" class="wp-image-12558" style="aspect-ratio:1.4084619405243322;width:466px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/রেড.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/রেড-300x213.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/05/রেড-768x545.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">রেডলাইট ক্যামেরা থেকে সিটির আয়  ৪৫.৭ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। ছবি: গুগল ম্যাপ</figcaption></figure>
</div>


<p>বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি টিকিট দেওয়া হয়েছে যে ১০টি ইন্টারসেকশনে তার মধ্যে চারটিই নর্থ ইয়র্কে অবস্থিত; এরপরে রয়েছে শহরের কেন্দ্রস্থলে তিনটি, স্কারবোরোতে দুটি এবং ইটোবিকোকে একটি।</p>



<p>স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরার মাধ্যমে সর্বাধিক টিকিট জারি করা মোড়টি ছিল স্কারবরোর কেনেডি রোড এবং উইলিয়াম কিচেন রোডে অবস্থিত হাইওয়ে ৪০১-এর পূর্বমুখী অফ-র‍্যাম্পের কাছে, যেখানে ৫,৫০৫টি লঙ্ঘন নথিভুক্ত করা হয়েছিল।</p>



<p>“বছরে ৫,৫০০টি মানে হলো, &nbsp;দিনে ১৫ জনের মতো চালক রেডলাইট আইন ভঙ্গ করেছেন।,” এ কথা বলেছেন টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক মাটি সিমিয়াটিস্কি। তিনি আরও বলেন, “বাস্তবতা হলো, শুধু একটি ভুল পদক্ষেপই যথেষ্ট&#8230; আর তাতেই ভয়াবহ কিছু ঘটে যেতে পারে।”</p>



<p><strong>যে দশটি ইন্টারসেকশনে সবচেয়ে বেশি টিকিট ইস্যু করা হয়েছে</strong></p>



<ol class="wp-block-list">
<li>Kennedy Rd. and Hwy. 401 Off Ramp / William Kitchen Rd. – 5,505 tickets</li>



<li>Adelaide St. and Parliament St. – 2,393 tickets</li>



<li>Yonge St. and Athabaska Ave. – 2,170 tickets</li>



<li>Lake Shore Blvd. and Jameson Ave. – 2,123 tickets</li>



<li>Sheppard Ave. and Leslie St. – 2,112 tickets</li>



<li>Rexdale Blvd. and Queens Plate Dr. – 2,106 tickets</li>



<li>Steeles Ave. and Signet Dr. – 1,702 tickets</li>



<li>Finch Ave. and Liszt Gt. – 1,698 tickets</li>



<li>Danforth Rd. and Brimley Rd. – 1,614 tickets</li>



<li>Spadina Ave. and Bremner Blvd. / Fort York Blvd. &#8211; 1,573 tickets</li>
</ol>



<p><strong>রেডলাইট ক্যামেরা থেকে সিটি</strong><strong> </strong><strong>কত</strong><strong> </strong><strong>টাকা</strong><strong> </strong><strong>আয়</strong><strong> </strong><strong>করেছে</strong><strong>?</strong></p>



<p>২০২৫ সালে শহরের স্বয়ংক্রিয় রেড লাইট ক্যামেরা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইস্যু করা মোট টিকিটের সংখ্যা ছিল ১,৪০,৬২১টি। আইন ভঙ্গকারীকে জরিমানা করা হয় ৩২৫ ডলার। সেই হিসাবে টরন্টো ২০২৫ সালে কমপক্ষে ৪৫.৭ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে।</p>



<p></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/05/02/%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f-%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%9f%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8b%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এবার নতুন আরেক ইতিহাস গড়লেন করলেন ডলি বেগম</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/04/14/%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/04/14/%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Apr 2026 17:55:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12520</guid>

					<description><![CDATA[প্রথমবারের মতো ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হলেন কোন বাংলাদেশি-কানাডিয়ান প্রবাসী কণ্ঠ, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ : বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে এবার ফেডারেল]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p style="font-size:26px">প্রথমবারের মতো ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হলেন কোন বাংলাদেশি-কানাডিয়ান</p>



<p>প্রবাসী কণ্ঠ, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ : বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে এবার ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হলেন ডলি বেগম। সৃষ্টি করলেন নতুন আরেক ইতিহাস। তাঁর এই ঐতিহাসিক জয়ে আনন্দে ভাসছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।</p>



<p>গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত ফেডারেল উপনির্বাচনে ডলি বেগম ভোট পেয়েছেন মোট ২০,১১৪টি (৭০%)। গ্রেটার টরন্টোর স্কারবরো সাউথওয়েস্ট নির্বাচনী এলাকা বা রাইডিং থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি এই বিজয় ছিনিয়ে নেন। একই দিনে অনুষ্ঠিত আরও দুটি উপ নির্বাচনে জয়লাভ করেন লিবারেল পার্টি অব কানাডার প্রার্থীরা। এরা হলেন টরন্টোর &nbsp;‘ইউনিভার্সিটি–রোজডেল’ নির্বাচনী এলাকার ড্যানিয়েল মার্টিন এবং কুইবেক এর ‘টেরেবোন’ নির্বাচনী এলাকার তাতিয়ানা অগাস্টে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="505" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/ডলি.jpg" alt="" class="wp-image-12521" style="aspect-ratio:1.584176490609239;width:583px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/ডলি.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/ডলি-300x189.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/ডলি-768x485.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে ডলি বেগম। ছবি : দ্য কানাডিয়ান প্রেস/লরা প্রোক্টর।</figcaption></figure>
</div>


<p>এই বিজয় এবং এর আগে মোট ৫ জন বিরোধী দলের এমপি ফ্লোর ক্রস করে মার্ক কার্নির লিবারেল দলে যোগ দেওয়ায় দলটি এখন পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলো। লিবারেল পার্টির আসন সংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে মোট ১৭৪টি। ফলে কার্নির লিবারেল পার্টিকে পার্লামেন্টে আইন পাশ করার জন্য এখন থেকে আর কোন বিরোধী দলের সমর্থন লাগবে না।</p>



<p>উল্লেখ্য যে, ২০১৮ সালে অন্টারিও পার্লামেন্টের নির্বাচনে প্রথমবার জয়ী হয়ে ডলি বেগম প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সৃষ্টি করেছিলেন এক ইতিহাস। অন্টারিওসহ কানাডার অন্য কোন প্রভিন্সে কোন বাংলাদেশি কানাডিয়ান তখন পর্যন্ত এরকম মর্যাদায় ভূষিত হননি। এবং এখন পর্যন্তও না। এমপিপি বা এমপি কোনো পদেই ডলি বেগম ছাড়া আর কোনো বাংলাদেশি -কানাডিয়ান পাশ করতে পারেননি।</p>



<p>পরবর্তী নির্বাচনেও ডলি বেগম একই রাইডিং থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এমপিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার রাইডিং এর ৪৭.১% ভোটার তাঁকে ভোট দিয়েছিলেন। তিনি মোট ভোট পেয়েছিলেন ১৫,৯৫৪ টি।</p>



<p>এখানেই শেষ নয়, অন্টারিও’র পার্লামেন্ট নির্বাচনে তৃতীয়বারও বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ডলি বেগম &nbsp;ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। ঐ নির্বাচনে ডলি বেগম ভোট পেয়েছিলেন ১৪,৫৫৭ টি যা ‘স্কারবরো সাউথওয়েস্ট রাইডিং’ এ প্রদত্ত মোট ভোটের ৪২.৮৯%।</p>



<p>আর এবার ফেডারেল উপ- নির্বাচনে একই রাইডিং থেকে অংশ নিয়ে জয়ী হলেন লিবারেল পার্টির এমপি হিসাবে। এবং এর মধ্য দিয়ে তিনি নতুন আরেক ইতিহাস সৃষ্টি করলেন বাংলাদেশি-কানাডিয়ান হিসাবে। &nbsp;</p>



<p>উল্লেখ্য যে, স্কারবরো সাউথওয়েস্ট রাইডিং- এর সাবেক এমপি ও মন্ত্রী বিল ব্লেয়ার যুক্তরাজ্যে কানাডার রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব গ্রহণ করাতে ঐ আসনটি খালি হয়ে যায়। এর পরপরই, ফেডারেল লিবারেলরা নিশ্চিত করে যে স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট এর প্রাক্তন এমপিপি ডলি বেগম তাদের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।</p>



<p>ইতিপূর্বে ডলি বেগম স্কারবরো সাউথওয়েস্ট রাইডিং থেকে প্রভিন্সিয়াল এনডিপি’র হয়ে পরপর তিনবার এমপিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি দলটির ডেপুটি লিডারও ছিলেন। স্কারবরো সাউথওয়েস্টে তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। আর এই এলাকায় প্রচুর সংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী বাস করেন।</p>



<p>চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ডলি বেগম প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক সমাবেশে বলেছিলেন, “গত তিন টার্মে&nbsp; এমপিপি হিসাবে আমি স্কারবরো সাউথওয়েস্ট এর বাসিন্দাদের সেবা করতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। এবার আমি আরো বৃহৎ পরিসরে অত্র এলাকার বাসিন্দাদের সেবা&nbsp; করতে চাই। আর সে কারণেই আমি এবার ফেডারেল নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এবং সেটি লিবারেল পার্টি অফ কানাডার হয়ে।”</p>



<p>তিনি বলেন, “অত্র এলাকার জনগণের অনেক ইস্যু আছে যেটা নিয়ে তাঁরা ভাবছেন। আগে অনেকেই আমার কাছে ফেডারেল লেভেল এর ইস্যু নিয়ে এসেছেন। কিন্তু আমি তখন প্রভিন্সিয়াল লেভেলে কাজ করেছি বলে সেগুলো নিয়ে কোনো কিছু করতে পারিনি।”</p>



<p>ডলি বেগম আরও বলেন, “আমি একুট ক্লারিফাই করতে চাই কেন আমি এনডিপি ছেড়ে ফেডারেল লেভেলের লিবারেল পার্টিতে যোগ দিলাম। আমাকে ব্যক্তিগতভাবেও অনেকে এই প্রশ্ন করেছেন। সত্যি বলতে কি, আমি কয়েকমাস আগেও দল পরিবর্তনের বিষয়টি একেবারেই ভাবিনি। এই জাতীয় কোনো চিন্তা আমার মাথায় ছিলই না। তবে অতি সম্প্রতি কমিউনিটির কিছু শুভানুধ্যায়ী এবং পরামর্শক এবং লিবারেল পার্টির কিছু সিনিয়র মেম্বার ও প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সাথে কথা বলে আমি বুঝতে পেরেছি যে স্কারবোরো সাউথওয়েস্টের মানুষের জন্য আমরা আরও অনেক কিছু করতে পারি। এবং আপনারা সবাই জানেন যে&nbsp; স্কারবরো সাউথওয়েস্ট এর মানুষজন সর্বদাই আমার নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি। আমার জন্য আমার কমিউনিটির মানুষ সবসময়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সে কারণে এটি খুবই জরুরি যে আমি সত্যিকার অর্থেই এই এলাকার মানুষদের জন্য কিছু করতে চাই আরও ব্যাপক প্রাসপেক্টিভে।”</p>



<p>আলোচনা সভায় উপস্থিত কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে ডলি বেগম আরও বলেন, “আপনারা জানেন গত আট বছরে আমরা এই কমিউনিটির জন্য কিছু চমকপ্রদ কাজ করতে পেরেছি বিশেষ করে হাসপাতাল, হাউজিং এ সব বিষয়ে। আর যখন আমরা ফেডারেল লেভেলে এই কাজগুলো করতে পারবো তখন আমাদের কমিউনিটি আরো বেশি মাত্রায় উপকৃত হবে। হতে পারে এটি হাউজিং বিষয়ে, সিনিয়র সিটিজেনদের বিষয়ে বা অন্য কোনো বিষয়ে। ”</p>



<p>ডলি বেগম বলেন, “স্কারবরোতে আমাদের বাংলাদেশি কমিউনিটির লোকজনদের জন্য একটি বড় কমিউনিটি সেন্টার নেই। এ কারণে অনেক সিনিয়র সিটিজেন আছেন যাদের সামাজিক মেলামেশার কোনো জায়গা নেই, যেখানে গেলে তারা বিভিন্ন ধরনের অ্যাক্টিভিটি করতে পারতেন যা তাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারতো। আমাদের লংটার্ম কেয়ার ইস্যু, হাউজিং ইস্যু রয়েছে। হাউজিং এর জন্য কত মানুষকে বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে যা সত্যি বেদনাদায়ক। বার বছর, চৌদ্দ বছর অপেক্ষা করেও অনেকে হাউজিং পাচ্ছে না। আমরা চাই এই ইস্যুগুলো ফেডারেল লেভেলে উত্থাপন করতে এবং তা জোরালো ভাবে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”</p>



<p>উল্লেখ্য যে, ২০১৮ সালে প্রথমবার অন্টারিও পার্লামেন্টের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর প্রবাসী কণ্ঠে প্রদত্ত এক সাক্ষাৎকারে ডলি বেগম বলেছিলেন, আমি আসলে কখনোই দলীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না আগে। আমার মূল উদ্দেশ্য ছিল কীভাবে মানুষকে সাহায্য করতে পারবো, কমিউনিটিকে সাহায্য করতে পারবো।</p>



<p>তিনি আরও বলেছিলেন, রাজনীতিতে আসার ব্যাপারে আমি অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা পেয়েছি। তবে এ ক্ষেত্রে আমি আমার মা’র কথাই আগে বলবো। কারণ, উনার ইচ্ছাশক্তি খুবই প্রবল এবং খুবই শক্তিশালী। দুর্ঘটনায় আমার বাবা আহত হওয়ার পর থেকে আমাদের পুরো পরিবারটিকে উনিই টেক কেয়ার করেন। সে কারণে স্পষ্টতই উনার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখার আছে। আমি এখানে মূলধারার কয়েকজন রাজনীতিকের সঙ্গেও কাজ করেছি। যেমন বিচেস ইস্ট ইয়র্ক এলাকার ওয়ার্ড ৩১ এর সিটি কাউন্সিলর (সাবেক) জেনেট ডেভিস। এরকম আরো কয়েকজন এর সঙ্গে কাজ করেছি। আর তাঁদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়েও রাজনীতি সম্পর্কে অনেক কিছু শিখেছি এবং আগ্রহী হয়ে উঠেছি।</p>



<p>ডলি বেগম স্কুল এবং ইউনিভার্সিটিতে অত্যন্ত ভাল রেজাল্ট করে নিজের কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছিলেন আগেই।&nbsp; ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো বিশ্বসেরা কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি। সেখান থেকে পলিটিক্যাল সাইন্সে ডিগ্রি নিয়ে Development Administration and Planning এর উপর মাস্টার্স শেষ করেন ব্রিটেন থেকে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/04/14/%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সংকটময় অবস্থায় কানাডার হাসপাতালগুলোর জরুরি বিভাগ</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/04/05/%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 19:26:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12505</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, মার্চ ১৪, ২০২৬ : সারাদেশের রোগীরা হাসপাতালে গিয়ে শয্যা পাওয়ার জন্য স্ট্রেচারে অথবা গুদাম কক্ষে দিনের পর]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, মার্চ ১৪, ২০২৬ : সারাদেশের রোগীরা হাসপাতালে গিয়ে শয্যা পাওয়ার জন্য স্ট্রেচারে অথবা গুদাম কক্ষে দিনের পর দিন সময় কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। আসনের তুলনায় রোগী বেশি হওয়ায় স্ট্রেচারে অথবা গুদামঘরে অস্থায়ী বিছানায় দুই চার দিন এমনটি ছয়দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে অনেককে। কেউ কেউ মারাও যাচ্ছেন ওখানেই।</p>



<p>না, এটি কোন ভৌতিক সিনেমা বা হরর মুভির দৃশ্য নয়। এগুলো কানাডার হাসপাতালসমূহের জরুরি বিভাগগুলোতে ঘটে চলা এক বাস্তব দৃশ্য। সিবিসি নিউজে এমনই এক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে গত ১৩ মার্চ প্রকাশিত তাদের এক প্রতিবেদনে।</p>



<p>কানাডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (সিএমএ)-এর সভাপতি ড. মার্গো বার্নেল বর্তমান পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে সিবিসি নিউজকে বলেছেন &#8220;আমার মনে হয় আমরা চূড়ান্ত সংকটের কাছাকাছি চলে এসেছি।&#8221;</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="445" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/হাসপাতাল.jpg" alt="" class="wp-image-12506" style="aspect-ratio:1.797780820955792;width:490px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/হাসপাতাল.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/হাসপাতাল-300x167.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/হাসপাতাল-768x427.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">হাসপাতালগুলোর জরুরী বিভাগ চূড়ান্ত সংকটের কাছাকাছি চলে এসেছে। ছবি: প্রবাসী কণ্ঠ</figcaption></figure>
</div>


<p>নিউ ব্রান্সউইক-এর একজন মেডিক্যাল ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ বার্নেল বলেন, জরুরি বিভাগগুলোর জন্য সমস্যা হলো, তাদের দরজায় কারা আসছে তা তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। অন্যদিকে জরুরি বিভাগগুলোতে শুধু রোগীর সংখ্যাই বাড়ছে না, বরং যে রোগীরা আসছেন তাদের শারীরিক অবস্থাও আরও জটিল।</p>



<p>বার্নেল ব্যাখ্যা করে বলেন, “এর মানে হলো ডাক্তারের সাথে দেখা করতে আসা রোগী এবং তাদেরকে যদি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে বিছানা পেতে হয় তাহলে উভয় ক্ষেত্রেই অপেক্ষার সময় দীর্ঘ হচ্ছে। দুর্ভাগ্যবশত, এতে রোগীসেবা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।&#8221;</p>



<p>গত সপ্তাহে পাওয়া এক তথ্যে দেখা গেছে উইনিপেগে কিছু রোগীকে চিকিৎসা পাওয়ার জন্য ২০ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয়েছে। অন্যদিকে অটোয়ার এক শিশু হাসপাতালে জরুরি নয় এমন রোগীদের জন্য আনুমানিক অপেক্ষার সময় ছিল ১৫ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট। প্রিন্স এডওয়ার্ড আইল্যান্ডের সামারসাইডে জরুরি নয় এমন রোগীদের জন্য আনুমানিক অপেক্ষার সময় ছিল ১০ ঘণ্টারও বেশি।</p>



<p>এদিকে, ‘অন্টারিও হেলথ’ কর্তৃক প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় যে, গত জানুয়ারি মাসে যেসব রোগী জরুরি বিভাগে এসে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, তারা ওয়ার্ডে বিছানা পাওয়ার আগে জরুরি বিভাগে গড়ে ২০.৩ ঘণ্টা সময় কাটিয়েছেন। অন্যদিকে কুইবেক প্রভিন্সে হাসপাতালের জরুরি বিভাগগুলোতে স্ট্রেচারে শুয়ে বা বসে থাকার গড় সময় ছিল ১৮ ঘণ্টা।</p>



<p>আলবার্টার চিকিৎসকেরা জরুরি বিভাগগুলোতে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে প্রদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছেন এবং এই পরিস্থিতিকে &#8216;সংকটপূর্ণ অবস্থা&#8217; বলে অভিহিত করেছেন।</p>



<p>&#8216;সংকটজনক পরিস্থিতি&#8217;</p>



<p>গত ৩ মার্চ, কিংস্টন হেলথ সায়েন্সেস সেন্টার ফেসবুকে একটি বার্তা পোস্ট করে। ঐ বার্তাটিতে রোগীদের সতর্ক করে বলা হয়, &#8220;আগামী সপ্তাহগুলোতে আপনারা যে সেবা পাবেন তা কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।&#8221; এরপর ব্যাখ্যা করা হয় যে, কিংস্টন হেলথ সায়েন্সেস সেন্টার এইমাত্র তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী ভর্তি হওয়ার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে।</p>



<p>পোস্টটিতে দীর্ঘ অপেক্ষার সময় সম্পর্কে সতর্ক করা হয় এবং উল্লেখ করা হয় যে কিছু রোগীকে &#8220;একটি অপ্রচলিত স্থানের বিছানায় স্থান দেওয়া হতে পারে।&#8221; অর্থাৎ হাসপাতালের গুদাম ঘরে বা করিডোরে।</p>



<p>সম্প্রতি, নিউফাউন্ডল্যান্ড ও ল্যাব্রাডরের কর্নার ব্রুকের একজন রোগী বর্ণনা করেছেন যে তিনি একটি জানালাবিহীন ঘরে অতিরিক্ত স্ট্রেচারে ছয় দিন কাটিয়েছেন, আর অন্য একজন বর্ণনা করেছেন “করিডোরের একটি ছোট কোণে, যেখানে তোয়ালে ও কম্বল রাখা হয়,” সেখানে একটি স্ট্রেচারে তিন দিন কাটানোর কথা।</p>



<p>জানুয়ারিতে, ক্যালগারির রোগীরা জরুরি বিভাগে ডাক্তার দেখানোর জন্য অপেক্ষা করার সময় তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন। এদের মধ্যে একজন মহিলাও ছিলেন, যিনি প্রসবোত্তর রক্তক্ষরণের জন্য ডাক্তার দেখানোর অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছিলেন। ঐ সময় তার শরীরের নিচে রক্ত ​​জমা হচ্ছিল। এটি একটি লাইফ থ্রেটেনিং অবস্থা।</p>



<p>অটোয়ার একজন জরুরি চিকিৎসক এবং কানাডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অফ ইমার্জেন্সি ফিজিশিয়ানস-এর জনসংযোগ কমিটির ভাইস চেয়ার ড. মাইকেল হারম্যান সিবিসি নিউজকে বলেন। &#8220;সারা দেশে আপনারা যে ঘটনাগুলো দেখছেন, তা আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সেই চরম ভাঙনের মুহূর্তটিকেই প্রতিফলিত করে, যা আমার মতে আমরা দুর্ভাগ্যবশত এই মুহূর্তে প্রকাশ পেতে দেখছি,&#8221;</p>



<p>সিস্টেমের উপর চলমান চাপ&nbsp;</p>



<p>গত বছর প্রকাশিত অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ওইসিডি)-র একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৩ সালে কানাডায় প্রতি ১,০০০ জনে গড়ে ২.৫টি হাসপাতালের শয্যা ছিল। এটি ওইসিডিভুক্ত দেশগুলোর গড় ৪.২টি শয্যার তুলনায় অনেক কম। এর অর্থ হলো, সেই বছর পরিমাপকৃত ৩৫টি দেশের মধ্যে কানাডার অবস্থান ছিল ২৮তম। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে প্রতি ১,০০০ জনের জন্য ১২টি শয্যা ছিল।</p>



<p>হারম্যান বলেন, প্রতিটি জরুরি বিভাগই উন্নতমানের সেবা প্রদানের চেষ্টা করে, কিন্তু ব্যবস্থাগত সীমাবদ্ধতার কারণে তারা প্রায়শই সেটি করতে পারে না।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মাস শেষে কানাডার প্রায় অর্ধেক মানুষের সঞ্চয় বলতে কিছুই থাকে না</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/04/05/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%85/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 19:22:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12502</guid>

					<description><![CDATA[বাড়ি ভাড়া, খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের পেছনে মাসিক আয়ের সবটাই খরচ হয়ে যায় প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, মার্চ ১৮, ২০২৬]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-medium-font-size"><strong>বাড়ি ভাড়া, খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের পেছনে মাসিক আয়ের সবটাই খরচ হয়ে যায়</strong></p>



<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, মার্চ ১৮, ২০২৬ : একটি নতুন সমীক্ষায় দেখা গেছে, মাস শেষে কানাডার প্রায় অর্ধেক মানুষের সঞ্চয় বলতে প্রায় কিছুই থাকে না। বাড়ি ভাড়া, খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের পেছনে মাসিক আয়ের সবটাই খরচ হয়ে যায়। ফলে পরবর্তী বেতনের চেকের অপেক্ষায় থাকতে হয় তাদেরকে। অন্যদিকে, প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন প্রতি মাসে তাদের ক্রেডিট কার্ডের বিল ঠিকমতো পরিশোধ করতে পারেন না প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে। Vividata কর্তৃক পরিচালিত একটি নতুন সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে। খবর সিটিভি নিউজের।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="450" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/রে.jpg" alt="" class="wp-image-12503" style="aspect-ratio:1.7778047848883642;width:495px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/রে.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/রে-300x169.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/রে-768x432.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">মাস শেষে কানাডার প্রায় অর্ধেক মানুষের সঞ্চয় বলতে প্রায় কিছুই থাকে না। ছবি : সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>এদিকে এই অর্থনৈতিক সংকটকে আরও নাজুক করে তুলেছে আমেরিকা ও ইসরাইলের সাথে ইরানের যুদ্ধ। এই যুদ্ধের কারণে বাজারে জ্বালানি তেলের দাম হুহু করে বাড়ছে। সেই সাথে বাড়ছে খাদ্যদ্রব্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য জিনিসের দামও।</p>



<p>কানাডায় এই অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাদের নিত্যদিনের বাস, তারা যদি&nbsp; কোনো এক মাসে কোনো কারণে বেতন না পান বা বেতন পেতে যদি দেরী হয়, তবে তাদের জীবনে নেমে আসে আরেক বিপদ। তারা তখন সঠিক সময়ে বাড়ি ভাড়া দিতে পারেন না। গ্রোসারী করতে গিয়ে ঋণ করতে হয়। আগের ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে নতুন করে আবার ঋণ করতে হয়।</p>



<p>কানাডায় ক্রেডিট কার্ডের সুদের হার ২০ থেকে ২৪ শতাংশ হলেও, কিছু কার্ডে তা ৩০ শতাংশ পর্যন্তও হতে পারে। সুদ এড়াতে প্রতি মাসে বকেয়া পরিশোধ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। কিন্তু সমীক্ষায় দেখা গেছে যে ৩৬ শতাংশ কানাডিয়ানের ক্রেডিট কার্ডে বকেয়া অব্যাহত থাকে এবং টাকার অভাব হলে পুনরায় ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন।</p>



<p>অন্যদিকে, ‘Canadian Consumer Winter 2026’-এর জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৪৯ শতাংশ বলেন যে, তারা মাস শেষে বেতনের অপেক্ষায় থাকেন।</p>



<p>এই তথ্যের উপর ভিত্তি করে ‘Vividata’র প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী প্যাট পেলেগ্রিনি বলেন, “মাস শেষে ৪৯ শতাংশ মানুষ কর্তৃক বেতনের অপেক্ষায় থাকার বিষয়টি আশ্চর্যজনক এবং হতবাক করার মতো। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এটি একটি অবিশ্বাস্যরকম বড় সংখ্যা। ”</p>



<p>তিনি সিটিভি নিউজকে বলেন, “প্রতি মাসে ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া পরিশোধ করতে না পারলে তা জীবনকে আরও কঠিন করে তোলে। এই শ্রেণির মানুষ সঞ্চয় করার পরিবর্তে ঋণ পরিশোধ করতে থাকে এবং মাসের শেষে আবার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে এবং একটি দুর্ভাগ্যজনক চক্রের মধ্যে পড়ে যায়।”</p>



<p>এদিকে Credit Counselling Society’র মার্ক কালিনোস্কি বলেন,&nbsp; “নতুন ইরান যুদ্ধের আগেও মানুষের অবস্থা খুব নাজুক ছিল। খাদ্য ও বাসস্থানের দাম সবসময়ই অনেক বেশি ছিল, কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো, এখন কর্মজীবী মানুষদেরকে প্রতি লিটার গ্যাসে অতিরিক্ত ১৬ থেকে ২০ সেন্ট দিতে হচ্ছে এবং এই টাকাটা তাদেরকে দিতেই হচ্ছে, কোনো বিকল্প নেই।”</p>



<p>সমীক্ষায় আরও দেখা গেছে, ৩৭ শতাংশ মানুষ আর্থিক বোঝায় জর্জরিত, ৫৮ শতাংশের হাতে আগের চেয়ে কম মাত্রায় ব্যয় করার মতো অর্থ রয়েছে।</p>



<p>অন্যদিকে, ৭৪ শতাংশ বলেছেন যে, জীবনযাত্রার ব্যয় ক্রমবর্ধমানভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় তাঁরা দৈনন্দিন খরচের বিষয়ে আরও সতর্ক হয়েছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অর্ধেকের বেশি আমেরিকান মনে করেন তাদের সহনাগরিকরা নৈতিকভাবে খারাপ : আর কানাডিয়ানরা?</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/04/05/%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ae/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 19:18:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12499</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, মার্চ ১৬, ২০২৬ : আমেরিকান প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্র ৪৭ শতাংশ বলেছেন যে আমেরিকানরা সামগ্রিক অর্থে নৈতিকভাবে ভালো। আর]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, মার্চ ১৬, ২০২৬ : আমেরিকান প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্র ৪৭ শতাংশ বলেছেন যে আমেরিকানরা সামগ্রিক অর্থে নৈতিকভাবে ভালো। আর বাকিদের নৈতিকতা খারাপ! এই হিসাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনায় সর্বনিম্ন!</p>



<p>অন্যদিকে ৯২ শতাংশ কানাডিয়ান মনে করেন নৈতিকভাবে কানাডার নাগরিকেরা ভালো। এই হিসাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ! অবশ্য সর্বোচ্চ এই তালিকায় কানাডার পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়ার নামও রয়েছে। অর্থাৎ মাত্র সাত শতাংশ কানাডিয়ান তাদের সহনাগরিকদের নৈতিকভাবে খারাপ বলেছেন, যেখানে আমেরিকানদের মধ্যে এই হার ৫৩ শতাংশ।</p>



<p>Pew Research Center কর্তৃক পরিচালিত এবং চলতি মার্চ মাসে প্রকাশিত ২৫টি দেশের নৈতিকতা বিষয়ক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে কানাডা ও আমেরিকা সম্পূর্ণ বিপরীত প্রান্তে অবস্থান করছে। এই সমীক্ষায় বিশ্বজুড়ে মানুষকে তাদের নিজ নিজ দেশের অন্যদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধের মূল্যায়ন করতে বলা হয়েছিল। খবর গ্লোবাল নিউজের।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="494" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/পতাকা.jpg" alt="" class="wp-image-12500" style="aspect-ratio:1.619452791396489;width:501px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/পতাকা.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/পতাকা-300x185.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/04/পতাকা-768x474.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption"> ৯২ শতাংশ কানাডিয়ান মনে করেন নৈতিকভাবে কানাডার নাগরিকেরা ভালো। ছবি: সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>সমীক্ষার লেখকরা উল্লেখ করেছেন যে, পিউ রিসার্চ আগে কখনও এই প্রশ্নটি করেনি, তাই সহনাগরিকদের নৈতিকতা সম্পর্কে আমেরিকানদের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নতুন কিনা বা এর চালিকাশক্তি কী, তা তারা বলতে পারেনি, তবে তারা ধারণা দিয়েছেন যে রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্য একটি কারণ হতে পারে।</p>



<p>&nbsp;“যুক্তরাষ্ট্রে, রিপাবলিকানদের তুলনায় ডেমোক্র্যাটরা তাদের সহ আমেরিকানদেরকে নৈতিক ও নীতিগতভাবে খারাপ হিসেবে মূল্যায়ন করার সম্ভাবনা বেশি”— এই হার ৬০ শতাংশ বনাম ৪৬ শতাংশ, সমীক্ষার প্রধান লেখক জোনাথন ইভান্স গ্লোবাল নিউজকে একথা জানিয়েছেন। তবে, তিনি উল্লেখ করেছেন যে, “যারা শাসক দলের সমর্থক নন, তাদের মধ্যে সহনাগরিকদেরকে অনৈতিক হিসেবে দেখার প্রবণতা বেশি থাকে, যা আমরা বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশেই দেখেছি।”</p>



<p>এদিকে গত জানুয়ারিতে আমেরিকার গণমাধ্যম সংস্থা ‘এনপিআর’-এর জন্য পরিচালিত Ipsos এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে, যেখানে ৬১ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন বিশ্ব মঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের একটি নৈতিক নেতা হওয়া উচিত, সেখানে মাত্র ৩৯ শতাংশ মনে করেন দেশটি সেই অবস্থান ধরে রাখতে পারছে — যা ২০১৭ সালের ৬০ শতাংশ থেকে কমে এসেছে।</p>



<p>সামাজিক বিষয়গুলির নৈতিকতা নিয়ে বিভেদ</p>



<p>পিউ সমীক্ষায় উত্তরদাতাদের কাছে আরও জানতে চাওয়া হয়েছিল যে, তাঁরা বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, বিবাহবিচ্ছেদ, গর্ভপাত, সমকামিতা এবং জুয়ার মতো নির্দিষ্ট বিষয়গুলিকে নৈতিক নাকি অনৈতিক বলে মনে করেন।</p>



<p>সমীক্ষায় দেখা গেছে মাত্র আট শতাংশ আমেরিকান গর্ভনিরোধক ব্যবহারকে অনৈতিক বলেছেন, যেখানে কানাডিয়ানদের মধ্যে এই হার ছয় শতাংশ। প্রায় একই সংখ্যক মানুষ জুয়া খেলা (যুক্তরাষ্ট্রে ২৯ শতাংশ, কানাডায় ২৭ শতাংশ) এবং পর্নোগ্রাফি দেখাকেও (৫২ শতাংশ বনাম ৪৮ শতাংশ) অনৈতিক বলে মনে করেন।</p>



<p>তবে, সমকামিতাকে (৩৯ শতাংশ বনাম ১৫ শতাংশ), গর্ভপাতকে (৪৭ শতাংশ বনাম ১৯ শতাংশ), বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে (৯০ শতাংশ বনাম ৭৬ শতাংশ) এবং বিবাহবিচ্ছেদকে (২৩ শতাংশ বনাম ১১ শতাংশ) অনৈতিক হিসেবে দেখার ক্ষেত্রে আমেরিকানরা কানাডিয়ানদের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে ছিল।</p>



<p>গত বছর ২৬টি দেশের ওপর পরিচালিত ইপসোস এর সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৬৮ শতাংশ কানাডিয়ান মনে করেন যে সমকামী দম্পতিদের বিয়ে করার অনুমতি দেওয়া উচিত, যেখানে আমেরিকানদের মধ্যে এই হার ছিল ৫৩ শতাংশ।</p>



<p>অন্যদিকে, ইপসোস কর্তৃক ২০২৩ সালে গর্ভপাত বিষয়ে পরিচালিত একটি বিশ্বব্যাপী সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৬৯ শতাংশ কানাডিয়ান মনে করেন যে গর্ভপাত বৈধ হওয়া উচিত, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে এই হার ৫৫ শতাংশ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কানাডা ২০২৬ সালে অভিবাসন নিয়ম কঠোর করবে</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/03/04/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8%e0%a7%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Mar 2026 21:27:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12445</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ : কানাডা ২০২৬ সালে অভিবাসন নিয়ম কঠোর করবে এবং কম সংখ্যক নতুন ইমিগ্রেন্ট, শিক্ষার্থী]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ : কানাডা ২০২৬ সালে অভিবাসন নিয়ম কঠোর করবে এবং কম সংখ্যক নতুন ইমিগ্রেন্ট, শিক্ষার্থী এবং অস্থায়ী কর্মী গ্রহণ করবে। নতুন ইমিগ্রেন্ট গ্রহণের বিষয়ে চলমান কাটছাঁট প্রক্রিয়া দেশটির জন্য একটি বড় পরিবর্তন, যা বছরের পর বছর ধরে অভিবাসনের মাত্রা বাড়িয়ে আসছিল। খবর সিটিভি নিউজের।</p>



<p>২০২৪ সালের শেষের দিকে কানাডায় বেকারত্বের হার হ্রাস, আবাসন ক্রয়ক্ষমতা মোকাবেলা এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো সরকারি পরিষেবার উপর চাপ কমানোর জন্য কম সংখ্যক নতুন ইমিগ্রেন্ট, শিক্ষার্থী এবং অস্থায়ী কর্মী গ্রহণ করার নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল।</p>



<p>তবে কানাডা সাধারণভাবে ২০২৬ সালে নতুন&nbsp; ইমিগ্রেন্ট এবং অস্থায়ী কর্মীদের সংখ্যা কমিয়ে আনলেও যারা দক্ষ কর্মী, ফরাসি ভাষাভাষী এবং যাদের রয়েছে কানাডিয়ান কাজের অভিজ্ঞতা, তাদেরকে কানাডায় আসার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কারণ তারা কানাডার অর্থনীতিতে বেশি অবদান রাখতে পারবে। সিটিভি নিউজকে এ কথা বলেন ক্যালগারি-ভিত্তিক অভিবাসন পরামর্শদাতা মনদীপ লিদার। তিনি আরও বলেন, সামগ্রিকভাবে কানাডার অভিবাসন নীতি কম সংখ্যক কিন্তু বিশেষ দক্ষ কর্মীদের বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="450" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/03/দক্ষ.jpg" alt="" class="wp-image-12446" style="aspect-ratio:1.7778047848883642;width:456px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/03/দক্ষ.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/03/দক্ষ-300x169.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/03/দক্ষ-768x432.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">যারা দক্ষ কর্মী, ফরাসি ভাষাভাষী এবং যাদের রয়েছে কানাডিয়ান কাজের অভিজ্ঞতা, তাদেরকে কানাডায় আসার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ছবি : সংগৃহীত</figcaption></figure>
</div>


<p>ইতিপূর্বে অভিবাসন পরিকল্পনায়, কানাডা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে তারা ২০২৪ সালে প্রথম চালু হওয়া কাটছাঁট অব্যাহত রাখবে। কারণ &nbsp;ফেডারেল সরকার অভিবাসীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে কমাতে চায়। আর এই কারণে নতুন অভিবাসন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে সরকার। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৫ সালে পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছিল ৩৯৫,০০০ জন। ২০২৬ সালে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৮০,০০০ জনে এবং ২০২৭ সালে ৩৬৫,০০০ জনে। ২০২৪ সালের &nbsp;২৪ অক্টোবর নতুন এই ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।</p>



<p>বস্তুত, সাম্প্রতিক সময়ে কানাডায় আবাসন সংকট এবং চিকিৎসা সংকট তীব্র আকার ধারণ করায় লোক সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নেয় ফেডারেল সরকার। আর সে কারণেই কানাডায় অভিবাসীদের সংখ্যা কমানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়।</p>



<p>উল্লেখ্য যে, কানাডা গত বছর ৩,৯৩,৫০০ জন নতুন ইমিগ্রেন্টকে কানাডায় প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। ইমিগ্রেশন, রিফিউজি এণ্ড সিটিজেনশিপ কানাডার (IRCC) মতে, এই সংখ্যাটি নতুন ইমিগ্রেন্টদের স্বাগতম জানানোর লক্ষ্যমাত্রার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। তবে এটি আসলে ২০২৪ সালের শরৎকালে ঘোষিত পূর্বাভাসের তুলনায় কিছুটা কম। হিসাবে দেখা গেছে এই সংখ্যা ২০২৫ সালের জন্য নির্ধারিত ৩,৯৫,০০০ জন ব্যক্তির লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২০০০ জন কম।</p>



<p>মনদীপ লিদার বলেন, &#8220;ইমিগ্রেশন পলিসি পরিবর্তনের অর্থ হল, উন্নত শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পেশাদার পটভূমি সম্পন্ন আবেদনকারীরা কানাডায় প্রবেশ করার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। ২০২১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বছরের পর বছর ধরে বেশি সংখ্যায় ইমিগ্রেন্ট গ্রহণের পর নতুন ইমিগ্রেশন পলিসি একটি কাঠামোগত সংশোধন এবং কানাডার অভিবাসন ব্যবস্থার একটি বড় ধরণের পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত দেয়।&#8221;</p>



<p>ইমিগ্রেন্ট বা পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট হলেন তারা যারা কানাডার নাগরিক নন। কিন্তু এরা দীর্ঘ সময়ের জন্য কানাডায় বসবাস এবং কাজ করার জন্য অনুমতি পান। তারা কর প্রদান করেন এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো পরিষেবার পান। কিন্তু নাগরিকদের মতো তারা কানাডায় ভোট দিতে পারে না। তবে পর্যায়ক্রমে তারা নাগরিকত্ব পান কানাডার।</p>



<p>কানাডার নতুন ইমিগ্রেশন পলিসির আওতায় শ্রম ঘাটতি এবং সরকারি অগ্রাধিকার পূরণের জন্য, স্বাস্থ্যসেবা, সমাজসেবা, বাণিজ্য পেশা, কৃষি, শিক্ষা এবং STEM (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল এবং গণিত) পেশায় অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদেরও এক্সপ্রেস এন্ট্রি সিস্টেমের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</p>



<p><strong>ফরাসী ভাষায় দক্ষ ইমিগ্রেন্টের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে</strong></p>



<p>যদিও কানাডা সামগ্রিক অভিবাসন সংখ্যা কমিয়েছে, তবে ফরাসী ভাষায় দক্ষ (ফ্রাঙ্কোভাষী) ইমিগ্রেন্টের সংখ্যা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে দেশটির। ২০২৬ সালের জন্য নতুন ফ্রাঙ্কোভাষী স্থায়ী বাসিন্দাদের লক্ষ্যমাত্রা ৯ শতাংশ করা হয়েছে যা ২০২৫ সালে ৮.৫ শতাংশ ছিল। এই লক্ষ্যমাত্রা ২০২৭ সালে ৯.৫ শতাংশ এবং ২০২৮ সালে ১০.৫ শতাংশে উন্নীত হবে।</p>



<p><strong>শরণার্থীদের বেলায় কঠোর আশ্রয় বিধি এবং লক্ষ্যমাত্রা</strong></p>



<p>২০২৬ সালে শরণার্থী, প্রটেক্টেড বা সুরক্ষিত ব্যক্তি এবং মানবিক কারণে আশ্রয় চাওয়া ব্যক্তিদের লক্ষ্যমাত্রা ৫৬,২০০ জন নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পূর্ববর্তী লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ১২,০০০ কম। ২০২৭ সালে এই সংখ্যা আবার ৫৪,৩০০-এ নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং ২০২৮ সালেও এই সংখ্যাটি একই থাকবে।</p>



<p>কানাডা বিল সি-২ নামে নতুন এক আইনও প্রস্তাব করছে গত বছর জুনে যেখানে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কানাডায় পৌঁছানোর এক বছরেরও বেশি সময় পরে অথবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্থল সীমান্ত অতিক্রম করার ১৪ দিনেরও বেশি সময় পরে যদি শরণার্থী হিসাবে আশ্রয়ের দাবি জমা দেন তবে তা অগ্রহণযোগ্য হবে। নতুন এই বিল সি-২ ‘স্ট্রং বর্ডারস অ্যাক্ট’ নামেও পরিচিত। যদিও এটি এখনও পাস হয়নি। বিল সি-২ কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিকভাবে অভিবাসন নথি এবং আবেদন বাতিল করার ক্ষমতাও দিতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গবেষণায় দেখা গেছে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আসা অভিবাসীদের আয় কম</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/03/04/%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Mar 2026 21:24:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12442</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ : গত সাত বছরের তথ্যের উপর ভিত্তি করে স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা নতুন একটি গবেষণার ফলাফল]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ : গত সাত বছরের তথ্যের উপর ভিত্তি করে স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা নতুন একটি গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেছে। আর এই গবেষণায় দেখা গেছে, কানাডায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আসা অভিবাসীদের আয় কম। খবর গ্লোবাল নিউজের। &nbsp;</p>



<p>কম আয়ের এই তালিকায় আরও আছেন সিঙ্গেল মাদারের অধীনে বসবাসকারী পরিবারের লোকেরা (২৩ শতাংশ), উচ্চ বিদ্যালয়ের ডিপ্লোমাবিহীন লোকেরা (২১ শতাংশ) এবং যাদের &#8220;সর্বদা সীমাবদ্ধতা ছিল দৈনন্দিন কাজকর্মে &#8221; (১৮ শতাংশ)।&nbsp; সামগ্রিক জনসংখ্যার তুলনায় ধারাবাহিকভাবে কম আয়ের ঝুঁকি বেশি ছিল তিন শ্রেণির এই লোকদের।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="543" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/03/কর্মী.jpg" alt="" class="wp-image-12443" style="aspect-ratio:1.4733101205720698;width:431px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/03/কর্মী.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/03/কর্মী-300x204.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/03/কর্মী-768x521.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">গবেষণায় দেখা গেছে, কানাডায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আসা অভিবাসীদের আয় কম। ছবি : আইস্টক</figcaption></figure>
</div>


<p>২০১৬ থেকে ২০২২ সাল, এই সময়কালে দেখা গেছে যাদের উচ্চ বিদ্যালয়ের ডিপ্লোমা নেই তাদের স্থায়ীভাবে কম আয়ের সম্ভাবনা পাঁচ গুণ বেশি ছিল।</p>



<p>এছাড়াও দেখা গেছে, গবেষণার ঐ সময়কালে অ-অভিবাসীদের তুলনায় সাম্প্রতিক অভিবাসীদের আয় ধারাবাহিকভাবে কম হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণেরও বেশি ছিল।</p>



<p>National Advisory Council on Poverty ২০২৫ সালের একটি প্রতিবেদন জারি করে সতর্ক করে দিয়ে বলে, &#8220;আমাদের সামাজিক সুরক্ষা নেটওয়ার্ক বর্তমান চ্যালেঞ্জ এবং আর্থ-সামাজিক চাপ মোকাবেলা করার জন্য তৈরি করা হয়নি।&#8221;</p>



<p>ঐ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, &#8220;আমরা অভূতপূর্ব এক সময়ে বাস করছি। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, আমরা বিশ্বব্যাপী মহামারী, চলমান জাতিগত উত্তেজনা, সামাজিক ন্যায়বিচার আন্দোলন, প্রায় রেকর্ড-উচ্চতার মুদ্রাস্ফীতি, আবাসন সংকট, মাদক সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্বব্যাপী সংঘাত, সামাজিক বিভাজন, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, আমাদের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি এবং শুল্ক ও আমাদের দেশের উপর তাদের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব সম্পর্কিত অনিশ্চয়তা প্রত্যক্ষ করেছি এবং এর মুখোমুখি হয়েছি।”</p>



<p>&#8220;ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্যের হার এবং দেশজুড়ে আমাদের সাথে মানুষ যে চ্যালেঞ্জগুলি নিয়ে কথা বলেছে, তা আমাদের কাছে স্পষ্ট করে দেয় যে বিদ্যমান সরকারি সহায়তা এবং সুবিধাগুলি ক্রমবর্ধমান এবং ক্রমবর্ধমান চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে চলছে না।&#8221;</p>



<p>কানাডায় আয় বৈষম্যও একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
