<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Cover Story &#8211; Probashi Kantho</title>
	<atom:link href="https://probashikantho.com/category/cover-story/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://probashikantho.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Thu, 01 Oct 2026 17:10:52 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1.3</generator>

<image>
	<url>https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2021/04/thumbnail_thumbnail-150x150.jpg</url>
	<title>Cover Story &#8211; Probashi Kantho</title>
	<link>https://probashikantho.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>মুসলিমদের ‘গণহত্যার’ হুমকি : নয়টি ইসলামিক স্কুলকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/10/01/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/10/01/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Oct 2026 17:09:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12979</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : কানাডার মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে যে এই সপ্তাহে তাদের নয়টি স্কুলে সহিংসতা চালানোর হুমকি]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph">প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : কানাডার মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে যে এই সপ্তাহে তাদের নয়টি স্কুলে সহিংসতা চালানোর হুমকি দিয়ে একটি ইমেল পাঠানো হয়েছে। এরপরই সারা দেশের বিভিন্ন পুলিশ বাহিনী এসব হুমকির বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। খবর দি কানাডিয়ান প্রেস এর।</p>



<p class="wp-block-paragraph">মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন এর মুখপাত্র নাবিল সুলতান জানিয়েছেন যে, ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে অন্টারিও, ব্রিটিশ কলম্বিয়া ও কুইবেকের স্কুলগুলোতে একই বেনামি ইমেল পাঠানো হয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">&#8216;সিটিজেন ভিজিল্যান্ট&#8217; (Citizen Vigilante) বা &#8216;নাগরিক পাহারাদার&#8217;-এর স্বাক্ষরিত এবং &#8216;দ্য কানাডিয়ান প্রেস&#8217;-এর কাছে পাঠানো ওই ইমেইলে মুসলিমদের &#8216;গণহত্যার&#8217; হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং কানাডাকে &#8216;ইসলামমুক্ত&#8217; করার অঙ্গীকার করা হয়েছে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="800" height="436" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/স্কুল.jpg" alt="" class="wp-image-12972" style="aspect-ratio:1.834892305486865;width:584px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/স্কুল.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/স্কুল-300x164.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/স্কুল-768x419.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">মুসলিম এসোসিয়েশন অব কানাডার নয়টি স্কুলে সহিংসতা চালানোর হুমকি দিয়ে ইমেল পাঠানো হয়েছে। ছবি :মুসলিম এসোসিয়েশন অব কানাডা</figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph">সুলতানের নিজের এক সন্তান মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন অফ কানাডা’র (MAC) একটি স্কুলে পড়াশোনা করে। তিনি জানান যে চিঠিটি পড়ে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছেন এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে MAC কর্তৃপক্ষ অর্থের বিনিময়ে নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ করেছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সুলতান আরো বলেন, “সংগঠনটি হুমকি ও ইসলামবিদ্বেষী ই-মেইল পাওয়ার বিষয়ে অভ্যস্ত হলেও, এই অলাভজনক সংস্থার স্কুলগুলোকে এমন সরাসরিভাবে লক্ষ্যবস্তু করার ঘটনা এটাই প্রথম।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">অন্টারিও-র পিল অঞ্চলের পুলিশ শুক্রবার জানিয়েছে যে, তারা ইসলামি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ‘ঘৃণা-প্রসূত হুমকি’ সম্বলিত একটি চিঠি সম্পর্কে অবগত। এর পরিপ্রেক্ষিতে মসজিদ ও স্কুলগুলোর আশেপাশে রাতে পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে এবং সপ্তাহান্তেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি পুলিশের ঘৃণামূলক অপরাধ বিষয়ক ইউনিট বিষয়টি তদন্ত করছে বলেও জানানো হয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">অন্টারিও-র লন্ডন এবং ওয়াটারলু অঞ্চলের পুলিশও জানিয়েছে যে, তারা ইসলামি স্কুলগুলোতে পাঠানো হুমকি-পূর্ণ ইমেইলগুলোর বিষয়ে তদন্ত করছে এবং অন্যান্য এলাকায় দেওয়া অনুরূপ হুমকির বিষয়েও তারা অবগত।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এদিকে, অটোয়া পুলিশ জানিয়েছে যে যেসব স্থানে চিঠিগুলো পাঠানো হয়েছিল, সেখানে পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে; তবে কোনো ‘সুনির্দিষ্ট বা আসন্ন হুমকির’ কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উল্লেখ্য যে, জননিরাপত্তা মন্ত্রী গ্যারি আনন্দসাংগারি এক বিবৃতিতে বলেছেন যে, এসব হুমকিতে তিনি ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’।</p>



<p class="wp-block-paragraph">মন্ত্রী আরো বলেন, &#8220;প্রতিটি শিশুরই নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণের অধিকার রয়েছে এবং প্রতিটি পরিবারেরই তাদের সন্তানকে স্কুলে পাঠানোর ক্ষেত্রে নিরাপদ বোধ করার অধিকার রয়েছে। এই ধরনের হুমকি অগ্রহণযোগ্য এবং কানাডায় এগুলোর কোনো স্থান নেই।&#8221;</p>



<p class="wp-block-paragraph">সুলতান বলেছেন, কানাডায় ইসলামভীতি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ম্যাক (MAC)-এর স্কুলগুলোর বিরুদ্ধে এসব হুমকির ঘটনা ঘটছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর সাম্প্রতিক নৃশংসতার ঘটনাগুলোর দিকেও ইঙ্গিত করেন—যার মধ্যে রয়েছে ২০২১ সালে অন্টারিও-র লন্ডনে আফজাল পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনা (যা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল) এবং ২০১৭ সালে কুইবেক সিটির একটি মসজিদে গুলিবর্ষণের ঘটনা, যাতে ছয়জন মুসল্লি নিহত হয়েছিলেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">স্ট্যাটিসটিক্স কানাডার সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মুসলমানদের বিরুদ্ধে পুলিশে নথিভুক্ত ঘৃণামূলক অপরাধের সংখ্যা ১৭০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সুলতান বলেন, ক্লাসে যাওয়ার পথে নিরাপত্তা কর্মী ও পুলিশ কর্মকর্তাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা ‘ভীত ও অরক্ষিত’ বোধ করছে; আর এসব হুমকি এমন কিছু কঠিন প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে যে—কাকে কানাডীয় হিসেবে গণ্য করা হবে এবং কাকে ‘বহিরাগত’ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি যুক্তি দেন যে, কানাডাকে এমন এক ‘ইসলামভীতি ও বিদেশি-বিদ্বেষপূর্ণ পরিবেশ’ মোকাবিলা করতে হবে, যা মুসলিম ও অন্যান্য দৃশ্যমান সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হুমকির জন্ম দেয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/10/01/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কানাডায় আবারও  অভিবাসন বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/10/01/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a8-%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/10/01/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a8-%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Oct 2026 17:04:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12975</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, কানাডার অভিবাসন ব্যবস্থা পুনরায় নিয়ন্ত্রণে আসায় এখন প্রশ্ন দেখা]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph">প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, কানাডার অভিবাসন ব্যবস্থা পুনরায় নিয়ন্ত্রণে আসায় এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—কখন থেকে দেশটির জনসংখ্যায় ‘নিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি’ শুরু করা হবে। খবর দি কানাডিয়ান প্রেস এর।</p>



<p class="wp-block-paragraph">নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে কার্নি এই মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, “সুতরাং তা ঘটবেই, আর আমরা কেবল নিশ্চিত করতে চাই যে বিষয়টি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img decoding="async" width="800" height="365" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/শপথ.jpg" alt="" class="wp-image-12976" style="aspect-ratio:2.191831842116529;width:644px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/শপথ.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/শপথ-300x137.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/শপথ-768x350.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">ওয়ার্ল্ড কাপের সময় কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে নাগরিকত্ব লাভের শপথ অনুষ্ঠান। ছবি : ফিফাওয়ার্ল্ডকাপ, ভ্যাঙ্কুভার ভায়া সিটিভি নিউজ</figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph">তিনি এই মন্তব্য করলেন এমন এক সময় যখন আর মাসখানেক পরই আইন অনুযায়ী সরকারকে আগামী তিন বছরের জন্য অভিবাসন-সংক্রান্ত পরিকল্পনার বিষয়টি প্রকাশ করতে হবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উল্লেখ্য যে, কভিড মহামারীর পরবর্তী সময়ে জনসংখ্যায় দ্রুত বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে, সর্বশেষ তিনটি ফেডারেল অভিবাসন পরিকল্পনায় দেশে আগমনকারী মানুষের সংখ্যা কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কার্নি জুলাই মাসে বলেছিলেন যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সরকারের আমলে জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির পর বর্তমান সরকার অভিবাসন ব্যবস্থার ওপর “নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার” করেছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তবে কনজারভেটিভ দলের অভিবাসন-বিষয়ক সমালোচক মিশেল রেম্পেল গার্নার বলেছেন, আরও অভিবাসনের পরিকল্পনা করার সময় এখন নয়। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছেন, “অভিবাসন-হার বাড়ানোর পরিবর্তে কমানো প্রয়োজন।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">ইতিপূর্বে সরকার প্রতি বছর কানাডায় স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে গ্রহণ করা মানুষের সংখ্যা ৫ লাখে উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছিল। তবে ২০২৪-২৫ সালের অভিবাসন পরিকল্পনায় তারা সেই অবস্থান পরিবর্তন করে এবং এই সংখ্যা কমাতে শুরু করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কানাডায় অস্থায়ী কর্মী ও শিক্ষার্থীদের সংখ্যায় বড় ধরনের বৃদ্ধি আবাসন ও শ্রমবাজার, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য পরিষেবার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে—এমনটা উল্লেখ করার পর সরকার তাদের সংখ্যা সীমিত করার প্রক্রিয়াও শুরু করেছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আগামী বছরের শেষ নাগাদ অস্থায়ী বাসিন্দাদের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।</p>



<p class="wp-block-paragraph">অভিবাসন সংখ্যার সর্বশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী, এ বছর ৩,৮৫,০০০ এবং ২০২৭ ও ২০২৮—উভয় বছরেই ৩,৭০,০০০ স্থায়ী বাসিন্দাকে গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উল্লেখ্য যে, সরকার আগামী দুই বছরে আরও প্রায় ১,৪৮,০০০ স্থায়ী বাসিন্দাকে স্বাগত জানানোর লক্ষ্যে দুটি অস্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা তাদের বৃহত্তর পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত নয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কার্নি নিউইয়র্ক টাইমসকে আরো বলেছেন, সীমিত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে কানাডার জিডিপি সংকুচিত হচ্ছে। স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার হিসাব অনুযায়ী, ১ জুলাই পর্যন্ত গত বছরের তুলনায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ০.৫ শতাংশ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/10/01/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a8-%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অন্টারিওতে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত অধিকাংশ অস্ত্রোপচারের জন্য অপেক্ষার সময় বেড়েছে</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/10/01/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%93%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/10/01/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%93%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Oct 2026 16:50:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12968</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : &#8216;কানাডিয়ান সেন্টার ফর পলিসি অল্টারনেটিভস&#8217;-এর একটি নতুন প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে, অন্টারিওতে এমআরআই]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph">প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : &#8216;কানাডিয়ান সেন্টার ফর পলিসি অল্টারনেটিভস&#8217;-এর একটি নতুন প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে, অন্টারিওতে এমআরআই (MRI) পরীক্ষার জন্য অপেক্ষার সময় বেড়েছে। হাসপাতালের পরিবর্তে বাইরের প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে এই পরীক্ষার ব্যবস্থা স্থানান্তরের ফলেই মূলত এমনটা ঘটেছে। আর &#8216;কুইন্স পার্ক&#8217;-এর প্রতিবেদক লরেন্ডা রেডডেকপ যেমনটি জানিয়েছেন, অপেক্ষার সময় বেড়ে যাওয়ার ঘটনা কেবল এই একটি চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গতকাল সোমবার প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০১৭ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রদেশটির সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত অধিকাংশ অগ্রাধিকারমূলক অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রে অপেক্ষার সময়সীমা বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img decoding="async" width="800" height="450" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/ক্লিনিক.jpg" alt="" class="wp-image-12969" style="aspect-ratio:1.7778047848883642;width:523px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/ক্লিনিক.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/ক্লিনিক-300x169.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/ক্লিনিক-768x432.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">অন্টারিওতে এমআরআই (MRI) পরীক্ষার জন্য অপেক্ষার সময় বেড়েছে। ছবি: সিবিসি</figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph">কানাডিয়ান সেন্টার ফর পলিসি অল্টারনেটিভস (CCPA)-এর প্রকাশিত ঐ গবেষণা অনুযায়ী, যে ১২টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত চিকিৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রে এই সময়ে অপেক্ষার সময় বৃদ্ধি পেয়েছে, তার মধ্যে এমআরআই (MRI) স্ক্যান, ছানি অপারেশন এবং সব ধরনের ক্যান্সার সার্জারি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ওই কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ গবেষক অ্যান্ড্রু লংহার্স্ট বলেন, “এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক যে প্রাইভেট সেক্টরের মুনাফা-ভিত্তিক অস্ত্রোপচারের পেছনে সরকারের বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছে, অথচ অন্টারিওবাসী সেই অর্থের বিনিময়ে কী পাচ্ছেন, তা দেখানোর মতো কোনো ফলাফল আমাদের কাছে নেই।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">২০২৩ সালে অন্টারিও সরকার &#8216;ইউর হেলথ অ্যাক্ট&#8217; (Your Health Act) নামে স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার বিষয়ক একটি বিল পাস করে। ঐ বিলের আওতায় সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত কিছু অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসা সেবা—যেমন ছানি অপারেশন এবং রোগ নির্ণয়মূলক ইমেজিং ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা—প্রদানের সুযোগ আরও বেশি সংখ্যক বেসরকারি ক্লিনিককে দেওয়া হয়। চিকিৎসা সেবার জন্য অপেক্ষার সময় কমিয়ে আনা এবং জমে থাকা অস্ত্রোপচারের দীর্ঘ তালিকা বা জট কমানোর লক্ষ্যে সরকারের নেওয়া পরিকল্পনারই একটি অংশ ছিল ঐ বিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গবেষণায় আরো দেখা গেছে যে, এমআরআই (MRI) স্ক্যানের জন্য অপেক্ষার সময় (median wait time) ৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে যা ২০১৭ সালের ৩৫ দিন থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৪৭ দিন হয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গবেষণা অনুযায়ী, ২০১৭ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মূত্রথলি, স্তন, কোলোরেক্টাল, প্রোস্টেট ও ফুসফুসসহ সব ধরনের ক্যানসার অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে অপেক্ষার সময় বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে লংহার্স্ট বলেন, “সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, সরকার তার নীতিমালার মাধ্যমে যে ফলাফল পাওয়ার দাবি করেছিল, তা আমরা দেখতে পাচ্ছি না। অথচ এই প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েক বছর ধরেই চলছে। এখন সময় এসেছে সরকারি হাসপাতালগুলোতেই সেই বিনিয়োগগুলো করার।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">এদিকে সিইউপিই (CUPE)-এর হাসপাতাল বিষয়ক শাখা ‘অন্টারিও কাউন্সিল অফ হসপিটাল ইউনিয়নস’-এর সভাপতি মাইকেল হার্লি &nbsp;সিসিপিএ (CCPA)-র গবেষণার পরিপ্রেক্ষিতে প্রদেশটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে অর্থায়ন বন্ধ করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হার্লি বলেন, “দক্ষতা ও সমতার স্বার্থে বেসরকারি সার্জিক্যাল ও ডায়াগনস্টিক ক্লিনিকগুলোর জন্য বরাদ্দ অর্থায়ন বাতিল করা উচিত। পাশাপাশি, বিদ্যমান সরকারি হাসপাতালের অবকাঠামোর দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিলভিয়া জোন্স সোমবার বলেছেন, “যখন স্থানীয় পর্যায়ে এই রোগ নির্ণয় কেন্দ্রগুলো চালু থাকে এবং ছানি, অর্থোপেডিক ও এন্ডোস্কোপি সেবা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়, তখন এর অর্থ হলো—মানুষের জন্য সেবার সুযোগ বাড়ে এবং তারা দ্রুত সেই সেবাগুলো পায়।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">জোনসের মুখপাত্র সিবিসি নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, “সিসিপিএ-র প্রতিবেদন অন্টারিওর স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">সোমবার এক ইমেইলে জোনসের মুখপাত্র লিলি বার্নস সিবিসিকে বলেন, “হিপ ও হাঁটুর মতো জয়েন্ট সার্জারির ক্ষেত্রে অপেক্ষার সময় সবচেয়ে কম রেখে পুরো দেশে নেতৃত্ব দিতে পেরে অন্টারিও গর্বিত। অপেক্ষার সময় কম রাখার লক্ষ্যে আমরা রেকর্ড পরিমাণ বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছি; এর মধ্যে কেবল চলতি বছরেই স্বাস্থ্যসেবা খাতে ১০১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা ২০১৮ সালের তুলনায় ৬৪ শতাংশ বেশি।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">তবে লিবারেল এমপি‌পি (MPP) ও চিকিৎসক আদিল শামজি বলছেন যে, অন্টারিওবাসীরা &#8220;আরও খারাপ ফলাফলের জন্য বেশি অর্থ ব্যয় করছেন।&#8221;</p>



<p class="wp-block-paragraph">এনডিপি-র এমপিপি ফ্রান্স জেলিনাস সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, “বেসরকারিকরণ অতি ধনীদেরই সহায়তা করে। এটি অপেক্ষার সময় কমাতে কোনো ভূমিকা রাখে না। মানুষের সেবা পাওয়ার সুযোগ বাড়াতেও এটি কোনো কাজে আসে না। বরং এতে খরচ বেশি পড়ে।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">অন্টারিও গ্রিন পার্টির নেতা ও এমপিপি মাইক শ্রেইনারও এই গবেষণার ফলাফলের বিষয়ে প্রদেশটির সমালোচনা করেছেন। তিনি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, “ডগ ফোর্ড বারবারই ধনী শেয়ারহোল্ডারদের মুনাফাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং অন্টারিওবাসীকে সবার শেষে রেখেছেন। এর ফলে মানুষের জীবন আরও কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে।”</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/10/01/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%93%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কানাডায় গাড়ি চুরির ঘটনা কমে আসার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/10/01/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%98%e0%a6%9f%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/10/01/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%98%e0%a6%9f%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Oct 2026 16:47:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12965</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ইকুইটি অ্যাসোসিয়েশন&#8217;-এর একটি নতুন প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা দেশে গাড়ি চুরির ঘটনা কমছে এবং]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph">প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ইকুইটি অ্যাসোসিয়েশন&#8217;-এর একটি নতুন প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা দেশে গাড়ি চুরির ঘটনা কমছে এবং ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে নথিভুক্ত চুরির সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ শতাংশ কম ছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">প্রতারণা-বিরোধী একটি অলাভজনক সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, তারা চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত গাড়ি চুরির পরিসংখ্যান সংগ্রহ করেছে। সেই পরিসংখ্যানে দেখা গেছে —আলবার্টা প্রদেশে গাড়ি চুরির ঘটনা সবচেয়ে কম হয়েছে। সেখানে চুরির ঘটনা আগের বছরের (২০২৫ সালের) প্রথমার্ধের তুলনায় ১৫.১ শতাংশ কম ছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কানাডায় গাড়ি চুরির ঘটনা ২০২১ সালের আগের—অর্থাৎ চুরির হার হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার আগের—‘সংকট-পূর্ববর্তী পর্যায়ের’ দিকে ফিরে যাচ্ছে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="450" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/গাড়ি-চুরি.jpg" alt="" class="wp-image-12966" style="aspect-ratio:1.7778047848883642;width:511px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/গাড়ি-চুরি.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/গাড়ি-চুরি-300x169.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/10/গাড়ি-চুরি-768x432.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">সারা দেশে গাড়ি চুরির ঘটনা কমছে। ছবি : সিবিসি</figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph">‘ইকুইটি অ্যাসোসিয়েশন’-এর ইন্টেলিজেন্স ও তদন্ত বিষয়ক জাতীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রায়ান গ্যাস্ট বলেছেন, মহামারির কারণে নতুন গাড়ির যে ঘাটতি দেখা দিয়েছিল, তা থেকেই এই সংকটের সূত্রপাত; আর এই পরিস্থিতি বিশ্বব্যাপী গাড়ির চাহিদা মেটাতে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রকে গাড়ি চুরির ঘটনা বাড়িয়ে তুলতে উৎসাহিত করেছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গ্যাস্ট বলেছেন যে গাড়ি চুরির ঘটনা কমে আসাটা আশাব্যঞ্জক, তবে এখনও বিলাসবহুল গাড়ি চুরি হচ্ছে এবং সেই চুরি থেকে অর্জিত অর্থ সংগঠিত অপরাধের অর্থায়নে ব্যবহৃত হচ্ছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">প্রতিবেদনে দেখা গেছে, যেখানে ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে ২৩,০৯৩টি গাড়ি চুরির ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল, সেখানে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ২০,৭৫৯টি গাড়ি চুরির খবর পাওয়া গেছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আটলান্টিক কানাডায় গাড়ি চুরির ঘটনায় সবচেয়ে কম হ্রাস পরিলক্ষিত হয়েছে—২০২৫ সালের প্রথমার্ধে ৯১০টি ঘটনার বিপরীতে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ৮৭৩টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, যা ৪.১ শতাংশ কম।</p>



<p class="wp-block-paragraph">চলতি বছরের শুরুর দিকে ‘ইকুইটি অ্যাসোসিয়েশন’-এর (Équité Association) উদ্যোগে পরিচালিত অ্যাঙ্গাস রিডের একটি জরিপে দেখা গেছে যে, গাড়ি চুরির ঘটনা কমে আসা সত্ত্বেও কানাডার বিপুল সংখ্যক মানুষ এখনও মনে করেন তাদের গাড়ির চুরি-প্রতিরোধক প্রযুক্তি যতটা শক্তিশালী হওয়া উচিত, ততটা নয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">জুলাই মাসের এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৮০ শতাংশ কানাডীয় মনে করেন যে তাঁদের যানবাহনগুলো চোরদের কাছে অরক্ষিত বা অরক্ষিত হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">‘ইকুইটি অ্যাসোসিয়েশন’ (Équité Association) ফেব্রুয়ারি মাসে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল; এতে বলা হয়েছে যে, যদিও কানাডায় গাড়ি চুরির সংখ্যা ২০২৫ সালে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, তবুও ওই বছর প্রায় ৪৭,০০০টি চুরির ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছিল এবং চুরি হওয়া গাড়িগুলোর মধ্যে এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি আর কখনোই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালে ফেডারেল সরকার গাড়ি চুরির পেছনে থাকা সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রগুলোকে প্রতিহত ও নির্মূল করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে একটি নতুন জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে; এর আওতায় কঠোর শাস্তির বিধান, শিপিং কন্টেইনারের অধিকতর তল্লাশি এবং উন্নত গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত ‘ইকুইটি’ (Équité)-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, যদিও সরকার গৃহীত কৌশলটি কার্যকর বলে মনে হচ্ছে, তবুও কানাডীয়রা গাড়ি চুরির চক্র এবং মন্ট্রিয়ল ও হ্যালিফ্যাক্স বন্দরে শনাক্ত হওয়া গাড়ি-সংক্রান্ত ঋণ জালিয়াতির (vehicle finance fraud) ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মুখে রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/10/01/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%98%e0%a6%9f%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অভিবাসনের ফলে দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রজন্মের সন্তানেরা ভুলে যেতে পারে তাদের ঐতিহ্যবাহী মাতৃভাষা</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/09/16/%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/09/16/%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 16 Sep 2026 16:42:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12909</guid>

					<description><![CDATA[যেভাবে রক্ষা করা যেতে পারে তাদের মাতৃভাষা প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অগাস্ট ৩, ২০২৬ : &#160;অভিবাসনের কারণে প্রবাসে অনেক ঐতিহ্যবাহী ভাষা]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph" style="font-size:29px">যেভাবে রক্ষা করা যেতে পারে তাদের মাতৃভাষা</p>



<p class="wp-block-paragraph">প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অগাস্ট ৩, ২০২৬ : &nbsp;অভিবাসনের কারণে প্রবাসে অনেক ঐতিহ্যবাহী ভাষা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। কারণ অভিবাসী ও তাদের সন্তানরা নতুন দেশের প্রভাবশালী ভাষা গ্রহণ করে। মূলত অভিবাসী পরিবারের দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রজন্মের ক্ষেত্রেই এমনটা ঘটে থাকে। তারা পর্যায়ক্রমে তাদের মাতৃভাষা ভুলে যেতে থাকে। খবর সিবিসি রেডিও’র।</p>



<p class="wp-block-paragraph">অটোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের &#8216;অফিসিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজেস অ্যান্ড বাইলিঙ্গুয়ালিজম ইনস্টিটিউট&#8217;-এর অধ্যাপক নিকোলাই স্লাভকভ, যিনি ভাষা শিক্ষা ও বিলুপ্তি নিয়ে গবেষণা করেন, তিনি বলেন যে, অভিবাসীদের সন্তানরা যখন তাদের নিজেদের ঐতিহ্যবাহী ভাষায় কথা বলতে শেখে না, তখন তারা তাদের সেই ভাষা ভুলে যেতে পারে—এই বিষয়ে তিনি একমত।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সময়ের সাথে সাথে পরিস্থিতি এক পর্যায়ে এমন দাঁড়ায় যে, কিছু পরিবার তাদের মাতৃভাষা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে না পারার জন্য পরে অনুশোচনা করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উল্লেখ্য যে, গত দুই বা তিন দশকে বাংলাদেশ থেকে অনেক অভিবাসী এসেছেন কানাডায় তাদের পরিবার নিয়ে। ভারতের পশ্চিম বঙ্গ থেকেও এসেছেন অনেকে। এবং দেখা গেছে এই পরিবারগুলোতে প্রায় শতভাগ ছেলে-মেয়েই ঘরে বাবা মায়ের সঙ্গে বাংলায় কথা বললেও ভাই বা বোনের সঙ্গে বাংলায় কথা বলে না। কাজিনদের সঙ্গেও না। কানাডায় জন্ম হয়ে থাকলে বা শিশু বয়স থেকে কানাডায় বসবাস করা শুরু করলে প্রথম দিকে কয়েক বছর বাংলায় কথা বলে। কিন্তু স্কুলে বা ডে কেয়ারে যাওয়া শুরু হলে ক্রমশ বাংলার চর্চাটা তাদের মধ্যে কমে যায়। তখন শুধু মা-বাবার সাথে কিছুটা বাংলায় কথা বলে। কারণ, অনেক মা-বাবা ইংরেজিতে তাদের মতো ফ্লুয়েন্ট না। বা কিছু কিছু ইংরেজি শব্দের অর্থ তারা বুঝেন না। বাড়িতে দাদা-দাদী বা নানা-নানী থাকলে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার ২০২১ সালের আদমশুমারি অনুসারে, কানাডায় ৫৬.৬ শতাংশ মানুষ ইংরেজি, ২০.২ শতাংশ ফরাসি এবং ২৩.২ শতাংশ মানুষ ২০০টিরও বেশি অন্যান্য ভাষার মধ্যে কোনো একটিকে তাদের মাতৃভাষা হিসেবে ব্যবহার করেন।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="533" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/Mother-Language.jpg" alt="" class="wp-image-12915" style="aspect-ratio:1.484244093346862;width:576px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/Mother-Language.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/Mother-Language-300x200.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/Mother-Language-768x512.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কানাডার নোভাস্কোশিয়ায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছে শিশুরা। ছবি: গোলাম কিবরিয়া</figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph"> <strong>ঐতিহ্যবাহী ভাষাগুলো কীভাবে বিলুপ্ত হয়ে যায়&nbsp;</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">অধ্যাপক নিকোলাই স্লাভকভ বলেন, ভাষার বিলুপ্তি প্রায়শই অচেতনভাবেই ঘটে থাকে। মানুষ যখন নতুন কোনো দেশে গিয়ে সেখানকার সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করে, তখন তারা স্বাভাবিকভাবেই চারপাশের প্রভাবশালী ভাষাটির ওপর বেশি মনোযোগ দেয় এবং ধীরে ধীরে নিজেরা তাদের মাতৃভাষার ব্যবহার কমিয়ে দেয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">অন্যান্য ক্ষেত্রে, বাবা-মায়েরা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের মাতৃভাষায় কথা না বলার সিদ্ধান্ত নেন; কখনও কখনও তা তাদের নিজস্ব বিচারবুদ্ধির ওপর ভিত্তি করে, অথবা শিক্ষক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের পরামর্শে এমনটি করেন। তাদের ধারণা, মাতৃভাষায় কথা বলতে গেলে এটি তাদের ইংরেজি শেখার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">স্লাভকভ বলেন, &nbsp;“তারা হয়তো মনে করতে পারেন যে তাদের মূল ভাষার কদর নেই এবং তাদের সন্তানদের জন্য সবচেয়ে ভালো কাজ হলো এ বিষয়ে মনোযোগ না দেওয়া।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">স্লাকভ এর মতে, ঐতিহ্যবাহী ভাষা বজায় রাখার সিদ্ধান্তটি শেষ পর্যন্ত একটি ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু পরিবারগুলোকে তিনি উৎসাহিত করেন এই বলে যে, “এটি তারা করবে কি না, তা ভালোভাবে বিবেচনা করা উচিৎ।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">বছরের পর বছর ধরে স্লাকভ এমন অনেক বাবা-মায়ের কথা শুনেছেন, যাঁরা তাঁদের সন্তানদের নিজেদের ভাষা শেখাতে না পারার জন্য অনুশোচনা করেছেন; পাশাপাশি অভিবাসী পরিবারের এমন প্রাপ্তবয়স্কদের কথাও শুনেছেন, যাঁরা আফসোস করেন যে ছোটবেলায় তাঁদেরও ভাষাটি শেখার সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">স্লাকভ বলেন, তিনি বোঝেন যে নবাগতরা প্রায়শই কাজ খোঁজা এবং নতুন জীবন গড়ার মতো আরও জরুরি বিষয় নিয়ে ব্যস্ত থাকেন, যার ফলে মাতৃভাষা সংরক্ষণের কথা ভাবার জন্য খুব কম সময়ই থাকে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>কানাডায় ভাষার পুনরুজ্জীবন</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">কিন্তু মাতৃভাষা বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার অনেক পরেও তার পুনরুজ্জীবন সম্ভব। উদাহরণ হিসাবে নেদারল্যান্ড থেকে আসা অভিবাসীদের কথা বলা যেতে পারে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ থেকে বাঁচতে এবং একটি উন্নত জীবন গড়তে নেদারল্যান্ডস থেকে অভিবাসীদের একটি বিশাল স্রোত কানাডায় এসেছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">যদিও সেই সময়ে নেদারল্যান্ড থেকে আসা অভিবাসীরা কানাডার অন্যতম বৃহত্তম অভিবাসী সম্প্রদায়ে পরিণত হয়েছিল, অনেকেই দ্রুত সমাজে মিশে যাওয়ার পথ বেছে নিয়েছিল এবং অন্য যেকোনো অভিবাসী গোষ্ঠীর চেয়ে দ্রুত তাদের ডাচ ভাষা ত্যাগ করেছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এর ফলে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের বংশধররা সাধারণত আর ডাচ ভাষায় কথা বলেন না।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সেই পরিস্থিতিতে ২০১৫ সালে, ভাষা ও সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে আগ্রহী পরিবারগুলোর জন্য ভ্যাঙ্কুভারে একটি ডাচ ভাষা স্কুল হিসেবে ‘ডি এসডর্ন স্কুল’ যাত্রা শুরু করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এর শুরুটা হয়েছিল যখন একদল অভিভাবক একটি লাইব্রেরিতে ছয়জন শিশুকে জড়ো করে তাদের ডাচ ভাষা শেখাতেন। স্কুলের অধ্যক্ষ মারিয়ান কাউয়েলস বলেন, তখন থেকে স্কুলটি তিনটি স্থানে প্রসারিত হয়েছে এবং অনলাইন ক্লাস চালু করেছে, এবং বর্তমানে প্রায় ৭০ জন শিশু ও ২৫ জন প্রাপ্তবয়স্ককে পরিষেবা দিচ্ছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">শিক্ষার্থীদের মধ্যে তিন বছরেরও কম বয়সী শিশু থেকে শুরু করে ৭০-এর দশকের প্রাপ্তবয়স্করাও রয়েছেন। কাউয়েলস বলেন, কেউ কেউ নবাগত পরিবার থেকে এসেছেন যেখানে বাবা-মা দুজনেই ডাচ ভাষায় কথা বলেন, আবার অন্যরা দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের কানাডিয়ান, যারা নিজেদের শিকড়ের সঙ্গে পুনরায় সংযোগ স্থাপন করছেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি বলেন, মানুষ নানা কারণে ডাচ ভাষা শেখে, কিন্তু তরুণদের জন্য একটি বড় কারণ হলো নিজেদের শিকড় অন্বেষণ করা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উল্লেখ্য যে, টরন্টোর বাঙ্গালী অধ্যুষিত এলাকায় কয়েকটি স্কুলে বাংলা ভাষা শিক্ষা দানের উদ্দেশ্যে বিশেষ কোর্স চালু করা হয়েছিল চলতি শতকের গোড়ার দিকে। ছুটির দিনে&nbsp; টরন্টো ডিস্ট্রিক স্কুল বোর্ডের অধীনে এইসব স্কুলে বাংলাদেশি শিশুদের বাংলা শিক্ষা দেওয়া হতো বিনা খরচেই। কিন্তু পর্যাপ্ত শিক্ষার্থীর অভাবে সেই সময় কয়েকটি স্কুলে এই শিক্ষাদানের কর্মসূচি বেশিদূর এগুতে পারেনি।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>একটি নতুন প্রজন্ম ক্যান্টনিজ ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখতে কাজ করছে</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">ইউজেনিয়া ম্যাক বলেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হংকং থেকে অভিবাসীদের একটি নতুন ঢেউ কানাডায় এসেছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এই নবাগতদের অনেকেই বিশ থেকে ত্রিশের কোঠায় এবং তাঁরা নিজেদের ভাষা সংরক্ষণে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p>



<p class="wp-block-paragraph">প্রবাসে নতুন করে পরিবার শুরু করার সাথে সাথে, তারা তাদের সন্তানদের ক্যান্টনিজ শেখার সুযোগ দিতে চান এবং তা বাস্তবায়নের জন্য সচেতন প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ম্যাক অন্টারিওর নর্থ ইয়র্কের কামার ভ্যালি মিডল স্কুলে তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্যান্টনিজ ভাষা শেখান।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তার পাঠদান শুধু শব্দভাণ্ডারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীরা গান, লেখা ও নাচের মতো সৃজনশীল কার্যকলাপের মাধ্যমে শেখে এবং একই সাথে ড্রাগন বোট ফেস্টিভ্যালের মতো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যও অন্বেষণ করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তার কাছে ক্যান্টনিজ শেখাটা শুধু আরেকটি ভাষা আয়ত্ত করার চেয়েও অনেক বেশি কিছু।</p>



<p class="wp-block-paragraph">“এটি আমাদের ইতিহাস, আমাদের মূল্যবোধ ও ঐতিহ্য এবং আমাদের পরিচয়ও বটে। যদি আমরা এটি হারাই, তবে আমরা আমাদের দাদা-দাদি, নানা-নানি এবং আমাদের ইতিহাসের সাথে সংযোগ হারাবো,” বলেছেন ম্যাক।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ম্যাক বলেন, এর উদ্দেশ্য সেই বহুভাষিক সমাজকে রক্ষা করাও, যা দীর্ঘকাল ধরে কানাডার পরিচয়ের অংশ।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কানাডায় আমাদের একটি অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি রয়েছে এবং আমরা আশা করি যে ক্যান্টনিজ ভাষা এর একটি অংশ হতে পারবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>যোগাযোগের চেয়েও বেশি</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">যুক্তরাজ্যের ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাতত্ত্বের অধ্যাপক মনিকা শ্মিড বলেন, একটি পরিবারের ঐতিহ্যবাহী ভাষা সংরক্ষণের বাইরেও বহুভাষিকতা সকলের জন্য উপকারী।</p>



<p class="wp-block-paragraph">শ্মিডের মতে, প্রতিটি ভাষা যোগাযোগের একটি মাধ্যমের চেয়েও অনেক বেশি কিছুকে প্রতিনিধিত্ব করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি বলেন, “এগুলো তথ্যের ভান্ডার, তাই যখনই আমরা একটি ভাষা হারাই, আমরা প্রকৃতি সম্পর্কিত জ্ঞানের একটি সম্পূর্ণ ভাণ্ডার, একটি উৎপত্তির গল্প, একগুচ্ছ কবিতা, সাহিত্য হারিয়ে ফেলি।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">অটোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিকোলাই স্লাভকভ বলেন, যদিও তিনি এমন এক ‘বিপর্যয়কর ভবিষ্যৎ’-এর কল্পনা করতে পারেন, যেখানে ইংরেজির মতো বৈশ্বিক ভাষাগুলো ছোট ছোট ভাষাগুলোকে প্রতিস্থাপন করে বিলুপ্তির পথে ঠেলে দেবে, তবুও তিনি বিশ্বাস করেন যে, প্রাকৃতিক জগতের জীববৈচিত্র্যকে আমরা যেভাবে মূল্যায়ন করি, ভাষার বৈচিত্র্যকেও ঠিক সেভাবেই মূল্যায়ন করা উচিত।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি বলেন, “আমরা প্রাকৃতিক জগতের জীববৈচিত্র্যকে যত বেশি সম্ভব বাঁচিয়ে রাখতে চাই। আমি চাই, বিশ্ববাসী ভাষা নিয়েও একইভাবে ভাবুক।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">আশার কথা এই যে, ২০২৩ সালে কানাডা স্টাডিজ বিষয়ক অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে লেগার-এর পরিচালিত সমীক্ষায় দেখা যায়, ৮৮ শতাংশ মানুষ তাদের প্রাথমিক ভাষার প্রতি জোরালো অনুভূতির কথা জানিয়েছেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কানাডিয়ান স্টাডিজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জ্যাক জেডওয়াব বলেন, সমীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য মানুষের পরিচয়ের ক্ষেত্রে ভাষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাই তুলে ধরে।&nbsp;</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, এই ফলাফল অনেক কানাডীয়কে বিস্মিত করেছে, যারা হয়ত সজ্ঞানে ভাবেননি যে, পরিচিতির অন্য সব অভিব্যক্তির মত ভাষা এতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং মনোযোগ আকর্ষণ করে।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">জেডওয়াব বলেন, একটি সম্প্রদায়ের কাছে ভাষা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে সেই বিবেচনা থেকে লোকেদের উচিৎ ভাষার গুরুত্বকে খাটো করে না দেখার বিষয়ে সচেতন হওয়া। তিনি বলেন, ভাষার দুটি ভূমিকা আছে, একটি হলো যোগাযোগের সুবিধা সৃষ্টি করা, আরেকটি সংস্কৃতির অভিব্যক্তি ঘটানো।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি বলেন, “মানুষের মধ্যে অন্যের ভাষার গুরুত্ব খর্ব করার একটি প্রবণতা থাকতে পারে।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">আরেক সমীক্ষায় দেখা গেছে, কানাডায় ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত অভিবাসীদের জন্য নিজেদের ভাষা ধরে রাখা দিন দিন অধিকতর কঠিন হলেও অপেক্ষাকৃত নতুন অভিবাসীদের জন্য, যারা স্প্যানিশ, চাইনিজ বা পাঞ্জাবি ভাষায় কথা বলেন, তাদের জন্য নিজেদের ভাষা টিকিয়ে রাখার সম্ভাবনা সাধারণভাবে অনেকটাই বেশি। ১৯৮১ ও ২০০৬ সালের আদমশুমারির সুদীর্ঘ ফরম থেকে এই তথ্য পাওয়া যায়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/09/16/%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কুইবেকের মসজিদগুলোতে ভাঙচুর ও মুসলিম-বিদ্বেষী প্রচারণার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/09/16/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%99/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/09/16/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%99/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 16 Sep 2026 16:34:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12904</guid>

					<description><![CDATA[পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্কতা জোরদার প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অগাস্ট ২১, ২০২৬ : &#160;&#160;কুইবেক সিটির ‘ইসলামিক কালচারাল সেন্টার’-এর মুখপাত্র ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা বুফেলজা]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph" style="font-size:25px">পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্কতা জোরদার</p>



<p class="wp-block-paragraph">প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অগাস্ট ২১, ২০২৬ : &nbsp;&nbsp;কুইবেক সিটির ‘ইসলামিক কালচারাল সেন্টার’-এর মুখপাত্র ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা বুফেলজা বেনআবদাল্লাহ বলেন, গত দেড় বছর ধরে তিনি কুইবেকে মসজিদ ভাঙচুর ও ইসলাম-বিদ্বেষী প্রচারণা বৃদ্ধি পেতে দেখেছেন। কিন্তু তিনি বুঝতে পারছেন না কেন এমনটি হচ্ছে। খবর সিবিসি নিউজের।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি বলেন, তা সত্ত্বেও তাঁর সম্প্রদায় তাদের সাধ্যমতো সর্বোত্তম উপায়েই পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে—আর তা হলো সতর্কতার সাথে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তার স্মৃতিতে এই প্রথমবার, গত সপ্তাহে ‘ইসলামিক কালচারাল সেন্টার’ সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে কমিউনিটিকে বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে একটি সর্বজনীন সতর্কবার্তা জারি করেছে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="450" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/মসজিদ.jpg" alt="" class="wp-image-12905" style="aspect-ratio:1.7778047848883642;width:482px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/মসজিদ.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/মসজিদ-300x169.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/মসজিদ-768x432.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">মন্ট্রিয়লের ইসলামিক সেন্টার অফ কুইবেক। ছবি: (মার্টিন ডেইগল, সিটিনিউজ)</figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph">কুইবেকের ত্রোয়া-রিভিয়ের (Trois-Rivières)-এ মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অনলাইন হুমকি ও হয়রানি বেড়ে যাওয়ার পর, গত জুন মাসে এক ভাঙচুরের ঘটনায় ‘মোরিসি ইসলামিক কালচারাল সেন্টার’-এর জানালাগুলো ভেঙে ফেলা হয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এক মাস পর, ভারদুন ইসলামিক সেন্টারের দরজার সামনে মানুষের বিচ্ছিন্ন ও রক্তমাখা একটি কৃত্রিম হাত ফেলে রাখার ঘটনায় মন্ট্রিয়ল পুলিশ একটি ‘হেট ক্রাইম’ বা বিদ্বেষপ্রসূত অপরাধের তদন্ত শুরু করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কুইবেকের প্রাদেশিক পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় একই সময়ে ‘সেন্টার কালচারাল আল-রহমা পোর্টনিফ’-এ ভাঙচুরের ঘটনায় এক তরুণ ও এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে কুইবেক শহরের ৫০ কিলোমিটারেরও কম দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত ডনাকোনার একটি ইসলামি কেন্দ্র ও প্রার্থনা কক্ষে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এই পরিস্থিতিতে কুইবেক সিটিতে পরিচিত মুসলিমদের মনোভাবের বিষয়ে কথা বলার সময় বেনআবদাল্লাহ বলেন, “আমরা এক ধরনের উদ্বেগ অনুভব করছি।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি বললেন, &#8220;আমরা আমাদের মুসল্লি ও সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করতে চাই যে, আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত।&#8221;</p>



<p class="wp-block-paragraph">বেনআবদাল্লাহ উল্লেখ করেন যে, কুইবেক সিটির মসজিদটি অহেতুক আতঙ্ক ছড়াতে চাইছে না, বরং তারা কেবল সতর্ক ও প্রস্তুত থাকতে চাইছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উল্লেখ্য যে, এটি সেই একই মসজিদ যেখানে প্রায় ১০ বছর আগে এক বন্দুকধারীর গুলিবর্ষণের ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছিলেন; সেই হামলায় আরও ১৯ জন আহত এবং ১৭টি শিশু পিতৃহারা হয়েছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বেনআবদাল্লাহ বললেন, &#8220;আমরা চাই না যে এমনটা আবার ঘটুক।&#8221;</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>অনলাইন হয়রানি ও বিদ্বেষ</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">কানাডিয়ান অ্যান্টি-হেট নেটওয়ার্কের নির্বাহী পরিচালক ইভান বালগর্ডের মতে, গত ১০ বছরে ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষের বিষয়টি আরও খারাপের দিকে গেছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ইভান আরো বলেন, &#8220;কুইবেকের মুসলিম সম্প্রদায় যে তাদের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক আচরণের মাত্রা বৃদ্ধির কথা জানাচ্ছে, তাতে আমি খুব একটা অবাক নই। আর এই সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে সংঘটিত অপরাধের পরিসংখ্যান সঠিকভাবে পরিমাপ করা কঠিন।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">বেনআবদাল্লাহ বলেন, সম্প্রদায়ের সদস্যদের জন্য কেবল ভাঙচুর বা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডই উদ্বেগের বিষয় নয়; অনলাইন হয়রানিও এর অন্তর্ভুক্ত। আর আমি এতটাই বিরক্ত হয়েছিলাম যে আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটিই মুছে ফেলেছি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বেনআবদাল্লাহ আরো বলেন, আমাদের গালিগালাজ করা হচ্ছে, অপমান করা হচ্ছে এবং হুমকি দেওয়া হচ্ছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তবে মুসলিম সম্প্রদায়ের ঠিক কতজন মানুষ এমন আচরণের শিকার হন, তা জানার মতো প্রয়োজনীয় তথ্য বা উপায় বেনআবদাল্লাহর কাছে না থাকলেও, তিনি ধারণা করেন যে সংখ্যাটা অনেক বড়।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>ইসলাম-বিদ্বেষী মানুষ সবসময়ই থাকবে</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">ডনাকোনা ইসলামিক কালচারাল সেন্টারের কোষাধ্যক্ষ ও সদস্য আবদেলওয়াহাব বেন আবদাল্লাহ অনলাইনে ইসলাম-বিদ্বেষী প্রচারণার বিষয়টি&nbsp; লক্ষ্য করেছেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বেনআবদাল্লা বলেন, “সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি খোলার পর থেকেই আমরা সবসময়ই আমাদের প্রতিবেশীদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। এবং এখন পর্যন্ত আমরা তা করছি।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">মসজিদ ও কমিউনিটি কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত এই কেন্দ্রটিতে পরিবারবর্গ ও উপাসকদের জন্য একটি সাপ্তাহিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল; ঠিক তখনই কৃত্রিম, রক্তমাখা ও বিচ্ছিন্ন একটি হাত সেখানে পাওয়া যায়। ঘটনাটি কোনো বিদ্বেষপ্রসূত অপরাধ (হেট ক্রাইম) কি না, তা খতিয়ে দেখতে মন্ট্রিল পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গত মাসে যখন কেন্দ্রটিতে ভাঙচুর চালানো হয়, তখন বেন আবদাল্লাহকে ঘটনাস্থলে ডাকা হয়েছিল। তিনি দেখেন, কেন্দ্রের দরজায় থাকা সাইনবোর্ডের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনের মধ্যে কেবল একজন যুবকের বিরুদ্ধেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং দরজার লোগো ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ আনা হয়েছে—যা ক্রাউন প্রসিকিউটরের কার্যালয় থেকে দেওয়া অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বেন আবদাল্লাহ জানান, ওই ঘটনার পর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটিতে ক্যামেরা বসানো হয়েছে। আর “ইসলাম-বিদ্বেষী মানুষ সবসময়ই থাকবে। তবে আমরা তাদের সাথেই বসবাস করব,” তিনি বললেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/09/16/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%99/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আলবার্টায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে অভিবাসীদের প্রতি বাড়ছে বর্ণবাদ</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/09/16/%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be-2/</link>
					<comments>https://probashikantho.com/2026/09/16/%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 16 Sep 2026 16:31:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12901</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অগাস্ট ৩০, ২০২৬ : &#160;&#160;আলবার্টায় দৃশ্যমান সংখ্যালঘুদের কেউ কেউ বলছেন যে, প্রদেশটিতে&#160; ক্রমবর্ধমানভাবে তারা অভিবাসী-বিরোধী মনোভাবের লক্ষ্যবস্তুতে]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph">প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, অগাস্ট ৩০, ২০২৬ : &nbsp;&nbsp;আলবার্টায় দৃশ্যমান সংখ্যালঘুদের কেউ কেউ বলছেন যে, প্রদেশটিতে&nbsp; ক্রমবর্ধমানভাবে তারা অভিবাসী-বিরোধী মনোভাবের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছেন। মুসলিম ও শিখ উভয় গোষ্ঠীই জানিয়েছে যে, তারা অনলাইনে বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্যের বৃদ্ধি লক্ষ্য করেছে এবং অনেকেই বিশ্বাস করেন যে, ঘৃণার এই বৃদ্ধি আসন্ন referendum এর সাথে সম্পর্কিত। খবর গ্লোবাল নিউজের।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ক্যালগেরির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নিজের বাড়ি থেকে সাইমা জামাল নামের একজন শহরে একটি মুসলিম অনুষ্ঠানের আগে অনলাইনে পোস্ট করা প্রায় এক ডজন বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য দেখছিলেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি বলেন, “একজন বলেছে, ‘আরে, ওদের ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেওয়া উচিত।’ আরেকজন বলছে, ‘দয়া করে ওদের পরিচয়পত্র পরীক্ষা করুন, গ্রেপ্তার করুন এবং দেশ থেকে বের করে দিন’।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">ক্যালগারি ইমিগ্র্যান্ট সাপোর্ট সোসাইটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা জামাল প্রায় ৩০ বছর ধরে আলবার্টায় বসবাস করছেন। এই সংস্থাটি এক দশকেরও বেশি আগে সিরীয় শরণার্থীদের ক্যালগারির জীবনে থিতু হতে সাহায্য করার জন্য প্রথম গঠিত হয়েছিল।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="601" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/আলবার্টা-মুসলিম.jpg" alt="" class="wp-image-12902" style="aspect-ratio:1.3311234173101423;width:530px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/আলবার্টা-মুসলিম.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/আলবার্টা-মুসলিম-300x225.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/আলবার্টা-মুসলিম-768x577.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">আলবার্টার ক্যালগারিতে ‘ওয়েস্টার্ন মুসলিম ইনিশিয়েটিভ’ আয়োজিত বার্ষিক ‘মুসলিম আর্ট মুভমেন্ট’ অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করছেন কবি মহা মালিক। ছবি : ‘ওয়েস্টার্ন মুসলিম ইনিশিয়েটিভ</figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph">জামাল আরো বললেন, “এখন আলবার্টায় বর্ণবাদ ও ঘৃণা চরমে উঠেছে এবং অভিবাসী সম্প্রদায়গুলোর প্রতি এই মাত্রার ঘৃণা আমি আগে কখনো দেখিনি।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">উল্লেখ্য যে, শহরের মুসলিম হেরিটেজ ডে উৎসবের প্রচারমূলক একটি সাম্প্রতিক পোস্টে হুমকি থেকে শুরু করে কুরুচিপূর্ণ বিভিন্ন অনলাইন মন্তব্য দেখা যায়। ক্যালগারি পুলিশ জানিয়েছে, জননিরাপত্তার জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য হুমকি ছিল না, তবে অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত থাকার জন্য উর্দিধারী কর্মকর্তাদের নিযুক্ত করা হয়েছিল। এডমন্টনের একটি শিখ মন্দিরে দুই ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করার ঘটনার একদিন পর এটি অনুষ্ঠিত হয়। এডমন্টন পুলিশ এখনও নির্ধারণ করার চেষ্টা করছে যে মন্দিরে ওই হামলাটি বিদ্বেষমূলক অপরাধ ছিল কি না।</p>



<p class="wp-block-paragraph">শিখ সম্প্রদায়ের নেতারা মনে করেন, প্রদেশটিতে শিখ-বিরোধী বিদ্বেষ বাড়ছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ওয়ার্ল্ড শিখ অর্গানাইজেশন অফ কানাডার আলবার্টা আঞ্চলিক সভাপতি হারমান কানডোলা বলেন, “আমরা অনলাইন ফোরামগুলোতে বিদ্বেষ ছড়াতে দেখেছি। আর যখন আপনি দেখেন যে সেই বিদ্বেষ সোশ্যাল মিডিয়া ছেড়ে বাস্তব জগতে চলে আসে, যেখানে প্রকৃত আঘাতের ঘটনা ঘটেছে, তখন তা অত্যন্ত, অত্যন্ত মর্মান্তিক।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">এডমন্টন পুলিশ জানিয়েছে, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত ১৩৯টি বিদ্বেষমূলক ঘটনা এবং ৪৩টি বিদ্বেষমূলক অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। ক্যালগারি পুলিশ জানিয়েছে, এই বছর সন্দেহভাজন বিদ্বেষমূলক অপরাধ বা ঘটনার ২৭২টি প্রতিবেদনের মধ্যে তদন্তের পর ৪৪টিকে বিদ্বেষ-প্রণোদিত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে নবাগত বা অভিবাসীদেরই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এদিকে শিখ মন্দিরে সাম্প্রতিক হামলার পর এডমন্টন পুলিশ প্রধান ওয়ারেন ড্রিচেল ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা এই ঘটনাকে রাজনীতিকরণ করতে পারি না, কিন্তু এডমন্টন পুলিশ সার্ভিসের প্রধান হিসেবে আমি দেখছি যে বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মেরুকরণ স্থানীয়ভাবেও প্রতিফলিত হচ্ছে।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">আগামী ১৯শে অক্টোবর, আলবার্টার অধিবাসীরা আলবার্টা সরকার কর্তৃক উত্থাপিত ১০টি গণভোটের প্রশ্নে ভোট দেবেন, যার মধ্যে পাঁচটি অভিবাসন নীতি সম্পর্কিত।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক জ্যারেড ওয়েসলি বলেছেন, আলবার্টার গণভোট বিতর্ক বর্তমান পরিস্থিতির পিছনে ভূমিকা রাখছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি জানান, একটি প্রশ্নে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে: “অভিবাসনকে আরও টেকসই পর্যায়ে নামিয়ে আনা, অর্থনৈতিক অভিবাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগে আলবার্টার বাসিন্দাদের প্রথম অগ্রাধিকার দেওয়ার উদ্দেশ্যে আলবার্টা সরকারের অভিবাসনের উপর নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি করার পদক্ষেপকে আপনি কি সমর্থন করেন?”</p>



<p class="wp-block-paragraph">আরেকটি প্রশ্নে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে : “আপনি কি আলবার্টা সরকারের এমন একটি আইন প্রবর্তনকে সমর্থন করেন, যার মাধ্যমে শুধুমাত্র কানাডীয় নাগরিক, স্থায়ী বাসিন্দা এবং আলবার্টা অনুমোদিত অভিবাসন মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিরাই স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং অন্যান্য সামাজিক পরিষেবার মতো প্রাদেশিক অর্থায়নে পরিচালিত কর্মসূচিগুলোর জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন?”</p>



<p class="wp-block-paragraph">আলবার্টার অধিবাসীরা এ বিষয়েও ভোট দেবেন যে, প্রদেশটি কানাডায় থাকবে কি না, তা জানতে ভবিষ্যতে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হোক, নাকি তারা বিচ্ছিন্নতার বিষয়ে একটি বাধ্যতামূলক গণভোট আয়োজনের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করবেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">দুই বছর ধরে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনটি নিয়ে গবেষণা করার পর ওয়েসলি মনে করেন যে, আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত অনেকেই স্বাধীন আলবার্টকে প্রধানত শ্বেতাঙ্গ ও খ্রিস্টান অধ্যুষিত একটি রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ওয়েসলি বলেন, &#8220;সেটা ইচ্ছাকৃত হোক বা অবচেতনভাবে প্রকাশ পাক, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের চ্যাটরুমে, সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন সাইটে এমনকি সমাবেশেও এই ধরনের বার্তাই দেখা যায়।&#8221;</p>



<p class="wp-block-paragraph">তবে আলবার্টার প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথের একজন মুখপাত্র এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন যে, আসন্ন গণভোটের প্রশ্নগুলো অভিবাসী-বিরোধী মনোভাব বা ঘৃণা বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত হতে পারে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আলবার্টা সরকারের গণমাধ্যম সম্পর্ক পরিচালক এবং প্রিমিয়ারের প্রেস সচিব স্যাম ব্ল্যাকেট বলেছেন, “টেকসই অভিবাসন বিষয়ে গণভোটের প্রশ্নগুলো বর্ণবাদের শামিল—এমন যে কোনো অভিযোগ মিথ্যা ও উস্কানিমূলক।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">স্যাম ব্ল্যাকেট বলেছেন, এই প্রশ্নগুলো কানাডায় বর্তমান অস্থিতিশীল অভিবাসন হারকে তুলে ধরে, যা গুরুত্বপূর্ণ জনসেবাগুলোর ওপর প্রকৃত চাপ সৃষ্টি করছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উল্লেখ্য যে, Ipsos poll এর একটি নতুন জরিপ দেখা গেছে, ২০২৬ সালের শুরুর তুলনায় বর্তমানে আলবার্টা বিচ্ছিন্নতাবাদের প্রতি সমর্থন ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। খবর গ্লোবাল নিউজের। জরিপটি চালানো হয়েছিল এই নিউজ চ্যানেলের পক্ষেই।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গত ২৮শে মে থেকে ১লা জুনের মধ্যে পরিচালিত Ipsos poll এর ঐ সমীক্ষায় দেখা গেছে, আলবার্টার ১৯ শতাংশ বাসিন্দা বলেছেন যে তাঁরা ফিউচার বাইন্ডিং রেফারেন্ডমে বিচ্ছিন্নতাবাদের পক্ষে ভোট দেবেন। অন্যদিকে ৭২ শতাংশ আলবার্টাবাসী বলেছেন তারা কানাডায় থাকার পক্ষে ভোট দেবেন। বাকিরা সিদ্ধান্তহীন, ভোট দেবেন না অথবা কোনো উত্তর দেননি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কিন্তু তারপরও আলবার্টায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে অভিবাসীদের প্রতি বাড়ছে বর্ণবাদ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://probashikantho.com/2026/09/16/%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইতিহাস গড়ে বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হলেন তানভীর শাহনাওয়াজ</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/09/01/%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%b8-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%87%e0%a6%af/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 17:44:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12853</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ, &#160;সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ : বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক নির্বাচনী এলাকা থেকে ফেডারেল উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন তানভীর শাহনাওয়াজ। &#160;এর]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph">প্রবাসী কণ্ঠ, &nbsp;সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ : বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক নির্বাচনী এলাকা থেকে ফেডারেল উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন তানভীর শাহনাওয়াজ। &nbsp;এর মাধ্যমে এই আসনটিতে লিবারেল পার্টি অফ কানাডা’র শক্ত ঘাঁটি বজায় রাখলেন তিনি। উল্লেখ্য যে, বিচেস-ইস্ট ইয়র্কে অনুষ্ঠিত গত ১২টি নির্বাচনের মধ্যে একটি বাদে বাকি সবকটিতেই লিবারেলরা জয়লাভ করেছে।</p>



<p class="has-medium-font-size wp-block-paragraph"><strong> ‘জীবনের সেরা সম্মান’: শাহনাওয়াজ</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">গত রাতে নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পরপরই তানভীর শাহনাওয়াজ সিবিসি নিউজকে বলেন &#8220;এই মুহূর্তটা ‘কানাডিয়ান স্বপ্ন সত্যি’ হওয়ার মতো লাগছে।&#8221;</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="450" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/Tanveer2.jpg" alt="" class="wp-image-12854" style="aspect-ratio:1.7778047848883642;width:572px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/Tanveer2.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/Tanveer2-300x169.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/Tanveer2-768x432.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক উপনির্বাচনে জয়ের পূর্বাভাস দেখানোর পর তানভীর শাহনাওয়াজ সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছেন। ছবি:  সিটিনিউজ/রিচার্ডো আলফোনসো</figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph">বিচ এলাকার কুইন স্ট্রিট ইস্ট-এর ‘দ্য স্টোন লায়ন’ পাবে আয়োজিত বিজয় উৎসবে সমর্থকদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে শাহনাওয়াজ বলেন, “বিচেস-ইস্ট ইয়র্কের পরবর্তী সংসদ সদস্য হিসেবে আমার একমাত্র চেনা রাইডিং এর প্রতিনিধিত্ব করা হবে আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্মান।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">এরপর তিনি শত শত স্বেচ্ছাসেবক এবং সহকর্মী ককাস সদস্যদেরকে তার পাশে দাঁড়ানোর জন্য ধন্যবাদ জানান। এই সময় তার পাশে উপস্থিত ছিলেন অত্র এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য নাথানিয়েল আর্স্কিন-স্মিথ, পার্শ্ববর্তী আসনের সংসদ সদস্য ডলি বেগম সহ আরো অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি। উপস্থিত ছিলেন তার মা-বাবাও।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উল্লেখ্য যে, প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, কয়েক সপ্তাহ আগে তানভীরকে সমর্থন জানাতে এই নির্বাচনী এলাকাটি পরিদর্শন করেছিলেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তানভীর শাহনাওয়াজের এই জয়ের পর টরন্টোর বাংলাদেশি কমিউনিটিতে দেখা দেয় আনন্দ আর উচ্ছ্বাস।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি বিচেস—ইস্ট ইয়র্ক আসন থেকে লিবারেল পার্টির নাথানিয়েল আর্স্কিন-স্মিথ পদত্যাগ করার পর আসনটি খালি হয়ে যায়। এরপর এই আসন থেকে নমিনেশন পান তানভীর শাহনাওয়াজ। তানভীর প্রায় এক দশক ধরে বিদায়ী এমপির কমিউনিটি অফিসে প্রথমে সহকারী এবং পরে ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেছেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গতকাল নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পর আরস্কিন-স্মিথ বললেন &#8220;যাকে আপনি পুরোপুরি বিশ্বাস করেন, তার হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়াটা অত্যন্ত তৃপ্তিদায়ক।&#8221;</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="270" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/Tanveer.jpg" alt="" class="wp-image-12855" style="aspect-ratio:1.4815093466057063;width:583px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/Tanveer.jpg 400w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/09/Tanveer-300x203.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">বাবা ও মায়ের সাথে তানভীর শাহনাওয়াজ। ছবি: ফেসবুক</figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph">আরস্কিন-স্মিথ &nbsp;আরো বলেন, ”তানভীর একজন তরুণ, যিনি বিচেস-ইস্ট ইয়র্কে জন্মগ্রহণ ও বেড়ে উঠেছেন এবং সর্বদা তাঁর সম্প্রদায়ের সেবা করে এসেছেন।”</p>



<p class="wp-block-paragraph">লিবারেল পার্টির পক্ষ থেকে বলা হয়, তানভীর শাহনাওয়াজ বিচেস—ইস্ট ইয়র্কের জনগণের সেবায় এক প্রমাণিত পরিশ্রমী স্থানীয় নেতা। তিনি বিচেস—ইস্ট ইয়র্ক এবং সকল কানাডাবাসীর জন্য একটি শক্তিশালী ভবিষ্যৎ গড়তে সাহায্য করতে প্রস্তুত।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গতকাল টরন্টোর বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক এলাকায় সকাল ৯:৩০ মিনিটে ভোটগ্রহণ শুরু হয় এবং রাত ৯:৩০ মিনিটে তা শেষ হয়। প্রধান তিন দলের প্রার্থীদের প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায় লিবারেল পার্টির প্রার্থী তানভীর শাহনাওয়াজ ভোট পান ১৮,৩৬১ টি (৫৫.৭%), এনডিপি’র প্রার্থী শ্যানন ডিভাইন ভোট পান ৮,৫১২টি (২৫.৮%) এবং সংসদে প্রধান বিরোধী দল কনজার্ভেটিভ পার্টির প্রার্থী জিম সিরবোস ভোট পান ৫১১৬টি (১৫.৫%)।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উল্লেখ্য যে, টরন্টোর বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক এলাকায় প্রচুর সংখ্যক বাংলাদেশি-কানাডিয়ান ও ইমিগ্রেন্ট বাস করেন। টরন্টোর ‘বাংলা টাউন’ও অত্র এলাকায় অবস্থিত। তানভীর শাহনাওয়াজ এই এলাকারই বাসিন্দা। ৩০ বছর বয়সী তানভীরের মা-বাবাও টরন্টোতে থাকেন। তার মা-বাবা বাংলাদেশ থেকে কানাডায় আসার অল্প কিছুদিন পরেই তার জন্ম হয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">স্মরণ করা যেতে পারে যে, গত এপ্রিল মাসে বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক আসনের পাশ্ববর্ত আসন স্কারবরো সাউথওয়েস্ট থেকে লিবারেল পার্টির হয়ে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন ডলি বেগম। সেদিন প্রবাসী বাঙ্গালিদের জন্য সৃষ্টি করেন নতুন এক ইতিহাস। তাঁর ঐ ঐতিহাসিক জয়ে সেদিন আনন্দে ভেসেছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সেই সময় স্কারবরো সাউথওয়েস্ট রাইডিং- এর সাবেক এমপি ও মন্ত্রী বিল ব্লেয়ার যুক্তরাজ্যে কানাডার রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব গ্রহণ করাতে ঐ আসনটি খালি হয়ে গিয়েছিল। এর পরপরই ডলি বেগম ঐ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং বিপুল ভোটে জয়ী হন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ইতিপূর্বে ডলি বেগম স্কারবরো সাউথওয়েস্ট রাইডিং থেকে প্রভিন্সিয়াল এনডিপি’র হয়ে পরপর তিনবার এমপিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি দলটির ডেপুটি লিডারও ছিলেন। স্কারবরো সাউথওয়েস্টে তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। আর এই এলাকায়ও প্রচুর সংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী বাস করেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তানভীরের জয়ের মধ্য দিয়ে এবার কানাডার পার্লামেন্টে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সংসদ সদস্যের সংখ্যা দাঁড়ালো দুইয়ে। পার্লামেন্টের সদস্য হওয়ার এই ইতিহাস প্রথম গড়েছিলেন ডলি বেগম। তার কয়েক মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার ইতিহাস গড়লেন তানভীর শাহনাওয়াজ।</p>



<p class="wp-block-paragraph"></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কানাডায় বহুসংস্কৃতিবাদ ইতিবাচক ফল বয়ে আনছে</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/08/05/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Aug 2026 21:40:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12818</guid>

					<description><![CDATA[গবেষণা বলছে-দেশটির পরিচয়কে সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করছে বহুসংস্কৃতিবাদ প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, &#160;জুলাই ৫, ২০২৬ : সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-medium-font-size wp-block-paragraph"><strong>গবেষণা বলছে-দেশটির পরিচয়কে সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করছে বহুসংস্কৃতিবাদ</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, &nbsp;জুলাই ৫, ২০২৬ : সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কানাডাবাসী মনে করেন যে, বহুসংস্কৃতিবাদ দেশের পরিচয় গঠনে ইতিবাচক অবদান রেখেছে। খবর সিবিসি নিউজের।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গত জুন মাসের ৩০ তারিখে প্রকাশিত ‘কানাডিয়ান ডাইভারসিটি স্টাডি ২০২৬’শিরোনামের গবেষণাটি যৌথভাবে পরিচালনা করে টরন্টো মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ‘এনভায়রনিক্স ইনস্টিটিউট’ এবং ‘গ্লোবাল মাইগ্রেশন ইনস্টিটিউট’।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="562" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/08/C.jpg" alt="" class="wp-image-12819" style="aspect-ratio:1.4234993188200296;width:575px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/08/C.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/08/C-300x211.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/08/C-768x540.jpg 768w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/08/C-130x90.jpg 130w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কানাডাবাসী মনে করেন যে, বহুসংস্কৃতিবাদ দেশের পরিচয় গঠনে <br>ইতিবাচক অবদান রেখেছে। ছবি: কানাডা.সিএ</figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph">৪৯ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনটি গত ৪ মার্চ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে অনলাইন জরিপের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। জরিপে অংশ নেন ৬,৮১৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক কানাডিয়ান।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সিবিসি জানায়, অভিবাসন বিষয়ে পরিবর্তিত মনোভাবের মধ্যেই এই ফলাফল এসেছে, যা কোভিড-১৯ মহামারীর সময় এবং তার পরবর্তী বছরগুলোতে জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় কানাডার রাজনীতিতে একটি বিভেদ সৃষ্টিকারী বিষয় হয়ে উঠেছিল। প্রকৃতপক্ষে, ডাইভার্সিটি বা বহুসংস্কৃতিবাদ বিষয়ক এই সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী কানাডিয়ানদের মধ্যে মাত্র ২০ শতাংশ অভিবাসন সম্পর্কে পুরোপুরি ইতিবাচক মতামত প্রকাশ করেছেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কিন্তু যারা এই বিষয়টি নিয়ে বেশি নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন, তাদের মধ্যেও সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ বিশ্বাস করেন যে,&nbsp; কানাডার উপর একটি ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে বহুসংস্কৃতিবাদের।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>অভিবাসন নিয়ে সাম্প্রতিক তীব্র প্রতিক্রিয়া</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">গত বছর কানাডার জনসংখ্যা ০.২ শতাংশ হ্রাস পাওয়ায়, কনফেডারেশন গঠনের পর সেই প্রথমবার দেশটিতে লোকসংখ্যায় হ্রাস দেখা গিয়েছিল। চলতি বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে জনসংখ্যা আবারও ০.১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">জাস্টিন ট্রুডোর প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন, মহামারীর পরে শ্রম ঘাটতির কারণে ফেডারেল সরকার অভিবাসন ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছিল। সরকার &#8216;অস্থায়ী বাসিন্দাদের&#8217; উপর বিধিনিষেধও শিথিল করে, যার ফলে আন্তর্জাতিক ছাত্র এবং অস্থায়ী বিদেশী কর্মীদের সংখ্যায় ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটে। এর ফলে, টানা তিন বছর ধরে জনসংখ্যা বছরে প্রায় দশ লক্ষ করে বৃদ্ধি পেয়েছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এই আকস্মিক বৃদ্ধি দেশের আবাসন বাজারের পাশাপাশি অবকাঠামোকেও কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছিল। স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাও এই পরিস্থিতির সাথে তাল মেলাতে হিমশিম খাচ্ছিল এবং যুব বেকারত্ব ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। ২০২৫ সালের শেষের দিকে পরিচালিত একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল যে, প্রায় তিন-চতুর্থাংশ কানাডিয়ান নতুন অভিবাসীর সংখ্যা কমানোর পক্ষে ছিলেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তীব্র সমালোচনার মুখে তখন ট্রুডো পরবর্তীতে দেশে অস্থায়ী ও স্থায়ী উভয় ধরনের বাসিন্দাদের আগমন কমানোর জন্য নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করেছিলেন। পরে মার্ক কার্নি &nbsp;প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর সেই লক্ষ্যমাত্রা আরও কমিয়ে দেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উল্লেখ্য যে, বহুসংস্কৃতিবাদ বিষয়ক সমীক্ষাটি এই ফলাফলগুলোকে সমর্থন করে, যেখানে প্রতি তিনজনের মধ্যে প্রায় একজন উত্তরদাতা বলেছেন যে, তাদের মতে অভিবাসনের হার অনেক বেশি এবং কানাডার অভিবাসীদের প্রতি পুরোপুরি স্বাগত জানানো উচিত নয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তা সত্ত্বেও, একটি বড় অংশ—৬০ শতাংশ—বলেছেন যে কানাডার উচিত তাদের পুরোপুরি স্বাগত জানানো। এই মনোভাবের সঙ্গে একমত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম প্রজন্মের অভিবাসীদের হার ছিল বেশি, ৭৩ শতাংশ, যেখানে দ্বিতীয় প্রজন্মের ক্ষেত্রে এই হার ছিল ৬৫ শতাংশ এবং অ-অভিবাসীদের ক্ষেত্রে ৫১ শতাংশ।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা বলেছেন, অভিবাসী বাছাই করার সময় কানাডার উচিত তাদের উৎস দেশের চেয়ে যোগ্যতার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া। পঁয়ষট্টি শতাংশের মতে, অভিবাসীরা কোথা থেকে এসেছেন সেটার ওপর গুরুত্ব না দিয়ে তাদের শিক্ষা ও দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিৎ।</p>



<p class="wp-block-paragraph">দীর্ঘদিন ধরেই এই উদ্বেগ রয়েছে যে, কানাডার ক্রমহ্রাসমান জন্মহার ও মন্থর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সামাল দেওয়ার জন্য নীতিনির্ধারকরা কেবল আরও বেশি মানুষ নিয়ে আসার দিকেই মনোনিবেশ করেছেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কিন্তু অর্থনীতিবিদরা বলছেন যে, ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হলে শুধু আরও অভিবাসীকে প্রবেশের অনুমতি দিলেই চলবে না, আমাদের আরও বেশি কিছু করতে হবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">২০২৪ সালের C.D. Howe Institute publication এর একটি প্রকাশনা অনুসারে, কানাডার তুলনামূলকভাবে দুর্বল মূলধনী বিনিয়োগ এবং উৎপাদনশীলতার প্রবৃদ্ধি ইঙ্গিত দেয় যে দেশটি বর্ধিত অভিবাসনকে নিজের সুবিধার্থে ব্যবহার করতে সক্ষম নয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ওই সমীক্ষা অনুসারে, অভিবাসন নীতির একমাত্র লক্ষ্য যদি হয় শ্রমশক্তি বৃদ্ধি করা, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে গড় জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে পারবে না। এতে বলা হয়েছে, লক্ষ্য হওয়া উচিত সমগ্র জনগোষ্ঠীর মানব পুঁজি বা দক্ষতার স্তর বৃদ্ধি করা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">নাগরিকদের পরিচয়ের জন্য কানাডা এখনও গুরুত্বপূর্ণ</p>



<p class="wp-block-paragraph">গবেষণায় আরো দেখা গেছে, বহুসংস্কৃতিবাদ সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের এক বিরাট অংশ, অর্থাৎ ৮৭ শতাংশ, তাদের আত্মপরিচয়ের বোধের জন্য কানাডাকে খুব বা কিছুটা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেছেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গবেষকরা উল্লেখ করেছেন যে, চলমান সমাজ সমীক্ষাগুলো বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যাওয়া দেশের অবস্থা সম্পর্কে রাজনীতিবিদ ও নাগরিকদের অবহিত করতে সাহায্য করতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পিতা-মাতা, দাদা-দাদি/নানা-নানি স্পনসরশিপের আবেদন স্থগিত করেছে কানাডা</title>
		<link>https://probashikantho.com/2026/08/05/%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Khurshid]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Aug 2026 21:35:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Cover Story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://probashikantho.com/?p=12815</guid>

					<description><![CDATA[প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, &#160;জুলাই ১৬, ২০২৬ : পারিবারিক পুনর্মিলনকে উৎসাহিত করার কর্মসূচির অধীনে, যারা তাদের বাবা-মা এবং দাদা-দাদি/নানা-নানিকে স্থায়ী বাসিন্দা]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph">প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, &nbsp;জুলাই ১৬, ২০২৬ : পারিবারিক পুনর্মিলনকে উৎসাহিত করার কর্মসূচির অধীনে, যারা তাদের বাবা-মা এবং দাদা-দাদি/নানা-নানিকে স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে কানাডায় আসার জন্য স্পনসর করতে চান, ফেডারেল সরকার এই বছর তাদের কাছ থেকে কোনো নতুন আবেদন গ্রহণ করবে না।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignleft size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="453" src="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/08/P.jpg" alt="" class="wp-image-12816" style="aspect-ratio:1.766030837156359;width:478px;height:auto" srcset="https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/08/P.jpg 800w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/08/P-300x170.jpg 300w, https://probashikantho.com/wp-content/uploads/2026/08/P-768x435.jpg 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /><figcaption class="wp-element-caption">পিতা-মাতা, দাদা-দাদি/নানা-নানি স্পনসরশিপের আবেদন স্থগিত করেছে কানাডা। <br>ছবি : দি কানাডিয়ান প্রেস এর</figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph">ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, স্পনসরশীপের ব্যবস্থাটিকে দায়িত্বশীলভাবে পরিচালনা করা এবং অপেক্ষার সময় কমানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। খবর দি কানাডিয়ান প্রেস এর।</p>



<p class="wp-block-paragraph">অনলাইনে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, স্পনসরশীপের প্রোগ্রামটির প্রতি আগ্রহীর সংখ্যা আসনের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ইতিমধ্যে ৬০,৫০০টি আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য অপেক্ষার সময় প্রায় ৩৩ মাস। আর কুইবেকে তা ৬৬ মাস পর্যন্ত হতে পারে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">২০২০ সালে স্পনসরশীপের এই কর্মসূচিটি চালু করা হয়েছিল, যখন দুই লক্ষেরও বেশি স্থায়ী বাসিন্দা ও নাগরিক তাদের বাবা-মা অথবা দাদা-দাদি বা নানা-নানিকে কানাডায় আনার জন্য স্পনসর করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ইমিগ্রেশন বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, নতুন এই সিদ্ধান্তের কারণে ২০২৬ এবং ২০২৭ সালে ১৫,০০০ পর্যন্ত মানুষকে কানাডায় স্থায়ী বসবাসের জন্য অনুমোদন দেওয়ার পরিকল্পনায় কোনো পরিবর্তন হবে না। আর নতুন আবেদনপত্র গ্রহণ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত “পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত” কার্যকর থাকবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তবে কানাডার নাগরিক এবং স্থায়ী বাসিন্দারা এখনও “সুপার ভিসা”-র জন্য আবেদন করতে পারেন, যার মাধ্যমে তাদের বাবা-মা ও দাদা-দাদি/নানা-নানিরা অস্থায়ী ভিত্তিতে একবারে পাঁচ বছর এবং মোট ১০ বছর পর্যন্ত কানাডায় ভ্রমণের অনুমতি পাবেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
