জনসংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে ভারত

ভারতের জনসংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে । ছবি : রয়টার্স

প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, জানুয়ারি ৩০, ২০২৬ : বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ হিসাবে স্বীকৃতি পয়েছে ভারত। এই হিসাব ২০২৫ সালের। চীনকে পেছনে ফেলে ভারত বর্তমানে শীর্ষস্থানে রয়েছে, যার জনসংখ্যা ১.৪৬ বিলিয়নের বেশি। দ্বিতীয় স্থানে আছে চীন যার জনসংখ্যা ১.৪২ বিলিয়ন। আর তৃতীয় স্থানে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যার জনসংখ্যা প্রায় ৩৪১ মিলিয়ন।

চীনের জনসংখ্যা বর্তমানে হ্রাস পাচ্ছে, অন্যদিকে ভারতের জনসংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৫ সালে এই তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, চীনে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সেই তুলনায় নতুন করে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা বাড়ছে না। এ পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন হয়ে চীন জন্মহার বাড়ানোর জন্য নানান উদ্যোগ নিচ্ছে। কিন্তু তাতে খুব একটা কাজ হচ্ছে না। 

উল্লেখ্য যে, চীন একসময় জনসংখ্যা কমাতে ‘এক সন্তান নীতি’চালু করেছিল। তবে এক সময় এসে দেখা গেল, সেই নীতি হিতে বিপরীত হয়েছে। ফলে ২০১৬ সালে চীন তার এক সন্তান নীতি বদল করে এবং ২০২১ সালে বিভিন্ন প্রণোদনা সহকারে তিন সন্তান নীতি প্রবর্তন করে। কিন্তু ততদিনে মানুষের জীবনযাত্রায় অনেক পরিবর্তন এসেছে। এক সন্তান বা সন্তান না নেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে পেশাজীবীদের মধ্যে। চীনে শিশু লালনপালনের খরচও অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন সন্তান গ্রহণ না করার এটাও একটি কারণ। অন্যদিকে অবিবাহিত চীনা তরুণ-তরুণীরা বিয়ে করতেও তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে না। ফলে সেই দেশে জন্মহার কমে যাচ্ছে।

তবে মহামারিতে ভারতে বহু মানুষের মৃত্যু হলেও দেশটিতে জনসংখ্যা বেড়েছে। অর্থনীতিবিদ শ্রুতি রাজাগোপালন মনে করেন, তরুণরা ভারতের জন্য আশীর্বাদ। তিনি জানান, এই তরুণ প্রজন্ম ভারতের বৃহত্তম ভোক্তা বিভাগ গঠন করবে। এছাড়া তারা দেশের বৃহত্তম কর্মক্ষম জনসংখ্যাতে পরিণত হবে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *