ফেলে আসা দিনগুলি মোর

[অতীত জীবনের কিছু স্মৃতি]

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

সাইদুল হোসেন

কি.কম পাশ করার বেশ আগেই চাকরি পেয়ে গেলাম তদানিন্তন গভর্ণমেন্ট অফ ইস্ট পাকিস্তানের ফাইনান্স ডিপার্টমেন্টে। ডেপুটি সেক্রেটারী ছিলেন নুরুল হক, তিনি আমাকে খুবই স্নেহ করতেন। ডেপুটি সেক্রেটারীর ঠিক নীচের পদটিই ছিল হেড অ্যাসিস্টেন্ট, যথেষ্ট ক্ষমতাধর পদ ছিল সেটা। আমাদের হেড অ্যাসিস্টেন্ট ছিল এক বদমেজাজী বিহারী। সেকশনের অপর সাতজন আমরা বাঙ্গালী। নানা ছুতানাতায় সন্ত্রস্ত করে রাখতো আমাদের সবাইকে। ডেপুটি সেক্রেটারী সে খবর রাখতেন। একদিন কোন এক কাজে উনার কাছে গেলে কাজের শেষে আমাকে বললেন, “হেড অ্যাসিস্টেন্ট কোন সমস্যা সৃষ্টি করলে সরাসরি আমার কাছে এসে রিপোর্ট করবেন।” যেহেতু ওর মাতৃভাষা ছিল উর্দু, আমাদের হেড অ্যাসিস্টেন্ট নিজেকে রাজার/শাসকের জাত বলে ভাবতো এবং বাঙ্গালীদের ঘৃণা করতো।

যদিও আমি সবেমাত্র কাজে যোগ দিয়েছি, পূর্ব অভিজ্ঞতা কিছুই নেই, তথাপি হেড অ্যাসিস্টেন্ট প্রতিদিন আমাকে অনেকগুলো করে ফাইল দিতে লাগলো। আইন-কানুনও জানি না, তাই অফিসের অন্য সবাইকে এটা-সেটা জিজ্ঞাসা করে তবে ফাইল ডিসপোজ করতাম। স্বভাবতঃই দেরী হতো। হেড অ্যাসিস্টেন্ট খুব মেজাজ দেখাতেন। সেটা দেখে একদিন আমাদের সিনিয়র অ্যাসিস্টেন্টের মনে খুব দয়ার সঞ্চার হল। পঁচিশ বছরের অভিজ্ঞতা, সেই বিভাগপূর্ব কলকাতা রাইটার্স বিল্ডিং থেকে চাকরি জীবনের শুরু। তিনি আমার টেবিলে স্তূপীকৃত সব ফাইল খুলে সেগুলোকে তিনভাগে ভাগ করলেন। প্রত্যেক ভাগ থেকে একটি দুটি করে ফাইল খুলে বিষয়বস্তু আলোচনা করে কাজের প্রকৃতি বর্ণনা করে বোঝালেন কোন ধরণের ফাইলে সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন নিয়ে হেড অ্যাসিস্টেন্টের টেবিলে সাবমিট করা যায়, কোনগুলো দু’দিন/তিনদিন পরে দিলেও হয়, আর কোনগুলো আরো বেশী ইনফরমেশান/রেফারেন্স ইত্যাদি জোগাড় করে সপ্তাহ দিনের ভেতরে দিলেও চলে। এরপর থেকে আমার কাজের অগ্রগতি বেশ খানিকটা বেড়ে গেল, কাজ করে করে নিজেরও অভিজ্ঞতা বাড়তে লাগল। সমস্যা তাই ধীরে ধীরে কমতে লাগল।

আমাদের হোস্টেল এবং সেক্রেটারিয়েটের মাঝে দূরত্ব ছিল সামান্যই, তাই হেঁটে অফিসে যাওয়া-আসা করতাম, রিক্সা বা বাস নিতে হতো না। আমার ঢাকা যাওয়ার আগেই গুলিস্তান সিনেমা হল চালু হয়, পাশেই ছিল গুলসিতান রেস্টুরেন্ট। ঢাকার সর্বপ্রথম এয়ারকন্ডিশন্ড সিনেমা হল গুলিস্তান। এর সামনে দিয়ে প্রতিদিন অফিসে যাতায়াত করতে হতো। ভাল ইংলিশ মুভি আসলেই সেটা দেখতে যেতাম, রিয়ার স্টলের টিকেট ছিল এক টাকা চারআনা মাত্র। পয়সাকড়ির অভাব ছিল না, তাই ঘনঘন সিনেমা দেখতাম। সেই বিল্ডিংয়ের উপরতলায় ছিল বিখ্যাত চাইনীজ রেস্টুরেন্ট চু চিন চাও। ওখানটার আকর্ষণ ছিল এস্প্রেসো কফি, মগভর্তি ফেনিল সুস্বাদু কফি, দাম মাত্র এক টাকা। এতোই মজাদার সেই কফি যে, এর আকর্ষণে বহুটাকার কফি খেয়েছি সে কথা আজো মনে পড়ে।

ঢাকার গুলিস্তান মোড়ে অবস্থিত গুলিস্তান সিনেমা হল। ছবি: সংগৃহীত

১৯৫৪-৫৫ সনের কোন একসময় গুলিস্তান সিনেমাতে সেই যুগের sensational 3-Dimension মুভি আসতে লাগলো একের পর এক। আট আনা জমা রেখে এক বিশেষধরনের চমশা চোখে দিয়ে তবে সেই মুভি দেখতে হতো, খালি চোখে কিছুই দেখা যেত না। শো শেষ হলে চশমা ফেরত দিয়ে আটা আনা পয়সা ফেরত পাওয়া যেতো। দারুণ উত্তেজনাকর সব ছবি ছিল সেগুলো।

১৯৫৪ সনের অভাবনীয় রাজনৈতিক চমক ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মুসলিম লীগ সরকারের প্রধান মন্ত্রী নূরুল আমীনের প্রাদেশিক ইলেকশনে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী ছাত্রনেতা খালেক নওয়াজ খানের হাতে চরম পরাজয়। মুসলিম লীগের ভরাডুবি ঘটিয়ে ছাড়ল সেই পরাজয়। চার আনা সের লবণের দাম হঠাৎ করে বেড়ে ১৬ টাকা সের হয় ১৯৫৩ সনে। দেশবাসীর দুর্ভোগের সীমা ছিল না।  নূরুল আমীনের বিরুদ্ধে এটাও ছিল বিরাট এক বিক্ষোভ। আর ১৯৫২’র বাংলা ভাষা আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের হত্যার অপরাধ তো জাগ্রতই ছিল দেশবাসীর মনে।

স্মৃতির পাতা যতই হাতড়াচ্ছি ততই ১৯৫৪ সনের আরো সব ঘটনা মনে পড়ছে। সে বছরই ঢাকা স্টেডিয়ামে সর্বপ্রথম ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট ম্যাচ হয়। ইংল্যান্ডের বিখ্যাত এম.সি.সি, দল বনাম পাকিস্তান ক্রিকেট টীমের খেলার দিনে সারা শহরে কি উত্তেজনা, কি চাঞ্চল্য!

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম যে সর্বনাশা বন্যা হয় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সেটাও ঘটেছিল এই ১৯৫৪ সনেই। বন্যার পানিতে ঢাকার রাস্তায় নৌকা চলাচল করল বেশ ক’দিন ধরে। আমেরিকা প্রচুর সাহায্য পাঠালো বিশাল এক প্লেইন ভর্তি করে, সেই প্লেইনের নাম ছিল ‘গ্লোব মাস্টার’। এর ভেতর থেকে মালভর্তি ট্রাক একের পর এক ড্রাইভ করে মাটিতে নামত, তারপর ফুড গোডাউনে গিয়ে মাল খালাস করে ফিরে যেতো প্লেইনের  ভেতরে। পত্রিকায় ছবি দেখে ও বর্ণনা পড়ে আমরা তো হতভম্ব। এমনটাও সম্ভব? তাই অফিস থেকে একদিন ছুটি নিয়ে আমরা দুই সহকর্মী তেজগাঁও এয়ারপোর্টে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে সেই বহুতলা উঁচু এরোপ্লেইন ও ভেতর থেকে ট্রাকের নামা-উঠা দেখলাম অবাক চোখে তাকিয়ে তাকিয়ে।

স্মৃতিতে আরো বহু কথা জ্বলজ্বল করছে। সব লিখা সম্ভব নয়। তবে ১৯৫৪ সনের আর একটি বিশেষ ঘটনা উল্লেখ করেই এই লেখার ইতি টানবো। ঘটনাটা হলো, সে বছরেই আমার ভবিষ্যৎ স্ত্রীর সঙ্গে সর্বপ্রথম সাক্ষাৎ এবং পরিচয় ঘটে কোন এক সূত্রে। তবে পরিচয় থেকে পরিণয় পর্যন্ত পৌঁছতে সময় লেগেছিল পাঁচ বছর।

একাত্তরের স্মৃতি

১৯৭১ সন। বাঙ্গালী জাতির ইতিহাসের সব চাইতে দুর্যোগময় এবং একই সাথে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। শাসকদের চরম প্রতিহিংসার শিকার হয়ে লক্ষ লক্ষ নারী-পুরুষ ও শিশুর প্রাণ দান ও নারীদের সম্ভ্রমহানির বছর এই ১৯৭১ সন। একই সঙ্গে পাকিস্তানী শাসনের ২৪ বছরের দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙ্গে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠারও বছর এই ১৯৭১ সন। নয় মাস ব্যাপী শ্বাসরুদ্ধকর অবরোধকালে ঠান্ডা মাথায় পাকিস্তানীরা বাঙ্গালীদের হত্যা করেছে, বাংলাদেশের বিপুল সম্পদ পশ্চিম পাকিস্তানে অবৈধভাবে পাচার করেছে, নারীদের ইজ্জত লুটেছে। কিন্তু বাঙ্গালী মাথা নত করেনি। রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে পাকিস্তানীদের বাংলাদেশের মাটি থেকে উৎখাত করে তবে ক্ষান্ত হয়েছে। সরাসরি এবং পরোক্ষ দু’ভাবেই প্রতিটি বাঙ্গালী পরিবার এই পরিকল্পিত হত্যা, নারী নির্যাতন, অপমান ও লুণ্ঠনের শিকার হয়েছে। নিতান্তই ভাগ্যক্রমে কেউ কেউ হত্যা-নির্যাতন ইত্যাদি এড়াতে পেরেছে। আমার ব্যক্তিগত কিছু অভিজ্ঞতার কথা এখানে বলছি।

১৯৭১ সনে আমি একটি কর্পোরেশনের হেড অফিসে ঢাকায় চাকরীরত ছিলাম। ২৫শে মার্চের হত্যাযজ্ঞের পর নিতান্তই ভয়েভয়ে দিন কাটছিল। অফিসের ভেতরে বা বাইরে কোথাও নিরাপত্তা ছিল না, চাকরী হারানো এবং প্রাণ হারানো দুই আশঙ্কাই পুরোপুরি বর্তমান ছিল। তবুও দিন কাটছিল। সেই সময়ে আমি ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকার মৌচাক মার্কেটের অতি নিকটে সপরিবারে বাস করতাম। আমার বড় ছেলের বয়স তখন এগারো বছর, কিন্তু মাথায় বেশ উঁচু এবং স্বাস্থ্যও বেশ ভালো। ক্লাস সিক্সে পড়ে। সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি একদিন দুপুরে সে বেশ উত্তেজিত অবস্থায় দৌড়াতে দৌড়াতে বাসায় এসে ঢুকলো। মুখ ভয়ে একদম সাদা। কি ব্যাপার? সে তখন জানালো যে ঘরে আবদ্ধ থেকে থেকে অস্থির হয়ে এক প্যাকেট বিস্কুট কেনার উদ্দেশ্যে সামনের মৌচাক মার্কেটে গিয়েছিল। বিস্কুট কিনে প্যাকেটটা হাতে নিয়ে মার্কেটের বাইরে আসতেই দেখল সামনে একটা আর্মি ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে এবং ওতে বেশ কয়েকজন সাধারণ লোক এবং ওরই বয়সের কয়েকটা ছেলেও মাথা নীচু করে ট্রাকের ফ্লোরেও বসে আছে। ওকে দেখেই গাড়ী থেকে আর্মীর পোশাক পরা একটি লোক নেমে এসে হাত চেপে ধরে বলল, “ট্রাকে ওঠো।”

শুনেই ওর অন্তরাত্মা ভয়ে কেঁপে উঠলো কারণ ইতিমধ্যেই সে নানা সূত্র ও ঘটনাবলী থেকে জেনে গেছে যে আর্মীর লোকেরা এমনি করে লোকজন ধরে নিয়ে গিয়ে ওদের হত্যা করে। সে তখন বুদ্ধি করে ভাঙ্গা ভাঙ্গা উর্দু ইংরেজী বাংলা মিলিয়ে বলল যে, সে এক বাসায় কাজের লোক, সেই বাসার খুবই অসুস্থ একটি রোগীর জন্যে সে এক প্যাকেট গ্লুকোজ বিস্কুট কিনে নিয়ে যাচ্ছে। বিস্কুটের প্যাকেটটা বাসায় পৌঁছে দিয়েই সে চলে আসবে। লোকটি তখন ওর মুখের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল, সাচ? আমার ছেলে তখন সজোরে মাথা ঝাঁকিয়ে বলল, সাচ। শুনে লোকটি ওর হাত ছেড়ে দিয়ে বলল, আচ্ছা যাও, জলদি আনা। ছাড়া পেয়েই ছেলে গলির ভেতরে ঢুকে দিল ভোঁ দৌড়। ভাগ্যিস ওর মাথায় ঐ উপস্থিত বুদ্ধিটা খেলেছিল এবং ঐ লোকটাও ওকে বিশ্বাস করে ছেড়ে দিয়েছিল, না হলে ওকে আমরা চিরতরে হারিয়ে ফেলতাম সেদিনই।

অফিসের কাজে অক্টোবরের (১৯৭১) মাঝামাঝি দু’সপ্তাহের জন্যে করাচি যেতে হলো। ঢাকা-কলম্বো-করাচি ননষ্টপ ফ্লাইট। থাকি অফিসের অনতিদূরে এক হোটেলে, সকাল বিকাল অফিসের গাড়ীতেই যাতায়াত করি। সেখানে আমাদের অফিসের ম্যানেজার ছিলেন একজন বাঙ্গালী। ওর কাজ ছিল পূর্ব পাকিস্তানে তৈরী নিউজপ্রিন্ট পশ্চিম পাকিস্তানে, বিশেষতঃ ওখানকার দৈনিক-সাপ্তাহিক উর্দু-ইংরেজী খবরের কাগজওয়ালাদের কাছে বিক্রী করা। মনিং নিউজ, জং, হুররিয়াত ইত্যাদি পত্রিকার সম্পাদকেরা নিয়মিত আসা-যাওয়া করতেন সেই অফিসে। একদিন আমার উপস্থিতিকালেই আসলেন কোন এক উর্দু পত্রিকার সম্পাদক। আমিও তখন ম্যানেজারের কামরায়। সম্পাদকের সঙ্গে তিনি আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দিলে একথা-সেকথা আলোচনার ফাঁকে সম্পাদক সাহেব আমাকে উর্দুতে জিজ্ঞাসা করলেন (এতক্ষণ ধরে কথাবার্তা ইংরেজীতে চলছিল), “আপ উর্দু জানতে হ্যায়?” উর্দু আমি মোটামুটিভাবে কাজ চালানো গোছের জানতাম, কিন্তু ওর সঙ্গে কথা বলার ইচ্ছা ছিল না। তাই বললাম, না।

শুনেই ভদ্রলোক রেগে আগুন। অতিশয় উত্তেজিত হয়ে উর্দুতেই আমাকে বেশ ধমকালেন, যার বাংলা অনুবাদ করলে এরকম দাঁড়ায় : কেন জানেন না? আপনি একজন পাকিস্তানী নন? একজন মুসলমান নন? এই সুদীর্ঘ চব্বিশ বছর ধরে উর্দুর সরাসরি সংস্পর্শে থেকে পাকিস্তানে বাস করেও কেন শেখেননি উর্দু? বাংলা ভাষা তো কুফরী জবান, হিন্দু কাফেরদের ভাষা, মুসলিমদের নয়। আপনার লজ্জা করে না বলতে যে আপনি উর্দু জানেন না? বাংলা তো আপনার বহু বছর আগেই পরিত্যাগ করে উর্দুকে গ্রহণ করা উচিত ছিল। কেন করেননি? আপনাদের মত লোকদের জন্যেই তো পাকিস্তানের আজ এই দুর্দিন।

তাঁর উষ্মা প্রদর্শন করা থামলে আমিও বেশ উত্তেজিত হয়ে জবাব দিতে যাচ্ছি দেখে অফিস ম্যানেজার তাঁর চেয়ার ছেড়ে আমাদের দু’জনের মাঝে এসে দাঁড়ালেন এবং আমার পিঠে হাত রেখে চাপ দিয়ে আস্তে করে বাংলায় বললেন, “চুপ করে যান, শহরের পরিস্থিতি খুবই খারাপ, প্রতিবাদ করলে যে কোন অঘটন ঘটে যেতে পারে, আমি সামলাতে পারবো না।” তারপর উর্দুতে সম্পাদককে বললেন, “রাজনৈতিক আলোচনার উপযুক্ত ক্ষেত্র বা পরিবেশ এটা নয় জনাব, তাই সেন্টিমেন্টাল না হওয়ার জন্যে আপনাকে অনুরোধ করছি।” তারপর টেবিলের উপর থেকে তাঁর সই করা একটা কাগজ সেই সম্পাদকের দিকে বাড়িয়ে ধরে বললেন, “এই আপনার নিউজপ্রিন্টের পারমিট। আরো প্রয়োজন হলে আমাকে দয়া করে ফোন করবেন। লাঞ্চ টাইম প্রায় ওভার হয়ে যাচ্ছে, আজকের মত চলুন উঠা যাক।”(চলবে)

সাইদুল হোসেন

মিসিসাগা, অন্টারিও

কানাডা