হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া কখন জরুরি
প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫: মানব দেহের রক্তনালীতে চর্বিজাতীয় পদার্থ জমা হতে হতে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার পথটি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বন্ধ (ব্লক) হয়ে যেতে পারে। আর এই অবস্থাকেই বলে হার্টে ব্লক হয়েছে।
তবে রক্তনালীতে চর্বিজাতীয় বস্তু খুব ধীরে ধীরে জমা হতে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে একটি ব্লক ১০% থেকে বৃদ্ধি পেতে পেতে ৮০%-এ পৌঁছাতে ব্যক্তিভেদে ১০ থেকে ৩০/৪০ বছর সময় লাগতে পারে।

অবশ্য হার্ট ব্লকেজ ধীরে ধীরে গড়ে উঠলেও, শরীর আগেভাগেই কিছু সতর্ক সংকেত পাঠাতে শুরু করে। তাই সময়মতো লক্ষণগুলো চিনে নিতে পারলে অনেক বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব। চলুন, জেনে নিই হার্ট ব্লকেজের সাধারণ লক্ষণগুলো কী কী।
১. বুক ধড়ফড় করে।
২. নিঃশ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হয়।
৩. হৃদযন্ত্রের রক্তনালীতে বেশি পরিমাণে ব্লক থাকলে বুকে ব্যথা অনুভূত হয়। সেই ব্যথা আস্তে আস্তে বাম হাতে ছড়িয়ে পড়ে।
৪. নিচের দিকে হেলে কিছু করার ও একটু ভারী কিছু বহনের সময় কষ্ট হয়।
৫.সিঁড়ি ভাঙা, হালকা হাঁটা বা দৈনন্দিন কাজে হঠাৎ শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া হার্ট ব্লকেজের ইঙ্গিত হতে পারে।
৬. কখনো কখনো দেখা যায় দিনভর ক্লান্ত লাগে, বিশ্রামের পরেও শক্তি পাওয়া যায় না। এমন লক্ষণও হার্ট ব্লকেজের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
উপরের এই উপসর্গগুলোর যেকোনো একটি বারবার দেখা দিলে অবহেলা করা উচিৎ নয়। দ্রুত একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। নিয়মিত চেকআপ, স্বাস্থ্যকর খাবার, ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ধূমপান এড়িয়ে চললে হার্ট ব্লকেজ প্রতিরোধ করা অনেকটাই সম্ভব। – তথ্য সূত্র : অনলাইন
