প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কানাডাবাসী পুলিশের ওপর আস্থাশীল: স্ট্যাটক্যান

প্রবাসী কণ্ঠ ডেস্ক : নতুন এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সমীক্ষায় অংশ নেওয়া অর্ধেকেরও বেশি কানাডীয় নাগরিকের অন্যান্য জাতীয় প্রতিষ্ঠানের চেয়ে পুলিশের ওপর বেশি আস্থা রয়েছে। খবর ভেরাসিয়া আনক্রাহ-নাউটরন্টো.কম।

অর্ধেকেরও বেশি কানাডীয় নাগরিকের অন্যান্য জাতীয় প্রতিষ্ঠানের চেয়ে পুলিশের ওপর বেশি আস্থা রয়েছে। ছবি: প্রবাসী কণ্ঠ

স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা দেশের পুলিশ, বিচার বিভাগ ও আদালত, কেন্দ্রীয় পার্লামেন্ট ও কানাডার গণমাধ্যমের ওপর দেশবাসীর আস্থার স্তর সম্পর্কিত প্রাথমিক উপাত্ত প্রকাশ করেছে। দেশের জনগণ ও তাদের সমাজ সম্পর্কে স্ট্যাটক্যান যে ধারাবাহিক সমীক্ষা চালাচ্ছে এই উপাত্ত তারই অংশ এবং এটির ভিত্তি হলো তাদের সংগৃহীত জনগণের সামগ্রিক জবাবের অর্ধেকের ওপর।

সমীক্ষায় বলা হয়, ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৩ সালের জানুয়ারির মধ্যে ৬৭ শতাংশ কানাডীয় পুলিশের ওপর তাদের উচ্চস্তরের আস্থা আছে বলে জানিয়েছেন।

অবশ্য অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ওপর কানাডীয়দের আস্থা কম। বিচার বিভাগ ও আদালতের ওপর আস্থা আছে এমন মানুষের সংখ্যা ৫১ শতাংশ। কেন্দ্রীয় পার্লামেন্টের ওপর আস্থা রাখেন ৩৬ শতাংশ এবং গণমাধ্যমের ওপর আস্থাশীল ৩৩ শতাংশ কানাডীয়।

কানাডায় জাতিগত, অ-জাতিগত এবং আদিবাসী নয় এমন নাগরিকদের মধ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর আস্থার স্তরে ভিন্নতা আছে কিনা সমীক্ষায় সেটাও পরীক্ষা করা হয়েছে।

রিপোর্টে দেখা গেছে, জাতিগত কানাডীয়রা পুলিশের ওপর আস্থার কথা বলেছেন কম।

সমীক্ষায় অংশ নেয়া দক্ষিণপূর্ব এশীয় জনগণের ৬৩ শতাংশ বলেছেন, আইনপ্রয়োগের বিষয়ে তারা নিশ্চিত বোধ করেন না। একই রকম কথা বলেছেন কৃষ্ণাঙ্গদের ৫২ শতাংশ এবং জাপানিদের ৪৭ শতাংশ। অন্যদিকে যারা জাতিগত বা আদিবাসী কানাডীয় নয় তাদের ৬৯ শতাংশেরই পুলিশের ওপর পূর্ণ আস্থা আছে।

রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণপূর্ব এশীয় জনগণসহ কানাডায় জন্ম নেয়া জাতিগত উপদলের লোকজনের ক্ষেত্রে পুলিশের ওপর আস্থা উল্লেখযোগ পরিমাণে কমে যায়, যা ৪৫ শতাংশ এবং কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে ৩২ শতাংশ। 

সম্পূর্ণ জবাবের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রকাশ করার কথা।